জমি রেজিষ্ট্রেশন
জমি রেজিষ্ট্রেশন এর সময় ২ লাখের কমে করবে না। — sub register & pion
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি রেজিষ্ট্রেশন এর সময় ২ লাখের কমে করবে না। — sub register & pion
without money they will give false reports and delaying and to avoid harassments
১১৭০ টাকার নামজারী করতে ১৬০০০ টাকা নিলো। আমরা দুইজন করেছিলাম, একজন টাকা ঘুষ দিছে, একজন দেয়নি। সাতদিনেই ঘুষের টাকা দেয়াজনের নামজারী ও খাজনা কমপ্লিট। বাকি জনকে নামঞ্জুর করে দিছে। একই বিল্ডিং, একই জমি, একই কাগজ!!!
ভূমি অফিসে গিয়ে প্রথমে দলিল তোলার চেষ্টা করেছিলাম। কোন ব্যক্তি সাহায্য বা সঠিক তথ্য দেয়নি। এরপর নামজারি করার প্রক্রিয়া জানতে গিয়ে বুঝলাম, এখানে টাকা ছাড়া কেউ কথা বলে না। পরে, এক অফিস সহকারীকে ঘুষ দিয়ে কাজ করিয়েছি। পরে জানতে পারি, সে কোন প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ছাড়াই এই কাজ করেছে, যেখানে সাধারণ মানুষ একই কাজ করতে গেলে ও ডকুমেন্টগুলো ছাড়াও আরো অনেক কিছু দিতে বলে। যেটা কেবলই হয়রানি করার জন্যে।
ভূমি উন্নয়ন কর দেবো, তাই আগে প্রতিনিধি পেমেন্ট অপশন থেকে ৩ বছরের বকেয়া ৬০ টাকা দেখি। যখন খতিয়ান যুক্ত করার জন্য আবেদন করি তখন সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা ১৯ বছরের বকেয়া দিয়ে ১৫০০ টাকা করে অনুমোদন দেয়।
ভূমি অফিসে নামজারি করতে গিয়ে ৪০০০ টাকা দাবি করেছে,এবং তা বিকাশের মাধ্যমে।
জমির প্রিন্ট পরচা তুলতে গিয়েছিলাম । বলে বিতরণের ডেট শেষ । এখন তুলতে গেলে 500 টাকা লাগবে। অথচ সরকারি ফি 140 টাকা । পরে অনেক জোরাজুরি করে 400 টাকায় মিটমাট করছি ।
কুমিল্লা জিলার, দাউদকান্দি উপজেলাধীন, রায়পুর ভূমি অফিসের অফিসার ৩ টি নামজারি করতে সরকারি খরচ ৩৭৫০ টাকা কিন্তু ফাইল আটকে রাখার কারণে অতিরিক্ত ১৪২৮০ টাকা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ৩ টির জন্য ১৮,০০০ টাকা নিয়েছে। যতটুকু জানলাম এইটা উপজেলা ভূমি অফিস সহ জরিত এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে সিন্ডিকেট সাধারণের ক্ষতি করে।
জমি রেস্টেরি করতে ৫৬ হাজার দাবি করেছেন, কিন্তু সেই একই পাসের জমি রেস্টেরি হয়েছে ২০থেকে২৫ দিনের হলো ২০ হাজার টাকায়, কেননা তার থেকে ৪ হাজারের বেশি চা পানি খরচ নিতে পারে নাই, এবং সাধারণ লোকজনের থেকে ফ্রী বাবদ ৪০ হাজার টাকা লাভ রাখেন বিঘা প্রতি, এভাবেই চলছে ভূমি অফিস, আরেকটা কথা শুনলাম বললো।১০ হাজার টাকা এমপি কে ঘুষ না দিলে নাকি হবেই না, সব জায়গায় দেখলাম এটা সিন্ডিকেট ভাবে জমি দলিল + রেজিস্টার করছে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে, হয়তো গুছিয়ে লিখতে পারলাম না একশন নিলে অবশ্যই জানাবেন সেই সময়।সামনে এসে কাজ করাব এবং আগ পিছ কি পরিস্থিতি হশ জানাব জিমেইল 1xshort.com@gmailcom
সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল গোলচত্তর এ Elevated Expressway তৈরি করতে Building Acquire করার সময় LA এর লোকজন ঘুষ নিয়ে compensation বাড়াচ্ছিল।আবার,ভুয়া মামলায় আটকে যাওয়ায় compensation টা পাইতে আরে ঘুষ দেওয়া লাগছিল।
ঢাকা ডেমরা তে জমি ক্রয় করেছিলাম কিছু মাস আগে। সেই জমি কিছু দিন আগে নামজারি এর জন্য ভুমি অফিসে গেলে ২৫০০০টাকা দাবি করে। পরে ২২০০০টাকা দিয়ে নামজারি করতে দেই। অথচ নামজারি করার সরকারি ফি ১১০০টাকা +
এই টাকা ছাড়া লায়সেন্স দিবেনা।
আমি নামজারি করার জন্য আবেদন করি ১ মাস পার হয়ে গেলেও তারা আমার নামজারির আবেদন পরিক্ষা করেন নাই। ১ মাস ১৫ দিন পর ভূমি অফিসে গিয়ে তাদের কে বিস্তারিত বলি তারপর তারা সিস্টেম এ আমার কাছে চা খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা দাবি করে। সেটি পরিশোধ করলে কয়েক সপ্তাহ আমার কাজ সর্ম্পুন করে।
আমি রাজউক এর প্রধান অফিসে গিয়েছিলাম ডিজিটাল খতিয়ান নং এবং মৌজা নাম বের করতে। নিচের সার্ভিস ডেস্ক এ কথা বললে এখানের অফিসার (দরজা দিয়ে ঢুকেই হাতের ডানে বসে) এক পিয়নকে ডাক দেয়। ওই পিয়ন আমাকে চায়ের দোকানে নিয়ে ৫০০০টাকা দাবি করে এবং শেষমেশ ৩০০০টাকাতে রাজি হয় কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার পর জোর করে ২০০টাকা বেশি নেয়।
একটি খতিয়ান করে দিয়েছে।
জরুরী ভিত্তিতে একটি ১৫ শতাংশ জমির নামজারি করার প্রয়োজন হয়। এমতাবস্থায় ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ মোটা অংকের টাকা দাবি করে অন্যথায় নামজারি করার জন্য লম্বা সময় ধরিয়ে দেয়। জরুরী অবস্থার বিবেচনায় সর্বমোট ২৭,০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে।
ভূমি নামজারি করতে ১১০০ টাকা সরকারি চার্জ অথচ কালিকাপুর, মাদারীপুর সদর, মাদারীপুর ভূমি অফিস-এ থাকা সরকারি কর্মকর্তা আমার থেকে ৬০০০ টাকা নিয়েছে ১.২৫ শতাংশ জমির নাম জারি করতে.
বগুড়া সদর ভূমি অধিদপ্তর এ আমার মিউটেশন এর জন্য আমার থেকে ৯০০০ টাকা দিয়ে রাজি হয়েছে আরও চাচ্ছে। এখন আমি ৯০০০ টাকা পরিশোধ করেছি আরও দাবি করছে। প্রশাসন নিশ্চুপ।
বলা হয়েছিল এটা বেশ জটিল সমস্যা, যদিও তা নয় । তারপর নিম্নপদোস্থ কর্মকর্তা বাইরে গিয়ে জানান টাকার পরিমাণ বাড়ালে বিষয়টি তিনি বড় স্যারকে অনুরোধ করবেন ।
সেবা নিতে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।