নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি ২০২৬ সালের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ভাইবা দেওয়ার সময় জেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলে তারা আমাকে বলে ভাইবার নাম্বার তারা দিয়ে দিবে।বিনিময়ে তাদেরকে ৯০০০০ টাকা দিতে হবে আমি যেহেতু তাদের সাথে যোগাযোগ করি এবং আমার এডমিটকার্ড তাদের কাছে দিয়ে দেই তাই চিন্তা করি যেহেতু তাদের সাথে আলাপ করেছি এখন যদি টাকা না দেই তখন তারা যদি আমাকে ফেল করিয়ে দেয় তাই ভেবে টাকাটা দিয়ে দেই। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমার চাকরিটা হয়নি। হয়তো আমি অবৈধ পথে যাওয়ায় তার হয়নি।তাই মনে কষ্ট নেই। কিন্তু আমি আর আমার টাকাটা ফেরত পায়নি। আমি হয়ে টাকা দিয়েছি তার প্রমাণ আছে। এখন আমি কি করতে পারি।
এসএসসি পাশের পর বিদ্যালয় থেকে প্রশংসা পত্র চেয়েচিলাম ৫০০ টাকা চেয়েছে য়ার কোনো আইনত ভিত্তি নেই।কারণ শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা মোতাবেগ ফরম ফিলাপের সময় সমস্ত ফি নিয়ে নেওয়া হয়।কিন্তু বর্তমানে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবেই মানুষের উপর জুলুম করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
পিটিআই তে যাবার জন্য আমার নাম উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে এসেছিল।নাম কাটার জন্য কাম কম্পিউটার অফিস সহকারী আমার কাছে টাকা দাবি করে।পরবর্তীতে দেই।কিন্তু এ কাজ দুবার করেছে। আমার নতুন নিয়োগ হওয়ায় বুঝতে পারিনি। যে কোনো ছোটো বিষয় নিয়ে গেলেও ঘুষ (টাকা) দাবি করে। সরাসরি চায় না কিন্তু না দিলে কাজ হয় না।
২০২২ সালে আমি NTRCA এর মাধ্যমে হাইস্কুল এ সহকারী শিক্ষক হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত হ ই। এমপিও আবেদন এর সময় উপজেলা শিক্ষা অফিসার মিষ্টি বাবদ ১০ হাজার টাকা দাবি করে ,আমি অপরাগতা প্রকাশ করলে ফাইল আটকে রাখে।পরে ৫ হাজার টাকা দিলে ফাইল জেলায় পাঠায় জেলা শিক্ষা অফিসার কোন ঘুষ নেয়নি কিন্তু বিভাগে যাওয়ার পর ডিডি অফিস ফাইল আটকে রাখে অনুমোদন ও দেয়না রিজেক্ট ও করেনা।পরে ৫ মাস পরে দালাল খুঁজে ১০ হাজার টাকা দিলে সাথে সাথে ফাইল অনুমোদন হয়ে এমপিও হয়ে যায় আমি তো অবাক। সরকারের উচিত অটো এমপিও করা যাতে ৫ মাস বেতন ছারা জীবন যাপন না করতে হয়।
কোন ফাইল সরাতে হলে বা কাজ করতে হলে ১০০০/১৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে।
আমি ২০২৩ সালে NTRCA এর মাধ্যমে হাইস্কুল এ সহকারী শিক্ষক হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত হই।MPO করার সময় উপজেলা শিক্ষা অফিস ১০০০০ টাকা দাবি করে সব কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও। আমি যেহেতু NTRCA সুপারিশ প্রাপ্ত আমার কাগজ পত্রে কোন সমস্যা ছিলনা। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মিষ্টি বাবদ ১০০০০ টাকা দাবি করে আমি অপরাগতা প্রকাশ করলে আমার ফাইল আটকে রাখে।পরে উপায় না পেয়ে ৫০০০ টাকা দিলে ফাইল জেলায় পাঠায়। জেলা শিক্ষা অফিসার কোন টাকা নেয়নি উনি বিভাগে ফাইল পাঠায় কিন্তু বিভাগের তত্কালীন ডিডি ফাইল অনুমোদন ও দেয়না রিজেক্ট ও করেনা পেন্ডিং রাখে এমপিও মিস হয়ে যায়।৫ মাস পর ১০ হাজার টাকা দালাল এর মাধ্যমে ডিডিতে দেওয়ার সাথে সাথে ফাইল অনুমোদন হয়ে এমপিও হয়ে যায়।এই সমস্যা সমাধানে সরকারের অটো এমপিও চালু করা উচিত।
একটি প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হওয়ায় বিদ্যালয় থেকে আমাকে শিক্ষা অফিসে বই নিতে পাঠায়। সময় টা ছিল রমজান মাস।গিয়ে দেখি সেখানে আমার মতো অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এসেছে বই নিতে।শিক্ষা অফিসের দুজন কর্মচারী এসে বই বিতারন শুরু করে।অর্ধেকের মতো বই দেওয়া হলে বই বিতরণ বন্ধ করে দেয় এবং ঘুসের টাকা পরিসধ করে বাকি বই নিতে বলে। এসময় আমি অর্ধেক বই নিয়েই বিদ্যালয়ে ফিরে আসি
ssc regi card e dhormo vule muslim ashe karon amar nam hindu naki muslim bujha kothin...pore bole 500tk dite hobe eita change korar jonno!!nahole change hobe na!!manlam vul hoise but amar fault ki eikhane??ami ken tk dibo oma!!
এমপিও ফাইল এর আবেদন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের করার কথা কিন্তু উনি না করে ওটা একজনের কাছে পাঠিয়ে দেন তাকে আবার ৩ হাজার টাকায় কন্টাক্ট করা লাগে তারপর ফাইল আবেদন করার জন্য,পরে এটা আর অনুমোদন হয় না উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় থেকে এবং রিজেক্ট করে দে পরবর্তীতে যার মাধ্যমে আবেদন করেছি তার সাথে যোগাযোগ করলে সে বলে শিক্ষা অফিসার কে দুই হাজার টাকা দিতে হবে, বাধ্য হয়ে দুই হাজার টাকা দিয়ে এবং এইবার উপজেলা অফিস থেকে ফাইল এপ্রুভ হল। টাকাটা আমি সশরীরে সসম্মানে প্যাকেটের ভিতর দিয়ে আসি।
আমার এমপিও ভুক্ত হতেও ডিডি অফিস মিরপুরে টাকা দিতে হয়েছে, এবং বকেয়া টাকা উত্তোলনের জন্য টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে, মোট 60,000 টাকা
আমি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি হতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আমার কাছে দশ হাজার টাকা চেয়েছে।পরে আমি এই টাকা পরিশোধ করে বদলি হই।এই বদলিটা ছিলো উপলেলার মধ্যে ই।এই বাবদ আমাকে আরেকজন উপসচিব কে ২০ হাজার টাকা দিতে হয়।
একজন সহকারী শিক্ষক থেকে আমি সিনিয়র শিক্ষকের জন্য আবেদন করেছি। সেখানে ফাইল প্রতি বা শিক্ষক প্রতি ৪০০০ টাকা দাবি করে। আমার স্ত্রী ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। আমাদের দুই জনের একই সাথে চাকুরির বয়স ১০ বছর পূর্ন হয়। আমার দুই জন একসাথে উচ্চতর স্কেল পাওয়ার জন্য আবেদন করি। মাধ্যমিক শিক্ষক স্যার কে বলি স্যার আমরা দুই জন স্বামী-স্ত্রী আমাদের দুই টা ৪০০০ টাকায় ছেড়ে দেন । কিন্তু আমার টা উচ্চতর স্কেল হয়ে যায় ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে আর আমার স্রীর টা এখন পর্যন্ত হয় নাই। তার পর থেকে প্রতি mpo তে ফাইল সাবমিট করলে বার বারই ফাইল ব্যাক করে দেয়।
আমার মায়ের শিক্ষকতা জীবনে মামলা থাকায় বকেয়া টাকা তুলতে গিয়ে প্রায় অর্ধেক টাকা ঘোষ চেয়ে বসে।
বিএড স্কেলের জন্য ফাইল অনলাইনে সাবমিট করার পর। উপজেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ না করলে তারা ফাইল সেন্ট্রাল প্রোগ্রামারের নিকট ফাইল সেন্ড করবে না। কোন একটি ভুল কারণ দেখিয়ে ফাইল রিজেক্ট করা হবে। উপজেলা শিক্ষা অফিসে দেখা করতে গেলে তিনি সরাসরি ৫০০০ টাকা দাবি করেন। এবং অধ্যক্ষের মাধ্যমে পুনরায় যোগাযোগ করতে বলেন। পরবর্তীতে আমি ২০০০ টাকা দিয়ে ফাইল সেন্ড করিয়ে নেই।
gpf খোলার জন্য অফিসে গিয়েছিলাম। কাগজপত্র জমা দিয়েছি। কিন্তু কাজ করে না। তারপর ৫০০ টাকা চাইলে। বলল একাউন্টস অফিসে নাকি কি টাকা দিতে হবে।
আমার কাছ থেকে এই টাকাটা মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর নিয়েছে
বিএড স্কেল প্রাপ্তির জন্য আবেদন করেছি,কিন্তু গতি ১২/৮/২০২৬ ইং ২০০০ টাকা না দেওয়ার কারণে হবিগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার( ডিও) আমার ফাইল রিজেক্ট করেছে। যারা টাকা দিছে তাদের ফাইল ডান হয়েছে।
Amar SSC and HSC certificate e ekta spelling mistake ache. Ami oita correction korate chaichilam. Tokhon ma boyoshi ek mohila direct taka chaiche naile kaj hobena. Ogotta taka diyei kaj ta korte hoichilo.
এম পি ও ভুক্ত হতে প্রয়োজনীয় কাগজ জেলার পাঠানোর ক্ষেত্রে ঘুস দিতে হয়েছিল।
আমার বাবা একজন হবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ছিলেন। রিটায়ার্ড যাওয়ার প্রায় ৫-৬ মাস যাওয়ার পর তিনি স্ট্রোক করে ফেলেন। প্রায় ১ সপ্তাহ মতো সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে বাবাকে নিয়ে ভর্তি ছিলাম। আমার বাবার পেনশন তুলতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হইছে। শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাজ করতে অনেক অনীহা দেখায় এবং গড়িমসি শুরু করে এবং ইচ্ছে করেই কাজটা ডিলে করে। প্রায় ৪-৫ মাস লেগেছিল পেনশন এর টাকা তুলতে। উপজেলা প্রাথমিক অফিসারের দ্বায়িত্বে থাকা ব্যক্তিকে ৫ হাজারের মতো দিয়েছিলাম। শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারীদের ৭০০০ এর মতো দিয়ে ছিলাম। কি সব কাগজ পত্র বাবদ আরও ২৫০০ টাকা দিয়ে ছিলাম। এবং হিসাবরক্ষণ অফিসেও ৮ হাজার টাকার মতো দিয়ে ছিলাম।