নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি একজন ডিগ্রি পরিখারতি প্রথম বছরে আমাকে রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেয়নি কলেজ কর্তৃপক্ষ তারা রেজিস্ট্রেশন কার্ডটি হারায় ফেলছে আমাকে বলছে পথ দ্বিতীয় বর্ষে দিবে দ্বিতীয় বর্ষ দ্বিতীয় বর্ষ তারা কার্ড দেয়নি এখন আমি ফাইনাল দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষা দিয়েছি রেজাল্ট এখনো বের হয়নি সামনে মাসে বের হবে তার আগে থেকে আমি রেজিস্ট্রেশন কার্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে যাচ্ছি কিন্তু তারা আমাকে না দিয়ে রেজিস্ট্রেশন কার্ডটা উল্টো টাকা দাবি করতেছে
NTRCA থেকে নির্দেশ ছিলো টাকা দাবি করে ফাইল আটকানো যাবে না। কিন্তু ঐ মাসের ৫ তারিখ ছিলো উপজেলা থেকে ফাইল ছাড়ার শেষ সময়, আমরা অপেক্ষায় ছিলাম ফাইল ছেড়ে দেবে কিন্তু ছাড়েনি, ওরা অন্যান্য শিক্ষকদের ফোন করে মিষ্টি খাওয়ার টাকা চেয়েছে। আমাদের ফোন করেনি, ফাইলও ছাড়েনি। আমি অফিসে যাই কথা বলি, কেন ফাইল ছাড়লো না? অনেকক্ষণ বসে থাকার পর একজন টানের কথা বললো আপনারা সময়মতো আবেদন করেছেন, কি কারণে ফাইল ছাড়া হয়নি, কেন হয়নি, কি সমস্যা তা জানিহ! সেই সময় আমি বললাম এখন কি করলে ফাইল জেলায় যাবে? আমার পাশে বসা তখন কোনো এক স্কুলের প্রধান শিক্ষক তিনিও সকল সমস্যা শুনলেন তিনি শিক্ষা অফিসে ডিল করলেন 3টি ফাইল 9000 দিতে হবে, তখন 6000 দিলাম, বাকি টাকা বিকাশে দিলাম। এক ক্লিকে সন্ধ্যার মধ্যে ফাইল জেলায় চলে গেল।
ফাইলে জেলা শিক্ষা অফিসারের সিল স্বাক্ষর নিতে গেছিলাম। অফিস সহায়ক/ কর্মচারী টাকা চেয়েছিল।
আমার আব্বু রিটায়ার্ডের পরে পেনশনের টাকার জন্য সব কাগজপত্র জমা দেয়ার পরেও এটা অনেকমাস যাবত আটকে থাকে। পরে আমি নীলক্ষেতের ব্যানবেইস ভবনে এক অফিসারের কাছে গেলে বিভিন্ন ভুল আছে দাবি করে ফাইল আটকে রাখে। পরে দশ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে ফাইল ছাড়ে।
এনটিআরসি নিয়োগ দিয়েছিল, কিন্তু গভর্নিং বডি টাকা ছাড়া সাইন দিচ্ছিল না। পরে সবাই টাকা দিতে রাজি করায় ৩ মাসের বেতনের সমপরিমাণ
প্রধান শিক্ষকদের টি এ ডি এ বিল উত্তোলন করতে ১০০০ টাকা দাবি করা হয়
অনিয়ম ও দুর্নীতি উৎকোচ/ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ শিক্ষক-কর্মচারীদের হয়রানি বিভিন্ন ফাইল ও অনলাইন কাজের জন্য অর্থ নেওয়ার অভিযোগ ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ কর্মক্ষেত্রে অনিয়মিত উপস্থিতির অভিযোগ
সরকারি বহিঃবাংলাদেশ ছুটির আবেদন এর জন্য রংপুর বিভাগের পীরগাছা শিক্ষা অফিসের পিওন যারা এই ছুটির ফাইল গুলো সাথে সম্পৃক্ত তার টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না।
প্রধান শিক্ষকদের টি এ ডি এ বিল আটকে রেখে ১০০০ টাকা দাবি করা হয় এবং বিদ্যুত বিল আটকে রেখে তিন হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে এ দাবি পরিশোধের পর টিএডিএ ও বিদ্যুত দেওয়া হয়
My father was a retired school teacher died in August 2022 and my mother was eligible for pension since then. The office did not make the payment unless I had paid TK20000 on April 2026. The Govt Office is fully corrupted and officers needs to be punished.
৩-৪ দিন যাওয়ার পর বলছে কয়েক টেবিল ঘুরবে চা-পানি খাওয়ার পয়সা দিতে হবে।চেয়েছিলো ৭ হাজার পরে ৬০০০/- দেই।
আমার মা একজন স্কুলশিক্ষক। পেনশনের সম্পূর্ণ টাকা পাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য থানা শিক্ষা অফিস থেকে ২০,০০০ টাকা দাবি করা হয়। সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক এই টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রায় দুই বছর ধরে পেনশনের প্রক্রিয়াটি আটকে ছিল এবং তিনি পেনশন পাচ্ছিলেন না। পরবর্তীতে আমার মা নিজের ২০,০০০ টাকা এবং ওই প্রধান শিক্ষকের জন্য আরও ২০,০০০ টাকা ঋণ হিসেবে প্রদান করেন। অর্থাৎ, মোট ৪০,০০০ টাকা দেওয়ার পর আমরা আমারা পেনশনের টাকা গ্রহণ করতে সক্ষম হই।
আমি আমার সাটিফিকেট আনতে যাই যেটা ছিলো স্কুল থেকে ফ্রীতেই দেওয়া হয়। কিন্তু সেই সময় ওই সাটিফিকেট তোলার জন্য আমাকে অফিস সহায়ককে ৫০০ টাকা দিতে হয়। শুধু এই জায়গাই এ না সব সরকারি সেক্টর এ অফিস সহায়ক কে কাটা দিতে হয়। আর যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে এই সমস্যা ওই সমস্যা করে অনেক দিন ঘুরায়। আর যদি ওনার উপর এ যে অফিসার থাকে ওনাকে বিষয়টি অবগত করা হলে সেই অফিসার বলে আমি বিষয়টি দেখতাছি, এবং সেই বিষয়টি সেই পযন্তই থাকে। আমার থেকে টাকা নিয়েছে গাইবান্ধা এন.এইচ. মর্ডাণ হাই স্কুল এর অফিস সহায়ক। এবং বহু জায়গায় আমাকে টাকা দিতে হয়েছে, যেটা আমি প্রতিবাদ করেও কিছু করতে পারিনি।
১৮ তম নিবন্ধনে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ার পর বেতন চালু করার জন্য টাকা দেয়া লাগছে। নাহলে সিস্টেম থেকে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়। ফাইল সব কিছু ওকে থাকার পরেও( অন্যান্য কারন দেখিয়ে) রিজেক্ট করে দেয়। টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়বে না। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে বেতন চালু করা লাগছে। এটা শুধু আমার কথা নয়, হাজারো এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের কথা।
কাজ করার ক্ষেত্রে দীর্ঘসুত্রিতা, সময় লাগবে, ফাইলের খরচ
স্যারেদের হাতের মার্ক এবং ভাইবা পরিক্ষার মার্ক বদিবে এই বলে আমাদের সকলকে টাকা দিতে বলেছে, কাউকে ৫০০০ আবার কাউকে৩০০০, আমাকে ২০০০, এইভাবে সকলকেই দিতে হবে বলে জানিয়েছে, এবং নচ দিলে ফেল করাই দিবে বলে হুমকি দিছে। মাগুরা সিদ্দিকীয়া কামিল মাস্টার্স মাদ্রাসা।
উক্ত কলেজের অফিস কক্ষে ডিগ্রি ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষের ফরম ফিলাপের সকল কাগজপত্র যথাযথভাবে পূরণ করে জমা দিতে গেলে কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রত্যেক আবেদনকারীর নিকট ৫০ টাকা করে দাবি করা হয়। আমাকে জানানো হয় যে, প্রত্যেক আবেদনের বিপরীতে কলেজ কর্তৃপক্ষ ৫০ টাকা নির্ধারণ করেছেন। আমি উক্ত ৫০ টাকা প্রদানের জন্য রশিদ চাইলে অফিসে দায়িত্বরত ব্যক্তিরা জানান যে, এই টাকার কোনো রশিদ দেওয়া হয় না। বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য সেখানে উপস্থিত অন্যান্য শিক্ষার্থীদের দেখানো হয় এবং বলা হয়, তারাও ৫০ টাকা প্রদান করে আবেদন জমা দিচ্ছেন। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আর কোনো ধরনের বিরোধে জড়াইনি। কারণ, আমি আশঙ্কা করছিলাম যে, বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে বা কর্তৃপক্ষ আমার আবেদনটি বাতিল করে দিতে পারে।
আমার আব্বুর সার্টিফিকেটে পিতা-মাতার নাম সংশোধন করার জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার রেজিস্ট্রি অফিসের একজন কর্মকর্তাকে বিকাশের মাধ্যমে প্রায় দুই হাজার টাকার মতো দিতে হয়েছে, না হলে কাজের কোন অগ্রগতি দেখাচ্ছিলো না, যেটা কে তিনি চা পানির খরচের সাথে তুলনা করেছেন!
প্রাইমারি স্কুলের বরাদ্দে, স্কুল কতৃপক্ষ কাজ করা সত্তেও সরকারি বরাদ্দকৃত টাকা দিতে অস্বীকৃতি। যথেষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও, ১০০% কাজ হওয়া সত্ত্বেও উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে টাকার ভাগ না দেওয়ায় দুই বছর যাবত টাকা আটকে রেখেছে। এবং মহিলা শিক্ষকদের সাথে খারাপ ব্যবহার ও হয়রানি।
২০১৫ সালের আগে যখন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমিটির হাতে নিয়োগ ছিল তখন ঝালকাঠি টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে প্রভাষক পদে নিয়োগের জন্য কলেজের জমি ক্রয়ের কখা বলে আমার কাছ থেকে নগদ ৫০০০০০ ( পাঁচ লাখ) টাকা হাতিয়ে নিয়েছে উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রভাষকসহ ৩ থেকে ৪ জন লোক। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে আজ পর্যন্ত আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এসব কিছুর জন্য দায়ী একমাত্র বর্তমানে কর্মরত অধ্যক্ষ মহোদয়।