নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মিজানুর রহমান প্রধান শিক্ষক উত্তর ভংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাদিরাবাদ ক্লাস্টার মাধ্যমে সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রবিউল ইসলাম কাদিরাবাদ ক্লাস্টার এবং ভাসানচর ক্লাস্টারের মেরামতের চেকে স্বাক্ষর দেওয়ার সময় ১২৫০০/১৫০০০ টাকা নিয়েছে ২৫ টি বিদ্যালয় থেকে। স্লিপ বরাদ্দ হইতে ৩০০০ টাকা ৫৬ টি বিদ্যালয় থেকে। প্রাক-প্রাথমিক বরাদ্দ হইতে ১৫০০ টাকা ৫৬ টি বিদ্যালয় থেকে। এছাড়া ২য় প্রান্তিক পরিক্ষার প্রশ্ন ছাফিয়ে প্রতি সেট ১৭ টাকা হারে ৫৬ টি বিদ্যালয় হইতে সকল ছাত্র ছাত্রী মাথাপিছু অথচ বিদ্যালয়ে পরিক্ষায় ফি তোলা হয়নি প্রধান শিক্ষক নিজ বেতন থেকে প্রশ্নের টাকা পরিশোধ করা লাগছে।
এমপিও ভুক্ত মাধ্যমিক স্কুলের নতুন এমপিও ভুক্ত করার জন্য ফাইল উপজেলায় পাঠানোর জন্য টাকা দিতে হবে। না দিলে ফাইল ছাড়া হবে না। দিতে বাধ্য হয়েছি।না দিলে আমার ফাইল ডান হবে না আর বেতনও হবে না,এখানে নিরুপায়।কিভাবে এর সাথে লড়াই করবো।
খুরশিদ মহল জুনিয়র হাই স্কুল, গফরগাও একটি নাম মাত্র স্কুল, একটি টিনের ঘর বানিয়ে এমপিওভুক্ত করে নামমাত্র স্কুল দিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে সরকারি টাকা খাচ্ছে। স্কুল কমিটি করে, শিক্ষক মহল মিলে সিন্ডিকেট করে নতুন শিক্ষক এনটিআরসি নিয়োগ দিলেও তারা সবাই মিলে টাকা খায়।
প্রাথমিক শিক্ষক বদলি এক বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি হওয়ার জন্য গিয়েছিলাম সেখানে ৫০০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিল আমি ১০ হাজার টাকা দিয়ে কাগজপত্র জমা দিয়ে আসছি এ হচ্ছে প্রাথমিক সেক্টর এর অবস্থা।
asole eta amar sathe hoi ni but oneke th dia ssc er mark change korse.j chele every exam e fail kore o tk dia golden a+ peyese jate 100000tk cost porese.
প্রাথমিক বিদ্যালয় পাঠদান অনুমতি পাইতে, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার, শিক্ষা অফিসার, ধাপে ধাপে আরো কর্মকর্তাদের ডিমান্ড অনুযায়ী বিভিন্ন হারে এই টাকা দিতে হয়।
কোম্পানীগঞ্জে এমপিও ফাইল ছাড়করণে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে আমার এমপিও-সংক্রান্ত ফাইলের কাজের ক্ষেত্রে আমি নিজেই অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক লেনদেনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছি। আমার এমপিও-সংক্রান্ত ফাইল ছাড়করণের কাজের জন্য বর্তমান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আমাকে ১,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা দেওয়ার সময় আমাকে আবার বলা হয়, টাকা না দিলেও নাকি কাজটি হয়ে যেত। অর্থাৎ টাকা নেওয়ার পরও এমনভাবে বলা হয়েছে যে, আমি যেন নিজের ইচ্ছায় বা খুশি মনে টাকাটি দিচ্ছি। আমার প্রশ্ন হলো—যদি কাজটি নিয়ম অনুযায়ী এমনিতেই হওয়ার কথা থাকে, তাহলে সেই কাজের জন্য একজন শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার প্রয়োজন কেন?
নতুন জয়েন করে MPO ফাইল ছেড়ে দিতে টাকা দাবী। টাকা না দিলে ফাইল রিজেক্ট
নিজ অফিস ও একাউন্টস অফিসে ইস্যু করতে অসিফ সহায়ক কে ঘুষ দিতে হয়েছিল।
টাকা না দেয়ার কারনে দূরে পদায়ন দিয়েছে
আমার বাবা আলেকজান্ডার সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর এর একজন শিক্ষক ছিলেন। উনি চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এরপরে আজ অব্দি ওনার পেনশন, মৃত্যু কালিন টাকা, বকেয়া বেতন কোন কিছুরই কোন কুল কিনারা করতে পারিনি। স্কুল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় ধাপে ধাপে অসংখ্য টাকা নিয়েছেন। সর্বশেষ কুমিল্লা অফিসে ছয় হাজার টাকা পরিশোধ করেছি। টাকা দিচ্ছি কিন্তু তারপরেও আজকে এখন পর্যন্ত কোথায় গেলে এই বিষয়ে সমাধান পাব তারও কোন আগা মাথা পাচ্ছি না। খুবই অসহায় অবস্থায় আছি আমরা দুই ভাই। আমাদের মা বাবার মৃত্যুর আগে মারা গিয়েছেন।
রিপোর্টের বিষয় : আইন অমান্য করা। আমি একজন স্টুডেন্ট। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছি এবং প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার আগে শিক্ষাবোর্ড থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিলো কোনো প্রকার টাকা নিলে তা অপরাধ বলে গন্য হবে। অথচ প্রতিটা পরীক্ষার সময় আঙ্কেলরা এসে টাকা নিয়েছে। একটা ঘটনা বলি, একটা ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় একজন আঙ্কেল এসে বলে ৫০ টাকা দাও। আমি বললাম, কত? ৫০? তারপর তিনি আমাকে বলছে, কেনো ৫০ টাকা কি কখনো চোখে দেখো নাই? তারপর আমি উনাকে ৩০ টাকা দিয়েছি। (প্রতি পরীক্ষাতেই গড়ে ৩০/২০ করে নিয়েছিলো বিধায় আমি এই মন্তব্য করেছি।) বলাবাহুল্য উনার কথায় আমি অপমানিত বোধ করেছি। ৩০+৩০+২০+৩০+২০+২০+৩০+৩০ = ২১০/- ( ৮ টা পরীক্ষা) আমি যদ্দূর জানি, শিক্ষাবোর্ডের আদেশ মানা বাধ্যতামূলক। সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ বোধ হয় নোটিশ দেখেনি।
একটি স্কুল থেকে অন্য স্কুলে নিয়োগ পেয়ে এমপিও ভুক্ত করার জন্য অনলাইনে কাগজপত্র জমা দেয়ার পর চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিস আটকে রেখেছিল।১০ হাজার টাকা দেয়ার পর ফাইল ঢাকা পাঠায়।
২০২৩ সালে আমি একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জয়েন করে এমপিও ভুক্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করি। তখন এই আবেদন আড়াইহাজার উপজেলা থেকে নারায়নগন্জ জেলায় ফরওয়ার্ড করার জন্য আমার কাছে ৫ হজার টাকা খরচ চাওয়া হয়। আমি পরিশোধ করি।
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার এক সুনামধন্য মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমরা ৮ একত্রে যোগদান করি। যোগদানের সময় আমাদের মাদ্রাসা প্রধান বেশ নমনীয় ছিল।এমপিওভুক্তির পর তিনি আমাদের সকলের নিকট ১৫০০০ টাকা করে মোট ১২০০০০ (এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা দাবি করেন। তা না দিলে আমাদের চাকরি করতে দিবেন না। তার শ্বশুরমশাই এর প্রতিষ্ঠান। পরবর্তিতে তাকে ৪০ হাজার টাকা দিয়ে মিমাংশা করা হয়েছে। প্রতি বছর তার শ্বশুরের মৃত্যুবার্ষিকী এবং শালা বাবুর মৃত্যুবার্ষিকীর জন্য আমাদের বেতন থেকে চাঁদা নেয়। এবং তা দেয়া বাধ্যতামূলক। প্রতিষ্ঠানে তার বংশের অনেকেই চাকরি করছে নকল এমপিও দিয়ে।
আমার স্ত্রী দিরাই উপজেলা থেকে জামালগঞ্জ উপজেলায় অনলাইনে বদলির আবেদন করেন। সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে আবেদন যাওয়ার পর ত্রুটি দেখিয়ে বদলি আটকে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করে অফিস সহকারীর মাধ্যমে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের জন্য ৬০,০০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। বদলির পর দিরাই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ছাড়পত্রের জন্য আরও ১২,০০০ টাকা নেন। পরে জামালগঞ্জে যোগদানের সময় আবার বাধা সৃষ্টি করে অফিস সহকারী, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার জন্য আরও ১৬,০০০ টাকা নেওয়া হয়। এভাবে একটি অনলাইন বদলি সম্পন্ন করতে মোট ৮৮,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
চারঘাট,,, রাজশাহী পরিসংখ্যান অফিস এক পিয়ন ৫০০০০ হাজার টাকা দাবি করে।। কাজ তারাতারি করার জন্য।। আমার নানার প্রভিডেন্ট ফান্ড টাকা তারাতারি তোলার জন্য
Amer bill pass korar jonno ghush dabi kore ta na hole bill pass hobe na ei rokom 2 month gele ami tk fia di
ami exam e fail koreci onara bolloo amk pass korai dibe tai 1000 tk nice
দীর্ঘ ১ বছর ৬ মাস লাগছে তারপর ৪০০০০ টাকা দিয়েছি ৪ টা ফাইল হয়েছে কিন্তু এখনও একটা ফাইল আছে, চাকরি চলমান অবস্থায় মারা গেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কতৃক অনুদানের আবেদন এটার জন্য আবার ৩০ হাজার চাচ্ছে এখনও দিতে না পারায় এখনও ফাইল সাইন হচ্ছে না। এছাড়াও উপজেলা একাউন্স অফিস ও জেলা শিক্ষা অফিসেও টাকা দিতে হয়েছে ২০ হাজার, যেই ফাইলটি আটকে আছে ওটার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসেও টাকা দিতে হবে।