নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চিকিৎসা ছুটির নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কে ১০০০ টাকা ঘুষ দিলাম।
কক্সবাজার জেলার সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার —,বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসলে ১০০০ টাকা করে নেয়।
াগুরা জেলার শালিখা উপজেলার দেওয়াডাঙ্গা সপ্রাবি এর ক্ষুদ্র মেরামতের বিল পাশ বাবদ ২৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছেন টিইও হেনায়ারা খানম।
আমার একজন শিক্ষকের কাছে এমপিওর ফাইল ছাড়ার কথা বলে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার। তিনি অনেক শিক্ষকের নিকট থেকে এভাবে অর্থ আদায় করেন।
উপজেলা থেকে শুরু হয়, এমপিও স্কুলের শিক্ষকদের বিএড স্কেল করাতে হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আমরাও ফাইল পাঠিয়েছি। বরগুনা সদর উপজেলা শিক্ষা অফিস ২০০০ টাকা দেয়ার পর ফাইল ছেড়েছে। জেলা শিক্ষা অফিসে টাকা নেয়নি পরবর্তীতে বরিশাল ডিডিতে — নামে একজন প্রোগ্রামার আছে তিনি ৫০০০ টাকা দাবি করেছেন। একজন টাকা গিয়ে দিয়েছে আমি যাইনি। ওনার বিরুদ্ধে অফিসিয়াল পদক্ষেপ আশা করছি।
প্রতিস্থাপক স্বাপেক্ষে বদলীকৃত বিদ্যালয়ে আসার সময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ঘুষ দাবি করে বলে ডিপিও সে ভাগ নিবে।
প্রাইমারি স্কুলের চাকুরি ছেড়ে দিবো। তাই ২০ দিনের বেতন পাইতাম। বেতন পাশ করার জন্য ১০০০ টাকা ঘুষ দেয়া লাগছে।
বেতন চালু করার MPO-EFT ফাইল ট্রান্সফার করতে মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা চেয়েছে
শিক্ষা অফিস থেকে শান্তি বিনোদনের ভাতা প্রদান-পূর্বক প্রায় ৩২০ জন শিক্ষকের থেকে জনপ্রতি নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা দাবি করা হয়।
আমি একটি সরকারি চাকরি ছেড়ে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করি। এনটিআরসিএর মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে একটি বিদ্যালয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও দীর্ঘ আট মাস এমপিওভুক্ত হতে পারিনি। এই সময়ে নানা জটিলতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে শেষ পর্যন্ত ২৫,০০০ টাকা প্রদান করতে বাধ্য হই। এই ঘটনার প্রায় দুই বছর পর বিএড সম্পন্ন করে বিএড স্কেল প্রাপ্তির সময়ও একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আবারও ১৪,০০০ টাকা দিতে হয়। প্রথমবার আমি কোনোভাবেই ঘুষ দিতে চাইনি এবং এ বিষয়ে দৃঢ় অবস্থানে ছিলাম। কিন্তু টানা আট মাস বেতন না পাওয়ার কারণে আর্থিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ি। সেই হতাশা ও অসহায়ত্ব আমাকে আপস করতে বাধ্য করে। পরবর্তীতে একই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি ঘটায় দ্বিতীয়বার আর দেরি না করে টাকা প্রদান করি।
গত জুলাই ২০২৬ এ আমি কুমিল্লা বোর্ডে আমার জেএসসি এবং এসএসসির সার্টিফিকেটের নাম সংশোধনের আবেদন করি।সবকিছু আমি নিজেই অনলাইনে করি।সংশোধন এপ্রুভাল হওয়ার পর অনেক দিন সময় লাগছিলো কোনো আপডেট আসছিলো না।এমন অবস্থায় সার্টিফিকেট সংক্রান্ত ফেসবুক সাপোর্ট গ্রুপে আরও অনেকের পোস্ট দেখতে পাই এমন দেরি হওয়া আবার অনেকে কমেন্ট করছিলো সপ্তাহ খানেকের মাঝে পেয়ে গেছে।সেখান থেকে এক ভাইয়ের মাধ্যমে বোর্ডের এক কর্মকর্তার নাম্বার পাই।তার সাথে যোগাযোগ করলে সে জানায় ৩দিনের মধ্যে দিয়ে দিবে ৬০০০ টাকা লাগবে।আমি পরে জানাবো বলে তার সাথে আর যোগাযোগ করি নি।প্রায় ২০/২৫ দিন পরে বোর্ড থেকে মেসেজ দিয়ে আমাকে সার্টিফিকেট আনতে বলা হয়।
আমার কাগজ পর্ত্র ঠিক নেই একেক দিন একেক অজুহাত পরে দপ্তরিকে ৩০০০ টাকা দিয়ে ২ দিনের মোদ্দ ট্রান্সফার করে ফেলতে পেরেছি আর আগে যত এই কাগজ পত্র ঠিক ছিলো না কেন জমা নেই নাই যারা গিয়ে ছিলো সবার কাছ থেকে খানকিরপোলার এইরকম টাকা নিছিলো ঢাকা শিখা বোর্ড থেকে
Six Enrollment certificates and one Letter of Recommendation from the university needed to be arrested from The Education Ministry situated at Bangladesh Secretariat. A broker demanded 20000 taka for the documents.
নাঙ্গলকোট উপজেলা অফিসের — অফিস সহায়ক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের একজন অফিস সহকারী চাকরির স্থায়ীকরণের অফিস আদেশের জন্য ৩০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছেন।
এমপিও করণ ও বকেয়া প্রাপ্তির জন্য
Amr ssc , birthday, jsc certificate a name vhul chilo Tara fast kore dite 10 k taka dabi kore . Pore Amar Abba ta deini .
রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসে কোনো সেবার জন্য গেলে সেখানে ঘুষ দিতে হয় নাহলে মুখ কালা করে বসে থাকেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আকারে ইঙ্গিতে বোঝান যে দিলে কাজ দ্রুত হয়ে যাবে। সহজ কাজ কে জটিল আকারে উপস্থাপন করে ঘুষ দিতে বাধ্য করান। অনেক সময় ঘুষ দিতে না চাইলে স্কুল/কলেজের প্রতিষ্ঠান প্রধান কে কল দিয়ে দুজন মিলে যোগসাজশ করে শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নেন।
ফাইল সাইন করার জন্য পিওন, হিসাব রক্ষক কর্তৃক টাকা চাওয়া হয়। অফিস প্রধান টাকা খেতে না পেরে ফাইল ১ মাসেও সাইন করেনা!
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, বড়লেখা, মৌলভীবাজার। এই অফিসের ছোটবড় সবাই ঘুষের সাথে জড়িত। অফিসের হিসাব সহকারী একজন সহকারী ও সাবেক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মত ঘুষখোর খুব কম আছে। প্রতিটা ছুটির আবেদন, নতুন শিক্ষকদের বেতন তুলতে গেলে উপজেলা অফিসের হিসাব সহকারী —কে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে কাজ আগায় না,বেতন হয় না। কত লোককে যে হয়রানি করেছে এটা নিয়ে তা বলার বাইরে। অবশ্য তার ছেলেমেয়ে হয়েছে, যতটা কষ্ট আমার স্যালারি নিয়ে দিয়েছে তার হিসাব খোদার কাছে রইলো। এই অফিসের সাবেক প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার — মোবাইলের ফ্লেক্সিলোড পর্যন্ত ঘুষ নিতো। প্রতিটা স্কুল ইনশপেকশনে গেলে নেগেটিভ রিপোর্টের ভয় দেখিয়ে স্কুল প্রতি পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা আদায় করতো।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি হওয়ার পর, জেলা শিক্ষা অফিস থেকে পিয়ন বলে পছন্দের স্কুলে চাকরি করতে পারবো, দিতে হবে ৪০০০০ টাকা। পরে শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলি, উনি আরও কয়েকজন কে নিয়ে বসে, এবং বলে কোন স্কুল তোমাদের পছন্দ দেখ। বেশ কিছুতে দাগ দেওয়া ছিল বললো, এগুলো Already booking, বাকি যেগুলা আছে সেগুলো choice কর। অনেক বলাবলির পর ৩০০০০ হাজারে রাজি হল। এর আগের বছর এক ভাইয়ের চাকরি হয়েছিল, অনেক দূরে চর অঞ্চলে তার posting দেওয়ার সে কিছুদিন Absence ছিল, তারেও বলছে ২ লাখ দিলে সে চাকরি করতে পারবে নইলে তার নাম এ বিশাল মামলা হবে.. টাকাই যেন সব সমস্যার সমাধান