জমির খারিজ করা
জমির খারিজ করতে গিয়েছলাম, সরকারি ফি ১১৫০টাকা কিন্তু আমাকে দিতে হয়েছিল ৪০০০টাকা প্রায়। তাছাড়া রেজিষ্ট্রেশন খবেনা। তাই বাধ্য হয়ে করতে হয়েছে ২০২১ সালের শেষের দিকে।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জমির খারিজ করতে গিয়েছলাম, সরকারি ফি ১১৫০টাকা কিন্তু আমাকে দিতে হয়েছিল ৪০০০টাকা প্রায়। তাছাড়া রেজিষ্ট্রেশন খবেনা। তাই বাধ্য হয়ে করতে হয়েছে ২০২১ সালের শেষের দিকে।
নামজারি করার জন্য ঘুষ চাইছে
নিধারিত মূল অনলাইনে পরিশোধ করার পর অফিসে যোগাযোগ করার পর ২৫,০০০/= লাগবে তাহলে কাজ হবে।
আমরা ১২ জন ব্যংকার, এমপ্লয়ার হাউজ বিল্ডিং লোনের জন্য, নিজেদের জয়েন্টভেঞ্চারে কেনা জমি মর্টগেজ করতে যাই। ওখান কার সাবরেজিস্টার ভদ্র মহিলাটা আমাদের আইনজীবি কে ডেকে জানিয়ে দেয়, ওরা এতটাকা লোন পাবে, আমার আলাদা বখশিষ লাগবে। জনপ্রতি ৩ হাজার করে মোট ৩৬ হাজার টাকা দিবেন। আমরা আমাদের বাধ্যতামুলক কাজের জন্য, পরে ৩৬ হাজারটাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
গুনবতী বাজারে আমাদের একটি জায়গাতে বিল্ডিং আছে। কিন্তু যাদের থেকে আমরা জায়গা কিনেছিলাম তারা সঠিক ভাবে রেজিস্ট্রি দেয়নি। টা ঠিক করার জন্য আমরা দীর্ঘ দুই বছর ধরে চেষ্টায় আছি। কিন্ত ভূমি অফিসের কর্মচারীরা টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না।
ডিক্রিমূলে নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। তারা এক লক্ষ টাকা দাবি করছে। পরে ৭০০০০ টাকায় মিটমাট হয়। ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি, ৮ মাস হয়ে গেছে এখনো খতিয়ান পাইনি। আমাকে হয়রানি করতেছে।
জমির রেজিস্ট্রেশন কৃত নামজারি করার জন্য সরকারি ফি ১১০০ টাকা। তবে আমার কাছ থেকে ১৫০০০ হাজার টাকা আদায় করেছে।
মিউটেশন মামলা নম্বর- — এর প্রস্তাব প্ররণের জন্য আমি ভূমি অফিসে যাই, তারপর ওখানে তহসিলদারের কিছু সহকারী থাকে যারা সরকারি চাকরি করেনা তবে ঐ অফিসে সকল ঘুষ লেনদেন ওদের মাধ্যমেই হয়ে থাকে এর মধ্যে আমি — নামের একজন ওমেদার (পিওন) কে উল্লেখিত মামলাটির প্রস্তাবপত্র প্রেরণের জন্য ৫০০০/- টাকা প্রদান করি তবে আমার কাছে ১০,০০০/- টাকা দাবি করেছেন।
আমি আমার। মায়ের জমি নামজারি করতে গেলে তারা বলে জমির সমস্যা আছে।। নামজারি হবে না।। দুইদিন কথা বলার পরে এসিল্যাড বলে হবে তবে টাকা লাগবে ৩০০০o হাজার পরে ২৫000 রাজি হয় এবং ২০ দিনে কাজ করে দাও।।আবাদপুকুর বাজার ভুমি অফিস এসিল্যাড — এখন কই আছে জানি না।।
আমার কাছে টাকা দাবি করে কিন্তু আমি না দিয়ে এখন পর্যন্ত কাজটি করতে পারিনি। শুধু এই টাকা পরিশোধ না করার জন্য।
আমি আমার খরিদকৃত জমির নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করি এবং সমস্ত ডোকুমেন্ট নিয়ে উপজেলা ভুমি অফিসে যাই উনারা রিজেক্ট করে দেয় এই বলে যে নামজারি হবেনা পরে উনি ছোট একটা কাগজে ২০০০০ টাকা দিলে নামজারি হবে বলে লিখে দেয় উনার নাম ছিল আব্দুল কাদের উনি ভুমি অফিসের একদম প্রথম টেবিলেই বসতো পরে আমি টাকা না দিয়ে ফাইল নিয়ে চলে যাই এসি ল্যান্ড অফিসে এসি ল্যান্ড সাহেব দায়িত্ব দিলেন কানুন গো কে উনি আমাকে কয়েকদিন ঘুরিয়ে না করে দিল এরপর আবার গেলাম তশহিলদার সাহেবের কাছে গিয়ে দেখি উনি আরো বড় মাপের ঘূষখোর উনি ওপেন ঘুষ নিচ্চেন ফাইলটা উনাকে দেখানোর পর উনি পাঠালেন সেই আব্দুল কাদেরে কাছে পরে আমি বাধ্য হয়ে ১৫০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে নামজারি করতে হইছে এই বছর আমার ওয়াইফ জমির খাজনা দিতে গেলে সেই আব্দুল কাদের রিসিট দিল ১১৫ টাকার কিন্তু টাকা নিল ৫০০ এই বিষয়ে আমি ইউএনও এবং এসিল্যান্ড কে আনফিসিয়ালি জানিয়েও কোন সুফল পাওয়া যায়নি
আমি ক্রয় সুত্রে জায়গার মালিক আমি নামজারীর জন্য আবেদন করি অনলাইনে, ত তারা বলে জায়গা দেখাতে পারবেন, আমি বললাম চলেন এখন, তারা বলল আজকে হবে না আমরা ফোন দিয়া আসব আমি বলি ওকে, তারা আসে এবং সব কিছু ঠিক পায় এখন তারা বলতেছে গাড়ি ভাড়া দেন ১০০০ তারপর বলতেছে ম্যডাম এর ভিজিট ২০০০ কি আর করা দিলাম
উপ সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারকে তার দাবিকৃত ১৫,০০,০০০ (পনেরো লক্ষ্য) টাকা দিতে ব্যার্থ হওয়ায় পৈতৃক জমি নিজ নামে বিডিএস রেকর্ড নেওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছি। এবং বিবাদী অফিসারের দাবিকৃত অর্থ প্রধানে সক্ষম হওয়াতে জমিটি বিবাদীর নামে রেকর্ড লিপিবদ্ধ করা হয়। ঠিকানা : উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস, আলমনগর, হেমায়েতপুর, সাভার, ঢাকা
আমি ৪ টি নামজারীর জন্য যাই এবং প্রতিটির জন্য ৬০০০/- টাকা করে মোট ২৪০০০/- টাকা প্রদান করার পর নামজারী মন্জুর হয়। উল্লেখ্য যে ইতিপুর্বে অন লাইনে আবেদন করলেও যোগাযোগ না করার কারণে বিভিন্ন অজুহাতে তিনবার আবেদন নামন্জুর করা হয়েছিল। সেজন্য বাধ্য হয়ে প্রতিটি ৬০০০/- টাকা করে মোট ২৪০০০/- প্রদান করলে এক সপ্তাহের মধ্যেই আবেদন মন্জুর হয়, যেখানে প্রতিটির জন্য ১১৭০/- টাকা ধার্য্য আছে।
i wanted to online registetion namzary my land all was my own priveus honer also nothing any problem but kapasia land office one demand one lak fifty thousend i have to pay no any others oftion
আমি সকল কাগজ পত্র জমা দিয়া আমার পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমি খারিজ করার আবেদন করি এবং আমার সকল কাগজ পত্র সঠিক থাকার পর ও ৩ বার আমার আবেদন প্রত্যাখ্যান হয় I তারপর আমি নিরুপায় হইয়া গুষ দেয় যার ভাগ সম্মানিত এসি ল্যান্ড (আমার এলাকাতে আমার দেখা সবচেয়ে বড় গুষখুর পদ) ও পাই এবং এই গুষ খাওয়া এসিল্যান্ড এন্ড subregistrar এরজন্য কেমন জানি বৈধ এখন বাংলাদেশ এ ।
বগুড়ার শাহজাহানপুর ভূমি অফিসের তফসিলদার ভূমি উন্নয়ন কর বাকি থাকার কারণে সরকারি কর মওকুফ করার জন্য এই টাকাটা নিয়েছিলেন। এবং তিনি কম-বেশি প্রতিটি কাজে ৫,০০০৳ থেকে শুরু করে তার ইচ্ছা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ঘুষ নিয়ে থাকেন।
আমি নামজারির জন্য আবেদন করেছিলাম, কিন্তু অনেক মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও তা পাইনি। এরপর ভূমি অফিসের এক কর্মীর সাথে আমার দেখা হলে তিনি আমার কাছে ১,৫০,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি তাঁকে সেই টাকা পরিশোধ করি এবং প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যেই তারা আমাকে নামজারি সম্পন্ন করে দেয়; এক্ষেত্রে আমার বা আগের পক্ষের কাগজপত্রের কোনো সমস্যা ছিল না।
আমার বাড়ি কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলায় ময়নামতি ইউনিয়ন এ। আমার কাজ ছিলও ময়নামতি ভুমি অফিস যেটা আছে সাহেবের বাজার রানীর বাংলা রোড ও। আমার পারিবারিক কাজ এর জন্য সব দলিল এসব ঝামেলার জন্য সাহায্য চাই কিন্তু তারা আমাকে প্রত্যাখান করে। পরে ওখানের কেরানি — আমাকে আলাদা ডাক দিয়ে টাকা চায় বিশ হাজার। সে বলল এখানে এইভাবে টাকা নি দিলে কোনা কাজ হয়না। এলাকায় পরে কথা বলে জানলাম — এসব দালালি করে অনেক টাকা লুট করছে
বাধ্য হয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও এসিল্যান্ড অফিস এ অতিরিক্ত টাকা দিছি না কাজ হয় না , সময় নষ্ট করে হযরানি করে ।