নামজারি
নামজারির আবেদন করেও কাজ হচ্ছিল না ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। পরে পরিচিত একজন কে সাথে নিয়ে গেলে তিনি জানান 5000 টাকা দিলেই 5 দিনেই কাজ হবে। টাকা দেওয়ার পরে 5 দিনেই তা হয়েছে।
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারির আবেদন করেও কাজ হচ্ছিল না ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। পরে পরিচিত একজন কে সাথে নিয়ে গেলে তিনি জানান 5000 টাকা দিলেই 5 দিনেই কাজ হবে। টাকা দেওয়ার পরে 5 দিনেই তা হয়েছে।
জমি খারিজের নাম দিয়ে দালাল রা আমার কাছ থেকে ২৪০০০ হাজার টাকা দাবি করে, পরে আমি ২০০০০ হাজার টাকা দিতে রাজি হয়, পর্যায়ক্রমে ১৭৫০০ টাকা দিয়েছি, তবুও জিজ্ঞেস করলে বলে এই কাগজ ঐ কাগজের সমস্যা, আবার নিয়া গিয়ে আবার আরেকটা সমস্যা দেখায়। দালাল ভূমি অফিস গুলোতে ভরে গেছে
অনলাইনে ভূমি কর দিতে পারছিলাম না, ভমি অফিসে যোগাযোগ করে জানতে পারি সেটা তারা অফ করে রেখেছে, আমার নাল জমি রাতারাতি বানিজ্যিক জমি হয়ে গেছে৷ আবার নালে আনতে এ ছাড়া কোমন উপায় নাই, আমার ও উপায় নাই!
নামজারি করতে গেছি জমি ২ মাস ধরে ঘুরতাছি টাকা ছাড়া ফাইল ধরে না!
নামজারি করতে জটিলতা প্রদর্শন করে অতিরিক্ত টাকা দাবী।
আমার বাসা ভূমি অফিসের পাসে,প্রতিদিন ভূমি অফিসে শতশত লোক আসে আর অধিকাংশ লোক আসে নামজারি বা খারিজ করতে।আমি বেশ কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানতে পারি সরকারি ফ্রি এর চেয়ে করেক গুন বেশি টাকা দিয়ে খারাজি করতে হয়ে।বর্তমান ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকতা তার মত করে নামজারির ফ্রি নির্দারন করেছে ৭০০০ হাজার টাকা।৭০০০ হাজার টাকার কম কোন খারিজ হয় না।তার রেইট শুরু হয় ৭০০০ হাজার টাকা থেকে। আমার কথা যদি কারো বিশ্বাস না হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ড স্যার বা ডিসি স্যার এর কাছে সদয় অনুরুধ আপনারা গত ১০ দিনের নামজারি হওয়ার কেইস নম্বার থেকে গ্রাহকের নাম্বার সংগ্রহ করে গ্রাহকদেরকে জিঙ্গেস করেন।অথবা বিসকা ইউনিয়ন এ সরসরি তদন্ত করতে পারেন।যারা যারা খারিজ করেছে তাদেরকে জিঙ্গেস করলেই সকল তথ্য ফেয়ে যাব
বলেছে টাকাটা সম্পূর্ণ তুলতে হলে চার লাখ টাকার মতো খরচ হবে পরে ৩০ হাজার টাকা কমিয়ে তিন লাখ ৭০ হাজার টাকা চায় আর এক টাকাও কম নিবে না ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকায় দিতে হবে দিতে না চাওয়ায় বলে এই টাকাটা নাকি তোলা যাবে না তিনি বলেন এই টাকাটা উনি নিবেন না এটা নাকি উপরের কর্মকর্তার কাছে চলে যায়
৩০০০ টাকা না দিলে অফিস সহাকারি অফ লাইন নামজারি অন লাইন করে দিবেন না।টাকা দেই নি তাই ৪ মাস আগে আবেদন এখনো নিস্পত্তি হয় নি।
সহকারী কমিশনার না থাকায় সার্ভেয়ার ডিমার্কেশন এর আবেদন গ্রহণ করবেন না। আবেদনের কোন অগ্রগতি না হওয়ায় তার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি নৈশ্যপ্রহরীর সাথে কথা বলতে বললেন। নৈশ্য প্রহরী সকল ডকুমেন্ট দেখে বললেন অনেক ঝামেলার কাজ। আবেদন হয় নাই, আবার লিখতে হবে খরচও আছে। পরে আলোচনা আর কাজ দেখে কমানো যাবে।
আমার বাবার জমি বাঁধের আওতাভুক্ত হয় জমির টাকা উত্তোলনের জন্য ভূমি অফিসে যান সেখানে গিয়ে জানতে পারেন প্রতি ১ লক্ষ টাকার জন্য আমার বাবা ও তার ভাই,বোনদের পাঁচ হাজার টাকা করে দিতে হবে এছাড়া টাকা উত্তোলন করা যাবে না এবং জমির ফাইল পাস হবে না।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
সেবাটি জমি নামজারি করার বিষয় ছিলো, টাকা সরাসরি চাইছিল পেমেন্ট দেওয়ার পরে কাজ হয়ে গেছে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
আমার জমির দলিলে নামজারি করতে অংশ ভুল করে কম হয়ে যায় তার জন্য ৩০০০ টাকা চাই
আমার বাবা পড়াশোনা না করা, একজন গ্রামের সহজ সরল মানুষ। জমির খারিজা করার জন্য কাগজ পত্র নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করেন, একদিন একটা কাগজের বিষয় নিয়ে কথা হয়। তখন বলে পর্চা কাগজ সম্ভবত হবে। এই কাগজ দাম কতো হবে, আমি বলি কত ২ তিন টাক হবে আর পিন করে দিলে নিবে ১০ টাকা বা ২০ টাকা; তখন আমার বাবা বলে আমার কাছ থেকে কম্পিউটারে বসে থাকে ঐ ছেলেটা ২০০ টাকা নিছে, আমি তখন বাবাকে বললাম এই হলো বাবা সরকারি চাকরি আর দেশের অবস্থা।
নগদ টাকায় ক্রয়কৃত একটা জমি মিউটেশন করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে, উপজেলা ভুমি অফিসে দফায় দফায় ঘুষ দিতে হয়। আমার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ২,০০০ টাকা এবং উপজেলা ভূমি অফিসে ২,৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে শুধু একটা বাটন ক্লিক করে অ্যাপ্রুভ করে দিবে সেই জন্য।
একটি মাত্র নামজারি করতে আমার থেকে 1,00,000 টাকা দাবি করেছিল. ফাইনালি নাম জারি করতে 90,000 টাকা দিতে হয়েছিল. আমার কাগজ সব ঠিক ছিলো এবং এই কাগজেই নামজারি হয়েছে. যে দাবি করেছিল সে একজন সাধারণ কর্মচারী (পাবনা সদর ভূমি অফিস) মনে হয় রেকর্ড রুমের কেউ, ওনার নাম মনে আছে কিন্তু বলব না. কিন্তু আওয়ার ফেস সারাজীবন মনে রাখব. আর ওনার জন্য দোয়া করব, উনি সহ ওনার রক্তের সকলে আল্লাহ যেন হাশরের ময়দানে এই টাকার হিসাব নেই. আর এই দনিয়াতে আমার যদি টাকা ফেরত না দেই, তাহলে ওনাকে হাশরের ময়দানে আমি আটকিয়ে দিব তার জীবনের সকল নেকি দিয়ে আমাকে পরিশোধ করতে হবে. প্রতিদিন পাবনাতে ভূমি অফিসে এমন অসংখ্য কাজ হয়.
ami choloman bds khatiyan korty giyesilam shob pepars shothik asey tar poreo amar kasty key. bds khatiyan. kore dewar jonno upar ullekito tka dabi kory.
নামজারি করতে গিয়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আমার ফাইল আটকে দেয়।
জমির খাজনা আগের বছরগুলোতে অনলাইনে দিলেও এবছর কোন কারণে পোর্টালে লিখা ছিলো সার্ভার সমস্যার কারণে ভূমি অফিসে যোগাযোগ করার জন্য। সেখানে যেয়ে সাহায্য চাইলে কেউ সহায়তা করতে চায় না প্রথমে, পরে টাকা দাবি করা হয়।