যে কোন ফাইল পাঠাতে গেলেই টাকা ফাইল পার হয় না ।
শিক্ষা সংক্রান্ত ( নতুন এমপি ও বিএড স্কেল উচ্চতর গ্রেড সহ আরও যে কোন ফাইল পাঠাতে গেলেই টাকা ছাড়া ফাইল পার হয় না ।) বিনা কারনে রিজেক্ট করা হয়, টাকা দিলেই পার হয়।
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
শিক্ষা সংক্রান্ত ( নতুন এমপি ও বিএড স্কেল উচ্চতর গ্রেড সহ আরও যে কোন ফাইল পাঠাতে গেলেই টাকা ছাড়া ফাইল পার হয় না ।) বিনা কারনে রিজেক্ট করা হয়, টাকা দিলেই পার হয়।
আমার বাবা একজন অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক। ভোলা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কেরানী — বাবার কাগজ পত্র গোছানোর দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ৫০০০ টাকা না দিলে কাজ করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। যথাসময়ে টাকা না দেওয়ায় তিনি কাজ প্রচুর ঘুরিয়ে ছিলেন। কাগজ পত্রে গড়মিলের মিথ্যা ভয় দেখিয়ে আরো টাকা দাবি করলে জেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয়ের হস্তক্ষেপে সেই যাত্রায় বেচে যাই। এই — প্রবীণ মানুষের কাছ থেকে টাকা খেয়েছে। প্রতিটি প্রবীণ টিচার তার আর্থিক লালসার শিকার হয়েছে।
চাকরি স্থায়ী করণ করতে অফিস আদেশ দেয় উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে, এর জন্যে কেরানি প্রতিজনের জন্যে ১০০০ টাকা দাবি করে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলির জন্য উপজেলা পর্যায়ে যে কমিটি হয়েছে, সেই কমিটির সভাপতি ২ লক্ষ টাকার কমে কোন বদলির অনুমোদন করেন না।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে যে কি পরিমান দুর্নীতি হয় এটা বলার বাইরে যে কোন কিছু সংশোধন করতে গেলে বিশেষ করে যেমন রেজিঃ কার্ড সংশোধন, বয়স হোক বা নাম হোক বা মাতার নাম পিতার নাম , তারপর পরীক্ষার সময় হচ্ছে সাবজেক্ট সংশোধন বা অন্য কিছু। জনপ্রতি মিনিমাম ৫০০ থেকে দেড় হাজার/ ২০০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হয় এটা বর্তমানে কি অবস্থায় আছে আমি জানিনা কারন বর্তমানে নাকি এটা অনেক কমে এসেছে নতুন চেয়ারম্যান আসার কারণে । আগে তো হচ্ছে কিছুদিন আগে টাকা না দিলে আপনাকে চিনবেই না এরকম একটা দশা ছিল
National university gazipur theke certificate tumar jonno principal forwarding soho kagoj pathanor jonno
আমার বদলির হওয়াটা এতই জরুরি যে, তাদের দাবিকৃত চার লাখ টাকার মধ্যে দুই লাখ অগ্রিম দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। তিনি টাকা গুণে গুণে রাগত স্বরে আমাকে ফিরিয়ে দিয়ে বললেন, চার লাখ এর একটাকা কম হলে বদলি হবে না। আমি বদলির পরে বাকি দুই লাখ দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু উত্তরে বললেন, রুম থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় যে লোকটিকে দরজার ওপাশে দেখবেন, সেও এসেছে বদলি নিতে, ও চারলাখ এনেছে, ওকে রুমে আসতে বলুন। উল্লেখ্য , এহেন খোলামেলা ও ঔদ্বত্যপূর্ণ কথা যিনি আমাকে বলেছেন , তিনি একটা অধিদপ্তরের সর্বোচ্চ পদে আসীন।
মাদ্রাসায় এন টি আর সি এর সুপারিশক্রমে জয়েন করেছি। এম পি ও করার জন্য সুপার বলেছিল শিক্ষা অফিসে ঘুষ না দিলে কাজ হবেনা। এমনিতেই ৪ মাস ধরে বিনা বেতনে চাকুরী করছিলাম।ভাব্লাম এদের সাথে ঝামেলা করলে আরো কালক্ষেপন হবে এজন্য বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছিলাম।
সেবাটি ছিলো থানা শিক্ষা অফিসে প্রাইমরি IPMS পোর্টালে স্কুলের একাউন্ট নিষ্ক্রিয় করে দেয়া হয়, সলটি সক্রিয় করার তাগিদ দিয়ে এবং ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে বই বিতরণের জন্য আবেদন, জরিপ, চালান তৈরি করার সেবা দেয়ার পরিবর্তে ১০০০ টাকা দাবি করেছে, খরচ হিসেবে চেয়েছে এই টাকা, দিতে না চাইলে বা কম দিতে চাইলে অ্যাকাউন্টের জটিলতা নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করার চেষ্টা করে
টাকা ছাড়া বেতন চালু হবে না বলছে।
দক্ষিন আইচা কলেজ চরফ্যাশন, ভোলা অধ্যক্ষ মহোদয় ব্যাপক অনিয়ম করে থাকেন, অধিকাংশ শিক্ষক কলেজে না এসে বিল তুলে নেয়,কলেজে অধ্যক্ষকে আর্থিক সুবিধা দিয়ে।
বিএড স্কেল প্রাপ্তির আবেদনের পর উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফাইল ফরওয়ার্ড করে জেলাতে পাঠান। জেলা শিক্ষা অফিসার ফাইলটি রিজেক্ট করে। পরবর্তীতে ২০০০টাকা তার করণিককে প্রদান করলে ফাইলটি ঢাকা ডেপুটি অফিসারের নিকট প্রেরণ করে এবং সেখানে কোনো ঘুষ ব্যাতিত ফাইলটি এপ্রুভ হয়। ফলে আমি ১১তম গ্রেড হতে ১০গ্রেডে উন্নীত হই।
বিএড স্কেল কাগজ সব ঠিক ছিল আমি যোগাযোগ করি নি তাই জেলা শিক্ষা অফিস থেকে ফাইল ব্যাক দিয়েছে। পরে জানতে পারলাম যাঁরা যোগাযোগ করেছে তাদের কাছ থেকে ফাইল প্রতি ৫০০০ হাজার থেকে শুরু করে মোটা অংকের টাকা নিয়েছে।আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করে বলেছে টাকা দিলে আগামীতে ফাইল ছেরে দিবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক আঞ্চলিক শিক্ষা অফিস, রাজশাহী। শুধুমাত্র ডিডি মহোদয় ছাড়া, বাকী স্টাফ সবাই ঘুষ ছাড়া কাজই করে না। ব্যাপক অনিয়মে ভরপুর একটি অফিস, প্রতিনিয়ত শিক্ষক সমাজ তাদের কাছে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছে।
আমি অসুস্থজনীত ছুটি নিয়ে ছিলাম তখন বেতন বন্ধ হয়েছিল । অফিস সহায়ক বেতন চালু করতে/ বকেয়া বেতন উঠাতে টাকা দাবি করে, না দেওয়ায় অনেক ঘুরায়।পরে বাধ্য হয়েছি।
রিজাইন।লেটার এ বড়।স্যারের সিগনেচার দেয়ার নাম।করে ৩০০০ ঘুস দাবি।আমি।দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
জলঢাকা উপজেলা শিক্ষা অফিসে। শ্রান্ত বিনোদন ভাতার জন্য আবেদন করতে যায়। অফিসে একজন নাম — বলেন বরাদ্দ কম আছে, এবার সবাই পাবে না। যদি আপনি শিওর পেতে চান তাহলে ৫০০ টাকা দেন। না দিলে আপনি এ বছর পাবেন না হয়তো।
Psc cartificate correction Korte giyesilam.but Madaripur sikkha office Amar application joma nibe na karon ki ki jeno vul hoiche .Then aktu ghuraiya bollo 10k dite.sese 2.5k diye joma disi.
মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি চল্লিশা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে,— প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েছেন, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা সম্পূর্ণভাবে ক্ষুণ্ণ করছে। তাঁর এই ধরনের গর্হিত কর্মকাণ্ডের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে নষ্ট হচ্ছে। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।এছাড়াও তার একটি ছেলেকে ২২ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম ভার্সিটির মধ্যে চাকরি নিয়েছে। ছেলের নাম —।
আমি একজন MPO ভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক। যতগুলো শিক্ষক NTRCA থেকে জয়েন করেন, তাদের সবাইকে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগ দানের পরে ফাইলগুলো মাউশি, ঢাকায় পাঠাতে হয়। তাদের এমপিও ফাইলের কাজ সম্পন্ন করতে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। আমি প্রথমে ঘুষ না দেওয়াতে আমার ফাইল ৪ মাস আটকে রেখেছিল এবং বেতন দেয়নি। আমার কাছ থেকে পরে ১৫ হাজার টাকা নিয়ে ফাইল এপ্রোভ করেছিল। তাদের সিন্ডিকেট হেড অফিস থেকে উপজেলায় প্রান্তিক পর্যায়ে পর্যন্ত আছে।