নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি ২০২৪ সালে এস এস সি পরীক্ষা দি।খুব ভালো পরিক্ষা দিবার পর রেজাল্ট হয় আমার পদার্থ বিজ্ঞান ফেল দেয় উক্ত বিষয় কোনে নাম্বার ছিলো।পরে এটা নিয়ে র্বোড যাবার পর তারা নানা ধরনে হয়রানি করে।পরে রেজাল্ট পরিবর্তন করে দিবে বলে ১লক্ষ ৫০ হাজার পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক দাবি করে আমি তাকে আমার জমানো এবং বাসায় না জানিয়ে আমার বোনদের কানের দুল দিয়ে সবমোট ১লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দি।কিন্তু আমার কাজটা করে দেয় নাই আমি এর পর ২ বার পরিক্ষা দিছি ২বার খারাপ ফেল আসলো।বোড প্রতিবাদ করা নিজের পায়ে কুরাল মারা মত
আমার কাছে কথোপকথন এর ভিডিও আছে। এবং দুইজন সাক্ষী আছে। টাকা না দেয়ায় আমার ট্যাক্স এর কাগজ আটকে রাখছে। আবার হুমকিও দিছে।
আমার Certificate সংশোধন করার প্রয়োজন হয়েছিল। তখন আমার স্কুল থেকে সেটি থানা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়, যেটি কালাচাঁদপুর স্কুলে ছিল। সংশোধনের আবেদন জমা দেওয়ার সময় যেই স্যারের কাছে আমার ফাইলটি ছিল, তিনি ১,০০০ টাকা না দিলে ফাইলটি গ্রহণ করবেন না বলে জানান। পরে বাধ্য হয়ে আমি তাকে ১,০০০ টাকা দিই। অথচ সম্পূর্ণ সংশোধন প্রক্রিয়াটি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিনামূল্যে হওয়ার কথা ছিল।
স্কুলের ভুলের কারণে আমার ssc সার্টিফিকেটে বাবার নাম ভুলে এসেছিল। আমার অন্যান্য সকল ডকুমেন্টে নাম ঠিক ছিলো সেগুলো দিয়ে সংশোধনের আবেদন করি । প্রায় তিন চার মাস হয়ে গেছে তাও সংশোধন হচ্ছিল না। এরপর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে যাই, সেখান থেকে জানানো হয় অনেক আবেদন পড়েছে তাই সংশোধন হতে সময় লাগবে। বের হওয়ার সময় ওই অফিসে কর্মরত একজন ডাক দিয়ে পাশে নিয়ে গিয়ে বলে "খরচ করতে পারলে তাড়াতাড়ি ঠিক হবে "। বিষয়টি সংশোধন করা আমার জন্য জরুরি ছিলো। সেই ব্যক্তি ৫ হাজার টাকা দাবি করে। ২০০০ টাকায় তার সাথে চুক্তি করি। এরপরে দুই দিনের মধ্যে আমার সার্টিফিকেট সংশোধন হয়ে যায় । Se
শরীয়তপুর সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের একজন এটিও আমার বদলী করার নাম করে এক লক্ষ টাকা দাবি করেছে। কিন্তু আমি বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছি। এবং পালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমি বদলী হতে পারি। যে বদলী হয়েছে সে এক লক্ষ বা তার বেশি টাকা দিয়ে বদলী হয়েছে। যে এটিও বদলী হয়েছে সে ইতিমধ্যে ঘুষের টাকা দিয়ে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মান করেছে। এই চাকুরী করে এত টাকা কোথায় পেল এই প্রশ্ন কি কারো মাথা আসে না?
পলিটেকনিক গুলোর ডিপ্লোমা অষ্টম পর্বে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিংয়ে বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানি গুলোতে ট্রেনিংয়ে আসার জন্য যখন শিক্ষকদের থেকে অনুমতি চাওয়া হয় শিক্ষকরা সেই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ছাত্রছাত্রীদের মাথাপিছু বাবদ একটা ঘুষ দাবি করে প্রতিষ্ঠানগুলো এটি দিতে অস্বীকৃতি জানালে সেখানে কোন শিক্ষার্থীদেরকে পাঠায় না এইভাবে শিক্ষার্থীদের এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর কোমর ভেঙ্গে দিচ্ছে এই অসাধু পলিটেকনিক এর শিক্ষকগুলা।।
উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে ৫ আগষ্ট ২০২৪ সাল পর্যন্ত সব ধরনের বিল থেকে ১০ পার্সেন্ট কমিশণ খেতো শিক্ষা অফিসার। যদি কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাতো তাহলে তাকে নানা ভাবে হয়রানি করা হতো বিদ্যালয় ভিজিট করে। এমন কি আওয়ামীলীগ সরকারের শেষ সময়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের কর্মকর্তা হিসেবেও প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়। এর সাথে কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষকও এ অনৈতিক কাজে জড়িত হয়।
আমি দ্বাদশ শ্রেণীতে অন্য কলেজ থেকে গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজে টিসি নিয়ে ভর্তি হতে চাইলে , আমাকে সিট থাকা সত্ত্বেও বলা হয় " পনেরো হাজার টাকা দিলে ভর্তি করিয়ে দিব নয়তো ভর্তি করাবো না" ।
সচিব টাকা চাড়া সাইন করেনা
আমার খুব জরুরি ভিত্তিতে সার্টিফিকেট সংশোধন করতে হতো। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি যারা টাকা দেই না তাদের টা ৬ মাস, ১ বছর ধরে আটকিয়ে রাখে পরর্বতীতে টাকা দিয়েই করিয়ে নিতে হয়। আমি তাও অনেক ভাবে চেষ্টা করছি কিন্তু তারা আমাকে কোনোভাবেই না কি ৬ মাস বা আরও বেশি সময় এর আগে সেইটা করে দিতে পারবে না পরবর্তীতে বাধ্য হইয়েই আমাকে এই অন্যায় উপায় মেনে নিতে hoice
UGHS, NHMSC, Rajuk e Whatsapp e vice principal prottek class e teacher ke diye student der kase taka chay. Shorkar er protishan hoileo rajuk College jeno 25 e 25 practical e pay ejonno call kore kore baddho kore ghush nise nwwab habibullah school r uttara girls school e dibbe jonno. Nahole naki form puroner takay naki practical porikkha hobena. Echara prottek school theke 2500,3000,750,650 jon proti nie external kono porikkhok hall e ashte dey nai. Rajuk er teacher diye hall bhore felsilo. Viva ney nai. Taka camerar pisone manage kore nise churer dol. Hall er daitte kormokorta, police keo silona?
চিকিৎসা ছুটির নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কে ১০০০ টাকা ঘুষ দিলাম।
বলা হয়েছে যে ২৫০০ টাকা না দিলে ক্যাসিয়াস স্যার ভর্তি করবে না। বাধ্য হয়ে দেওয়া লাগছে।
mpo file বারবার রিজেক্ট করে দিত বিভিন্ন কারণে।
হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, যেটা পিটিআই রোড, হবিগঞ্জে অবস্থিত,সেখানে পেনশনের জন্য গেলে কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও একজন আমার কাছ থেকে অফিসারের নাম করে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না চাইলে তিনি দুর্ব্যবহার করেন এবং জানান এখানে তিনি অযথা আমার কাজ করে দেওয়ার জন্য বসে নাই। অথচ অফিসার পদে যারা ছিলেন তারা কেউই টাকা চায়নি।
এটা ঘুষ না শিক্ষাক দের বরাদ্দ থেকে টাকা কেটে রাখে প্রতি মিটিং প্রতি ৩০০ টা গড় শিক্ষক অনুযায়ী
ময়মনসিংহ জেলার, নান্দাইল উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলীর জন্য কমিটি করা হয়েছে। সেখানে দুইজন বিদ্যোৎসাহী সদস্য (সাদ্দাম ও তালহা) সকল শিক্ষক দের কাছে ২-৩ লাখ টাকা করে ঘুষ দাবি করছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে এমপিও ফাইল সাবমিশন এর জন্য ২০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। প্রথমে টাকা দেই নাই,যার জন্য ২মাস ফাইল টাস করে নাই। টাকা দেওয়ার সাথে সাথেই ফাইল এপ্রোভ করেছে।
উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের নাম। এই কালপ্রিটের কপালে সেজদার দাগ। মুখে নূরানি হাসি। কথায় যেন মুক্তো ঝরে। মনে হবে এর চেয়ে নিষ্পাপ মানুষ বোধ হয় পৃথিবীতে আর অবশিষ্ট নেই। অথচ টাকা ছাড়া একটা ফাইলও ছাড়ে না । এমপিও ভুক্ত শিক্ষক হিসেবে নতুন কেউ নিয়োগ পেলে, বা নতুন স্কেল যুক্ত করতে চাইলে তাকে খুশি করে দিতে হবে। এই খুশি করে দেওয়ার পরিমাণ তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা। লোকটা টাকা আবার নিজ হাতে নেবে না। নিজ হাতে ঘুষ নিলে হাত নাপাক হয়ে যাবে না? টাকা নেওয়া হবে তার অ্যাসিস্ট্যান্ট এর মাধ্যমে। যে বসে থেকে বাইরে।
"কোচিং করবেনা তাহলে ভর্তি হয়েছো কেন, কোচিং করা বাধ্যতামূলক আর কোচিং বল কেন এটা তো ইমপ্রুভমেন্ট প্রোগ্রাম"