নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পেনশনের টাকা উত্তোলন করতে উপজেলা শিক্ষা অফিসের কেরানি ২ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছে।
এমপিও ভুক্ত করার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে ৪০০০ টাকা খুবই কাকুতি মিনতি করে দিয়েছি। সে আরও ১০০০টাকা দাবি করছিল। সময়- ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মাসে। আমি ও আমার সাথে আরও ৪ জন সহকর্মী থেকে ৫০০০ টাকা করে নেয়। আমরা শ্রীমঙ্গল আনোয়ারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা এর ৩য় গণ বিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগ প্রাপ্ত
আমার মা ও বাবার পেনশনের টাকা উত্তলনের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস জেলা শিক্ষা অফিস ও ট্রেজারী অফিসে প্রায় ৮০০০০ টাকা দিতে হয়ে ছিল। মসজিদের মাইক কেনার জন্য কিছু টাকা রেখেছিলাম, তার থেকেও সেই সময় আমাকে টাকাটা দিতে হয়েছে। টাকা না দিলে এই কাগজের সমস্যা ওই কাগজ লাগবে বিভিন্ন তালবাহানা দিয়ে সময় নস্ট করত। ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ১ বছর ঘুরাঘুরি করে কোন সমাধান না পেয়ে এক রকম ব্যাদ্ধ হয়ে টাকাটা দিতে হয়েছে। টাকা দেবার পরে কোন সমস্যা ছাড়াই বা মার পেনশনের টাকা টা পেয়ে যাই।
আমার শান্তি বিনোদন ভাতা করার জন্য বলা হলে ব্যক্তিটি আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা দাবি করে আমি তাকে ৫০০ টাকা দিতে রাজি হইনি।
স্কুলের কর্মচারী সবার কাছে টাকা চেয়েছে টাকা দিলে বলেছে ফুলমার্ক দিয়ে দিবে SSC প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায়। স্কুল শিক্ষকরা পাশেই অবস্থান করছিলেন।
আমাদের ৬ জন শিক্ষকের ২০১৩ সালের বকেয়া ২য়,৩য় টাইমস্কেল অনুমোদন হয় ২০১৮ সালে।সর্বসাকুল্যে বকেয়া দাঁড়ায় প্রায় ২২ লক্ষ টাকা।বারবার চাহিত ডকুমেন্টস যথাযথ প্রেরণ করা হলেও নানা তাল বাহানায় ৫০০০০০ টাকা দাবিকৃত ঘুষ না দেওয়ায় অদ্যাবধি বকেয়া অনুমোদন হয়নি। আর আশা নাই।
শিক্ষাগত সনদপত্র সংগ্রহের জন্য আমাকে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়। এইচএসসি (HSC) সনদপত্র প্রদান/সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা আমার কাছে অবৈধভাবে অর্থ দাবি করেন। প্রয়োজনীয় সনদপত্র পাওয়ার জন্য বাধ্য হয়ে আমি ১০,০০০ টাকা প্রদান করি। এই অর্থ কোনো বৈধ সরকারি ফি হিসেবে নয়, বরং অবৈধভাবে দাবি করা হয়েছিল। এ কারণে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি হয়রানি ও অনিয়মের শিকার হয়েছি।
আমার বাবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে চাকুরীরত অবস্থায় মারা যান। বাবার পেনশনের টাকা তোলার জন্য নিজ জেলা ব্রাক্ষনবাড়িয়ার বিভিন্ন অফিসে ঘুরে আমাকে বিভাগীয় উপ-পরিচালকের কার্যালয় (প্রাথমিক শিক্ষা)- চট্রগাম(নন্দন কানন), যেতে হয়। সেখানে পেনশনের কাজ ক্লিয়ার করে দেয়ার জন্য অফিস থেকে ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। আমার কাছে ১০ হাজার টাকা না থাকায় আমি কান্নায় ভেঙ্গে পরি। আমাকে জানানো হয় টাকা না দিলে কাজ হবে না। আমি বাধ্য হয়ে ৫ হাজার টাকা ক্যাশ প্রদান করি এবং বাকি ৫ হাজার টাকা বিকাশে পাঠাব বলে রাজি হই। প্রবর্তিতে বিকাশে বাকি ৫ হাজার টাকা পাঠানোর পর আমার কাজ করে দেয়া হয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সহকারী শিক্ষকদের বদলি বিষয়ে দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা দাবি করছে। এই লেনদেনের সাথে দলীয় নেতা কর্মী জড়িত আছে এবং উপজেলা বদলি কমিটি জড়িত আছে।
আমার সার্টিফিকেটে আমার বাবার নামের অক্ষর মিসিং ছিলো এটা সংশোধনের জন্য আমি নিয়ম অনুযায়ী সকল টাকা ব্যাংক ড্রাফট করি। তারপর যেদিন জমা দিতে যাই আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে অন্যথায় বলে জমা নিবে না। তখন আমার চোখে পানি চলে আসে একসময় জোরেই কান্না করি পরে অনেক রাগ হয়ে জমা নিয়ে এক জায়গায় ছুড়ে ফেলে দেয়। ঘটনাটি দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে সনদে বাবার নাম ভুল থাকাতে আবেদন করেছি পরবর্তী কারেকশনের পরে সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে গেলাম। তখন টাকা না দিলে বিভিন্ন তালবাহানা করতেছিল। পরবর্তীতে টাকা দেয়ার পরে অফিস শেষ করে সনদগুলা বুঝিয়ে দিল।
না দিলে বিল করবে না তাই দিয়েছি
২০২২ সালে সরকার ঘোষিত এমপিও অনুযায়ী, একটি দাখিল মাদরাসায় আমার চাকুরি এমপিও করতে প্রতিষ্ঠান প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) আমার কাছে থেকে প্রথমে ৫০০০০ (পঞ্চাশ হাজার টাকা) নেন। পরে আবার ১০০০০০/= (এক লক্ষ টাকা) দাবী করেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা নাকি টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়বে না। উল্লেখ্য যে তার (প্রধান) চক্র মিলে সকল শিক্ষকের কাছ থেকে এমপিও ছাড়ানোর নামে ১ লক্ষ থেকে তার বেশিও টাকা হাতিয়ে নেন। চাইলে আমি সরাসরি প্রমাণ দিতে পারবো। অর্থাৎ কে কে নিছেন তা লিখে দিতে পারব।
আমার স্বামী মারা যায় 2024 সালের শুরুর দিকে, আমার ছেলেরা বাড়ির বাইরে থাকে তাদের কাজের জন্য। তাই আমি নিজেই কাগজ পত্র তৈরী করার জন্য নেমে পরি। যাদের কাছে কাগজগুলোর জন্য যাই তারা ঠিকই আমাকে সেগুলো ভালোভাবে কোন বাধা ছাড়াই বানিয়ে দেয়, কিন্তু যখন তাদের কাছে যাই তখন তারা বলে এগুলোতে হবে না, ওরকম ভাবে লাগবে। এইভাবে প্রায় 4মাস ঘোরানোর পরে আমি হতাস হয়ে তাদেরকে বলি আপনারাই বলে দেন আমি কী করবো। তাও তারা বলে না। রাগ করে চলে আসি বাড়িতে। তখন আমার প্রতিবেশী একজনকে সাহায্যের জন্য তাদের কাছে পাঠালে তার কাছে টাকা দাবি করে এবং পুরনো একটা ফাইলের কপি ধরিয়ে দিয়ে বলে এভাবে করে আনবেন। আমি হতাশা থেকে বাচতে রাজি হয়ে যাই। এবং তার পরবর্তী 20 দিনের মধ্যে আমার কাজ করে আমাকে ফোন করে বুঝিয়ে দেয়।
জেলা প্রাইমারি অফিস হতে প্রথমে ফাইল বিভাগে পাঠানো হয় কিন্তু বিভাগ থেকে আর ফাইল পাশ হয় না। এভাবে নয় মাস পর দফারফা হয়।
আমি কিশোরগঞ্জ এর এসপি অফিসে চাকরীর কাগজ ভেরিফিকেশনের জন্য যাই। সেখানে গেলে একজন এসআই আমার থেকে আমার বাড়ির সব তথ্য যাচাই করেন, সব ঠিক ছিলো আমার। পরবর্তীতে আমার এলাকায় ওনি গোপনে গিয়ে এসব তথ্যের তদন্ত করবেন বলেন আমাকে। আমি ওনাকে সালাম দিয়ে যেইমাত্র ওনার রুম থেকে বের হবো, তখনি ওনি হাসি দিয়ে আমাকে ডাক দিলেন, বললেন চা - পানের খরচ দিয়ে যান। আমি কিছু না ভেবেই আমার মা থেকে ৫০০ টাকা এনে ওনার হাতে দিলাম এই ভয়ে যে, ওনি যদি আমার তদন্তে ভেজাল করে এজন্য। পরে সেখান থেকে চলে আসি।
অফিসের ছোটবাবুর কাছে যেকোন কাজে গেলে খারাপ ব্যাবহার করে। উপজেলার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের অভিজ্ঞতা একই। পরে টাকার কাজে যতদিন যেতে হয় ততদিন টাকা নেয় না দিলে আবার খারাপ ব্যবহার করে। অনন্যা স্টাফরা ভাল, টাকা পয়সা খায় না ব্যবহারও ভাল।
আমার এলাকায় একটি ইবতদায়ি মাদ্রাসা হয়েছে,সেখানে ক্বারি পদে লোক নিয়োগ হবে,আমি প্রার্থী হিসেবে যোগ্য,কিন্তু আমার কাছে দুই ধাপে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়,মাদ্রাসার কমিটিতে বি এন পির নেতাবর্গ হাফেজ সাহেব সহ ইউ এন ও সাহেবও আছেন উক্ত টাকা তাদের মাঝে বন্টন হবে বলে আমি জানতে পারি।তারা আমার বাবাকেও বুঝিয়েছে।বাবা আমার সাথে আলোচনা করলে আমি ঘৃনার সাথে প্রত্যাখান করেছি।বলেছি মাদ্রাসায় পড়ে ৫ টাকাও ঘুষ দিয়ে ৫ লাখ টাকার চাকরি আমি করবো না।ইং শা আল্লাহ আমার রব আমার জন্য যথেষ্ট। চাকরিটা হলে আমি নিজ বাড়িতে থেকে বাবা মার সেবা করতে পারতাম।কিন্তু এই অর্থলোভি লোক গুলোর কারণে তা হয়তো সম্ভব হবে না।
নারায়ণগঞ্জের একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ভুল সংশোধনের জন্য সার্টিফিকেট চাওয়া হয় দুইজন কেরানী বলেন সার্টিফিকেট সাময়িক সময়ের জন্য নিতে হলে ৮৫০ টাকা দিতে হবে। টাকা অফেরতযোগ্য। অথচ এমন কোনো নিয়ম নেই। মিনতি করে ৫০০ টাকা দিয়েছি । এই হচ্ছে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থা। অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একই অবস্থা। একজন গরিব অসহায় শিক্ষার্থীর কাছ থেকে টাকা নিতে তাদের একটুও কষ্ট লাগে না । যে প্রতিষ্ঠান মানুষকে ইনসাফ , আদর্শ শিক্ষা দিবে সেই প্রতিষ্ঠানই ঘুষ , অনিয়ম ও অবিচার শিক্ষা দিচ্ছে ।
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠনের লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর নিকট হতে একজন অভিভাবক প্রতিনিধি সদস্য মনোনয়ন নিতে গিয়ে এই ঘুষ প্রদান করতে বাধ্য হয়েছি গত 2024 সালের মার্চের দিকে। খোদ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের জন্য 3000 হাজার, উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার 3000 আর ইউএনওর অফিস সহকারী 1500 টাকা নেয় ।