নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির খাজনা দিতে গেছি জমির খাজনা সরকারিভাবে আসছে ১২৬ টাকা আর আমার কাছ থেকে নিচে ৭ হাজার টাকা দুই নাম্বার নামধারী করতে গেছিলাম এসিলেন অফিস এ ছিলেন অফিসের সহকারি আমাকে বলল নদীপত্র নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাও আসলাম উনি আবার বলল এটা যতো ভেজাল আমার তিন দিন লেগে যাবে কাজটা করতে তো ৩ তারিখে নয় হাজার টাকা তোমাকে দিতে হবে আমি বললাম ভাই আমার হাতে এত টাকা পয়সা নাই যাই হোক আমি জোগাড় করে দিয়ে দেবো তবে অত টাকা দিতে পারব না পাঁচ হাজার টাকা দিবো ভাই আমি পরিষদও করেছি আমাকে সময় দিয়েছিল তিন দিন সেখানে আজ ১০ দিন কেটে গেল আমি আমার নাম জারি সমাধান পেলাম না আবার এখান থেকে এসেছিলেন অফিস গেলাম এ ছিলেন অফিসের সহকারি বললতোমাকে কিছু টাকা দিতে হবে আমি বললাম কত টাকা দিব উনি বললো ৩০০০ টাকা দিতে হবে তা আমি বললাম ভাই
সালামি দাবী করেছে, অন্যথায় কাজ করে দিবে না, ভবিষ্যতে কাজগুলো নাও হতে পারে।
কয়বার সদর ভূমি অফিসে যিনি কম্পিউটার অপারেটর আছে উনি টাকা ছাড়া কোন কিছু করতে চায় না আমার কর এসেছিল ১৪০০০ সে আড়াই হাজার টাকা দাবি করে সেটি দেওয়ার পর কর তিন হাজার টাকা করে দিয়েছিল
জমি নামজারি করার জন্য ২০,০০০ হাজার টাকা দাবি করা হয় , আমাকে বলা হয় টাকা দিলে ৭/৮ দিনের মধ্যে নাম জারি করা যাবে , টাকা না দিলে ২/৩ বছর ও লেগে যাবে বলে আমাকে জানানো হয় ,
আমার জমি নাকি খাশ জমি এই বলে আমাকে ১ বছর ঘুরিয়েছে। আমার কাছে ১ লাখ টাকা চেয়েছিলো এসিলেন্ড অফিসের এক দালাল পরে আমি তাকে৫২০০০ টাকা দিলে আমাকে আমার জমি খারিজ করে দেয়।
একটা জমির নামজারি করতে দুই হাজার টাকা দিতে হয়েছিল
করাইকৃত জমি, যে বিক্রি করেছে পুনরায় সে আবার খারিজ করে নিয়েছে, কিভাবে খারিজ হয়েছে, সে জানে না, আমার এখন পুনরায় খারিজ করার জন্য তাকে টাকা প্রদান করা লাগতেছে, একান্ন হাজার দিয়েছি আরো লাগবে, কাজ শেষে আরো দুই লক্ষ টাকা দিতে হবে।
উত্তরাধিকার সম্পত্তি নিজেদের নামে হোল্ডিং করব খুলে খাজনা দেওয়ার জন্য গেলে একজন কর্মচারী সে পুরাতন একটা খাজনার চেক কাটা যা ওই দাগেরই অন্য অংশীদার কেটেছিল সেটা আমাদেরকে দেখিয়ে আমাদের কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা দাবি করছিল। একই কপি সে একাধিক মালিকের কাছে বিক্রির জন্য সে সংরক্ষণে রেখে দেয়
প্রতিটা নামজারি র জন্য 5 থেকে 10 হাজার টাকা। ঘুষ দিতে হয়।
আমার জমিতে কতটুকু অংশ বাকি আছে তা জানতে সুভাঢ্যা অফিস, দক্ষিন কেরানিগঞ্জ সার্কেলে গিয়েছিলাম নামজারি করার জন্যে, খতিয়ান থেকে ১২ টা দাগ দেখতে ও মিসকেস নাম্বার লিখে দিতে প্রতি দাগের হিসাব ২০০ ধরে ২ জায়গায় ৩০০০ টাকা দিতে হয়েছে ৩ স্টাফ কে। আর এইটা ওখানকার সাভাবিক অবস্থা সবার সামনেই নিচ্ছে আর সবাই ও বাধ্য হয়ে দিচ্ছে না দিতে চাইলে কাজ করে না বলে পাতা খুজে পাই না ছিড়তে গেছে আর করে দিলেও সাথে সাথে টাকা চায়। টাকার পরিমান অনিদির্ষ্ট কিন্তু ২০০ এর কমে দিলে নেয় না।
কুমিল্লার ১৪ গ্রামের মিয়াবাজারের পুর্বদিকে শিবের বাজার ভুমি অফিসে পৈত্রিক সম্পত্তি বাদ খারিজ বা নামজারি করতে গেলে সহকারী ভুমি কর্মকর্তা আমাদের কাছে ৬ টি খারিজের জন্য ৪২ হাজার টাকা দাবি করে, আমরা দিতে বাধ্য হয়েছি, পরে ১ মাসের মধ্যে খারিজ কপি অনলাইনে আসছে।
নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ ম খন্ড এর বি ডি এস পরচা সরকারী ভাবে করছে। এখন কাজ কমপ্লিট করে বি ডি এস করে কাগজ নিতে জেতে বলে, জাবার পর বলে অফিসার ওই রুমে জান তার সহোকারী সাথে, গেলে দুই হাজার দাবী করে না দিলে বলে পরে আসবেন কিছু সই বাকি........ জারা না দিসে তাদের রেকর্ড ভুল লিখসে আর কোর্টে গিয়ে সঙ্গসদন মামলা করে হয়রানি করাচ্ছে. আবার বড়ো টাকা খেয়ে এক জনের মোদদে কম আরেক জনের বেশি করে দিচ্ছে ।
১৪৭ শতাংশ জায়গা নাম জারি করার জন্য যেখানে সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা সেখানে দেড় লক্ষ টাকা দালাল প্লাস ভূমি অফিসে দেওয়া লাগছে, এরপর আবার ৩৫ শতাংশ জায়গার নাম জারি করার জন্য উপজেলা ভূমি অফিসে বিশ হাজার টাকা দেওয়া লাগছে তারা শতাংশে৫০০ টাকা ঘুষ নিয়ে থাকে
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ৭নং মুশলী ভূমি অফিসে নামজারির সরকারি ফি ১,১৭০ টাকা নির্ধারিত থাকা সত্ত্বেও আমার কাছ থেকে নামজারি করার জন্য ১০,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
খতিয়ান নাম ভুল থাকার কারোনেই আমার কাছে এটা ঠিক করে দেয়ার কথা বলে এই টাকা দিতে হ ইছে
আমার জায়গার করণীক ভুল সংশোধন এ টাকা চাওয়া হয়।
babar jomi namjari korte gesi, prothome onk help korse kivabe apply korte hobe shob dekhae dise, pore jedin applicitaion niye gesi oidin 12000 tk sara kaj hobena , ulta krishi jomi bannijik hisabe tax nisse, jor kore ko tofsil vukto kore tk nise.
We asked for a registry paper. With proper information and documents. But still they asked for money.
আমি নামজারী করতে গিয়েছিলাম নোয়াখালী জেলা সোনাইমুড়ী এসিল্যান্ড অফিস ওনারা আমার কাছে 15000 টাকা দাবি করে পরে আমি চলে আসি
যার কাছ থেকে জমি ক্রয় করি ২০ বছর সেই মামলা করেছে যে সে জমি বিক্রি করেনি, মামলা শুনানির কোনো তারিখে সে হাজির হয়নি(৫বার শুননির তারিখ হয়) পরে ঐ অফিসের নাজির বলে ৫০হাজার টাকা দেন মামলা নিষ্পত্তি করে দেই ।