নামজারি খতিয়ান
নাম যারে আবেদন করার পর হার্ডকপি বোম্বাই অফিসে জমা দেওয়ার জন্য তারা টাকা দাবী করেছে
18,886 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নাম যারে আবেদন করার পর হার্ডকপি বোম্বাই অফিসে জমা দেওয়ার জন্য তারা টাকা দাবী করেছে
তিন টা দলিলের বিপরীতে আট হাজার করে (8000×3)=24000/, দিয়েছি। না দিলে করতো না।আমি সহ আমরা যে অসহায়।
আমার বাড়ী সহ ফসলের জমি খাজনা পরিশোধ করতে গিয়েছি বললো অনেক টাকা খাজনা আসবে ২৫০০ মত। তাহলে এখব পারব না। তখন উনি বললো আমাকে ১০০০ হাজার টাকা দিবেন। আমি সবটা জমির খাজনা পরিশোধ করে দিব কিন্তু তে কত উল্লেখ থাকবে তাতে আপনার কোন আপত্তি থাকবে না । আমি বললা ঠিক আছে ৮৩ টাকা খাজনা আসলো আমি ১০০০ টাকা পরিশোধ করলাম।
নামজারি করা। এতে নাইব সাহেবকে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি, নাহলে নামজারি খতিয়ান হবেনা।
বলা হয়েছিল কিছু খরচ করতে হবে কিছু টাকা পয়সা ছাড়া তো কাজ করা যায় না উপরের স্যারকে কিছু টাকা পয়সা দিতে হবে।
সেবাটি এক উকিলের মাধ্যমে হয়েছে। টাকা না দেওয়ায় আমাকে খতিয়ান হস্তান্তর করেনি
জমি খারিজ করতে গেলে বলে কাগজ ঠিক নেই এই সেই বলে পরে ঠিক ঠাক করে দিবে তাতে ৫০০০০ টাকা লাগবে ৩০০০০ টাকা দিয়েছি বাকি কাগজ পাওয়ার পর দিব
আমি নামজারি করতে গেলে বিভিন্ন বাহানা দিয়ে হয়রানি করে অবশেষে দালালকে ১৫০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করিয়েছি
I wanted to develop a building on own land. The AC land surveyor demanded money and stopped the work in mid construction. had to pay the bribery in order for work to continue.
Ami ekta jomi kinecilam jomir dag number vul tar Jonno goto 15 bochor gurchi tk dite dite Ami ses akhane ullek korechi 30000tk but Amar Gona nai koto hobe Aro beshi hobe. Taw Amr kaj ta hocche na
মিউটেশন করতে দলিলে এসএ দাগ না থাকায়, ২০০০০/- দাবি করে, পরে সেখানে ১২০০০/- দিয়ে মিউটেশন করিয়ে নেই
আমি আমার জমির খাজনা প্রদান করতে গেলে খাজনা আসে ৮৪ টাকা তারা আমার কছে দাবি করে ১০০০ টাকা। আমি রসিদ চাইলে বলে এটা খরচাপাতির টাকা, রসিদ ৮৪ টাকায় হবে।। শেষে ৫০০ দিতে হয়েছে, তখনও বললো আমি স্টুডেন্ট বলে কম নিলো।। তার পর সেই জমি খারিজ করতে চাইলো ১৮০০০ হাজার সেখানেও দরদাম করে ১৩৫০০ টাকা পরিশোধ করি।। পরে জানতে পারি নামজারির সরকারি ফি ১১০০ টাকা। ২ নং বৈলর ইউনিয়ন ভুমি অফিস, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
আমার কাছে ছয় হাজার টাকা দাবি করেছেন তসিলদার, মাত্র ৮ কাঠা জমির জন্য
একপ্রকার বাধ্য হয়ে টাকা নেয়। টাকা না দিলে নামজারির রিপোর্ট সাইন করে না।
আমি জমি রেজিস্ট্রেশন করার জন্য সকল টাকা জমা দেই কিন্তু দলিল লেখক আমার কাছ থেকে বিভিন্ন চার্জ বাবদ ৮ হাজার টাকা দাবি করে পরে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি জমি রেজিস্ট্রেশনের জন্য ভূমি অফিসে দলিল লেখক কে তার পারিশ্রমিকের বাহিরে আর কোন টাকা দেওয়ার দরকার হয় না আমি যখন এ বিষয়টি আমার দলিল লেখককে জানাই তখন সে বলে যে দলিল লেখক সমিতি এই টাকা পায় এবং এখান থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা এবং এলাকার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসা সহ সাংবাদিক রাও এখান থেকে ভাগ পায় তাই এই টাকা দিতে হবে আমি দেশের বাইরে থাকায় এবং জমিটি জরুরীভাবে নেওয়ার প্রয়োজনে টাকা দিতে বাধ্য হয়।
নাম জারী করার জন্য নিয়েছে, টাকা নিয়ে নামজারি করে দিচ্ছে না। মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলা, শিকার মঙ্গল ইউনিয়ন ভূমি অফিস, তফসিলদার । টাকা নেওয়ার তারিখ ১৪/০২/২০২৬
১৯ টা দলিলে খাজরা নিয়েছে ৬০০০০, আমার নামে হাজরা রশিদ কাটছে মাত্র ১০ হাজার টাকার। আর সাতটা দলিলে খারিজ করার জন্য টাকা নিছে এক লাখ চল্লিশ হাজার।
আমাদের ক্রয়কৃত জমির নামজারি করতে যে কোন ভাবে একজন দালালের মাধ্যমে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে ২ টি জমির নামজারি করার আবেদন করা হয়,একটির কাগজ হাতে পেলেও অপরটি পাইনি
আমাদের জমির খাজনা পরিশোধ আছে।কিন্তুু নামজারি করতে গেলে টাকা চায়।
নাম জারির করার জন্য কাগজ দিয়েছি ১৯ শতাংশ জমির জন্য। দাবিকৃত ঘুষ ১৫০০০৳।এখন পযন্ত তার কাছে কাগজ পরে আছে টাকা না দিলে কাগজ দিবে না।