প্রাথমিক শিক্ষক বদলি
ময়মনসিংহ জেলার, নান্দাইল উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলীর জন্য কমিটি করা হয়েছে। সেখানে দুইজন বিদ্যোৎসাহী সদস্য (সাদ্দাম ও তালহা) সকল শিক্ষক দের কাছে ২-৩ লাখ টাকা করে ঘুষ দাবি করছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ময়মনসিংহ জেলার, নান্দাইল উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলীর জন্য কমিটি করা হয়েছে। সেখানে দুইজন বিদ্যোৎসাহী সদস্য (সাদ্দাম ও তালহা) সকল শিক্ষক দের কাছে ২-৩ লাখ টাকা করে ঘুষ দাবি করছে।
উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের নাম। এই কালপ্রিটের কপালে সেজদার দাগ। মুখে নূরানি হাসি। কথায় যেন মুক্তো ঝরে। মনে হবে এর চেয়ে নিষ্পাপ মানুষ বোধ হয় পৃথিবীতে আর অবশিষ্ট নেই। অথচ টাকা ছাড়া একটা ফাইলও ছাড়ে না । এমপিও ভুক্ত শিক্ষক হিসেবে নতুন কেউ নিয়োগ পেলে, বা নতুন স্কেল যুক্ত করতে চাইলে তাকে খুশি করে দিতে হবে। এই খুশি করে দেওয়ার পরিমাণ তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা। লোকটা টাকা আবার নিজ হাতে নেবে না। নিজ হাতে ঘুষ নিলে হাত নাপাক হয়ে যাবে না? টাকা নেওয়া হবে তার অ্যাসিস্ট্যান্ট এর মাধ্যমে। যে বসে থেকে বাইরে।
UGHS, NHMSC, Rajuk e Whatsapp e vice principal prottek class e teacher ke diye student der kase taka chay. Shorkar er protishan hoileo rajuk College jeno 25 e 25 practical e pay ejonno call kore kore baddho kore ghush nise nwwab habibullah school r uttara girls school e dibbe jonno. Nahole naki form puroner takay naki practical porikkha hobena. Echara prottek school theke 2500,3000,750,650 jon proti nie external kono porikkhok hall e ashte dey nai. Rajuk er teacher diye hall bhore felsilo. Viva ney nai. Taka camerar pisone manage kore nise churer dol. Hall er daitte kormokorta, police keo silona?
"কোচিং করবেনা তাহলে ভর্তি হয়েছো কেন, কোচিং করা বাধ্যতামূলক আর কোচিং বল কেন এটা তো ইমপ্রুভমেন্ট প্রোগ্রাম"
উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে এমপিও ফাইল সাবমিশন এর জন্য ২০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। প্রথমে টাকা দেই নাই,যার জন্য ২মাস ফাইল টাস করে নাই। টাকা দেওয়ার সাথে সাথেই ফাইল এপ্রোভ করেছে।
াগুরা জেলার শালিখা উপজেলার দেওয়াডাঙ্গা সপ্রাবি এর ক্ষুদ্র মেরামতের বিল পাশ বাবদ ২৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছেন টিইও হেনায়ারা খানম।
উপজেলা থেকে শুরু হয়, এমপিও স্কুলের শিক্ষকদের বিএড স্কেল করাতে হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আমরাও ফাইল পাঠিয়েছি। বরগুনা সদর উপজেলা শিক্ষা অফিস ২০০০ টাকা দেয়ার পর ফাইল ছেড়েছে। জেলা শিক্ষা অফিসে টাকা নেয়নি পরবর্তীতে বরিশাল ডিডিতে — নামে একজন প্রোগ্রামার আছে তিনি ৫০০০ টাকা দাবি করেছেন। একজন টাকা গিয়ে দিয়েছে আমি যাইনি। ওনার বিরুদ্ধে অফিসিয়াল পদক্ষেপ আশা করছি।
প্রাইমারি স্কুলের চাকুরি ছেড়ে দিবো। তাই ২০ দিনের বেতন পাইতাম। বেতন পাশ করার জন্য ১০০০ টাকা ঘুষ দেয়া লাগছে।
কক্সবাজার জেলার সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার —,বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসলে ১০০০ টাকা করে নেয়।
আমার একজন শিক্ষকের কাছে এমপিওর ফাইল ছাড়ার কথা বলে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার। তিনি অনেক শিক্ষকের নিকট থেকে এভাবে অর্থ আদায় করেন।
প্রতিস্থাপক স্বাপেক্ষে বদলীকৃত বিদ্যালয়ে আসার সময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ঘুষ দাবি করে বলে ডিপিও সে ভাগ নিবে।
আমি একটি সরকারি চাকরি ছেড়ে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করি। এনটিআরসিএর মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে একটি বিদ্যালয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও দীর্ঘ আট মাস এমপিওভুক্ত হতে পারিনি। এই সময়ে নানা জটিলতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে শেষ পর্যন্ত ২৫,০০০ টাকা প্রদান করতে বাধ্য হই। এই ঘটনার প্রায় দুই বছর পর বিএড সম্পন্ন করে বিএড স্কেল প্রাপ্তির সময়ও একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আবারও ১৪,০০০ টাকা দিতে হয়। প্রথমবার আমি কোনোভাবেই ঘুষ দিতে চাইনি এবং এ বিষয়ে দৃঢ় অবস্থানে ছিলাম। কিন্তু টানা আট মাস বেতন না পাওয়ার কারণে আর্থিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ি। সেই হতাশা ও অসহায়ত্ব আমাকে আপস করতে বাধ্য করে। পরবর্তীতে একই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি ঘটায় দ্বিতীয়বার আর দেরি না করে টাকা প্রদান করি।
আমার কাগজ পর্ত্র ঠিক নেই একেক দিন একেক অজুহাত পরে দপ্তরিকে ৩০০০ টাকা দিয়ে ২ দিনের মোদ্দ ট্রান্সফার করে ফেলতে পেরেছি আর আগে যত এই কাগজ পত্র ঠিক ছিলো না কেন জমা নেই নাই যারা গিয়ে ছিলো সবার কাছ থেকে খানকিরপোলার এইরকম টাকা নিছিলো ঢাকা শিখা বোর্ড থেকে
নাঙ্গলকোট উপজেলা অফিসের — অফিস সহায়ক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের একজন অফিস সহকারী চাকরির স্থায়ীকরণের অফিস আদেশের জন্য ৩০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছেন।
Six Enrollment certificates and one Letter of Recommendation from the university needed to be arrested from The Education Ministry situated at Bangladesh Secretariat. A broker demanded 20000 taka for the documents.
এমপিও করণ ও বকেয়া প্রাপ্তির জন্য
শিক্ষা অফিস থেকে শান্তি বিনোদনের ভাতা প্রদান-পূর্বক প্রায় ৩২০ জন শিক্ষকের থেকে জনপ্রতি নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা দাবি করা হয়।
গত জুলাই ২০২৬ এ আমি কুমিল্লা বোর্ডে আমার জেএসসি এবং এসএসসির সার্টিফিকেটের নাম সংশোধনের আবেদন করি।সবকিছু আমি নিজেই অনলাইনে করি।সংশোধন এপ্রুভাল হওয়ার পর অনেক দিন সময় লাগছিলো কোনো আপডেট আসছিলো না।এমন অবস্থায় সার্টিফিকেট সংক্রান্ত ফেসবুক সাপোর্ট গ্রুপে আরও অনেকের পোস্ট দেখতে পাই এমন দেরি হওয়া আবার অনেকে কমেন্ট করছিলো সপ্তাহ খানেকের মাঝে পেয়ে গেছে।সেখান থেকে এক ভাইয়ের মাধ্যমে বোর্ডের এক কর্মকর্তার নাম্বার পাই।তার সাথে যোগাযোগ করলে সে জানায় ৩দিনের মধ্যে দিয়ে দিবে ৬০০০ টাকা লাগবে।আমি পরে জানাবো বলে তার সাথে আর যোগাযোগ করি নি।প্রায় ২০/২৫ দিন পরে বোর্ড থেকে মেসেজ দিয়ে আমাকে সার্টিফিকেট আনতে বলা হয়।
বেতন চালু করার MPO-EFT ফাইল ট্রান্সফার করতে মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা চেয়েছে
Long story short , i paid a broker (dalal) who allegedly worked in the education board of dhaka /supposedly had links inside . The deal was simple he could have the job done in 3 working days, we mutually agreed at first the ammount was 24k , after i paid him obviously he didnt deliver in 3 days , by deliver i mean the orginal trancripts with the corrected names , he were swinging me on a lose ends never doing any actual work. Later i discovered this man was not a education board officer but had alleged links inside, later he asked for another 35k mind you thats 70k for name correction in certificates, obviously i refused (after paying 35k it was already going on in a spiral of fraud)