খাজনা
খাজনা দিতে গেলে অতিথি টাকা দিতে হয়-যেমন রশিদ হবে ২০০০/ দিতে ১০-১২০০০/টাকা
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
খাজনা দিতে গেলে অতিথি টাকা দিতে হয়-যেমন রশিদ হবে ২০০০/ দিতে ১০-১২০০০/টাকা
টাকা না দিলে মিউটেশন রিপট দিচ্ছিল না।
২০২৪ সালে ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়ার জন্য যাই, আগে খাজনা দেওয়ার পুরাতন ফাইল দেখতে চাই, তারা ফাইল খুঁজে বলে ফাইল নষ্ট হয়ে গেছে এবং আমার কাছে কর বাবদ ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে, আমি নিরুপায় হয়ে ১০০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে ৮৫০০০ টাকায় মিটমাট করি।
শেরপুর শহরের ভিতর ৮ শতক জায়গা খাজনা খারিজের এর জন্য শেরপুর ভূমি অফিসের একজন কর্মকর্তা ৪৫ হাজার টাকা দাবি করে। শেষমেষ ৩৫ হাজারে কন্টাক হয়। ২৫ হাজার দেওয়া হয়েছে বাকি ১০ হাজার বাকি আছে সেই ১০ হাজার দেওয়া হচ্ছে না বলে খাদিজের কাজ মাঝপথেই আটকে দিয়ে বাকি ১০ হাজার টাকা দাবি করছে। টাকা না দিলে কাজ আর এগোবে না বলে জানিয়েছে।
আমি অনলাইনে জমে খারিজ করতে দেওয়ার পরে ভূমি অফিসে গেলাম হোল্ডিং খাতাতে ইনসি করার জন্য কিন্তু তখন সেখানে আমার থেকে দেড়শ টাকা চাই রশিদ দিতে রাজি হয় না পরবর্তীতে আমি সেটাকে না দিয়ে যে চলে আসি
নামজারি করার আবেদন করতে গেলে তহশিল অফিসের লোক উক্ত টাকা চায়। আমি না দিয়ে চলে আসি।পরে অন্য মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করি।
আমি জমির খাজনা মিটিয়ে মিউটিশন করতে গিয়েছিলাম,তারা বললো ৭৫০০ টাকা খরচ হবে।আর যদি ১৫ দিনের মধ্যে করে দেয় তাহলে ২৫০০ টাকা এক্সট্রা দিতে হবে।
আমি নামজারি করার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি। আবেদনের কপি এসি ল্যান্লেড অফিসে গিয়ে জমা দিয়ে আসি তারা ১০০০ টাকা নিয়ে ফাইল করে এটা নাম্বার পেলে তোশিল অফিসে পাঠাবে বলেছেন। তহশিল অফিসে ওইখানে কথাবার্তা বলে প্রস্তাব পাঠানোর ব্যবস্থা করতে বলছে। ওইখানে কথা বলতে গেলাম তারা বলতেছে খাস খতিয়ান এর একটা ইস্যু আছে ৮০ হাজার টাকা লাগবে নতুবা করা যাবে না। পরবর্তীতে আবার এসি ল্যান্অড অফিসে গেলাম সেখানে কথা বললাম তারা বলতেছে স্যারদের সাথে কথাবার্তা বলে জানাবে। পরবর্তীতে জানালো যে নেট ৬৫ হাজার টাকা দিতে হবে নাইলে কাজ করতে পারবে না। তারপর আবেদন রিজেক্ট হয়ে গেছে কিছুদিন পরে।
নাম জারি করার জন্য দিতে হয়েছে
আমি একটি খতিয়ান তুলতে চায়,,এতে আমাকে ঘুষের মাধ্যমে করতে হয়ে,,,
আমি খাজনা যে নাম্বার পরিশোধ করি সেই নাম্বার ভুলে গিয়েছিলাম। সেই নাম্বার রেব করার জন্য ১00 টাকা নিয়েছে।
জমির নামজারি খারিজ করার জন্য জমা করি সরকারি ফি থেকে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়।
জমি বিক্রির জন্য জমি খারিজ করা প্রয়োজন ছিল। দলিল, পর্চা, নকল ইত্যাদি নিয়ে জমি খারিজ করতে যাই আমরা। মূল ফি ১১০০ এর মতো ছিল। অনেক দাবি করেছিল। শেষ পর্যন্ত ৬০০০ হাজারে ঠিক হয়। এখানে এটা ওপেন সিক্রেট। ৪০০০/৫০০০ হাজার থেকে ৮০০০/১০০০০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে জমি খারিজ করাতে হয়।
নামজারি করার জন্য বলতেছেন এখানে কিছু খরচ পাতি দিতে হবে তাহলে হয়ে যাবে না হয় অনেক ঘুরাঘুরি করতে হবে পাশাপাশি দেরি হবে এই হলো অবস্থা সবচেয়ে বেশি ভূমি অফিসে ঘুষের বানিজ্য হয় আমি চাই এই অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাড়ি জমি জমার ও তার বেতনের টাকা এর হিসাব নেওয়া বাংলাদেশ টা ঘুষের মাধ্যমে ছড়িয়ে গেছে এর থেকে আমরা রেহাই চাই।
১৪৪ দ্বারা মামলা আছে এই জমির উপরে নায়েক আসছিল সরজমিনে রিপোর্ট লেখার জন্য সে এটি বাগেরহাট পাঠানোর জন্য আমাদের থেকে নিয়েছে চার হাজার টাকা দাবিটা ছিল দুই ভাইয়ের জমি এক ভাইয়ের রাস্তার পাশে খাইতেছে আরেক ভাই ভিতরে মাঝখান দিয়ে ছোট্ট একটা রাস্তা ছিল অন্য ভাই অর্থাৎ যে ভাইয়েরা রাস্তার পাশে খাচ্ছে সেও আপনার ভাইয়ের রাস্তা বন্ধ করে ঘর উঠাচ্ছে এটা নিয়ে মামলা করা হয়েছে যে ওঠাচ্ছে তার অনেক নেতা আছে বিএনপি নেতা আর কি এই নেতা নিয়ে এখন তারা অপরজনকে হামলা করতেছেন বিভিন্ন হুমকি দিচ্ছে এদিকে তারা পুলিশের আশ্রয় চাইলে তারা ঘোষকে উল্টা অপরআর লাইভ যখন সারা জামানা আসছিল তখন সে ৪০০০ টাকা চাই তাহলে সে রিপোর্ট লিখবে তাকে টাকাও দেওয়া হয় কিন্তু সে রিপোর্ট ভয়ে অন্য পক্ষের রায় দেয় তারা মারার হুমকি দেয়
আমার বাবার নামে একটি ফ্লাট এর খতিয়ান রেকর্ড তুলতে গেলে, এবং একটি কপি চাইলে দীর্ঘ তিন মাস টালবাহানা করে এই টাকা দাবি করে।আমি ইতালি প্রবাসী। বাবার মৃত্যুর পর ঐ ফ্লাটের দলিল না পেয়ে বাধ্য হয়ে এই টাকা দিয়ে দলিল তুলি।
মহাদেবপুর উপজেলার নওহাটায় অবস্থিত সরকার অধিগ্রহণকৃত সাইলো প্রকল্পের জমিতে আমাদের কিছু অংশ সরকার অতি গ্রহণ করে এবং তার বিনিময়ে মোট যে টাকা দেওয়ার কথা সেখান থেকে ডিসির অফিস প্রায় ১৫ পার্সেন্ট টাকার কেটে রাখে এবং সেই অফিসের অফিসার আমাদের কাছ থেকে উত্তর টাকায় গ্রহণের জন্য আরো ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। একরকম বাধ্য হয়েই সেই টাকা দিতে হয়।
টাকা না দিলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হয়েছে যেই টাকা দিয়েছি সাব সমাধান হয়েছে
আমার ফ্ল্যাটটি ভূমি অফিসে রেকর্ড আছে কিনা যাচাই করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য ডিসি অফিস থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে আমি রাগা রাগি করে ৩০০০ টাকা দিয়ে ১সপ্তাহ ঘুরে রিপুর্ট নেই।
এটা হল দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ ভূমি অফিস সেখানে আমি আমার নিজের জায়গার নামজারি করতে গিয়েছিলাম বিভিন্ন তারাভিবিন্ন অজুহাত দিয়ে আমার ফাইল রিটার্ন করে দিত, এভাবে আমাকে প্রায় তিনবার আবেদন করতে হয়েছে তারপরও আমি নামজারি করতে পারিনি। একেক বার একেক সমস্যা দেখায়, পরবর্তীতে আমি বুঝতে পারলাম যে এটা আমি নিজে করতে পারবো না দাঁডরাল ধরতে হবে তখন দালালের মাধ্যমে যে নাম জারি করতে ১১০০ টাকা লাগে ওই নাজারি করতে হয়েছে পনের হাজার টাকা দিয়ে আমি তো নিরুপায় কি করব নাম জারি আমার করতেই হবে তাই দিয়েছি। নাম জারি করার পর এখন খাজনা দিব আরেক সমস্যা খাজনা আমার আসছে ৯০০০ টাকা সেখানে তারা প্রায় আমার টাকার ৪গুন বারিয়ে জরিমানা লেখে রাখছে সবমিলিয়ে জরিমানা দিয়া দেখাইতেছে আমার ৩০ হাজার টাকা আসছে খাসনা, ওই খাজনাই দালালের