নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এসএসসির সার্টিফিকেট আনতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে, আমার সকল বন্ধুদের ও আমার কাছ থেকে। এর আগেও যখন মার্কসিট আনতে গিয়েছে তখনও। কারো কাছ থেকে আর বেশীও নেওয়া হয়েছে
শিক্ষক বদলি থেকে শুরু করে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বা অন্য যে কোন পাওনা পাওয়ার ক্ষেত্রে কামারখন্দ উপজেলা শিক্ষা অফিসে ঘুষ দিয়ে কাজ করতে হয়। তবে বর্তমানে নিযুক্ত থানা শিক্ষা অফিসার সৎ এবং ভালো মানুষ। নিচের দিকের কর্মচারীরা এবং ঘুষখোর।
কলেজের প্রভাসক বেতন পাশ করার জন্য। আমি ফাইনাল অনলাইনে আবেদন করি। প্রোগ্রাম অফিস থেকে কল আসে। ফাইনালে সমস্যা।কি করিবো মিষ্টি খেতে টাকা দিন।তার পর টাকা পাঠিয়েছি
সাময়িক সনদ তুলতে গিয়েছিলাম, ১ দিনে দিয়ে দিলো, টাকা চাইলো, একটা নগদ নাম্বার দিলো, কয় এই নাম্বারে টাকা পাঠাইয়ো তারপর টাকা দিলাম ১০০, তারপর শিক্ষা বোর্ডে গেলাম, ১ ঘন্টার মধ্যে রেডি করে দিয়ে দিলো,। যে দেওয়ার কথা ছিলো ৩ দিনের বিতরে।
এমপিও আবেদন উপজেলা হতে ছাড়ার জন্য ৫০০ টাকা নিয়েছিল। বকেয়া বেতন পাওয়ার আবেদন ছাড় দেওয়ার জন্য ১০০০ টাকা নিয়েছিল।
Paribarik pension ar jonno direck 3000 taka cheyeche
Dhaka shiksha board a daily ghush newa hoy atar sathe onk a e jorito officer der piyon ra agula handle kore ,last 2022 shal a amar emergency certificate sottayon proyojon cilo jodi o sob kicu thik thak cilo takar jnno amake onk hoyrani kore last stage a jokhon ami taka ta dei tokhon kaj ta kore dey
ফাইল ফরোয়ার্ড করা যাবে না ।গোপনে কিছু ফরোয়ার্ড করতে কিছু দিতে হবে
আমি ১২০০০ হাজার দিয়েছি। এনটিআরসি মিরপুর (বাংলা কলেজের পাশে), শিক্ষকদের নতুন এমপিও, উচ্চতর গেড সহ বিভিন্ন আবেদনে ১০,০০০/- থেকে ২০,০০০/- হাজার পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। ঘুষ না দিলে কোন এমপিও শিক্ষক কোন কাজ করাতেন পারেন না। এই ঘুষ প্রায় ৯৫% শিক্ষককে দিতে হয়।
হাই স্কুলের এসএসসি সার্টিফিকেট উঠানোর জন্য, আমার থেকে ৬০০ টাকা নেওয়া হয়। কালীশুরি এস এ ইনস্টিটিউশন (বাউফল পটুয়াখালী)
ফোন দিয়ে ঘুষ চাওয়া হয়েছিল।
না দিলে ফাইল জেলা বিভাগ থেকে অনুমোদন করে না।
এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায় বদলী জন্য আবেদন করতে গেলে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে ৩০০০০০ টাকা দাবি করে। ইতিপূর্বে অনলাইনের মাধ্যমে কোন ঘুষ লাগতো না। আমি তাদের দাবি সরাসরি প্রত্যাখান করেছি।
বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যান ট্রাস্ট এ সাধারণ চিকিৎসার জন্য আবেদন করতে বলেছিলাম।অফিস সহকারীকে বিনিময়ে ১০০০ টাকা নিবে।
উচ্চশিক্ষার জন্য সার্টফিকেট এটেস্টেশন করতে গেলে শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনের গার্ড ২০০০ টাকার বিনিময়ে ১ ঘন্টার বিনিময়ে সার্টিফিকেট এটেস্টেশনের জন্য অফার করে।
Forreceive the pension money check of primary headmaster. The person is my grand father who is already dead. I have paid 10K to receive the money from shikkha bhaban which is located near to press club.
মার্ক শীট সার্টিফিকেট বা অন্য কোনো কাগজ তুলতে গেলে ওদেরকে চা খাওয়ার মিষ্টি খাওয়ার টাকা দেওয়া লাগে। আমরা তো চাকরি করি না। টাকা কই পাবো? ওরা যে টাকা চায় এটা তো অবৈধ।
গ্রেড সংশোধনীর জন্য আবেদন করেছিলাম, ফাইল না দেখেই চিল্লা চিল্লি শুরু করে উপজেলা শিক্ষা অফিসার। পরে ২০০০ টাকা নিয়ে ওই ফাইল ছাড়ে।
NRTCA এর মাধ্যমে কারগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর প্রিন্সিপাল এমপিও সিট করার কথা বলে ১ লাখ করে নিচে,এখন আমার পে স্কেলের কথা বলে ২ লাখ দাবি করছে,দিতে অস্বীকার করলে চাকরির ভয় ও,রাজনৈতিক পাওয়ার দেখাচ্ছে।নানা হুমকি ধামকি দিচ্ছে,পে স্কেল হলে বকেয়া বেতন তুলে ওনাকে দিতে হবে বলেছে,না দিলে এই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে দিবে না।ওটা নাকি অনার বাবার সম্পত্তির ওপর গড়া , এটা নাকি তার হক।আরো কয়েকজনের সাথেও একই আচরণ করছে আমরা শিক্ষা অফিস,NTRCA,দুদক ও ম্যানিজিং কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছি।রাজনৈতিক পাওয়ার থামানোর জন্য অনার বড় বাপের সাথে আলোচনা চলছে।এবার অনার মুখোশ উন্মোচন হবেই হবে ইনশাআল্লাহ।স্যার রেডী হন
আমার বাবা স্কুলে দপ্তরি ছিলো, রোড এক্সিডেন্ট মারা যায়।তখন আমার মা ওই এক্সিডেন্ট মাতায় সমস্যা হয়। ব্যংকে আমার বাবার পেনশনের টাকা দিতে চাই নি।এর পর কোটে একটা মামলা করি ওই টাকা পাওয়ার জন্য। প্রায় এক বছর মামলা পরিচালনা করি। তার পর রায় আসে, আর সেই রায়ের কপি আনার জন্য (পেশকার ৫ হাজার দাবি করে ৩ হজার টাকা) দিই