জমির ন্সম জারি বা খারিজ
নামজারি করার জন্য লাগে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা কিন্তু চাই ৮ হাজার ন্স হলে হবে না। কাজটা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করার জন্য লাগে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা কিন্তু চাই ৮ হাজার ন্স হলে হবে না। কাজটা
নামজারি করার জন্য গিয়েছিলাম ৫০০০ হাজার টাকা চাইলো, আমার জরুরি নামজারি করা প্রয়োজন ছিলো। তাই দিলাম। ১৬ মাস হয়ে গেলে ০৮/২৬/২০২৬ তারিখ অনুযায়ী, এখনো কাজ হয়নি
নতুন দলিলের খরচ বাবদ অযৌক্তিকভাবে ২০,০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল, যা আমি সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করি। পরবর্তীতে অন্য বিকল্পের মাধ্যমে মাত্র ১০,০০০ টাকায় আমার কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে।
ইউনিয়ন ভূমি অফিস (ফতেহপুর, সোনাতলা - ১০ মৌজা, কালিয়াকৈর, গাজিপুর) নামজারি বহির হোল্ডিং / জোত নং পৃষ্ঠার অস্তিত্ত ইচ্ছাকৃতভাবে নষ্ট করে, নতুন জোত নং সংশোধনের টাল বাহানা শুরু করে। এবং কয়েকদিন ঘুরায়। যাতে অনলাইনে খাজনা দেওয়ার জন্য সমন্বয় করতে না পারি। তারপর পরিকল্পিতভাবে ঘুষ বাবদ সর্বমোট ৫,০০০ টাকার বিনিময়ে নতুন জোত নং লিপিব্ধ করে। এবং জোরপূর্বক ই - ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ নতুন জোত নং নিতে বাধ্য করে। আগের জোত নং দিতে চায় না। কারণ, এতে তাদের কুকর্ম ফাস হয়ে যাবে, তাই হয়তো...। তবে - এখনো ইচ্ছাকৃতভাবে সরকারি বহি’র পৃষ্ঠার অস্তিত্ত নষ্ট করে জালিয়াতি করার প্রমাণ রয়েছে। যা প্যানেল কোড এর জঘন্য আইনী শাস্তির আওতাভুক্ত। তবে ভূমি অফিসের লোকজন এগুলোকে পাত্তা দেয় না। এবং অনিয়ম , ঘুষ দুর্নিতী করেই যাচ্ছে।
আমার কাছে সত্য রেজিস্ট্রেশন করা ভূমির নাম জারি করতে গেলে পাঁচ হাজার টাকা চাওয়া হয়। এবং অরশি জমি নাম জারি করতে গেলে ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। কিন্তু আমি সত্য রেজিস্ট্রেশন করা জমিটি নাম জারি করি সেখানেও আমাকে এক হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়। এখানে অনেক টাকার ঘুষ লেনদেন হয়। আপনার জমি সম্পর্কে যদি একটু কম বোঝেন তাহলে বিভিন্ন দালাল চক্র সাথে জড়িত সেখানকার কর্মকর্তারা আপনার কাছ থেকে অনেক টাকা নিয়ে নেবে। এবং নাম জারি মানেই সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা ঘুষ।
ভূমি অফিস থেকে জরিপের নামে। আমাদের কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ নেই। প্রায় প্রতিটি বাড়ি থেকে দুই থেকে তিন লাখ টাকা আমার সর্বোচ্চ ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত গ্রহণ করে। শহরের নন্দীপাড়া তে বিডিএস জরিপের নামে এসব অনিয়ম চলতে থাকে। নেই সেই নেই তাদের একটাই কথা আপনার বি এস এস এ আর এস। আপনি টাকা পরিশোধ করলে সব ঠিক।
জমাবন্দি নকল পাওয়ার জন্য গেছিলাম। তখন তারা আমার কাছ থেকে একটা জমাবন্দি নকল পাওয়ার জন্য ৫০০/- টাকা দাবী করে। গত বছর সেম নকল তুলতে গেছিলাম এক টাকাও নেয়নি । এটি তুলতে কোন টাকা প্রদান করতে হয়না বলে জানিয়েছেন। কিন্তু এই বছর নিতে গিয়ে টাকা দিতে হয় বললো। তারাতারি নিলে বেশি টাকা দাবী করেছেন।
আমি জমির জমির খাজনা দিতে ৩ নং পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন তসিল দার এর কাছে যাই উনি আমার কাছ থেকে ২০০ টাকার খাজনার জায়গায় ১২০০ টাকা দাবি করে
নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার কেন্দুয়া মৌজায় সরকারি ভূমি জরীপ আসে৷ সেখানে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জরীপ করিয়ে দেওয়ার নাম করে সব জমিট মালিকেদর থেকে অনেক বড় অংকের টাকা দাবি করে৷ প্রায় প্রতিটি জমির মালিকের থেকে টাকা নেয়৷ আমাদের থেকে ৫০০০০/- টাকা দাবি করে আবার বলে আপনারা যাদের কাছে বিচার দিবেন তারা আমাদের লোকই৷ সাংবাদিকদের জানিয়ে কোনো কাজ হয় নি৷
আমার স্ত্রীর একটি নামজারি খতিয়ান ২০২২ সালে আবেদনের মাধ্যমে তৈরি করি। মূলত আমার স্ত্রীরা তিন বোন। তাদের বাবার কাছ থেকে তারা তিনটি ফ্ল্যাট পেয়েছে। ফ্ল্যাটটি ২০২২ সালে নামজারি করি। নামজারি খতিয়ান এর মন্তব্য কলামে শুধুমাত্র জমির কথা উল্লেখ ছিল ফ্ল্যাটের কথা উল্লেখ ছিল না। তখন সেটা খেয়াল করিনি। কিছুদিন আগে বিক্রি করার পরিকল্পনা নেই। ক্রেতা দলিল লেখানোর জন্য দলিল লেখকের কাছে গেলে দলিল লেখক এই ভুলটি শনাক্ত করেন। পরবর্তীতে আমি রিভিউ এর জন্য আবেদন করি। তাদের সাথে যোগাযোগ না করার কারণে আবেদনটি তাদের ওখানে ২০ দিন পরে ছিল। পরে পাঁচ হাজার টাকা দিলে তারা সেটাকে অনুমোদন দেয়। কুমিল্লা সদর রাজবাড়ীতে অবস্থিত প্রেসিডেন্ট অফিসার একজন কম্পিউটার অপারেটর এই ঘোষটি গ্রহণ করেন।
জমি খারিজ করার জন্য আমার থেকে দাবি করা হয়, আমি দেই নাই
নামজারি দ্রুত করে দেয়ার জন্য তারা এই টাকা নিয়েছিল। টাকা না দিলে দুই তিন মাস/ চার মাসও নাম জারি করে দেয় না। বাধ্য হয়ে দিয়েছি তখন তিন দিনে নাম জারি করে দিছে। এসিল্যান্ড সহ সবাই জড়িত ছিল গত বছর করেছিলাম।
আমি কুষ্টিয়া সদর বারখাদা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নিজের জমির রেকর্ড ও খতিয়ান পরিবর্তন করার জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু সেখানকার সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার আমার কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা দাবি করে আমি সেই টাকা দিতে না রাজি হলে সে আমাকে গালাগালি করে ও পরে আমার হাতে থাকা ফাইল জানলা দিয়ে পালিয়ে দেয় সে আমাকে সবার সামনে অনেক অপমান করে
ভূমি অফিসে ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো কাজে গেলেই। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কখণই কাজ করতে চান না ঘুষের টাকা বুঝে না পাওয়া পর্যন্ত। দিনের পর দিন বছরের পর বছর এভাবে কাল ক্ষেপন করতে থাকেন।তাদের কথাবার্তা পরিষ্কার বোঝা যায় ঘুষের টাকা না দিলে ফাইল আটকে থাকবে।এতে করে বছরের পর বছর সাধারণ মানুষ হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন।
They asked bribe through dalal , not directly.
আদালতের রায়ের আলোকে রেকর্ড সংশোধনী প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য প্রায় চার বছর প্রক্রিয়াধীন ছিল ভূমি অফিসে শেষ পর্যন্ত টাকা দেয়ার পর তা পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য অগ্রগামী করা হয়েছে
পঞ্চগড় সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী মিউটেশন কর্মকর্তা টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না।
জমি খারিজ করতে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে সরকারি নির্ধারিত টাকার বাইরে । এমনকি জমির ১০ টাকা ট্যাক্স দেওয়ার জন্য ১০০ টাকা বাড়তি দিতে হয়েছে বিভাগ ময়মনসিংহ থানা ফুলপুর ভাইটকান্দি ইউনিয়ন ভূমি অফিস
আমার সার্টিফিকেটে আব্বার নাম ছিল — আর আমার ভাইয়ের সার্টিফিকেটে ছিল — এই নামের কারণে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একই নামের প্রথম পত্র গ্রহণ করেছিলাম তারপরে আবেদন জমা দিয়েছি টাকা না দেওয়াতে আবেদন প্রত্যাখ্যান হয়েছে পরবর্তীতে আবার আবেদন করে একই কাগজ দিয়ে কাজ করতে হয়েছে
হরিগঞ্জ মৌজার নামজারী আবেদন করে চরভূতা ইউনিয়ন ভুমি অফিসে নিয়ে যাই সেখানে ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা বলেন যে হরিগঞ্জ মৌজার বিআরএস খতিয়ান অনলাইস করা নাই তাই সেটা অনলাইনে এন্ট্রি দিতে হবে জেলা ডিসি অফিস থেকে সেখানে 1000 টাকা দিতে হয় এবং তিনি আবার রিপোর্ট দিবেন তাই তার জন্য 1000 মোট 2000 হাজার টাকা দিতে হবে। আমার ভীষন জরুরী দরকার তাই কথা না বাড়িয়ে দিয়ে আসলাম। পরে পরিচিত কয়েক জনের নিকট জানতে পারি অত্র উপজেলায় কোন অফিসে ই টাকা ছাড়া রিপোর্ট করাতে গেলে নানা অযুহাতে আবেদন খারিজ করে দেয়। এজন্য মানুষ বাধ্য হয়ে কমপক্ষে 1000 টাকা দেন। গ্রামের সহজ সরল মানুষ সরকারি অফিসে গিয়ে প্রতিবাদ করবেন সেই সাহস অনেকেরই নাই। তাই এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরকারি অফিসগুলো ওপেন অফিসে বসে ঘুষ গ্রহন করছেন।