17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বেতন করতে ট্রেজারি অফিসে নাকি তাদের টাকা দিতে হবে
২০১৫ সালের আগে যখন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমিটির হাতে নিয়োগ ছিল তখন ঝালকাঠি টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে প্রভাষক পদে নিয়োগের জন্য কলেজের জমি ক্রয়ের কখা বলে আমার কাছ থেকে নগদ ৫০০০০০ ( পাঁচ লাখ) টাকা হাতিয়ে নিয়েছে উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রভাষকসহ ৩ থেকে ৪ জন লোক। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে আজ পর্যন্ত আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এসব কিছুর জন্য দায়ী একমাত্র বর্তমানে কর্মরত অধ্যক্ষ মহোদয়।
১৮ তম নিবন্ধনে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ার পর বেতন চালু করার জন্য টাকা দেয়া লাগছে। নাহলে সিস্টেম থেকে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়। ফাইল সব কিছু ওকে থাকার পরেও( অন্যান্য কারন দেখিয়ে) রিজেক্ট করে দেয়। টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়বে না। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে বেতন চালু করা লাগছে। এটা শুধু আমার কথা নয়, হাজারো এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের কথা।
বাবার মারা গেছে তার পেনশন এর টাকা মায়ের নামে করার জন্য শিক্ষা অফিসের একাউন্ট বিভাগে ৮০০০ টাকা চেয়েছে, আমি দিয়েও দিয়েছি কিন্তু কাজ হয় নাই। আমাকে একাউন্ট অফিসের এক কর্মকর্তা এসে বলছে সবাইকে কিছু করে টাকা দিতে হবে প্রথম ৫ হাজার চেয়েছিলো পরে বলে আর ৩ হাজার লাগবে নাহলে হবে না। সর্বমোট ৮ হাজার নিছে কাজ করে দেয় নাই।
কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব বরাবর বদলীর আবেদন করা হয়। কিন্তু কোন সিরিয়াল মেইনটেইন না করে প্রভাব খাটিয়ে সচিব বা তার অধীনস্থ ব্যাক্তির মাধ্যমে বদলী হচ্চে। এতে যাদের প্রয়োজন অথচ শক্তিশালী তদবীর নাই তাদের বদলী হচ্ছে না। তারা পরিবার পরিজন হতে দূরে থেকে কষ্ট ভোগ করছে। মন্ত্রী, সচিব, মহাপরিচালক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মানবিক আচরণ করা উচিত। প্রভাব খাটিয়ে বদলী হলে প্রকৃত প্রয়োজন যাদের তারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
বাবার পেনশনের টাকা পাওয়ার জন্য নথি জমা দেওয়ার সময় শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা চেয়েছিলো। আমি দেইনি কিন্ত আমার বাবা দিয়েছেন।
রিটেনে টি গেছিলাম কিন্তু ভাইবা দিতে গিয়ে অবাক হয়ে যায় তারা আমার কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করেছে এই টাকা দিলে চাকরি হবে তা না হলে হবে না
বাবার পেনশনের টাকা পাওয়ার জন্য নথি জমা দেওয়ার সময় শিক্ষা অফিসের কর্মচারী এবং কর্মকর্তারা চেয়েছিলো।
অতিবৃষ্টি বা লোড শেডিং এর জন্যে প্রায় কারেন্ট যায় আসে কোন এলাকায় ফাইবার বা অন্য কোন কিছু নষ্ট হয়ে গেলে তারা সহজে আসেনা তাদের অনেক কাজ আছে বলে জানায় আবার অন্যজায়গায় কাজে আছে বলে জানায় শেষ হলে আসবে কিন্তু যখন গাড়ি নিয়ে তারা আসে তখন কাজ শেষ হলে টাকা চায় না দিলে লেইট করে কাজ করেনা না টেম্পোরারি করে দেয় আবার নষ্ট হয়। কিন্তু টাকা দিলে সব শেষ হাসিমুখে করে দিয়ে যায়।
আমি মাস্টার্স পরিক্ষা দিয়ে ১ সাবজেক্ট ফেল আসে। তারপর রিচেক করার পর পাস আসে। সার্টিফিকেট তোলার জন্য ডিপার্টমেন্ট এ যাই, সেখানে অন্য একটি ডেস্কে রিচেক করা সার্টিফিকেট তোলার জন্য পাঠায়। সেখানে গেলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা বলেন, এই রিচেক করা সার্টিফিকেট নাকি কলেজে আসে না। এতে ২৪০০ টাকা লাগবে তবেই আমি সার্টিফিকেট পাবো নয়তো পাবো না। আমি ঘুষ দেইনি এবং এখনো সার্টিফিকেট তুলতে পারিনি৷
ময়মনসিংহ বিভাগে ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার তালদিঘি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় আমরা পাশ করেছি। আমরা কয়েকজন বন্ধুবান্ধব গিয়েছিলাম প্রশংসা পত্র বা প্রত্যয়ন পত্র আনতে, তবে তারা আমাদের কাছে ৫০০ টাকা চেয়েছে আমরা কিছু বলি নাই সোজাসুজি চলে আসছি, অথচ অন্যান্য স্কুলে এটি ফ্রি তে প্রধান করে থাকে
আমার স্ত্রী ১৮ আগষ্ট উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষক বদলীর আবেদন করি। এর গত ৩০/০৮/২০২৬ তারিখে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম থেকে আমাকে ফোন করে বদলী আদেশ নিতে বলে। আমি বদলীর আদেশ নিতে গেলে শিক্ষা অফিসের বড়বাবু, ছোটবাবু অফিস আদেশ তৈরী করতে খরচ হয়েছে মর্মে টাকা দাবী করেন। অনেক কথা বলার পর ৫০০ টাকা দিতে চাইলে তিনি প্রত্যাখান করেন। এরপর ১০০০ টাকা নিয়ে ছোট বাবুকে দেয়। তারপর আমার বদলীর আদেশ আমাকে দেয়।
আমার SSC রেজিস্ট্রেশনে আমার নামের বানান সামান্য ভুল রয়েছে। উক্ত নামের ভুল সংশোধন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে যোগাযোগ করলে তিনি/তারা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা (ঘুষ) দাবি করেন। টাকা না দিলে নাম সংশোধনের কাজ করে দেওয়া হবে না বলে জানান। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। আমি চাই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কোনো অতিরিক্ত অর্থ প্রদান ছাড়া আমার নামের ভুল সংশোধনের ব্যবস্থা করা হোক।
এডহক কমিটির গঠনের জন্য শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন করার জন্য, কেরানি নিয়েছে ১০০০ টাকা
আমি একজন উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী। দারুল উলুম নেছারিয়া কামিল মডেল মাদ্রাসার একজন সাবেক ছাত্র। আজকে প্রাক্তন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বরগুনা দারুল উলুম নেছারিয়া কামিল মডেল মাদ্রাসা থেকে বিশেষ প্রয়োজনে সার্টিফিকেট আনতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তারা সার্টিফিকেট দিতে ৩০০ টাকা দাবি করে। এর আগে প্রশংসা পত্র নেওয়া জন্য ৫০০ টাকা এবং মার্কশিট আনার জন্য ৩০০ টাকা প্রদান করা লাগছিলো। যদি শুধু মাত্র কয়েকটা কাগজের জন্য ১০০০-১৫০০ টাকা প্রদান করা লাগে, তাহলে এটা ঘুষের পর্যায় পরে কিনা? শিক্ষার্থীদের যেখানে হাফ ভাড়া নেওয়া হয় সেখানে যদি শিক্ষার্থীরাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই এভাবে আর্থিক ভাবে প্রতারিত হয়, সেখান থেকে কীভাবে ভাবে সভ্য জাতি তৈরি হবে?
আমার jsc, ssc সার্টিফিকেটে নামের কয়েকটা ভুল ছিল। আমার নামে (.) dot ছিল না। মা এর নামে একটা অক্ষর উঠে নাই। সব মিলিয়ে ৩ টা ভুল ছিল। স্কুলের রেজিস্ট্রার স্যার আমাকে বললেন প্রত্যেকটা ভুলের জন্য ২ হাজার করে দিতে হবে এবং তাকে ভাড়া বাবত আরও ২ হাজার টাকা দিতে হবে। টোটাল ১০ হাজার টাকা দাবি করলেম। পরে আমার বাবার কাছে ৮ হাজার টাকা দাবি করেন। তখন বাবা ও রাজি হন নি তিনি বললেন তাহলে আমি নিজে বোর্ডে গিয়ে ই করব। তারপরও আমার বাবাকে হয়রানি করা হয়। স্কুলের EIIN and password দিয়ে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েব সাইটে লগইন করতে হয়। এবং সেখান থেকে আবেদন করতে হয়। এর জন্য আমার বাবাকে ১ মাসের বেশি সময় ঘুরিয়েছেন। আমার বাবা নিজে বোর্ডে গিয়ে করেছেন টোটাল ৫ হাজার টাকার মত লেগেছে। এখানে এরপরও বিভিন্ন কারনে স্কুলকে ২০০ টাকার মত হ
আমি বিএড সম্পন্ন করে নিয়ম মাফিক সকল কাগজ পত্র অনলাইনে পাঠায়, কোন কারণ ছাড়াই আমার ফাইল রিজেক্ট করে দেয়। আমি উপজেলায় জানতে চায় কেন ফাইল রিজেক্ট করেছেন? উনি বলেন, যোগাযোগ না করলে তো এমন হবেই। আমার সাথে পার্শ্ববর্তী অনেক শিক্ষকের একই অবস্থা। যারা যোগাযোগের নামে ঘুষ দেন নি তাদের ফাইল রিজেক্ট। যে সকল শিক্ষক ১ হাজার ২ হাজার করে টাকা দিয়েছে তাদের ফাইল এপ্রুভ হয়েছে। অনেকের থেকেই শুনেছি উপজেলা শিক্ষা অফিসার টাকা ছাড়া কোন কাজ করেন না। আমার প্রতিষ্ঠান প্রধান নিজেও বলেছেন এক দুই হাজার টাকা দিলেই ফাইল পার করে দিত, দেন নি কেন? এই হলো অবস্থা কোন ভুল না থাকলেও যে কেন একটা অজুহাত দেখিয়ে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়।
তারাকান্দা উপজেলার তালদিঘি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আমরা ২০২৬ সালে পরিক্ষা দিয়ে পাশ করেছি। আমরা কয়েকজন বন্ধুবান্ধব গিয়েছিলাম প্রশংসা পত্র বা প্রত্যয়ন পত্র আনতে কলেজে ভর্তির জন্য তারা আমাদের কাছে ৫০০ টাকা চেয়েছে। আমরা কিছু বলি নাই সোজাসুজি চলে আসছি।
২০১৫ সালে একটি নতুন কিন্ডারগার্টেন স্কুল এর ৯ জন ছাত্র-ছাত্রী পিএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের জন্য চুয়াডাঙ্গা উপজেলা শিক্ষা অফিসের টিইও মহোদয়ের নিকট তালিকা জমা দেয়া হলে তিনি উক্ত তালিকা ঢাকা অফিসে যেয়ে অনলাইন করতে হবে মর্মে ৫০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকার করি। পরবর্তিতে ইউএনও মহোদয়কে বিষয়টি জানালে তিনি ঐ অফিসারকে ফোন করে ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।
এসএসসির সার্টিফিকেট আনতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে, আমার সকল বন্ধুদের ও আমার কাছ থেকে। এর আগেও যখন মার্কসিট আনতে গিয়েছে তখনও। কারো কাছ থেকে আর বেশীও নেওয়া হয়েছে