জমি রেকর্ড
পলাশ হাউসিং, জিরানী, গাজিপুর এ সকল জমি নতুন করে রেকর্ড করা হচ্ছে। প্রত্যেক জমির মালিকের কাছ থেকে ২-৫ লাখ টাকা চাওয়া হচ্ছে।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পলাশ হাউসিং, জিরানী, গাজিপুর এ সকল জমি নতুন করে রেকর্ড করা হচ্ছে। প্রত্যেক জমির মালিকের কাছ থেকে ২-৫ লাখ টাকা চাওয়া হচ্ছে।
আমি নড়াইল জেলার সদর উপজেলার গোবরা ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম দুইটা নামজারীর আবেদন জমা দিতে। নায়েব সাহেব কাগজ গুলো রেখে দিয়ে বলল “আমাদের কিছু খরচা-পানি দিয়ে যান কাজ হয়ে যাবে” আমি কিছু না বলে ৫০০ টাকা দিয়ে চলে এলাম।
আজ সাতকানিয়া ভুমি অফিসে খাজনার অনুমোদনের জন্য গিয়েছিলাম , সরকারি নিয়ম অনুযায়ী টাকা নেওয়ার কোন নিয়ম নেই, কিন্তু দায়ীত্বরত কর্মকর্তা উক্ত কাজের জন্য 500 টাকা ঘুষ চেয়েছে, আমার কাজটা জরুরী তাই ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি, নচেৎ আমার কাজটা সম্পাদন করে দিচ্ছে না, মহোদয়ের সদয় দৃষ্টি আর্কষণ করছি।
এসএ দাগ হতে বিআরএস দাগে রূপান্তরের সূচিপত্রে ভুল থাকায় তা সংশোধনের জন্য মে'২৬ এ আবেদন করি। আবেদনটি নিষ্পত্তির জন্য কোন সুনির্দিষ্ট তারিখ না দিয়ে আজ নয় আগামী সপ্তাহে আসুন, এ সপ্তাহে নয় পরের সপ্তাহে আসুন বলে বলে গত পনের দিন আগে ১০০০০/০০ (দশ হাজার) টাকা ঘুষ দাবী করা হয়। যা ৮০০০/০০ (আট হাজার) একক ব্যক্তি ও ২০০০/০০ (দুই হাজার) টাকা অন্যান্যদের মাঝে আনুপাতিক হারে বন্টিত হয় বলে জানায়। টাকা না দিলে আবেদনটি নিষ্পত্তি করতে এক দেড় বছর সময় লাগবে বলে চলে যেতে বলে।
রেকর্ড সংশোধন করার জন্য
2022 সাল কাজ চলছে , প্রতি দিন ঘুরায়। যে কোন কাজ করতে গেলে যেমন পেশকার থেকে শুরু করে নাজির সহকারি, খারিজ সহকারি,পিয়ন যত লােক আছে আপনি যেদিন দেখা করবনে সেদিন 1000-1500 টাকা দিতে হবে । টাকা না দিলে কাজ পার হবে না। এরকম করে 25000-50000 টাকা শেষ । আর ভুমি অফিসের কর্মচারি রা ওপেনে ঘুষ নিচ্ছে কিন্তু দেখার কেউই নেই। আফসোস।
ময়মনসিংহ সদর এলাকায় অধিগ্রহণকৃত অঞ্চলের গ্রাহকেরা টাকা তুলতে গেলে ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা — এবং সকল সার্ভেয়ার রা তাদের বিভিন্ন গ্রুপের লোক দিয়ে ১০% টাকা চাওয়া হয়। যারা তাদের শর্তে রাজি হয় কেবল তারাই কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়া তাদের ন্যায্য টাকা তুলতে পারে। যারা রাজি না হয় তাদের টাকা বছরের পর বছর গেলেও সেই টাকার মুখ দেখতে পারে না। এই সমস্যার আশু সমাধান খুব দ্রুত চাই।
আমার নামে ৩০ ধারা মামলা হয় মাঠ জরিপ বহাল রাখতে টাকাটা চাওয়া হয়।পেশকার শাখা
গাজীপুর জেলা, বোর্ড বাজার মৌজায়, ভূমি জরিপ চলমান। আমাদের সম্পত্তি পৈত্রিক সম্পত্তি। যাহা আমার বাবা ক্রয় করিয়াছিল। যার কাছ থেকে ক্রয় করিয়াছিল। তাহারা বন্টনামা দলিল না করার কারণে, আমাদের কাছ থেকে এই টাকা দাবি করিতেছে। যাদের কাছ থেকে জমি ক্রয় করা হয়েছিল তাহাদের অলি ওয়ারিশগণ কখনো দাবি করে নাই। এখন জরিপকারী দল এই কারণে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা দাবি করিয়া আসিতেছে।
মায়ের নামের বানানে ভুল থাকায় ২০০০০ দাবি করে আলিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব।
নামজারির আবেদন, এর আগে ২ বার করেছিলাম। সর্বশেষ দাতার খতিয়ান ও েএনআইডিতে নামের বানান এর সামান্য যেমন — ও — এর জন্য নামঞ্জুর করা হয়েছে। কিন্তু এর জন্য ৫০০০ টাকা দিলে তা সম্পন্ন করা হতো।
ভুমি নামজারি করতে গেলে ভূমি তহশিলদার ৬০,০০০ টাকা চায়, না দিলে হবে না, পরে টাকা দিয়ে দিলাম নামজারি হয়ে গেছে, অন্য একটা নামজারি টাকা দেই নি, তাই নামঞ্জুর হয়ে গেছে, এসিল্যান্ড রা ভূমি তহশিলদার দের পশ্রয় দেয়, এসিল্যত তদারকি করলে দূর্নীতি কমে যেত, এসিল্যান্ড এর কাছে বিচার দিলে দেখছি বলেই শেষ ব্যবস্থা নেয় না।
বলসে কিছু টাকা দিলে ওরা করে দিবে অথবা ওঁদের স্যার আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে, এবং স্যার কখন আসবে ঠিক নাই। পরে টাকা দিয়ে বাসায় চলে আসলাম। কাজ অবশ্য পরে ঠিকই করে দিসে।
জমি হেবা করতে হবে। সব কাগজ পত্র ঠিক আছে, তবুও দুর্ত করতে টাকা চেয়ে বসেছে, টাকা না দিলে কাজ কবে হবে সেটা বলতে পারে না।
রেজিস্ট্রার এর পাতা ছিড়ে ফেলে
আমাদের এলাকায় ভূমি জরিপ করতে এসেছিলেন ভূমি অফিসের কিছু লোক অস্থায়ীভাবে একটা অফিস খুলেন । আমার বাড়ির কাগজপত্র সব ঠিক থাকা সত্ত্বেও আমরা কাগজ জমা দেয়ার পরও আমাদের জরিপ আটকে দেয় এই বলে আপনাদের কিছু কাগজ মিসিং আছে কিন্তু সম্পূর্ণ কাগজ আমরা জমা দিয়েছিলাম তাদের কাছে। অনেকদিন ঘোরানোর পরে ৪০০০০ হাজার টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে তারা ১০ হাজার টাকায় রাজি হয়। আমরা চেয়েছিলাম যেন কোন টাকা ঘুষ না দিয়ে কাজটা যাতে আমাদের সম্পন্ন হয় তারা কাগজ দিতে রাজি হয়নি। অনেকদিন ঘোরানোর পর আমরা বাধ্য হয়ে ১০ হাজার টাকা দেই।এরকম করে ওই এলাকার সকল লোকের থেকে তারা ঘুষ নিচ্ছে এবং কাগজ দিচ্ছে।কারো থেকে দশ হাজার কারো থেকে বিশ হাজার কারো থেকে ৪০ হাজার পর্যন্ত টাকা নিয়েছে তারা।
NAMJARI KORAR JONNO TK
Application denied or delay
Actual government fee 1120 but pocket money 10000....Without pocket money application delay/ reject for simple documents
আমার বাবা জমি খারিজ জন্য ১০০০০ টাকা ঘুস নিয়ে কাজ করে ভূমি অফিসের নায়েব। যে কোন কাজ জন্য কেউ গেলে সে ঘুস ছাড়া কোন কাজ করে না।