পাঠদান অনুমতির আবেদন
প্রাথমিকের পাঠদান অনুমতির ফাইল জমা দিতেই ২০,০০০ ঘুষ দিতে হবে। অনলাইনে ফাইল জমা দেওয়ার সুযোগ থাকলেও থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে বলা হয়েছে অফিসে সরাসরি ফাইল জমা দিতে। অফিসে ফাইল জমা দিতে গেলে ঘুষ দিতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রাথমিকের পাঠদান অনুমতির ফাইল জমা দিতেই ২০,০০০ ঘুষ দিতে হবে। অনলাইনে ফাইল জমা দেওয়ার সুযোগ থাকলেও থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে বলা হয়েছে অফিসে সরাসরি ফাইল জমা দিতে। অফিসে ফাইল জমা দিতে গেলে ঘুষ দিতে হয়।
শিক্ষকরা যখন নিয়োগ পান তারপর তাদের বেতন ও উচ্চতর স্কেল বা বিভিন্ন ধরনের কাজে উপজেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে ফাইল মাউশি/মাদ্রাসা অধিদপ্তরে পাঠাতে হয়। ফাইল বুঝে প্রত্যেকটি থেকে কমপক্ষে ২০০০ থেকে কাজের ধরন অনুযায়ী টাকা বাড়তে থাকা। এটা উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার ও সুপার ভাইজারদের একটা বিশাল সিন্ডিকেট।
Farants name ar age thiek korte Dhaka education abroad ar ak officer 2500 taka gush dabi kore
প্রথমেই বলি আপনারা শিক্ষা অফিস রাখছেন বাট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাখেন নাই। কিন্তু বাংলাদেশ এ ঘুষ প্রথমে শেখা ও শেখানোই হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ আমি নোয়াখালীর সবচেয়ে সুনামধন্য কলেজ এর শিক্ষার্থী। আমার অনার্স জীবনের ৪ বছরে আপনি কাগজপত্র জমা দিবেন! চা নাস্তার খরচ। কাগজপত্র তুলবেন! চা নাস্তার খরচ। ফর্মফিলাপ, প্রাক্টিকাল, সার্টিফিকেট তোলা এসবের সময় ওপেন কেরানি চেয়ার টেবিল নিয়ে বসে(৫০০৳) করে চা নাস্তার খরচ তোলে। এবার ডিপার্টমেন্ট থেকে বের হয়ে একাডেমিক ভবন এর কাজে যাবেন! ওখানের গাছের পাতাও চা নাস্তার খরচ ছাড়া নড়েনা। নয়তো লাঞ্চের পরে আসেন। এসব নিয়ে ডিপার্টমেন্ট হেড বা স্যার, ম্যামদের বিচার দিবেন! তারাই এর ভাগ বাটোয়ারা কারী। প্রিন্সিপালকে বিচার দিবেন! আপনারকি মিয়া ওই ডিপার্টমেন্ট থেকে পাশ করে বের হওয়া.
Although he was the top candidate, the VC and his syndicate requested a payment of $15,000 to issue the appointment letter in 2023. The payment has not been made, and the appointment has yet to be received. The position remains unfilled to this day! His associate, Mr. S, has brought in numerous relatives for recruitment. There is no one to challenge this situation. Seleucus!!
আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি ৫ বছর অন্তর মিনিস্ট্রি অডিট হয়। প্রত্যেককেই প্রতিবারই ১ মাসের বেতন দিয়ে দিতে হয়। প্রতিষ্ঠান প্রধানকে হয়ত দিতে হয় না। প্রধানের হাত দিয়েই এই ঘুস দিতে হয়।
৫ম গন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর কাগজ পত্র সব ঠিক থাকার পর ও জন প্রতি দশ হাজার করে দাবি করে উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ এম পি ও পাওয়ার জন্য ফাইল ফরোয়ার্ড করতে প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে টাকা চায়। পরে তার মাধ্যমে উপজেলায় ৫০০০ ও জেলায় ৩ হাজার টাকা দিতে হয়।
জনপ্রতি ৩০০ টাকা করে নিয়েছে। এভাবে অনেক টাকা নিয়ে থাকে শিক্ষকদের কাছ থেকে। শিক্ষকরা নিরুপায় তারা প্রতিবাদ করলে তাদের নানাভাবে হেয় করে।
টাকা পরিশোধ না করলে কাজটা হচ্ছে না।
উপজেলার সুবিদখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলী হয়ে আসার জন্য অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর — ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। কিন্তু এত টাকা দেবার যৌক্তিকতা ছিলো না। তাই দিই না।
সহকারী শিক্ষক হিসেবে ঢাকা জেলা শিক্ষা অফিস এ চাকরি ছাড়ার রিজাইন লেটার এ সাক্ষর নেয়ার জন্য হয়রানি,,গিয়ে আমার আবেদন পত্র ফালায় রেখেছিল..পরে টাকা দিয়ে চাকরি ছাড়তে হয়.. এছাড়া এক মাস আগে আবেদন পত্র দেয়ার পর ও আমাকে এক মাস এর বেসিক জমা দিতে হয়েছে
আজকে আমি আমার স্কুলের এক সহকর্মীর এসিআর আনতে AUEO স্যারের কাছে যাই। ৪.১৫ বিকালের দিকে। উনি সাইন করে আমাকে বলে আমার ওই সহকর্মী নাকি বলেছে লাঞ্চ করাবে। আমি সহ শুক্রবার অথবা রবিবার লাঞ্চ করতে চায়। আমি বলি স্কুলে আসলে আমার ওই সহকর্মী ম্যাডাম লাঞ্চ করাবে। তারপর আমাকে বলে আচ্ছা ঠিক আছে তুমি আমার জন্য তিন সেট মূল্যায়ন নির্দেশিকা নিয়ে আসবে কম্পিউটার এর দোকান থেকে। আমি দোকানে এ গেলে তারা বলে প্রিন্ট করা নাই দেরি হবে। আমি স্যারকে ফোন করে বলি স্যার ফটোকপি এর দোকানে এ তো প্রিন্ট করা নাই আমি অর্ডার দিয়ে গেলাম ওরা আপনার কাছে পাঠিয়ে দিবে। উনি আমাকে বলে তুমি টাকা দিয়ে দিও। উক্ত তিন সেট মূল্যায়ন নির্দেশিকার দাম ৭০০ টাকার উপর। পরবর্তীতে ম্যাডাম অন্য কাজে তার কাছে গেলে ওই তিন সেট ফটোকপি করে দিয়েছেন।
লালমনিরহাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল বিদ্যালয়ে বাজে আসে লক্ষ টাকা তার হিসাব ৬ ৯ টিও এটিও ঘুষখোর এটিও টাকা ছাড়া কাজ করে না কাছে হাত এ দেয় না হেডমাস্টারের মন গড়া রুটিন
শরিয়তপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শিক্ষক অজিত বাসার ট্রেনিং সেন্টার থেকে কমিশন নিয়ে ছাত্র ছাত্রী দের ট্রেনিং সেন্টার এ ট্রেনিং করতে বাধ্য করে যেখানে ছাত্র ছাত্রী ফ্রিতে ট্রেনিং করতে পারে ইন্ড্রিষ্টিতে অনেক অস্বচ্ছল পরিবার আছে যারা টাকা দেওয়ার সমার্থ নেই
আমাদের KNGC তে প্রাকটিকাল পরীক্ষা ছিল। তো সেখানে আমাদের রসায়ন পরীক্ষা ছিল।পরীক্ষা যথাযথ ভাবে না নিয়ে তারা আমাদের থেকে ৩০ টাকা করে চাদা বা ঘুষ চায়।।।আমার সকল বন্ধু দিলেও আমি দেইনি।
আমি আমার রায়টুটী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আমার ৬ ষ্ট শ্রণি রেজিস্ট্রেশন কাড আনতে গেলে অফিসহকারী আমার কাছ থেকে ১০০ ঘূষ চায়। আমি যখন বলছি কেন টাকা লাগবে । এটা সরকারি কোনো ফি নেই। তিনি আমাকে রেজিস্ট্রেশন কাড দিতে চান নি।
বারবার ফাইল পাঠানোর পরও রিজেক্ট করে দিচ্ছিল এক লক্ষ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর বেতনভুক্ত হতে পেরেছি
আমার সার্টিফিকেটে নামের বানান ভুল থাকার কারণে আমি প্রয়োজনীয় কাগজ নিয়ে ঠিক করতে গেলে আমাকে নানান ভাবে হয়রানি করা হয় এবং পিয়ন আমার কাজ থেকে ৩০০০ টাকা দাবি করে । পরবতীতে তা ২০০০ টাকা এবং একটি বেনসন সিগারটের দেওয়ার মাধ্যমে কাজ করাতে সক্ষম হই
প্রাথমিক শিক্ষকদের ব্যাকডেটেড এসিআর নিতে চাইলে জনপ্রতি 500 টাকা করে এ টি ই ও কে দিতে হবে।