17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
without money they will give false reports and delaying and to avoid harassments
ভূমি উন্নয়ন কর দেবো, তাই আগে প্রতিনিধি পেমেন্ট অপশন থেকে ৩ বছরের বকেয়া ৬০ টাকা দেখি। যখন খতিয়ান যুক্ত করার জন্য আবেদন করি তখন সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা ১৯ বছরের বকেয়া দিয়ে ১৫০০ টাকা করে অনুমোদন দেয়।
ভূমি অফিসে নামজারি করতে গিয়ে ৪০০০ টাকা দাবি করেছে,এবং তা বিকাশের মাধ্যমে।
Kanungo , টাকা ছাড়া হয়রানি kore , এটা নাই ota লাগবে, নেগেটিভ report dia kaj atke রাখে
জমির প্রিন্ট পরচা তুলতে গিয়েছিলাম । বলে বিতরণের ডেট শেষ । এখন তুলতে গেলে 500 টাকা লাগবে। অথচ সরকারি ফি 140 টাকা । পরে অনেক জোরাজুরি করে 400 টাকায় মিটমাট করছি ।
খাজনা ফি ৬১৭টাকা হয়েছিলো, দাবি করেছিলো ৮০০০,আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছিলাম!
নামজারির আবেদন করেছিলাম। ওয়ারিশান সম্পত্তি কোন ধরনের ডকুমেন্টারি লেপ্সেস ছিল না। এর পরেও ইউনিয়ন ভূমি অফিশে ৪০০০, উপজেলা ভূমি অফিশে ৪০০০ মোট আট হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যেথানে সরকারি ফি মাত্র ১১৫০
নতুন জমি কিনেছিলাম । কিনার পর নামজারি করতে গেলে বলে ১৫০০০ টাকা লাগবে । আমি জানি যে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা ।ভেবেছিলাম হয়তো কত আর লাগবে ৩-৪ হাজার টাকা হয়তো । শেষ মেশ ১৩ হাজার টাকায় করাইতে হইছে । কি একটা জুলুম চিন্তা করেন । অনলাইন করে , এখন হয়রানি আরো বেশি
ভূমি অফিসে যাওয়ায় আগে দলিল লিখা সহ রেস্টেরি করার জন্য মহুরি বা দায়িত্বে যে থাকেন সেই লোক অতিরিক্ত চার্জ কাটে এবং কি ১১৭০ টাকা খাজনা দিলেও তার বাঁজনা আদায় করে ৬০০০ টাকা, বিঘা প্রতি, এভাবে চলছে কুষ্টিয়া জেলা দৌলতপুর থানা, অতিরিক্ত টাকা ছাড়া কেউ কাজ করে দিবে না পুরো টাই সিন্ডিকেট এর হাতে একে অপরের সাথে মিলে কাজ করে সবাই গ্রুপ তৈরি করেছে।
আমার একটা জমির নামজারির জন্য আমি গিয়েছিলাম হচ্ছে আমাদের এলাকার একজন দলিল লেখক এর কাছে তিনি আমাদের সবার মানে আমাদের এলাকার সব জমির যাবতীয় কাজ সেই দেখে আমি এটা দিয়েছি ডিসেম্বর ৩ ২০২৫ তারিখে আমি তার কাছে কাজটা করতে দেই প্রায় এক বছর হয়ে গেল আমার কাজটা করে দিতেছেনা আর বলতেছেন যে ২৫ হাজার টাকা লাগবে না হইলে ঝামেলা হবে তখন আমি কোন কিছু বুঝতে না পেরে টাকা পরিশোধ করে দেই
ভূমি অফিসে গিয়ে প্রথমে দলিল তোলার চেষ্টা করেছিলাম। কোন ব্যক্তি সাহায্য বা সঠিক তথ্য দেয়নি। এরপর নামজারি করার প্রক্রিয়া জানতে গিয়ে বুঝলাম, এখানে টাকা ছাড়া কেউ কথা বলে না। পরে, এক অফিস সহকারীকে ঘুষ দিয়ে কাজ করিয়েছি। পরে জানতে পারি, সে কোন প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ছাড়াই এই কাজ করেছে, যেখানে সাধারণ মানুষ একই কাজ করতে গেলে ও ডকুমেন্টগুলো ছাড়াও আরো অনেক কিছু দিতে বলে। যেটা কেবলই হয়রানি করার জন্যে।
আমি নামজারি করার জন্য আবেদন করি ১ মাস পার হয়ে গেলেও তারা আমার নামজারির আবেদন পরিক্ষা করেন নাই। ১ মাস ১৫ দিন পর ভূমি অফিসে গিয়ে তাদের কে বিস্তারিত বলি তারপর তারা সিস্টেম এ আমার কাছে চা খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা দাবি করে। সেটি পরিশোধ করলে কয়েক সপ্তাহ আমার কাজ সর্ম্পুন করে।
জরুরী ভিত্তিতে একটি ১৫ শতাংশ জমির নামজারি করার প্রয়োজন হয়। এমতাবস্থায় ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ মোটা অংকের টাকা দাবি করে অন্যথায় নামজারি করার জন্য লম্বা সময় ধরিয়ে দেয়। জরুরী অবস্থার বিবেচনায় সর্বমোট ২৭,০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে।
খতিয়ান ১ এর সম্পত্তি। আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছে। নামজারী আবেদন জমা দিয়েছি। কিন্তু নামজারী দিচ্ছে না।
জমি রেস্টেরি করতে ৫৬ হাজার দাবি করেছেন, কিন্তু সেই একই পাসের জমি রেস্টেরি হয়েছে ২০থেকে২৫ দিনের হলো ২০ হাজার টাকায়, কেননা তার থেকে ৪ হাজারের বেশি চা পানি খরচ নিতে পারে নাই, এবং সাধারণ লোকজনের থেকে ফ্রী বাবদ ৪০ হাজার টাকা লাভ রাখেন বিঘা প্রতি, এভাবেই চলছে ভূমি অফিস, আরেকটা কথা শুনলাম বললো।১০ হাজার টাকা এমপি কে ঘুষ না দিলে নাকি হবেই না, সব জায়গায় দেখলাম এটা সিন্ডিকেট ভাবে জমি দলিল + রেজিস্টার করছে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে, হয়তো গুছিয়ে লিখতে পারলাম না একশন নিলে অবশ্যই জানাবেন সেই সময়।সামনে এসে কাজ করাব এবং আগ পিছ কি পরিস্থিতি হশ জানাব জিমেইল 1xshort.com@gmailcom
একটি খতিয়ান করে দিয়েছে।
সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল গোলচত্তর এ Elevated Expressway তৈরি করতে Building Acquire করার সময় LA এর লোকজন ঘুষ নিয়ে compensation বাড়াচ্ছিল।আবার,ভুয়া মামলায় আটকে যাওয়ায় compensation টা পাইতে আরে ঘুষ দেওয়া লাগছিল।
সেবা নিতে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।
এই টাকা ছাড়া লায়সেন্স দিবেনা।
ঢাকা ডেমরা তে জমি ক্রয় করেছিলাম কিছু মাস আগে। সেই জমি কিছু দিন আগে নামজারি এর জন্য ভুমি অফিসে গেলে ২৫০০০টাকা দাবি করে। পরে ২২০০০টাকা দিয়ে নামজারি করতে দেই। অথচ নামজারি করার সরকারি ফি ১১০০টাকা +