জমি খারিজ
জমি খারিজ করার জন্য। সকল বৈধ কাগজ থাকা সত্ত্বেও জমি খারিজের জন্য ৭০০০ টাকা চেয়েছে কিন্তু এটার সরকারি ফি ১১৭০ টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি খারিজ করার জন্য। সকল বৈধ কাগজ থাকা সত্ত্বেও জমি খারিজের জন্য ৭০০০ টাকা চেয়েছে কিন্তু এটার সরকারি ফি ১১৭০ টাকা।
৫.৫ শতাংশ জমি নামজারি করতে গিয়ে ২০ হাজার টাকা দিতে হয়ছে, তাদের কথা ছিলো জমিটা পাওয়ারমূলে বিক্রি হয়েছে আপনার কাছে। যার কারণে।
এটি ২০২৩ সালের একটি ঘটনা আমি নতুন জমি কেনার পর নামজারি করতে গেলে আমার জমির কাগজ সবকিছু ঠিক থাকার পরও মুড়াপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি কর্মকর্তা আমার থেকে নামজারি বাবদ ৩০০০ টাকা দাবি করে আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে সে বলে নামজারী হবে না আমার, এটা তার রেট এটার কমে সে ফাইল রিলিজ করবেনা, পরবর্তীতে তাকে আমি টাকা পরিশোধ করি এবং সে আমার ফাইলটি ওকে করে দেয়।
পোস্ট বদরতলা, থানা আশাশুনি,জেলা সাতক্ষীরা...... বদরতলা ভুমি অফিসে আমাদের পরিবারের নামজারি করতে ২০০০০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়,, আমি নিজের নামজারি নিজে করতে গেলে এসি ল্যান্ড অফিস থেকে ফেরত পাঠানো হয় বলা হয় ভুমি অফিসের মাদ্ধমে করাতে,, ভুমি অফিসে তাদের ২০০০০ হাজার টাকা ঘুষ দিলে আমার নামজারি সম্পন্ন হয়
ছিল, মৌখিক ভাবে, প্রদান করি।
আমার জমির একটি রায় ডিক্রি ছিল এই রায় ডিক্রির কারণে আমাকে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয়েছে।
মিউটেশনের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করে ভূমি অফিসের লোক। আমি প্রত্যাখ্যান করায় ২ বার রিজেক্ট করে দেয়। ৩য় বারে বাদ্য হয়ে দেয়া লাগছে
জমির রেকর্ড ভুল ভাবে পাশের জমির মালিকের নামে রেকর্ড হয়ে যায়, সংশোধন করতে গেলে কোন ধরনের ফরম না দিয়ে 50 হাজার টাকা দাবি করে, সেখানকার ডেস্ক এ বসে থাকা কর্মচারী।
I applied for nullifying a mution or Kharij, which was done by forged succession certificate. Inspite of having three government investigation report in favour of my complaint, Ac Land ignored all documents and gave extrajudicial verdict for not paying 20 thousand tk by offering his official staff. For last two and half year they were asking this bribe, but finally they got canadian dollar from my opponent party and provided capricious decision.
ভুমি অফিস গুলোতে শুধু আমি না , সবাইকেই বেশি টাকা দিতে হয়, এটা ৫০০০ টাকা থেকে ২০ থেকে ৩০ হাজারও হয়। অথচ সরকারি রেট ১১৭০ টাকা। সবাই বলে মিউটেশন বা নামজারিতো অনলাইনে হয় সো ঘুষ কেন দিতে হবে । আসল সমস্যা হলো, আপনি বা আমি অনলাইনে আবেদন করলেও সেই আবেদন এপ্রুভ করার দায়িত্ব কিন্তু সেই ভূমি অফিসের লোকেরই। ওরা তখন এপ্রুভ করে না । মাসের পর মাস ফেলে রাখে। তখন বাধ্য হয়ে আপনি অফিসে যাবেন। তখন আপনাকে সরাসরি বলবে টাকার কথা, কারণ অনেককে নাকি ভাগ দিতে হয়। আপনাকে আপনার কাজ করায় নিতে হলে ওদের তাকা দিয়েই কাজ করাতে হবে। নাহলে বছরকে বছর ঘুরতে হবে। সো আপনার প্রয়োজনে আপনাকে জিম্মি করে এরা টাকা আদায় করে নিবেই।
Nam Jari ar jonno 135000 tk dabi kore . ami 90000tk diye 6 month ghure kaj ses kori .
অফিস সহকারী কর্তৃ ক চাহিত আপনার নাম জানি পার হবে এই মর্মে দুই হাজার টাকা দিতে হবে, না হলে ঘুরেন
নাম জারী করা প্রয়োজন হওয়াতে আমি টঙ্গির অন্তরভূক্ত কাশিমপুর ভূমি অফিসে ৭/৮ বছর ধরে চেষ্টা করে এসেছিলাম এবং তখন অনেক ব্যাক্তিকেই ঘুস দিতে হয়েছিলো কিন্তু ফলাফল ছিলো শূণ্য। পরে কাশিমপুর ভূমি অফিসের এক পিয়ন ৪৫০০০ টাকার বিনিময়ে আমার খারিজের কাজটি নেয় এবং ৬/৭ মাস পরে কাজটি করে দেয়। দ্বিতীয় ঘটনাটি ও নাম জারী সংক্রান্ত, ১০ দিনের ভিতর খারিজ করে দিবে বলে ২৫০০০ টাকা নগদ নেয় এবং বাকী ১৫০০০ টাকা কাজ শেষে নিবে বলে ওয়াদা করেন, এখন পর্যন্ত যা করে দেয়নি।
জমির নাম যাদের জন্য বিভিন্ন তালবাহানা করে টাকা পয়সা ধান্দা করতেছে
অনলাইনে আবেদরনর সকল জমা দেওয়ার পর, দেখে বলল সব ঠিক আছে। কিন্তু পরে আর নামজারি হইল না এবং অবেদনটি বাতিল হয়ে গেল ।
সকাল ১০:৩০টার দিকে আটিবাজার বিডিএস জরিপ অফিসে গিয়ে পৌঁছাই। আনুমানিক ১১টার দিকে আমার কাগজপত্র যাচাই করে জমা রেখে দেওয়া হয় এবং জানানো হয় যে, পরবর্তীতে সীল দিয়ে দেওয়া হবে। এরপর দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করি এবং কয়েকবার জিজ্ঞাসা করি, কখন কাগজপত্র দেওয়া হবে। প্রতিবারই আমাকে বলা হয়, “কিছুক্ষণ পরই দেওয়া হবে।” এ সময় লক্ষ্য করি, কয়েকজন লোক রান্নাঘরের ভেতরে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে কথাবার্তা বলছেন এবং কিছুক্ষণ পর তাদের জরিপের কাগজপত্র দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রায় ১:৩০টা পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর আমিও তাঁর সঙ্গে রান্নাঘরে গিয়ে কথা বলি। প্রথমে ৩,০০০ টাকা প্রদান করি। তিনি ৩,০০০ টাকায় রাজি না হওয়ায় আরও ১,০০০ টাকা প্রদান করি। এরপর তিনি আমাকে বসতে বলেন। কিছুক্ষণ পর আমাকে ডেকে আমার বিডিএস জরিপের কাগজপত্র দিয়ে দেন।
তহসিল অফিসের আবেদনটি ফরোয়ার্ড করার জন্য ২০০ টাকা চা খাওয়ার জন্য চেয়েছিল।
রেল লাইনের জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলন, আবেদন ফরম সত্যায়িত করার জন্য এবং কানুঙ্গ অফিসার এর সহকারী কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে উক্ত টাকা তুলতে মোট টাকার উপর ৩% টাকা ঘুষ হিসেবে দাবি করা হয় , আমি তা প্রত্যক্ষণ করেছি, কিন্তু তারা আমাকে বলেছে সব টেবিলে টাকা দিতে হবে না হলে আপনার টাকা আপনি তুলতে পারবেন না তাই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে যাচাই করার জন্য আবেদন করছি আশা করি গুরুত্বের সাথে আমি যা বললাম টাকা তদন্ত করা হোক
Namjari Case, For submitting the report to AC land from union land office
কেনা জমি দলিল কারার জন্য সরকারি ফি ব্যংকের মাধ্যেমে পরিশোধ করার পর যে দলিল লেখক সে বলছে তার খরচ বদেও অফিস খরচ 6000 দিতে হবে তা-নাহলে দলিল করবে না। নকল তুলতে 1700 এবং নাম খারিজ করতে 4000 টাকা দিতে হয়েছে।