School Admission
Admit the student to VNC without an admission test.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Admit the student to VNC without an admission test.
৭৬,০০০ টাকা বকেয়া তুলতে প্রধান শিক্ষক ৩০,০০০ টাকা দাবি করলে ১৫,০০০ দিতে হয়।
উর্ধতন কতৃপক্ষের নির্দেশনা ছিল স্কুল ভিত্তিক প্রশ্ন পত্র তৈরির কিন্তু সেই নির্দেশনা না মেনে দূর্ণীতির উদ্দেশ্যে পুরো উপজেলার ২২৩টি স্কুলের প্রশ্নপত্র উপজেলা শিক্ষা অফিস তথা টিইও একাই প্রশ্নপত্র ছাপানোর কাজ করে। প্রতিসেট প্রশ্ন তৈরিতে যেখানে নুন্যতম খরচ ৩ থেকে সাড়ে ৩ টাকা সেখানে প্রতিসেট প্রশ্নে আদায় করা হয়েছে ১০ টাকা। উপজেলায় শিক্ষার্থী সংখা ত্রিশ হাজার প্রায়। সে হিসেবে প্রশ্নসেটও ত্রিশ হাজার। অর্থ্যাৎ ত্রিশ হাজার গুণন সাড়ে ৬ টাকা = প্রায় ২ লক্ষ টাকার দুর্ণীতি। ১ম এবং ২য় দুই প্রান্তিক পরিক্ষা মিলে ৪ লক্ষ টাকার দূর্ণীতি।
আমি বি এড ফাইল প্রেরণ উপলক্ষে ২০০০ টাকা উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে দেই ।তবুও আমার ফাইল জেলায় প্রেরণ করে নাই। চার মাস থেকে উপজেলায় ফাইল আটকে আছে। এমন তো অবস্থায় আমার কি করা প্রয়োজন ভাবতে পারছি না।
টাকা না দেয়ার কারনে রমজানের বন্ধে আমাদের প্রাপ্য টাকা আটকে দেন বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত টিইও —। পরবর্তীতে আমরা ৭৮ জন শিক্ষক ২০০ করে টাকা দিয়ে তার কাছ থেকে এই শ্রান্তি ভাতা ছাড় করিয়ে আনিতে হয়েছিল। এই কাজে দালালি করেছে —,যে একজন সহকারী শিক্ষক। আর এর সাথে জড়িত আছে শিক্ষা অফিস এ মাস্টার রোলে চাকরি করা —।
Madhupur Shahid Smrity Higher,The principal taken extra amount from us for doing the transfer my doughter.
বরগুনা জেলা ডিপিই অফিস থেকে জয়েনিং লেটার পাঠিয়েছিল তালতলী উপজেলা শিক্ষা অফিসে।সেখানে থাকা দালাল যে একজন প্রধান শিক্ষক (সুন্দরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের) নাম —।সে আমার সহ ৯৩ জনের লেটার আটকে ৮০০ করে টাকা আদায় করে।।যেটা পুরো শিক্ষা অফিসের স্টাফরা মিলে খায় বলে জানা যায়।
উমরাহ করার জন্য বৈদেশিক ছুটির আবেদন করি। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ পরিচালকের কার্যালয়ে। সেখানে যেই কেরানির কাছে দরখাস্ত দিই সে বলে খরচ দিতে হবে নাহয় ছুটির আদেশ আসতে দেরি হবে।
বি এড স্কেল প্রাপ্তির জন্য আবেদন করেছি। ঘুষ না দিতে পারাই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ঢাকা ডিডি ফাইল রিজেক্ট করেছে।
সব সরকারি অফিসের কর্মচারী বদলির একটা নীতিমালা অনুসরণ করলেও সরকারি মাধ্যমিকে কোনো নীতিমালা মানা হয় না। একজন শিক্ষককে বদলি নিতে হলে তাকে ২/৩ লক্ষ টাকা গুনতে হয়। এটা দিনের আলোর মতো ঝকঝকে ব্যাপার, সবাই জানে। ১০/১৫ বছর একই স্থানে চাকরি করছি। চোখের সামনে টাকার বিনিময়ে হাজার হাজার বদলি দেখলাম। দেখলাম অনেক আদর্শ শিক্ষক মন্ত্রণালয়ের আদর্শ কর্মকর্তার মাধ্যমে ভালো ভালো স্কুলগুলোতে পোস্টিং নিয়ে আদর্শের শিক্ষা দিচ্ছে। গড়ে তুলেছে আদর্শ প্রাইভেট, কোচিং সেন্টার। কারণ ওই শিক্ষকের আদর্শে বিনিয়োগ করা টাকা আদর্ষিক পথেই তুলতে হবে।
পিটিআই ট্রেনিং এ না যাওয়ার জন্য শিক্ষা অফিস থেকে ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছিল।
টাকা না দিলে এমপিও আবেদন ফরওয়ার্ড করবে না, এমন পরিস্থিতিতে টাকাটা দিতে হয়েছিল উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে।
উচ্চতর বেতন স্কেল এর ফাইল উপজেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক দেখার পর এটি ট্রান্সফার করা হয় জেলা শিক্ষা অফিসে, উপজেলা থেকে এই ফাইলটি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জেলায় ট্রান্সফার করার জন্য ২০০০ দাবি করেন, এই অংক সবার জন্য নির্ধারিত ছিলো যতোজনের যতো ফাইল সংক্রান্ত কাজ আছে সবার জন্যই এই একাউন্ট।
আমি এইচএসসি সার্টিফিকেটের নামের বানান ভুলের সংশোধন করতে গিয়েছিলাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা তে । সেখানে সবাই অসহযোগিতা করেছে এবং শুধু শুধু প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করেছে, এবং দালালের মাধ্যমে ঘুষ দাবি করেছে। ঘুষ দেয়নি বলে আমার সার্টিফিকেটের বানান সংশোধন করতে ৬মাসের অধিক সময় লেগেছে এবং অনেকবার যাওয়া লেগেছ। সেখানে সবথেকে ব্যবহার খারাপ ছিল সার্টিফিকেট যে কাউন্টার থেকে প্রদান করে সে কাউন্টারের লোকের।
আমার এডমিট কার্ড হারিয়ে গিয়েছিলো৷ কপি উত্তলনের জন্য সরকারি ফি অনলাইনে জমা দিয়েছিলাম এবং বাকি সব কিছু নিয়মতান্ত্রীক ভাবে সম্পন্ন করেছিলাম। নির্ধারিত সময়ের পর আমি এডমিট কার্ড নিতে গিয়েছিলাম। কাজ হয় নি বলে আমার ৩ দিন পর পুনরায় আস্তে বলে। ৩ দিন পর গেলে আমাকে কাজ দেখিয়ে ১০ মিনিট দাড় করিয়ে রাখে। আমার ঘুষ দেয়ার হাবভাব না দেখে দায়িত্বরত কর্মচারী বলে ফেল্লো যে "লাগবে(৫০ টাকা)"। আমি রেগে যায় তারপর চেচামেচি করবো বুঝতে পেরে সেই কর্মচারী শেষ পর্যন্ত এডমিট কার্ড দিয়ে দেয়।
নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজে সার্টিফিকেট তুলতে গেলেই নাকি মিষ্টি খাওয়ার টাকা দিতে হয়! আজ সার্টিফিকেট তুলতে গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ৩০০ টাকা মিষ্টির টাকা দিয়ে এলাম, আর সার্টিফিকেটও তুলে নিয়ে এলাম। কাজ শেষ মিষ্টি খাওয়াও শেষ!
জেলা অফিস হতে বদলির আদেশ অগ্রয়ণ করার জন্য উপজেলায় অফিস আদেশ আসে এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা — তা অগ্রায়ন করার জন্য ম্যাম — হতে ২৫০০০ টাকা দাবি করেন।ম্যাম ৫০০০ টাকার খাম দেওয়ার পরও তা প্রত্যাখান করে। ২৫০০০ টাকা না দিলে ফরওয়ার্ডিং দিবে বলে তার অফিস স—ারী — এর মাধ্যমে জানিয়ে দেন।
আমার এক পরিচিত কলেজ শিক্ষকের বেতন গভর্ণিং বডি বন্ধ রেখেছিল। তাই কলেজ থেকে ইএফটির হাল নাগাদ তথ্য পাঠানো হয়নি। কিছু দিন আগে কলেজ কর্তৃপক্ষ তার ইএফটির তথ্য আপডেট করার জন্য আবেদন করে। এটার অনুমোদনের জন্য টাকা চাওয়া হয়েছিল।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস চুনারুঘাট, হবিগঞ্জে গেলে তারা বলে হজ্জের জন্য অর্জিত ছুটি নিতে গেলে ৫০০০ টাকা না দিলে ছুটির কাগজপত্র হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ফরোয়ার্ড করবেনা। হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কেরানি সঞ্জিত নিছে আরো ৫০০০। সঞ্জিত বলেছে ৮০০০ টাকা না দিলে বিভাগীয় অফিসে কাগজ পাঠাবেনা। উপপরিচালক প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সিলেটের কেরানি নিত্য বাবু নিয়েছে ৩০০০ টাকা। তারপর ছুটি মঞ্জুর করে
আমি দাখিল মাদ্রাসায় পরিক্ষা দিয়েছি। জেডিসি এখন আমার সার্টিফিকেট উওোলন করতে গেলে ১০০০ টাকা চাচ্ছে। থিকানা নরসিংদী জেলা রায়পুরা থানা বাঁশগাড়ি ইউনিয়ন রাজনগর জান্নাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা।