খাজনা
খাজনা ফি ৬১৭টাকা হয়েছিলো, দাবি করেছিলো ৮০০০,আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছিলাম!
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
খাজনা ফি ৬১৭টাকা হয়েছিলো, দাবি করেছিলো ৮০০০,আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছিলাম!
নামজারি করতে ভূমি অফিস কর্মকতা গ্রাহককে নানা ভূল এটা ওটা ভয় দেখিয়ে অফিসের বাহিরে আড়ালে নিয়ে টাকা নেয়।সাধারন মানুষ ভয় পেয়ে ও দরকারি তাই টাকা দেশ বাধ্য হয়ে।
ভূমি অফিসে গিয়ে প্রথমে দলিল তোলার চেষ্টা করেছিলাম। কোন ব্যক্তি সাহায্য বা সঠিক তথ্য দেয়নি। এরপর নামজারি করার প্রক্রিয়া জানতে গিয়ে বুঝলাম, এখানে টাকা ছাড়া কেউ কথা বলে না। পরে, এক অফিস সহকারীকে ঘুষ দিয়ে কাজ করিয়েছি। পরে জানতে পারি, সে কোন প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ছাড়াই এই কাজ করেছে, যেখানে সাধারণ মানুষ একই কাজ করতে গেলে ও ডকুমেন্টগুলো ছাড়াও আরো অনেক কিছু দিতে বলে। যেটা কেবলই হয়রানি করার জন্যে।
১১৭০ টাকার নামজারী করতে ১৬০০০ টাকা নিলো। আমরা দুইজন করেছিলাম, একজন টাকা ঘুষ দিছে, একজন দেয়নি। সাতদিনেই ঘুষের টাকা দেয়াজনের নামজারী ও খাজনা কমপ্লিট। বাকি জনকে নামঞ্জুর করে দিছে। একই বিল্ডিং, একই জমি, একই কাগজ!!!
নামজারির আবেদন করেছিলাম। ওয়ারিশান সম্পত্তি কোন ধরনের ডকুমেন্টারি লেপ্সেস ছিল না। এর পরেও ইউনিয়ন ভূমি অফিশে ৪০০০, উপজেলা ভূমি অফিশে ৪০০০ মোট আট হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যেথানে সরকারি ফি মাত্র ১১৫০
নতুন জমি কিনেছিলাম । কিনার পর নামজারি করতে গেলে বলে ১৫০০০ টাকা লাগবে । আমি জানি যে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা ।ভেবেছিলাম হয়তো কত আর লাগবে ৩-৪ হাজার টাকা হয়তো । শেষ মেশ ১৩ হাজার টাকায় করাইতে হইছে । কি একটা জুলুম চিন্তা করেন । অনলাইন করে , এখন হয়রানি আরো বেশি
ভূমি উন্নয়ন কর দেবো, তাই আগে প্রতিনিধি পেমেন্ট অপশন থেকে ৩ বছরের বকেয়া ৬০ টাকা দেখি। যখন খতিয়ান যুক্ত করার জন্য আবেদন করি তখন সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা ১৯ বছরের বকেয়া দিয়ে ১৫০০ টাকা করে অনুমোদন দেয়।
নামজারি করার জন্য ঘূশ নিয়েছে।
একটি খতিয়ান করে দিয়েছে।
কুমিল্লা জিলার, দাউদকান্দি উপজেলাধীন, রায়পুর ভূমি অফিসের অফিসার ৩ টি নামজারি করতে সরকারি খরচ ৩৭৫০ টাকা কিন্তু ফাইল আটকে রাখার কারণে অতিরিক্ত ১৪২৮০ টাকা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ৩ টির জন্য ১৮,০০০ টাকা নিয়েছে। যতটুকু জানলাম এইটা উপজেলা ভূমি অফিস সহ জরিত এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে সিন্ডিকেট সাধারণের ক্ষতি করে।
এই টাকা ছাড়া লায়সেন্স দিবেনা।
আমি নামজারি করার জন্য আবেদন করি ১ মাস পার হয়ে গেলেও তারা আমার নামজারির আবেদন পরিক্ষা করেন নাই। ১ মাস ১৫ দিন পর ভূমি অফিসে গিয়ে তাদের কে বিস্তারিত বলি তারপর তারা সিস্টেম এ আমার কাছে চা খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা দাবি করে। সেটি পরিশোধ করলে কয়েক সপ্তাহ আমার কাজ সর্ম্পুন করে।
সেবা নিতে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।
জমি রেস্টেরি করতে ৫৬ হাজার দাবি করেছেন, কিন্তু সেই একই পাসের জমি রেস্টেরি হয়েছে ২০থেকে২৫ দিনের হলো ২০ হাজার টাকায়, কেননা তার থেকে ৪ হাজারের বেশি চা পানি খরচ নিতে পারে নাই, এবং সাধারণ লোকজনের থেকে ফ্রী বাবদ ৪০ হাজার টাকা লাভ রাখেন বিঘা প্রতি, এভাবেই চলছে ভূমি অফিস, আরেকটা কথা শুনলাম বললো।১০ হাজার টাকা এমপি কে ঘুষ না দিলে নাকি হবেই না, সব জায়গায় দেখলাম এটা সিন্ডিকেট ভাবে জমি দলিল + রেজিস্টার করছে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে, হয়তো গুছিয়ে লিখতে পারলাম না একশন নিলে অবশ্যই জানাবেন সেই সময়।সামনে এসে কাজ করাব এবং আগ পিছ কি পরিস্থিতি হশ জানাব জিমেইল 1xshort.com@gmailcom
ঢাকা ডেমরা তে জমি ক্রয় করেছিলাম কিছু মাস আগে। সেই জমি কিছু দিন আগে নামজারি এর জন্য ভুমি অফিসে গেলে ২৫০০০টাকা দাবি করে। পরে ২২০০০টাকা দিয়ে নামজারি করতে দেই। অথচ নামজারি করার সরকারি ফি ১১০০টাকা +
ভূমি নামজারি করতে ১১০০ টাকা সরকারি চার্জ অথচ কালিকাপুর, মাদারীপুর সদর, মাদারীপুর ভূমি অফিস-এ থাকা সরকারি কর্মকর্তা আমার থেকে ৬০০০ টাকা নিয়েছে ১.২৫ শতাংশ জমির নাম জারি করতে.
খতিয়ান ১ এর সম্পত্তি। আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছে। নামজারী আবেদন জমা দিয়েছি। কিন্তু নামজারী দিচ্ছে না।
সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল গোলচত্তর এ Elevated Expressway তৈরি করতে Building Acquire করার সময় LA এর লোকজন ঘুষ নিয়ে compensation বাড়াচ্ছিল।আবার,ভুয়া মামলায় আটকে যাওয়ায় compensation টা পাইতে আরে ঘুষ দেওয়া লাগছিল।
বলা হয়েছিল এটা বেশ জটিল সমস্যা, যদিও তা নয় । তারপর নিম্নপদোস্থ কর্মকর্তা বাইরে গিয়ে জানান টাকার পরিমাণ বাড়ালে বিষয়টি তিনি বড় স্যারকে অনুরোধ করবেন ।
বগুড়া সদর ভূমি অধিদপ্তর এ আমার মিউটেশন এর জন্য আমার থেকে ৯০০০ টাকা দিয়ে রাজি হয়েছে আরও চাচ্ছে। এখন আমি ৯০০০ টাকা পরিশোধ করেছি আরও দাবি করছে। প্রশাসন নিশ্চুপ।