জমি রেজিষ্ট্রেশন
জমি রেজিষ্ট্রেশন এর সময় রেকর্ডে বাড়ি থাকার কারনে দলিল প্রতি ২০০০ টাকা দাবি করেছে, সাবরেজিস্টার।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি রেজিষ্ট্রেশন এর সময় রেকর্ডে বাড়ি থাকার কারনে দলিল প্রতি ২০০০ টাকা দাবি করেছে, সাবরেজিস্টার।
লেখার কিছু নাই সামান্য ১০০ টাকার কাজ করতে গেলেও ১ হাজার টাকা লাগে
ভূমি অফিসের ভুলের ধরুন আমার বিল্ডিং এর খতিয়ান ldtax ওয়েবসাইটে আপলোড করা সম্ভব হচ্ছিল না। ল্যান্ড অফিস থেকে জানালো নতুন নামজারি খতিয়ান করতে হবে। তার জন্য আবেদন সম্পন্ন করে এবং প্রয়োজনীয় অরিজিলান ডকুমেন্টসহ ভূমি অফিসে আবেদনটি সাবমিট করি গত ১২ আগস্ট। আজ ২৫ আগস্ট শুনানির তারিখ ছিল। ভূমি অফিসে গেলে তারা জানায় আমার ফাইলটি হারিয়ে গেছে। তাই নতুন করে আবেদন করে আসতে হবে। কিন্তু ঘুষ গ্রহীতার (সার্ভেয়ার) সহকারী জানায় যদি ৫০০০ টাকা দেওয়া হয় আমার ফাইলটি খুঁজে বের করবে এবং শুনানি তারাতারি সম্পন্ন করবে। পরে নিজের অসহায়ত্বর ধরুন টাকা দিতে বাধ্য হয় এবং নতুন শুনানি তারিখ জানানো হবে।
কৈখালী বাজার ভূমি অফিসে, জমির নাম জারি করাতে সব মুল কাগজ পত্র থাকা সত্য,, 9 মাস গুরাচ্ছে, এবং 30 হাজার টাকা দাবি করে 2 টা দলিলে, জমি মাত্র 35 কাঠা, কমাতে কমাতে 18000 গ্রামের ভিতরে,, সবচেয়ে খারাপ লাগলো 5 তারিখের প্রায় এক মাস পর আমাকে ফোন দিয়ে টাকা চাইলো বললো আপনার কাগজ রেডি টাকা নিয়ে আসেন.... আমি কিছু টাকা কম নেওয়াার কারনে বলে পেপার উপজেলা অফিসে, কাল সকাল 8 টায় ওখানে গিয়ে নিয়ে আসবে, আমাকে অহেতুক সেখানে নিয়ে অফিসে নিয়ে বসিয়ে রাখছে,, পরে বার বার ফোন দেওয়ার পরে আবার কৈখালী অফিসে ডাকছে আমি টাকা কম ছিলো তারপর বিকাশে টাকা দার এনে তাকে দিই তার পর কাগজ দেয়,,
আমি আমার কষ্ট বাড়ির জমি টি মিটিশন করার জন্য যায় আমার কাগজপত্র দেখে তারা বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরল অনেক সমস্যা রয়েছে যখনি বলল এ সমস্যা সমাধান করার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে আপনি যদি ৮ হাজার টাকা দেন তাহলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে কিন্তু আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সেটা প্রত্যাখ্যান করি নাম জারি করা থেকে বিরত থাকি।
আমাদের একটা বি এস খতিয়ানের দাগে ভূল ছিল আমি এ সি লেন্ড স্যার বরাবর ভূল দাগ সংশোধনের আবেদন করি।সাথে আমাদের বি এস খতিয়ান, পি এস,দাগে ৪ টা খতিয়ান সহ মাঠ জরিপ পর্চা, ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে নেওয়া রিপোর্ট সহ সব জমা দি, জমি দেওয়ার পর ২/৩ বার শুনানি করে কানুনগো শুনানি করে সরজমিনে সার্ভেয়ার গিয়ে তদন্ত করে ভূল সংশোধন করে দিবে বলে রাউজান এ সি লেন্ড অফিসে একটা বাটি করে একটা মহিলা আছে স্যারের পাশের রুমে বসেন ওনি ২০ হাজার টাকা চেয়েছিল স্যারের কথা বলে কিন্তু আমি দি নি কারন ডকুমেন্ট ঠিক থাকার পর কেন আমি টাকা দিবো? যখন বলি আমি প্রবাসী আমার ছুটি শেষ তখন ওনি বলেন সময় লাগবে নিবাচনের পর করে দিবো যেহেতু সামনে এম পি নির্বাচন কিন্তু আজকের দিন পর্যন্ত হয় নি।আমি প্রবাস থেকে ফোন করছি ওনারা ব্যস্ততা দেখায়।
আমার একটা জায়গা অন্য জনের নামে নামজারী হয়ে গেছে, আমি সেই টা বাতিল করার জন্য ভূমি অফিসে মিস মামলা করি,আমার সব ঠিক আছে, মানি আমার দলিল আগে ওনার পরে, এখন সেই টার শুনানির জন্য কোন তারিখ দিচ্ছে না,টাকা দিলে আদেশ করে দিবে,,,,
সকল দলিল এর মূলকপি চেয়েছিলো। তাছাড়া অফিসার আচরণ এ সমস্যা ছিলো।
একটি নামজারি জন্য ইউনিয়ন নায়েব কে দিতে হয় 3000 হাজার থেকে 5000 টাকা পর্যন্ত। এই অর্থ না দিলে বিভিন্ন অজুহাতে নামজারি বাতিল করে দেওয়া হয়।
আমি ২০১৪ ২০ এবং ২৫ সালে জমি খারিজ করেছি নামজারি করেছি আর কি তো তুলনামূলক প্রায় 20 কোন টাকা বেশি দিন উনারা করতে চাবে না তোমাদেরকে টাকা না দিলে বা অনেক লেট করবে
রেকর্ড সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম জরিফ অফিস একটা প্রতিবেদন যোনালল অফিসে পাঠাবে কিন্তু সেই প্রতিবেদন বাব টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমার সব ডকুমেন্টস টিক থাকার পর ও সার্ভেয়র আমার কাছে টাকা দাবি করছে না হয় খতিয়ান দিবে না , তাই পরবর্তী জামেলা এড়াতে টাকা দিতে বাদ্য হলাম , কিন্তু আমি ল্যান্ড মিনিস্টার তে ইমেল করে কমপ্লেন করেছি কোনও রেসপন্স পাইনাই, আমার কাছ থেকে একা টাকা নেয় নো পুরো থেকে কম পক্ষে ২০-৩০ লক্ষ টাকা নিয়া গেছে ।
জমির নামজারি বাবদ কাগজ উত্তোলন।
ইউনিয়ন ভূমি অফিস। যেখানে সরকারি ফি আওব মিলিয়ে ১১৭০ সেখানে সে বলেছে ৬০০০ টাকা দিলে করে দিবে।
জমি খারিজ এর জন্য খাজনা পরিশোধ করতে গেলে ইউনিয়ন ভুমি উপ সহকারী খাজনা বাবদ ২৩০০ টাকার বিপরীতে ২০০০০ টাকা দাবি করে। বলে " অনেক খরচ, এ সি ল্যান্ড স্যারকে দিতে হবে, না হলে খারিজ করা যাবে না" আমি প্রত্যাখ্যান করেছি, এখনও খাজনা দিতে পারি নি বলে, জমি খারিজ করা হয় নি।
কোম্পানির নামে জমি কিনে জেলা প্রশাসক , টাঙ্গাইল এর নিকট ভূতাপেক্ষ অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়েছে জুলাই ২০২৫ মাসে। সেখান থেকে সহকারী কমিশনার ভূমি, মির্জাপুর এর প্রতিবেদন চাওয়া হয় এবং তিনি যথারীতি প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। এর পর প্রতি শতকে ১ হাজার টাকা মানে ৫.২১ একরের জন্য ৫ লক্ষ ২১ হাজার চাওয়া হয় ।
নামজারির সব কাগজ ঠিক থাকাবস্থায় সেখানকার ভূমি সহকারির সহকারি ৩০০০ টাকা চান নামজারির জন্য, প্রথমবার দিতে অস্বীকার করলে তারা নামজারি বাতিল করে। পরে আবার আবেদন করা ৩০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
রেজিষ্ট্রেশন করার সময়
নামজারি করার সরকারী ফি সব ইঙ্কলুডেড ১১৭০ টাকা। কিন্তু আমার কাছে ১১০০০ টাকা দাবি করা হয়েছে। বলা হয়েছে নয়তো বিভিন্ন ঝামেলা দেখিয়ে নামজারী হোল্ড করে রাখা হবে।
একটি রেকর্ড যাচাই-বাছাই করার জন্য বলা হয়েছিল তিনি দুইদিন পরে আসতে বলেছিলেন এবং কিছু খরচ চেয়েছিলেন।