নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি আমার এসএসসির মূল মার্কশীট এবং প্রসংশাপত্র সংগ্রহ করতে গেলে স্যার আমার কাছে ফি দাবি করে ৫০০ টাকা। কম নেওয়ার জন্য সুপারিশ করলে উনি বলে অন্নান্নদের কাছ থেকে আরো বেশি নেই। পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে আমাকে ঐ টাকাটা দিতে হয়েছিল। তারপর এ বছর যখন সার্টিফিকেট উঠাতে যাই তখন প্রধান শিক্ষক ২০০ টাকা দাবি করে এটা নাকি ফি। আমি পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে এই টাকাটাও দিয়ে আসছি।এরকম হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেআইনিভাবে টাকা নিচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা অফিস কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
সাধারণত NU থেকে admit card দেয় ফ্রী তে। কিন্তু পিরোজপুর সোহরাওয়ার্দী কলেজের পিয়ন প্রত্যেক স্টুডেন্ট এর কাছ থেকে ১০০ টাকা করে নেয়। মোট স্টুডেন্ট ৮০ জন। তাহলে টোটাল দাঁড়ায় ৮০,০০০ টাকা। তার উপর সে আবার সরকারি বেতন পায়। সে প্রত্যেক ইয়ার থেকে এত টাকা নিয়ে থাকে। তাহলে বুঝেন ১০ বছরে সে কত টাকা হাতাইছে।
"এটা হচ্ছে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভর্তির সময়ের ঘটনা, সাধারণত তারা ক্লাস ৯ এ ভর্তির জন্য ১২ হাজার এর আশে পাশে নিয়ে থাকে। কিন্তু আমার সময় আমাকে জানানো হয়, ক্লাস ৯ এ আর কোনো সিট নেই পরবর্তীতে তারা সিট খালি করে ভর্তি নেওয়ার জন্য এক্সট্রা ৫ হাজার টাকা দাবি করে। নিরুপায় হয়ে ১৭ হাজার টাকা দিয়ে ভর্তি হতে হয়েছে।"
আমার স্কুলের সভাপতি ছিলেন ডিসি সাহেব। আমার এমপিও রেজুলেশনের ফাইল সাইন করার দরকার ছিলো। অফিস সহকারী আমার কাছে মিষ্টি খাইতে ১০০০ টাকা চায়। আমি প্রত্যাখান করাতে দীর্ঘ দিনেও আমার ফাইলটা সাইন হয় নি। পরবর্তীতে উপায়ান্তর না দেখে, আমি ১০০০ টাকা ঘুষ দেই।
শ্রান্তি বিনোদন ভাতার কাজে আগ্রহ নেই। বাজেট নাই এগুলা বলে। তাই ঘুষ দিতে হয় প্রায় ৫০ জন মিলে ৫০০০ টাকা দিই।
class 6 theke amader school er headsir kichu din por por nana bisoy e taka chaiten takar receipt e shudu roll aar porishodhito kina ta likha thakto kintu keno neya hoto setah lekha hoto nah 🙂 er por school kortipokkher lov chorom e jaay SSC er somoy amader session aar onanno babod fee 2100 tk amra aage diyechilam registration o hoyeche kintu er por o 1800+ taka chacchilen onek e taka diyechi aar nah dile opoman sathe exam dite deya hobe nah bola hoyeche school er chele ra upazilar samne aandolon e naame onek e facebook e post kore sei video gulu kintu ENO sir oysob video delete korte baddho korechen , er por sobay aalochonah sesh e 800 tk er moto taka niyechilo
এমপিওভুক্ত হওয়ার পর বেতনের জন্য EFT তথ্য সাবমিটের কাগজপত্র জমা দিতে আসলে অফিস সহায়ক ১০০০ টাকা দাবি করেন। কিন্তু আমি ২০০ টাকা দেই কিন্তু সে নিতে অস্বীকার করেন পরবর্তীতে আমি চলে আসি। উনি নিজের মুখেই বলেন যে সবার থেকেই টাকা নিয়েছেন ৬০০/৭০০ করে। স্থান : ময়মনসিংহ আঞ্চলিক শিক্ষা অফিস, ল্যাবরেটরি উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে।
নতুন সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর আমার এমপিও (MPO) ভুক্তির ফাইল অনলাইনে প্রেরণের জন্য প্রধান শিক্ষক ৩০,০০০ টাকা অনৈতিক সুবিধা দাবি করেন। উপজেলা মাধ্যমিক নিবে 10 হাজার টাকা। জেলা মাধ্যমিক অফিসার নেবে ১০ হাজার টাকা। এভাবে উনি হিসাব দেয়। অনৈতিক অর্থ দিতে রাজি না হওয়ায় ফাইল আটকে রাখা হচ্ছে এবং নানা বাহানা দিয়ে এমপিও ফাইল পাঠাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তার শরণাপন্ন হলেও বিভিন্নভাবে মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। ইউএনও স্যারকে জানানো হয়েছিল। প্রধান শিক্ষক এমপি মন্ত্রী নেতাদের ধরে বেঁচে যায়।
এই টাকা না দিলে আমার সংশোধিত এস্টিমিটি ঢাকা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর হেড অফিসের সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী প্রকৌশলী কর্তৃক চেক করার ভয় দেখানো হয়। আমি বাধ্য হয়ে এই টাকা পরিশোধ করি। আমার খুবই কষ্ট লাগলো। মানুষ গড়ার কারিগর বিদ্যালয় তৈরি করতে আমারা ঠিকাদারগণ ক্লান্ত পরিশ্রম করে কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্তরা তাদের পিসি না পেলে আমাদের এস্টিমেট কর্তন করে কর্তন করে। আল্লাহ তাদের বিচার করবে
রাজশাহী জেলার একজন কোন নির্দিষ্ট একটি থানার শিক্ষা অফিসার দীর্ঘদিন ধরে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার এমপিও এবং উচ্চতর স্কেলের (আপার স্কেল) ফাইল অধিদপ্তরে পাঠানোর নাম করে শিক্ষক ও কর্মচারীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ঘুষ আদায় করে আসছেন। নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য তিনি একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিজের অনুগত কিংবা জোরপূর্বক নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষক বা কর্মচারীকে তিনি ব্যবহার করেন এবং যেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক তার কথামতো চলতে চান না, সেখানকার কাউকে কাউকে বিভিন্নভাবে ( কাউন্ড অফ ব্ল্যাকমেইল) করে ঘুষের টাকা তাদের মাধ্যমে অফিসে নিয়ে আসতে বাধ্য করেন। আমার সাথেও অনেকটাই একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। অধিদপ্তরে এমপিও ফাইল পাঠানোর জন্য আমাকেও প্রায় ৫,০০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছে (আমার
পিটিআই ট্রেনিং নরসিংদী দিয়েছিলো কিন্তু আমি কিশোরগঞ্জ জেলার, টাকার বিনিময়ে কিশোরগঞ্জ দিবে বলে দাবী করে।বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলায় আসি। কারণ আমার নিজ জেলা কিশোরগঞ্জ।
সে নম্বর পএ উঠিয়ে দিবে বিনিময়ে ১০০০ টাকা দেয়া লাগবে কলেজের দপ্তরি আগে নাম ছিল সরকারি পল্লবী কলেজ পূবে না Gov Bangabandhu vollege
Ami SAIC Professional Training Center (SPTC), Mirpur-13,Dhaka te Gov er Project a Driving Sekhar jonno Apply kori... Amk select korar por amk call er maddhome pothome 2500tk cay , than boli amr kace ato tk nai er por 1500 last 1000tk manage kore ese join korte bole.. ami Direct na kore dei... Amr kace Call Record o ace...
ঘাগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে আমি এসএসসি সার্টিফিকেট তুলতে গিয়ে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। ৫০০ টাকা চা নাস্তার জন্য রেখেছে বলে জানিয়েছে ওনারা।
এজি অফিস ২০০০ টাকা, শিক্ষা অফিস ৪০০০ টাকা ( ছোট টু বড় পোস্ট) ২০০০ টাকা রাজবাড়ি অফিসের আরেক জন নিসে আর ঢাকা অফিসের ফাইল ক্লিয়ার কথা বলে ১০০০ টাকা। এই কাজ এখনো বলবত আছে, এরা ঘুষ ছাড়া কেউ কাজ করে না, প্রমান চাইলে একদিন গেলেই বাহির হইয়ে যাবে।
টাকা না দিলে ভুগোল কলেজের স্যার নাম্বার দিবে না সঠিক মতো
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ১২ মাসে ১২০০০/- টাকা ইন্টারনেট বিল পাওয়ার জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মচারীরা এবং একজন প্রধান শিক্ষক স্কুল প্রতি ৪০০/- টাকা দাবি করে এবং অনেক প্রধান শিক্ষক ৪০০/- করে টাকা ঘুস দেয়।
বছরের শুরুতে স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি বই বিতরণের সময় প্রত্যেক স্কুল থেকে ৪০০ টাকা কৌশলে টিও নিয়েছেন।
২০১৯ সালে কলেজের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করি, কিন্তু উপজেলা শিক্ষা অফিসার আমার কাছে ৩০০০০ টাকা দাবি করে , টাকা না দিলে বেতনের আবেদনের ফাইল রিজেক্ট করার হুমকি দেয় ,আমাকে চাপে ফেলে টাকা আদায় করে।
MPO আবেদন করার পর তা সাভার উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠায়নি। পরবর্তীতে আমরা তিনজন শিক্ষক ১০০০ করে মোট ৩০০০ টাকা দেওয়ার পর ফাইল জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠায়।