পর্চা বা খতিয়ান দেখা
আমি একটা জমির পর্চা দেখতে চেয়েছিলাম।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি একটা জমির পর্চা দেখতে চেয়েছিলাম।
Theres no way to complete it without additional amount.
দ্রুত মিউটেশন করে দিবে বলে পরে আমি একাএকাই করেছি ১২০০ টাকা খরচ হয়েছে
আমি আমার জমির নামজারি (মিউটেশন) করাতে গিয়েছিলাম, কিন্তু অতিরিক্ত ৮,০০০ টাকা না দেওয়ায় ব্যর্থ হয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত টাকাটা দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করলাম।
গফরগাঁও রসুলপুর ইউনিয়ন ভুমি অফিসে
লিগেল ভাবে করলে জামেলায় পড়বেন আর টাকা দিয়ে করলে আরামে হয়ে যাবে
৬বার আবেদন করেছি ৭শতাংশ জমির খাজনা দেয়ার জন্য কিন্তু প্রতিবান বলেছে সার্ভারে আসেনা, এভাবে একে একে ৬ বার আবেদন এ ৬০০ টাকা দিয়েছি পরে অন্য একজন পাঠিয়েছি তিনি চা পানির খরচা দিতে চেয়েছেন আর কাজ করে দেয়ার দেবার জন্য, ১০০০০ টাকা তাকে দেয়া হয়েছে ৭ বছরের খাজনা দেয়ার জন্য এই টাকা দেয়ার পরে উনি সার্ভারে তত্থ্য খুজে পায় আর আমাদের খাজনা পরি শোধ হয়
আদালতের আদেশ থাকা সত্ত্বেও, নামজারি করতে চায় না
শুনানিতে অংশ না নিয়ে নামজারি করার রেট ২৫০০ টাকা। টাকা না দেয়ায় আমার আবেদনের ২ মাস যাবত ঝুলে ছিল, আর কোন প্রগ্রেস হচ্ছিলো না। পরে ফোন করে কারন জানতে চাইলে পুনঃরায় শুনানিতে ডাকে এবং কাজ করে দেয়।
ময়মনসিংহ গফরগাঁও ইউনিয়ন ভুমি অফিসে
আমি নামজারি এর জন্য যাই কিন্তু এই কাগজ কম আছে নানা রকম বাহান করে। যখন ২০০০ টাকা পরিষোধ করি তখন আর কিছুই লাগে নাই৷ দিয়ে দিছে ফাইল
আমার ব্যাক্তিগত জমির রেকর্ড ও খতিয়ান সংক্রান্ত ভুলের জন্য ভূমি অফিসে সেবা নিতে গেলে ভূমি কর্মকর্তা ৬০০০০ টাকা ঘুষের দাবি করেন,,। আমি ঘুষ প্রত্যাখ্যান করি। কিন্তু অনেক গরীব অসহায় ব্যক্তি হয়রানি না হওয়ার জন্য ঘুষ দিয়ে ভূমি অফিসের সেবা গ্রহণ করেন।
আমি ১৩ই জুলাই ২০২৫ এ বগুড়া সদর ভূমি অফিসে মিসকেসের জন্য আবেদন করেছি। অদ্যাবধি কোন ম্যাসেজ পাইনি। অফিসে গেলে বলে তদন্তে আছে। অথচ আমার গ্রামের একজন আমার অনেক পরে আবেদন করার পরও শুনানী হয়ে গেছে। কারণ সে খরচাপাতি দিয়েছে। আমার কাছে কেউ টাকা চায়নি তাই দেয়ার প্রশ্নই আসেনা।
সরকারী খরচ মাত্র ৩৭৪ টাকা। কিন্তু কাজ করে দিতে ভুমি অফিসারকে দিতে হয়েছে আরোও ৩৫০০ টাকা। সব মিলিয়ে আমি কাজটির জন্য তাকে দিয়েছি ৪০০০ টাকা। টাকাটি না দিলে কাজটা করে দিবে না, স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলো।
অনলাইনে আবেদন করার পর তফসিল অফিসে সমন্নয় করার জন্য গেলে সেখানে ৫০০টাকা দাবি করে। আমি ২০০ টাকা দিয়ে কাজ শেষ করছি
জৈনসার ভূমি অফিস,ঈসাপুর,মুনসিগন্জে, নামজারি করতে গেলে উল্লিখিত তহশিল অফিসের এক পিয়ন এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা চেয়েছে। এই কথা শোনার পর তহশিলদারের সাথে দেখা করলে উনি বলেন, তার পিয়নের সাথে যোগাযোগ করতে এবং সেই ভাবে কাজ করতে। টাকার এমাউন্ট তহশিলদারকে বললে, উনি বলেন উপজেলা ভূমি অফিসে টাকা দিতে হয়।না দিলে তারা কাজ করেনা। সামান্য একটি কাজের জন্য এত টাকা ঘুস দেওয়াটাকে প্রয়োজন মনে করেনি।পরবর্তীতে যে কাগজপত্র অফিসে খারিজের জন্য জমা দিয়েছিলাম তা ফেরত নেই এবং কোনো টাকা না দিয়ে চলে আসি। সেই নামজারি আজো করতে পারিনি।
প্রায় ৫ বছর আগে আমি আমার জমির নামজারি/খারিজ করার জন্য সিঙ্গাইর, জয়মণ্ডপ ভূমি অফিসে যাই। সেখানে নামজারি/খারিজের কাজ করে দেওয়ার জন্য আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি এত টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এবং টাকা দিতে না পারায় আমার জমির নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করতে পারিনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমার নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি।
আমি বাহাদুরপুর মৌজায় ১৮ শতাংশ চাষের জমি ক্রয়ের জন্য ডুমুরিয়া সাবরেজিস্টার অফিসের একজন দলিল লেখকের স্মরনাপন্ন হই। তিনি আমাকে বলে সব খরচ বাদদিয়ে সাবরেজিস্টারকে ১০০০০ টাকা দিতে হবে।তানাহলে নানাবিধ সমস্যা হবে আর টাকা দিলে একবারে হয়ে যাবে। আমি হয়রানি এড়ানোর জন্য টাকা দিয়ে দেই।পরে দেখি আমার অনুপস্থিতিতেই জমি আমার নামে রেজিষ্ট্রি হয়ে গেছে
একটি জমি খারিজ করতে ভূমি অফিসে প্রকাশ্যে বিভিন্ন দলিল লেখক ও দালাল এর মাধ্যমে ১২০০০/১৫০০০ টাকা দাবি করা হয়। টাকার পরিমাণ কম হলে অথবা সরকারি ফি দিয়ে কাজ করতে গেলে সে কাজ হয় না/ হবে না।
নামজারি আবেদন করা আমি নির্ধারিত ফি জমা দিয়েছে কিন্তু তারা আমার আবেদন মঞ্জুর করে নাই