17,323 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ভূমি নায়েব দাবী প্রতি পাইলে ১০,০০০/- টাকা
নামজারি করতে গেলাম সরকার এতো গর্ব করে বলে নামজারি করতে লাগে ১১৭০ টাকা কিন্তু দাবি করলো ২২০০০টাকা আমি তো অবাক ।সব থেকে মজার বিষয় এটা যে অফিসার রা নিজেই টাকা খায় বাট সেটা পিয়ন এর মাধ্যমে খায়। আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো আমি বিষয়টা গর্ভারমেন্ট এর মেইল এ বিষয়টা মেইল করছি কিন্তু কোন উওর নাই ।
খাজনা পরিষদ করার জন্য গিয়েছিলাম আমার খতিয়ানে যে পরিমাণ জায়গা আছে ওই পরিমাণ কাজ না আসে এক ১হাজার টাকা আমার থেকে ৪ হাজার টাকা দাবি করে না হলে এক সপ্তাহ পরে আসেন এমন করে ঘুরাতে থাকে
নামজারি করতে গিয়েছিলাম, মামলায় জিতে মামলার রায়ের কপি নিয়ে জায়গা বড় দেখে নামজারি করতে টাকা চেয়েছে এক লাখ, নইলে আর একটি রায় লাগবে অথবা এক লাখ টাকা লাগবে, এক মামলায় জিতে আসতে আমার ১৪ বছর লেগেছে এখন আমি আর একটি রায় কোথায় পাবো, একখন আমার এক লাখ টাকা ঘুষ দিলে আমার কাজ হইবে আর ঘুষ দিতে না পারলে আমার কাজ হইবে না।
কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার একটি ইউনিয়নের ভুমি সহকারী কর্মকর্তার সাথে ঘটনা। আমি একটা বি আর এস রেকর্ড সংশোধন করতে আবেদন করি উপজেলা ভুমি অফিসে।এই আবেদন ইউনিয়ন ভুমি অফিসে আসে।সে রিপোর্ট দিতে চায় না,৭মাস হয়ে গেছে।আবেদনে যা ছিল"আমার একটা জমি সি এস রেকর্ড এ ৩২ শতাংশ এস এ রেকর্ড এ ৩২ শতক কিন্তু বি আর এস রেকর্ড এ ১৬ শতাংশ লিখা।বি আর এস রেকর্ড এর পর আমি ৩য় ক্রেতা।নক্সাতেও আছে ৩২ শতাংশ। এখন আমি ৩২ শতাংশ খারিজ করতে গেলে ১৬ শতাংশের খারিজ দিতে চায়।তাই রেকর্ড সংশোধন এর জন্য ৩২ শতাংশের আবেদন করি।আমি সি এস, এস এ,বি আর এস রেকর্ড জমা দেই।সাথে আমার দলিল, আগের দুইটা ভায়া দলিল এবং কলমি নক্সা জমা দেই।কিন্তু কিছুতেই নায়েব রিপোর্ট দেয় না।শেষে অফিস সহায়ক কে দিয়ে দেড় লাখ টাকা চায়।নাহলে রিপোর্ট দিবে না বলেছে।
আমার বাবার নামে আর এস রেকর্ডকৃত জমি নামজারি আবেদন করার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব করা হয় কিন্তু এসিলেন্ট সাহেব তার সহকারীর মাধ্যমে আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ যাবে দাবি করে। আমি উক্ত টাকা না দিলে আমার বাবার নামের নাম জারি আবেদন নামঞ্জুর করে দেই।
I live abroad in the UK. I went to BANGLADESH to pay my Khazna. They advise me that I have to pay online which I didn’t know how they said they can organise everything for me but I had to pay them 98,000 taka but when they gave me the receipts for Kazna each receipt showed only few hundred taka when I questioned the receipt they said all your khazna is paid and clear you do not have to worry about anything. The remaining money will go to the officers who facilitated in paying my khazna online. The address of the office which took my payment is in Hheramishi Khazna Office 📃 Sheramishi Tana: Jogonnathpur District: Sunamgonj Bangladesh
আমার খাজনার পিমান ছিল ২৮০০ টাকা। ভুমি অফিস থেকে শুনে পরের দিন খাজনা দিতে গেলে বলে ৮০০০ টাকা লাগবে নয়তো হবে না।জমির নাম পত্তন করার জন্য জরুরী ছিল তাই বাধ্য হয়ে ৮০০০ হাজার টাকা দিতে হয়। কিন্তু আমার সেই ২৮০০ টাকার রশিদ দিয়েছিল
নাম জারি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং এসিল্যান্ড এসিল্যান্ড নিয়েছিল ১ হাজার টাকা
২০২২ সালে আমাদের ওয়রিশকৃত (৭জন) করার জন্য বাড্ডা(আফতাবনগর) ভূমি অফিসে যাওয়া হয়েছিল। এর আগে রেজিস্ট্রি অফিস, তেজগাঁও ভূমি অফিস, ঢাকা জেলা প্রশাসন, পরিচিত যারা নামজারি করেছে তাদের কাছে গিয়ে একটা ধারণা পাওয়া হয়েছিল। এরপরে বাড্ডা অফিসে গেলে একবার বলে এটা আনেন, আরেকবার বলেন ওটা লাগবে। তখন আমার এক প্রতিবেশীর সাথে এই ব্যাপারে কথা বললে উনি একজনের নাম্বার দেন। একদিন গিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করি। সকল কাগজপত্র সাথে ছিল। বললেন সর্বমোট ৭০০০০ টাকা লাগবে। নামজারি ও খতিয়ান এর পেপার দিবেন। অফিসে বসেই খাটায় এন্ট্রি করে আমার থেকে টাকা রাখলেন। আর সময় মত নামজারির কাগজ ও খতিয়ান দিলেন। এছাড়াও ২০০২ সাল থেকে আমাদের ভূমি খাজনাও বকেয়া ছিল। সেটাকেও অনলাইন মাধ্যমে সেট করে দিয়েছিল।
টাকা ছাড়া নামজারি হয় না।
আমি একজন সরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা, আমার জমি রেললাইনের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে। আমি শত চেষ্টা করেও ঘুষ ছাড়া টাকা উত্তোলনের চেক পাই নাই। জানতে পারলাম ৩% ঘুষ না দিলে চেক হবে না। ডিসি অফিস LA শাখা, সিরাজগঞ্জ। পরে ৪০০০০/- টাকা ঘুষ দিয়ে ১৩ লক্ষ টাকার চেক পাইছি। বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের সংশোধিত প্রাক্কলিত ব্যয় বা বাজেট দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তাহলে ৩% হিসাবে ৩৭৫কোটি টাকার ঘুষ বানিজ্য হয়েছে। এটাই আমাদের সোনার বাংলাদেশ। যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে তাদের ৯৫% কৃষক, তারা ঘুষের হিসাবটা অনলাইনে দিতে পারে না। তাই প্রকৃত তথ্য প্রকাশ পায় না।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব বলেছে আমার কাগজপত্র কোনদিনও ঠিক হবে না কারণ একের এক খতিয়ান থেকে আমার জমি আছে। কিন্তু আমি জমি ক্রয় করার দলিল এবং মাঠ পর্চা দেখিয়েছিলাম তারপরও আটকে রেখেছিল ধীরে ধীরে আমি আর ধৈর্য ধরতে না পেরে টাকা দেওয়া শুরু করেছিলাম। প্রথমে পাঁচ হাজার তারপরে সাত হাজার এমন করে সর্বমোট ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে আমার মিউটেশনটি সম্পন্ন হয়।
আমাদের চাঁদপুরের ভিতরে হাজিগঞ্জ থানা, ভূমি অফিসে সব কাজে টাকা ছাড়া কোন কাজে হয় না, নাম জারি করতে গেল টাকাও প্রচুর টাকা চায় বিশ হাজার ত্রিশ হাজার টাকা,
আমি নামজারি করার জন্য টাকা দিছি কিন্তু টাকা লাগে ১১৭০ তারা নিছে ২০০০০ টাকা । তারা আরো অনেক হুমকি দেয়।
নারায়ণগঞ্জ ১৬ নং ওয়ার্ডে কিছুদিন আগে BDS জরিপ এর জন্য জায়গা মেপে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমাদের ডেকে সকল দলিলাদির কপি সংগ্রহ করেন এবং পরবর্তীতে BDS খতিয়ান দেওয়ার নামে প্রতিটি খতিয়ানের বিপরীতে ২০,০০০/- টাকা দাবি করেন। যখন জানতে চাওয়া হয় কিসের জন্য টাকা দেওয়া লাগবে তখন তারা উত্তর দেন তারা মিষ্টি খাবেন।
১ টি জমির খতিয়ান উঠাতে সরকারি সব খরচ বাদ দিয়ে,, ২০০০ টাকা দাবি,,,পরে অনেক অনুনয় বিনয় করে ১০০০ টাকা দিয়ে খতিয়ান আনতে হয়েছে
দালাল ছাড়া কিছু ই করা যায় না এবং অফিসে কারো সাথে কথা বলা খুবই মুসকিল আমরা নির উপাশ
১৫০ধারা রেকর্ড সংশোধন মামলাটির আমি নিজে বাদি। গত ২৮/৫/২৬ তারিখে মামলাটির রায় হওয়ার পর সরকারী নিয়ম অনুযায়ী বাদীর অনুলিপি পাওয়ার কথা। কিন্তু আমি ডুমুরি ভুমি অফিসের সংশ্লিষ্ট শাখায় একাধিকবার যোগাযোগ উপস্থিত হয়ে কথা বলি, মোবাইলে যোগাযোগ করি। কিন্তু আমাকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরাতে থাকে। অবশেষ বমাকে নকলের জন্য আবেদন দিতে বলে। সরকারি ফিসহ আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তা জানান দাদা অফিসের একটা সিস্টেম আছে। সিস্টেম টা হচ্ছে ২০০০টাকা লাগবে। আমি এতদিন ঘুরে নিরুপায় হয়ে রাজি হই এবং ১৫০০টাকা দিয়ে নকল সংগ্রহ করি। কিম্তু মামলার রায়ের অনুলিপির বাদীর কপি পেতে আবার সংশ্লিষ্ট শাখায় গিয়ে বিভিন্ন অজুহাত। নথি খুজে পেতে সময় লাগবে, লোক নাই ইত্যাদি। নিরুপায় হয়ে চা খাওয়ানোট কথা বলে ১০০০টাকা দিলে মামলার রায়ের বাদীর অনুলিপি আমাকে দেন।
আমার বাবার পৈতৃক সম্পদ আমাদের ভাই দের নামে আলাদা নামে নামজারি বা খতিয়ান তৈরি করার জন্য আবেদন করেছিলাম। সরকারি নির্ধারিত অনলাইনে নামজারি বাবদ ফি প্রতিজনে ১১৫০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও মাধাইয়া ভূমি অফিস ( চান্দিনা ভূমি অফিসের একটা শাখা) সেখানে দায়িত্ব রত কর্মকর্তা কর্মচারীরা ৩৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। এবং এটা যদি না দেওয়া হয় তাহলে তারা কোনো কাজ করতে পারবে না সরাসরি জানিয়ে দেন। তাদের ব্যবহার খুবই জঘন্য। এমন কোনো কাজ নেই তারা ঘুষ না নিয়ে করেছে। সরকারি ফি র কথা বললে তারা বলে সরকারের ঘর থেকে গিয়ে করে আনতে। তারা যেটা সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে। বাধ্য হয়ে আমাদের সকল ভাইদের ৩৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে তাদের চা- নাস্তার জন্য।