নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার জিপিএফ থেকে লোন নেওয়ার প্রত্যয়ন নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
Amr ssc , birthday, jsc certificate a name vhul chilo Tara fast kore dite 10 k taka dabi kore . Pore Amar Abba ta deini .
আমি ওমরা করার জন্য ছুটির আবেদন করতে গিয়েছিলাম। এর জন্য আমাকে সরাসরি টাকার দাবি করা হয় প্রথমে আমি ২০০০ টাকা দেই কিন্তু পরে উনি আরো এক হাজার টাকা দাবি করেন।
Long story short , i paid a broker (dalal) who allegedly worked in the education board of dhaka /supposedly had links inside . The deal was simple he could have the job done in 3 working days, we mutually agreed at first the ammount was 24k , after i paid him obviously he didnt deliver in 3 days , by deliver i mean the orginal trancripts with the corrected names , he were swinging me on a lose ends never doing any actual work. Later i discovered this man was not a education board officer but had alleged links inside, later he asked for another 35k mind you thats 70k for name correction in certificates, obviously i refused (after paying 35k it was already going on in a spiral of fraud)
একটি কিন্ডারগার্টেন এর রেজিষ্ট্রেশন করতে শিক্ষা অফিস এ গিয়েছিলাম। কথা বলার পর জানান যে 2000টাকা লাগবে
প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিস, সদর লক্ষীপুরের অফিস-কাম কম্পিউটার অপারেটর নাসিম, আমার একটা এপ্লিকেশন TO স্যার কে ফরওয়ার্ড করতে ২০০০ টাকা চাইছে।
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির জন্য চেয়েছিলেন উপাচার্য।
স্কুল হেডমাস্টার দিতে বলেছিল কিন্তু আমি প্রত্যাখান করি।আমি দেই নাই।
বিল নিছি আমাকে এখন পর্যন্ত চাপ দিচ্ছে টাকা দেওয়ার জন্য না হলে ফাইনাল বিল দেবে না ডিসেম্বরে।
প্রত্যয়ন পদ নিতে হলে ১০০ টাকা দেওয়া লাগবে
Greese এ আবেদনের জন্য bd appostile হয় না। বলাতে তালবাহানা করে অনলাইন করতে হবে, মিনিস্ট্রি এটাসটেসন করে তারপর নবাব জাদার কাছে নিয়ে যেতে টাকা দিয়েছি সব ঠিক। হারামজাদা দের জন্য দেশ ছাড়তেছি
আমি অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলাম, আমি আমার ফাইনান্সিয়াল প্রব্লেমের কারনে অনেকদিন ক্লাস করতে পারিনি, যখন আমার প্রথম বর্ষের শুরু হবে তার আগে, আমি যখন ফরম ফিল আপ করতে যাই তখন আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা চায়, তা না হলে ফরম।ফিল আপ করতে দিবেনা, আর বলে কাওকে বললে আমার ছাত্রত্ব বাতিল করবে! আহহা এই রকম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসব মানা যায়? আমি শউর এখানে মেইন কর্তৃপক্ষ ও জরিত, তাই আর আমি একশন নেইনি, উলটা পড়াশুনাই করবোনা ভেবে নিছি, যেখানে প্রতিষ্ঠানেই ঘুষ চাচ্ছে সেই জায়গায় চাকরি জীবনে ডিগ্রী দিয়ে কি হবে, তখন ও ঘুষ টাই বেশি কাজে দিবে, তাই টাকা কামাচ্ছি, ঘুষ দেওয়ার জন্যে ভবিষ্যতে, সোনার বাংলাদেশ💔
shorkari bhabe bola hoyeche je practical e kono otirikto tk neoa hobe na, kintu thik e college shikkhok abar board exam e obbhontorin sikhok bolen je mama(khata collect koren jini) tader beton deoa hoy na... tarpor mama ra shobar kas theke tk nen. ami boli je eita bhaddota mulok kina? tarpor uni janan je na dile shomossha nei kintu onnanno college e 180tk/200tk prottek practical exam e ney amra tao to 50 tk nicchi. benefit: so called practical exam e deikha lekhte dey+viva te jigash kore tumar nam ki, gramer bari koi, etc. and onk time e teacher porichito hoile gan gaiteo bole ar oporichito hole tough viva nen.janina na eta ghush kina but amar mone hoise tai bollam.
আমার মাধ্যমিক(২০২২) সমমানের ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি টাকা আদায় করতে গিয়েছিলাম যেটা উচ্চ মাধ্যমিক এর ২ বছরে পাবার কথা।এখনও ১ টাকাও পাইনি।সব কাগজপত্র উচ্চ মাধ্যমিক এর প্রথম বর্ষে ঠিক সময়ে সঠিক তথ্যে জমা দেওয়া ছিল।আজ পর্যন্ত টাকা পাইনি।ওইখানে একজন ভদ্রলোক বলেছিল সরকার টাকা দিয়ে দিবে। পেলাম না টাকা। কেও যদি পারেন আমার মতন আরও ১০ টা ছেলের টাকা আটকায় আছে আমি চিনি।চিনি না এমন অহরহ তো আছেই।কি উদ্যোগ জানি না তবে টাকা পেলে উপকার হয় নাতো আমি তাদের মাফ করে দিলাম।আমার সামান্য টাকার জন্যে তাদের স্বর্গে যাওয়া থেকে বঞ্চিত করলাম না আর। আগায় যাক আমার দেশ।
আমার BEd scale প্রাপ্তির জন্য স্কুল থেকে ফাইল অনলাইনে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর পাঠিয়েছিলাম। সাথে এমপিও এর অনুমোদনের জন্য আমার ২ জন কলিগও তার বরাবর ফাইল পাঠায়। তিনি টাকা না দেওয়ায় ফাইল আটকে রাখেন। পরে ৬০০০ টাকা দিলে সবার ফাইল জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর ফরোয়ার্ড করেন। জেলা শিক্ষা অফিসের কর্মচারিকে টাকা না দেওয়ায় সেসব ফাইল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ফরওয়ার্ড করা হয়নি। পরে ঐ কর্মচারিকে ৫০০০ টাকা দিলে ফাইল ফরওয়ার্ড করা হয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এর অফিস সহকারী নিলুফা টাকা ছাড়া কোন ফাইলের কাজ করেন না। টাকা দিলে সব কাজ হবে না দিলে ফাইনাল হারিয়ে যায়।।
এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের বদলী সংক্রান্ত ঘুষ বাণিজ্য
My wife applied for a transfer from one school to another within a Upazila. She holds all the qualification asked by the education office. But local MP and his political fellow are taking money from the teachers to get transferred.
যশোর শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি সার্টিফিকেট, এ্যাডমিট কার্ড, রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধনে দেওয়া ছিল৷ তার জন্য সরকারি চার্জ অনলাইনে পরিশোধ করেছিলাম৷ কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন কার্ড সংশোধন হওয়ার পরে তা নিতে গিয়ে চা নাস্তা বাবদ একশ টাকা দাবি করে ওই বিভাগের এক কর্মকর্তা। আমি ৫০ টাকা দিয়েছিলাম
অনলাইনে এইচএসি সার্টিফিকেট সংশোধনের আবেদন করার পর দীর্ঘদিন আমার ফাইলটি আটকে ছিল, সংশোধন হচ্ছিল না। এরপর আমি ঢাকা বোর্ডের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করি এবং সেখানে থাকা উপসচিবের সহকারী আমাকে আলাদা রুমে নিয়ে যায়, আমার তথ্য দেখবে বলে। রুমে তিনি আমাকে এবং আমার সঙ্গে থাকা আরেকজনকে কিছু টাকা চায়। তিনি এক হাজার টাকা এবং তার সঙ্গে থাকা দুইজন মোট ১,৫০০ টাকা প্রদান করে এবং আমাকে জিজ্ঞেস করেন, “এই কাজের জন্য ৫০০ টাকা দিতে পারবেন কি?” আমি বলি, “না, আমার কাছে টাকা নেই; গাড়ি ভাড়া ছাড়া আর কিছু নেই।” এরপর তিনি বললেন, “আচ্ছা, অপেক্ষা করুন,”। পরে আমি সরাসরি উপসচিবের সঙ্গে কথা বলি, যদিও আমি এই বিষয়টি তাকে না বলি। উপসচিবকে অনুরোধ করি। এরপর তিনি আমার অনুরোধে রাজি হয়ে নাম সংসোধন করেন।