পিতার সম্পত্তি পুত্রকে দান
আমার বাবার জমি আমাকে বাবা দান করবেন, বাবা স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারেন না, কথা বলার সময় আওয়াজ কম হয়, তাই ৫০০০০ টাকা চাইছেন,
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার বাবার জমি আমাকে বাবা দান করবেন, বাবা স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারেন না, কথা বলার সময় আওয়াজ কম হয়, তাই ৫০০০০ টাকা চাইছেন,
সার্ভেয়ার — এর বিরুদ্ধে। যত ফাইল ভূমি অধিগ্রহণ এর সব কাজ তার কাছে। আমার প্রশ্ন আর সার্ভেয়ার কি নাই। সে শুধু গুড়ায়। আজ না কাল করে। ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা — তিনিও —কে কিছুই বলেন না। আমার কাজটি ২০২৩ সাল ধরে ময়মনসিংহ ভূমি অফিসে এদিক সেদিক গুড়ছে।
জমি খারিজের জন্য সরাসরি আবেদন করা যাই না,দালাল ছাড়া।ভুমি অফিসে ৬/৭ জন করে দালাল থাকে।দালাল ছাড়া কোন কাজ হয় না।১১৫০ টাকা সরকারি বিল ৬০০০ টাকা দিয়ে করিয়েছি জমির খতিয়ান করেছিম
নামজারি করতে ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা ৫০০০/- দাবি করেন। পরে নামজারি চুড়ান্ত হওয়ার এই টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে।
আমার দলিলে ডাক নাম এবং nid তে অন্য নামের জন্য, যখন দলিল করি তখন আমার কোনো nid ছিলো না, আমি প্রবাস থেকে জায়গা টা কিনে ছিলাম, আমি পত্যয়ন পত্র দেওয়ার পরেও আমার কাছথেকে ঘুষ নিয়েছে
মিসমামলার আদেশ দিচ্ছে না, টাকার জন্য
নতুন জমি কেনা এবং পরবর্তী নামজারি -দালাল এর মাধ্যম ছাড়া ভুমি অফিসে গ্রহন করে না , তাদের নির্ধারিত রেট অনুযায়ী টাকা দিয়ে সকল কাজ করাতে হয় নয়ত সকল কাগজ পত্র সঠিক থাকলেও হয়রানি করতেই থাকে একের পরে এক ।
ভূমি উন্নয়ন করার জন্য ৩২ হাজার ৪৭০ টাকা দাবি করেছিল। অনলাইনেও ওই দাবি তুলে দিয়েছিল। পরে সশরীলে ভূমি অফিসে গিয়ে ১৩৫০০ টাকায় এবারের মত রফা দফা করে এসেছি।
জমির শ্রেণী পরিবর্তন বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য উপজেলা ভূমি অফিস হতে নথি তহশিল অফিসে গেলে সেখান হতে তহশিলদার সরজমিনে গিয়ে দেখে শুনে এরপর ঘুষ দাবী করে।
আমার বাবা ১৯৮৩ সালে জমি ক্রয় করেছেন, রেকডিয় মালিকের কাছ থেকে,এবং বায়া দলিলও আছে, এই জমি আমরা ৪৩ বছর যাবত ফসল করে আসছি, অর্থাৎ আমাদের দখলেই জমি, বাবা কৃষক মানুষ হওয়া তিন আর খারিচ করে নাই। ফলে ২০২১ সালে এই জমি আবার আগে মালিকের মেয়ে খারিচ করে নিয়ে চলে গেছে। পার্বতী আমরা খুজ পেয়ে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে যাই, ওখান থেকে এসিলেন্ড অফিসে একটা মিস কেইস করতে বলে। তাই করি, কিন্তু, এই মামলা এ্যাসিলেন্ড বাতিল করে দেই, কোনো তদন্ত ছাড়াই। পরবর্তী ভূমি অফিসের নায়েব আমাদের কে বলে ৮০ হাজার টাকা দিলে সে এবং এ্যাসিলেন্ড মিয়ে এইটা করে দিবে, আমার বাবা এত টাকা দিতে অপারকথা শিকার করে তারপর ৬০ হাজার টাকা দিলে করে দিবে। এর নিচে হলে পারবেনা। এবং এই জমিও আমরা পাবনা বলে ভয় দেখাই।
আমার দাদা একটি জমি কিনে প্রায় ৩০ বছর আগে, পাশের জমিটি আরেকজন কিনে। পরে দেখা যায় জমিটির উভয় পক্ষের দখল ও চৌহদ্দী ঠিক থাকলেও দলিলে দাগ নম্বর ভুল। পাশের জমির মালিক দাগ নম্বর ঠিক না করে জাল দলিল বানিয়ে আমাদের জমিটি খারিজ করে। সহকারী কমিশনার এর নিকট সকল দাতা এবং জাল দলিলের সকল প্রমান করার পরেও তিনি ঐ খারিজটি বাতিল করে নাই বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি তিনি ঐ পক্ষের থেকে টাকা নিয়েছে এবং পরবর্তীতে অন্য মাধ্যমে আমার নিকট খারিজ বাতিলের জন্য টাকা দাবী করা হয়েছে আমি তা প্রত্যাখান করেছি এবং প্রয়োজনে মামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
নামজারি আবেদনের বিষয়গুলো তারা এন্ট্রি দিয়ে আবেদন করে দিয়েছে। বলেছে, তহশিল অফিস টাকা নিবে কিন্তু আমি জানি নলছিটির তহশিল অফিসের মধ্যে ভালো কে আর কে খারাপ। এখানে যারা ভালো তাদের প্রতি দোয়া রইল আর যারা তাদের দায়িত্ব পালন করার জন্য ঘুষ নিল, আল্লাহ তাদের বিচার করবেন।
আমাদের জমির খাজনা বেশ কিছু বছরের বাকি পরেছিল। জমির খাজনা পরিশোধ করতে গেলে তারা নানান অজুহাত দেয়, যেমন বিভিন্ন কাগজ লাগবে, জমির পরিমাণ কম বেশি আছে, অনেক বছরের খাজনা বাকি আছে ইত্যাদি। অবশেষে তারা বলে ৩০,০০০ হাজার টাকা দিলে খাজনা পরিশোধ করা যাবে। অথচ খাজনা বাকি পরেছিল ১১,০২০ টাকা। ২ মাস বিভিন্ন ভূমি অফিসে ঘুরে কাগজপত্র যোগাড় করে আবার ভূমি অফিসে যাই, সেই সময়ও তারা খাজনা নিতে অসিকৃতি জানায়। অবশেষে ৩০,০০০ টাকা পরিশোধ করে খাজনার কাগজ পাওয়া যায়।
নামজারি আবেদন করার জন্য নাটোর জেলার, নলডাঙ্গা উপেলার ৫ নং বিপ্লবেরঘড়িয়া ইউনিয়নের ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা নামজারী আবেদনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র যাচাই করেছে এবং তা দেখেছে যে সকল কাগজপত্র সঠিক রয়েছে তারপরেও তিনি এই বলে ঘুষ চেয়েছে যে নায়েব: "ভাতিজা কিছু খরচ দাও"। ভুক্তভোগী: কত দিব? নায়েব: দাও তুমি স্টুডেন্ট মানুষ, দাও কিছু। ভুক্তভোগী ৫০০ টাকার নোট বাড়িয়ে দিলে পুনরায় তিনি আবার বলেন তারও ২০০ দাও। ঘুষ দেওয়া অপরাধ জেনেও ভুক্তভোগী এজন্যই দিয়েছে কারণ প্রশাসনিক কোন জটিলতায় না পড়ে যেন কাজটির সহজ ভাবে সমাধান হয় এজন্য ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছে।
সাধারণত জমি নামজারি করার সরকারী ফি ১১৫০ টাকা। কিন্তু তহশিলদার বা উপ সহকারী ভূমি কর্মকর্তা, কানুনগো সহ ভূঞাপুর উপজেলা ভূমি অফিসের লোকজন ৭০০০ টাকা অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন। ভোগান্তি এড়াতে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে নামজারি করাতে হয়। এই দপ্তরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ।
ভূমি নামজারি এমন একটি হয়রানি এবং বাংলাদেশে সবথেকে বেশি ঘোষের কারকানা। আমাদের কিছু পিতৃক জমি আমার ভাই সহ আমাদের কাকাদের নিয়ে নামজারির আবেদন করলে উনারা লোক দেখিয়ে দেয় অই কম্পিউটারের দোখানে যান কিছু পেপারস লাগবে সেইগুলা উনারে বুজিয়ে দিবে। এভাবে সেভাবে ঘুড়িয়ে একবার আমাদের ১-২ ঘুড়িয়ে কম্পিউটারের দোখান্দারদের দিয়ে আমাদের ঘোষ চাওয়া হয় ৮০হাজার টাকা অনেক দরদাম করে ৫৮হাজার দিয়ে আমাদের কাজটি করানো হয়, এছাড়া আমাদের আর কোন ওয়েছিলনা। আর সরকারি সকল দপ্তরের দালাল ঘুলাই হল অফিসের আসে পাসের দোখান গুলা। আমার দেখা মতে দেশে ভূমিখাত হল ঘুষের সোনার ডিম পাড়া রাজ হাস। ওমান প্রবাসী।
চলমান ঝিলংজা মৌজা কক্সবাজারে ভুমি জরিপ সত্যায়ন স্থরে রেভিনিও অফিসার ভুমি জরিপে কাগজে সমস্যা আছে বলে ৩০০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। টাকা দিলে জরিপ করিয়ে দিবে না দিলে করবে না। অন্যজনের নামে খতিয়ান করে দিবে।
আমি আমার মা" এর নামে রেজিস্ট্রার করা একটি জমির খতিয়ান করতে গিয়েছি। ইউনিয়ন ভূমি অফিস আমার কাছে সে কাজের জন্য ৮,০০০ টাকা চেয়েছে। যদিও সরকারি বিল মাত্র ১১৫০ টাকার মতো।তা আমি প্রত্যাখান করি। ঘটনাটি ২০২২ সালের। ২০২৪ এর জুলাই-আগস্ট এর গণঅভ্যুত্থান এর পরে আমি আবার সে জমি খতিয়ান করতে যাই।তখন আমাকে বলা হয় আমি নিজে করবো, নাকি তাদের হাতে করাবো।আমি নিজে করার সিদ্ধান্ত নেই।আমি সকল কাজ যথা সময়ে শেষ করার পর উপজেলা ভূমি অফিস শেষে আমার সাথে গড়িমসি করে তারা আমাকে সকাল থেকে বিকেল এক রুম থেকে অন্য রুমে এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে দৌড়িয়েছে। বিকেল প্রায় ৩ টায় একজন আমাকে ডেকে সকল তথ্য শুনে বলেছে আপনার কাজ কয়েকদিন আগে শেষ হয়েছে।
আমার ব্যক্তিগত ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশনের পরে নাম জারি করার জন্য স্থানীয় ভূমি অফিসের কর্ম কর্তা অলিখিত একটা কারণ দেখিয়ে টাকা ছাড়া নাম জারি হবে না বলে বাধ্য করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম রাউজান পাহাড়তলী উনসত্তর পাড়া ভূমি অফিসে আমি একটা খতিয়ান তুল তে যাই তখন সে খতিয়ান টা তাদের রেকর্ডে চিলো না তখন সে আমাকে বলে তামিল করতে হবে তামিল করতে গেলে ১৫০০৳ লাগবে আমি বলি খতিয়ান আমার থেকে আছে আপনি নেন তামিল করে দেন ওনি বললো হবে না ১৫০০৳ দিতে তবে উপজেলা থেকে খতিয়ান এনে তামিল করতে হবে