নামজারি
নামজারি, Taka150000/১৫০০০০ (কথায়- এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) না দিলে কাজ হবেনা।
18,886 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারি, Taka150000/১৫০০০০ (কথায়- এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) না দিলে কাজ হবেনা।
Ami vumi office giye nam jari korte dei. Amar shathe jini goyesilen. Tini shobshomoy ghush diyei kaj koran. Karon tar purbo oviggota royese. Keu jodi ghush dite na chay tahole sharadin dorojar shamne boshoye rakhen. Onek shomoyto boshteo den na. Bolen je aj bz asi. Sir baire asen aj kaj hobena onnodin ashen aro koto ki? To ami jar shathe giyesi take dekheto dhorei niyeseje amio ghush sibo . Tai kono taka poysha sarai kaj kore diyese. Bole je kaj shesh holei tk diyen. To kaj sheshe jokhon ami takar bishoye jante cheyesi, tokhon bole 10000 tk dite hobe. Tokhon ami bollam je eto taka keno? Nam jari korte matro 1100 tk lage eto keno dibo. ? Tokhon she bole je onek kaj silo , apnar shob kaj korar
প্রায় ৫ জাবত আমি আমার জমির নামজারি/খারিজ করার জন্য সিঙ্গাইর, জয়মণ্ডপ ভূমি অফিসে যাই। সেখানে নায়েব আমার জমির নামজারি/খারিজের কাজ করে দেওয়ার জন্য আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি এত টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এবং টাকা দিতে না পারায় আমার জমির নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করতে পারিনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমার নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি। আমি একজন মহিলা মানুষ আমার কেও নাই 🙏
আমার জমি শতভাগ দলিলাদী সঠিক থাকর পরেও,পাবনা জেলা,সদর উপজেলা,হেমায়েতপুর ইউনিয়ন এর ভূমি অফিসে — নামের এক ব্যাক্তি, আমার জমি নামজারি করে দেওয়ার জন্য 10000 টাকা দাবি করে, এর সাথে — নামের ছেলে টাও দাবি করে। কিন্তু ওই খানকার — খুব ভালো।
খারিজ এবং খতিয়ান বা নামজারি
নতুন জমি কিনে নিজের নামে খারিজ করার জন্য অপেনলি ঘুশ লেন দেন হয়।
নামজারি আবেদন করা আমি নির্ধারিত ফি জমা দিয়েছে কিন্তু তারা আমার আবেদন মঞ্জুর করে নাই
জমির মিউটেশনের জন্য আবেদন করলে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস থেকে কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য ইউনিয়ন ভুমি অফিসে প্রেরণ করেন। আর সেখানেই ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা ঘুষ দাবি করেন।
আমি আশুলিয়া সাব রেজিস্ট্রার অফিসে একটা জমি বিক্রি করতে গেছিলাম । তো আমার জমিটা খালি ছিল । সামনে অল্প একটু দোকানের মতো ছিল যেখানে দু তিনটা রিক্সা রাখত । ওই জায়গা বিক্রি করার সময় সাব রেজিস্ট্রার গুগলে চার্জ দিয়ে দেখে যে ওইখানে স্থাপনা আছে অল্প একটু স্থাপনা । উনি এটার জন্য তিরিশ হাজার টাকা ডিমান্ড করে এবং তিরিশ হাজার টাকা উনাকে দিয়ে আমার জমির রেজিস্ট্রি করতে হয়েছে ।
৮ শতাংশজমির মালিকের নাম অনলাইনে উঠানোর জন্য
ভূমি নামজারি করতে টাকা দাবি করে কিন্তু আমি দিতে অস্বীকার করলে নামজারি স্থগিত করে দিয়েছে
জমি খারিজ করতে গেলে বা সেখানে অনলাইন কোনো সেবা নিতে গেলে বখশিস দেওয়া লাগে। আর খারিজ করতে গেলে অনেক ঝামেলা আর অনেক টাকা লাগে
সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে রেকর্ড সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম সেখানে এই অর্থ দাবি করা হয়েছে আমি এখনো দেইনি
বহু বছর জমির খাজনা দেওয়া হয় নি।দেওয়ার জন্য গেলে জরিমানা সহ প্রায় ২৬০০০ হাজার টাকা দাবি করে।পরে বলা হয় চা-নাস্তা বাবদ ২০০০ দিলে ১০০০০ টাকায় সব করে দিবে।তখন মোট ১২০০০ টাকা দেওয়া হয় কিন্তু পেমেন্ট স্লিপে দেওয়া ছিল প্রায় ১৬০০ টাকা।
নিজে নিজে নামজারী করেছি ৩ বার কিন্তু বিভিন্ন ছোট কারন দেখিয়ে বাতিল করেছে! পরে ষুষ দিয়ে নামজারী সম্পন্ন হয়েছে।
আমি বাহাদুরপুর মৌজায় ১৮ শতাংশ চাষের জমি ক্রয়ের জন্য ডুমুরিয়া সাবরেজিস্টার অফিসের একজন দলিল লেখকের স্মরনাপন্ন হই। তিনি আমাকে বলে সব খরচ বাদদিয়ে সাবরেজিস্টারকে ১০০০০ টাকা দিতে হবে।তানাহলে নানাবিধ সমস্যা হবে আর টাকা দিলে একবারে হয়ে যাবে। আমি হয়রানি এড়ানোর জন্য টাকা দিয়ে দেই।পরে দেখি আমার অনুপস্থিতিতেই জমি আমার নামে রেজিষ্ট্রি হয়ে গেছে
জমির খারিজ করতে গেলে সরকারি ফি এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা ৫০০০ টাকা দাবি করে ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এসিস্ট্যান্ট। তার বাড়ির পাশেই অফিস তাই ওর দূর্নীতি বেশি।
প্রায় ৫ বছর আগে আমি আমার জমির নামজারি/খারিজ করার জন্য সিঙ্গাইর, জয়মণ্ডপ ভূমি অফিসে যাই। সেখানে নামজারি/খারিজের কাজ করে দেওয়ার জন্য আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি এত টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এবং টাকা দিতে না পারায় আমার জমির নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করতে পারিনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমার নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি।
কোত্থেকে তদন্ত দিয়েছিল আমাদের বাবুগঞ্জে ভূমি অফিসে তদন্তে গিয়ে সবকিছু দেখে এসে বলেছিল 9000 টাকা দিলে সে রিপোর্ট পাঠাবে কোটে তারপরও আমাদের দুই মাস ঘুরিয়ে রিপোর্ট পাঠিয়েছিল কোর্টে আমি কমপক্ষে তাকে বেশি বার ফোন দিয়েছিলাম ওখানে আর একটা জমিতে ৯৯৯ তে কল দিয়ে পুলিশ এনেছিল কাপড় ছিল মুলাদী পুলিশ এসে দেখে যাওয়ার সময় বলেছিল আমাকে টাকা দেন তারপর ১০০০ টাকা দিয়েছিল সে বলেছিল যে আপনারা টাকা খরচ করেন না আবার ৯৯৯ তে কল দেন তারপর সে 5000 টাকা দাবি করে তারপর তাকে তিন হাজার টাকা দিয়েছিল
জৈনসার ভূমি অফিস,ঈসাপুর,মুনসিগন্জে, নামজারি করতে গেলে উল্লিখিত তহশিল অফিসের এক পিয়ন এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা চেয়েছে। এই কথা শোনার পর তহশিলদারের সাথে দেখা করলে উনি বলেন, তার পিয়নের সাথে যোগাযোগ করতে এবং সেই ভাবে কাজ করতে। টাকার এমাউন্ট তহশিলদারকে বললে, উনি বলেন উপজেলা ভূমি অফিসে টাকা দিতে হয়।না দিলে তারা কাজ করেনা। সামান্য একটি কাজের জন্য এত টাকা ঘুস দেওয়াটাকে প্রয়োজন মনে করেনি।পরবর্তীতে যে কাগজপত্র অফিসে খারিজের জন্য জমা দিয়েছিলাম তা ফেরত নেই এবং কোনো টাকা না দিয়ে চলে আসি। সেই নামজারি আজো করতে পারিনি।