নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কমিটি গঠনের জন্য কাগজে সই করার জন্য
Was paid in cash part by part
ঢাকা বোর্ড এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সার্টিফিকেট সত্যায়ন (attestation) করার সময় ২০২২ সালে নির্ধারিত ফি-র বাইরে ঢাকা বোর্ড আমার কাছ থেকে আনুমানিক ৫০০ বা ৬০০ টাকা নিয়েছিল। এছাড়া শিক্ষা বোর্ডের সামনে দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য 'জরুরি সত্যায়ন করে দেবে' বলে ১,০০০ টাকা নিয়েছিলেন।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে ট্রেনিং এর নাম আসে পিটিআই থেকে। সেই নাম কর্তনের জন্য টাকা পরিশোধ না করে কোন মতে নাম কাটানো যাচ্ছিল না।ফলে টাকা না দিয়ে উপায় ছিল না। না হয় বিভাগীয় মামলা খেতে হবে বলে হুমকি দিয়েছে। অফিস সহকারী কাম হিসাব রক্ষক, —। টংগীবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কর্মরত। এই লোকে টাকা ছাড়া কোন কাজ করতে চায় না। ঘুষের টাকায় গোপালগঞ্জ শহরে ৪ তলা বাড়ি করেছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস হেড ক্লার্ক এর কাছে বদলির আবেদনের জন্য যায়। তিনি বলে বদলি করে দেবো ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা লাগবে। পরে আমি কিছু না বলে চলে আসি।
২০২৫২৬ অর্থবছরে স্কুল মেরামতের দেড় লক্ষ টাকা দিনাজপুর খানসামা উপজেলা শিক্ষা অফিস হতে নিতে উপজেলা প্রাথমিক শিকষা অফিসারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে
বেতনের অনলাইন এমপিও ফাইল খুলার জন্য ৩০০০ টাকা চাইলে না দেওয়ায় এমপিও শীটে নাম আসে না। মাসের পর মাস বেতন আটকে যায়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে দাবিকৃত অর্থপ্রদান সাপেক্ষে কাজ সম্পন্ন হয়। মাঝখানে অতিরিক্ত সময়, শ্রম, অর্থ অপচয় হলো।
থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস পাচলাইশ এর কেরানি টাকা ছাড়া কোন কাজ করেন না। বার্ষিক জিপিএফ এর কর্তণের হার বৃদ্ধির জন্য আবেদন করলে অফিস খরচ বাবদ 500 টাকা নিয়ে নেয়।
আমার বাবা ময়মনসিংহের একটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। উনার পেনশনের টাকা পেতে ঢাকার বেনবেইস অফিসে ২০১৬ সালে ২০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল। ঘুষ ছাড়া চেষ্টা করেছিল। কিন্তু অফিসের সবাই এমন আচরণ করেছিল মনে হয় আমরা দানের টাকার জন্যে গিয়েছি। সেই অফিসের প্রত্যেকটা মানুষ একেকটা জানুয়ার।
১০ % হারে বকেয়া বেতন সহ যাবতীয় টাকা উওোলনের সময় কত্ননকরে রাখা হয়। উপজেলা শিক্ষা অফিস
বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশ প্রাপ্ত ও ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে বেতন/এমপিও ভুক্তির জন্য আবেদন করলে সেই আবেদন অগ্রায়নের জন্য টাকা নিয়েছিল অথচ এক্ষেত্রে কোনো প্রকার টাকা লেনদেন করা বৈধ নয়।
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ ১২ লক্ষ টাকার মাধ্যমে হয়েছে।
EDC প্রকল্পে ATO, UEO সবাই টাকা খুঁজে। এই প্রকল্প নিয়ে অনেক দুর্নীতি হচ্ছে।
নামের ভুল ছিলো। কারেকশন করার জন্য নাস্তাপানির খরচ হিসেবে এই টাকা চার্জ করেছিলো।
মিষ্টি খেতে টাকা চেয়েছিলো।আমি এড়িয়ে চলে আসি।
আমার বেতনের ইএফটি করাতে উপজেলা শিক্ষা অফিসে যাই।তখন কাগজটি জমা নিতে অফিসের সহকারী আমার কাছে মিষ্টি খেতে টাকা চায়।বলে যে চাকরি করবেন,কিছু খাওয়াবেন না? আমি এড়িয়ে চলে আসি, কথা বলি না।
সরকারি কলেজে শিক্ষকদের বদলী ও পদায়নে ঘুষ একটি ওপেন সিক্রেট বিষয়। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বদলীতে ২-৩ লক্ষ টাকা এবং ঢাকা মহানগরীতে ৫ লক্ষ টাকায় বদলী হয়। আমার নিজেকেও ৩ লক্ষ টাকায় এক সিটি কর্পোরেশন এর মধ্যে কলেজে বদলীর জন্য অফার করা হয়েছিল। এত টাকা আমার নেই। আর এখন টাকা দিয়ে বদলী হতেও চাই না। এই সিস্টেম বন্ধ হোক।
এস এস সি এন্ড এইচ এস সি সার্টিফিকেট এবং মার্কশিট এ মায়ের নাম সংশোধন প্রক্রিয়া টাকা ছাড়া করবেন না বলে জানায় , প্রথমে নিজে চেষ্টা করি হয় নাই , টাকা দেয়ার পরে সমাধান হয়
হাইস্কুলে পিয়ন নিয়োগ দেওয়ার জন্য সভাপতি ১২ লক্ষ টাকা দাবি করেন। সেটা পরিশোধ করার পরও নিয়োগ দিতে টালবাহানা শুরু করেন। পরে আরও ৬ লক্ষ টাকা দিয়ে নিয়োগ পাই।
আমি পেনশন সংক্রান্ত ফাইল দিয়েছি। তারা ইনিয়ে বিনিয়ে বলে সারা বাংলাদেশ যেভাবে চলছে আমাদের ও সেভাবে চলতে হবে। আমি আর তাদের কে কিছু বলিনি।