নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রংপুরের সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইন্টারমিডিয়েট পড়া শিক্ষার্থীদের প্রথম বর্ষ থেকে দ্বিতীয় বর্ষে উত্তলনের সময় পূনরায় ভর্তি ফি নেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশ সরকার বাতিল করে দিয়েছিল। আমার এই অভিযোগ রংপুর পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজকে নিয়ে - ধন্যবাদ
শিক্ষক দের সবার এক মাসের বেতন দাবি করা হয়েছিলো
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারিরা যখন কোন ফাইল যেমন: (নতুন এমপিওভুক্তি, এরিয়া বিল, বিএড স্কেল, টাইমস্কেল, এমপিও কর্তন, পেনশন, ইত্যাদি) প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে তখন সেটা ধাপে ধাপে অনুমোদন হয়। প্রথমে উপজেলা পরে জেলা পরে বিভাগে এভাবে সব শেষে অনুমোদিত হয়। কিন্তু উক্ত ফাইলে সব ঠিক থাকলেও শিক্ষা অফিসারগণ টাকা দাবি করে অনেক সময় সরাসরি না চাইলেও আকার ইঙ্গিতে চায়। না দিলে অহেতুক ভুল হইছে বলে ফাইল রিজেক্ট করে দেয় কিন্তু টাকা দিলে সব ঠিক হয়ে যায়।
যখন আমি আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (চট্টগ্রাম সরকারি মডেল স্কুল ও কলেজ) প্রেক্টিকাল খাতা নিতে যায় তখন দফতরি আমার কাছ থেকে ৩০ টাকা এক্সট্রা খুজে বিষয়টি ছোট মনে হলেও তিনি এটা প্রায় করেন। যখন ব্যবহারিক পরীক্ষা হচ্ছিল তখনো সবার থেকে টাকা খুজেছিলেন।
“প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ছিলেন তখন মহিলা সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। বিদ্যালয়ের SLIP ফান্ডের টাকা উত্তোলনের জন্য ব্যাংকের চেকে স্বাক্ষরের জন্য 1300 টাকা দাবী করেন। এবং সেই টাকা তাকে টাকা উত্তোলনের পর পরিশোধ করতে হয়। না হলে বিভিন্ন হয়রানি মুলক কার্যক্রম করেন।”
চট্টগ্রামে একটি সুপরিচিত কামিল মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০২৬ আলিম পরীক্ষার্থী থেকে ICT প্রাকটিক্যাল জমা নেওয়ার সময় ২০০ টাকা দাবি করে থাকে , যা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষার কোন প্রাকটিক্যাল নেওয়ার সময় কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোন ছাত্র ছাত্রীদের থেকে কোন ধরনের টাকা গ্রহণ না করতে, এটা আমার মতে বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে থাকে ।
আমি বি এড ফাইল প্রেরণ উপলক্ষে ২০০০ টাকা উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে দেই ।তবুও আমার ফাইল জেলায় প্রেরণ করে নাই। চার মাস থেকে উপজেলায় ফাইল আটকে আছে। এমন তো অবস্থায় আমার কি করা প্রয়োজন ভাবতে পারছি না।
পিটিআই ট্রেনিং এ না যাওয়ার জন্য শিক্ষা অফিস থেকে ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছিল।
উমরাহ করার জন্য বৈদেশিক ছুটির আবেদন করি। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ পরিচালকের কার্যালয়ে। সেখানে যেই কেরানির কাছে দরখাস্ত দিই সে বলে খরচ দিতে হবে নাহয় ছুটির আদেশ আসতে দেরি হবে।
বি এড স্কেল প্রাপ্তির জন্য আবেদন করেছি। ঘুষ না দিতে পারাই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ঢাকা ডিডি ফাইল রিজেক্ট করেছে।
উচ্চতর বেতন স্কেল এর ফাইল উপজেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক দেখার পর এটি ট্রান্সফার করা হয় জেলা শিক্ষা অফিসে, উপজেলা থেকে এই ফাইলটি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জেলায় ট্রান্সফার করার জন্য ২০০০ দাবি করেন, এই অংক সবার জন্য নির্ধারিত ছিলো যতোজনের যতো ফাইল সংক্রান্ত কাজ আছে সবার জন্যই এই একাউন্ট।
টাকা না দিলে এমপিও আবেদন ফরওয়ার্ড করবে না, এমন পরিস্থিতিতে টাকাটা দিতে হয়েছিল উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে।
বরগুনা জেলা ডিপিই অফিস থেকে জয়েনিং লেটার পাঠিয়েছিল তালতলী উপজেলা শিক্ষা অফিসে।সেখানে থাকা দালাল যে একজন প্রধান শিক্ষক (সুন্দরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের) নাম —।সে আমার সহ ৯৩ জনের লেটার আটকে ৮০০ করে টাকা আদায় করে।।যেটা পুরো শিক্ষা অফিসের স্টাফরা মিলে খায় বলে জানা যায়।
উর্ধতন কতৃপক্ষের নির্দেশনা ছিল স্কুল ভিত্তিক প্রশ্ন পত্র তৈরির কিন্তু সেই নির্দেশনা না মেনে দূর্ণীতির উদ্দেশ্যে পুরো উপজেলার ২২৩টি স্কুলের প্রশ্নপত্র উপজেলা শিক্ষা অফিস তথা টিইও একাই প্রশ্নপত্র ছাপানোর কাজ করে। প্রতিসেট প্রশ্ন তৈরিতে যেখানে নুন্যতম খরচ ৩ থেকে সাড়ে ৩ টাকা সেখানে প্রতিসেট প্রশ্নে আদায় করা হয়েছে ১০ টাকা। উপজেলায় শিক্ষার্থী সংখা ত্রিশ হাজার প্রায়। সে হিসেবে প্রশ্নসেটও ত্রিশ হাজার। অর্থ্যাৎ ত্রিশ হাজার গুণন সাড়ে ৬ টাকা = প্রায় ২ লক্ষ টাকার দুর্ণীতি। ১ম এবং ২য় দুই প্রান্তিক পরিক্ষা মিলে ৪ লক্ষ টাকার দূর্ণীতি।
Madhupur Shahid Smrity Higher,The principal taken extra amount from us for doing the transfer my doughter.
টাকা না দেয়ার কারনে রমজানের বন্ধে আমাদের প্রাপ্য টাকা আটকে দেন বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত টিইও —। পরবর্তীতে আমরা ৭৮ জন শিক্ষক ২০০ করে টাকা দিয়ে তার কাছ থেকে এই শ্রান্তি ভাতা ছাড় করিয়ে আনিতে হয়েছিল। এই কাজে দালালি করেছে —,যে একজন সহকারী শিক্ষক। আর এর সাথে জড়িত আছে শিক্ষা অফিস এ মাস্টার রোলে চাকরি করা —।
সব সরকারি অফিসের কর্মচারী বদলির একটা নীতিমালা অনুসরণ করলেও সরকারি মাধ্যমিকে কোনো নীতিমালা মানা হয় না। একজন শিক্ষককে বদলি নিতে হলে তাকে ২/৩ লক্ষ টাকা গুনতে হয়। এটা দিনের আলোর মতো ঝকঝকে ব্যাপার, সবাই জানে। ১০/১৫ বছর একই স্থানে চাকরি করছি। চোখের সামনে টাকার বিনিময়ে হাজার হাজার বদলি দেখলাম। দেখলাম অনেক আদর্শ শিক্ষক মন্ত্রণালয়ের আদর্শ কর্মকর্তার মাধ্যমে ভালো ভালো স্কুলগুলোতে পোস্টিং নিয়ে আদর্শের শিক্ষা দিচ্ছে। গড়ে তুলেছে আদর্শ প্রাইভেট, কোচিং সেন্টার। কারণ ওই শিক্ষকের আদর্শে বিনিয়োগ করা টাকা আদর্ষিক পথেই তুলতে হবে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস চুনারুঘাট, হবিগঞ্জে গেলে তারা বলে হজ্জের জন্য অর্জিত ছুটি নিতে গেলে ৫০০০ টাকা না দিলে ছুটির কাগজপত্র হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ফরোয়ার্ড করবেনা। হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কেরানি সঞ্জিত নিছে আরো ৫০০০। সঞ্জিত বলেছে ৮০০০ টাকা না দিলে বিভাগীয় অফিসে কাগজ পাঠাবেনা। উপপরিচালক প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সিলেটের কেরানি নিত্য বাবু নিয়েছে ৩০০০ টাকা। তারপর ছুটি মঞ্জুর করে
আমি এইচএসসি সার্টিফিকেটের নামের বানান ভুলের সংশোধন করতে গিয়েছিলাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা তে । সেখানে সবাই অসহযোগিতা করেছে এবং শুধু শুধু প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করেছে, এবং দালালের মাধ্যমে ঘুষ দাবি করেছে। ঘুষ দেয়নি বলে আমার সার্টিফিকেটের বানান সংশোধন করতে ৬মাসের অধিক সময় লেগেছে এবং অনেকবার যাওয়া লেগেছ। সেখানে সবথেকে ব্যবহার খারাপ ছিল সার্টিফিকেট যে কাউন্টার থেকে প্রদান করে সে কাউন্টারের লোকের।
আমার এক পরিচিত কলেজ শিক্ষকের বেতন গভর্ণিং বডি বন্ধ রেখেছিল। তাই কলেজ থেকে ইএফটির হাল নাগাদ তথ্য পাঠানো হয়নি। কিছু দিন আগে কলেজ কর্তৃপক্ষ তার ইএফটির তথ্য আপডেট করার জন্য আবেদন করে। এটার অনুমোদনের জন্য টাকা চাওয়া হয়েছিল।