জমি রেজিস্ট্রি
জমি রেজিস্ট্রি করার সময়, ফুলগাজী, রেজিস্ট্রি অফিসে দিতে হয়েছিল
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জমি রেজিস্ট্রি করার সময়, ফুলগাজী, রেজিস্ট্রি অফিসে দিতে হয়েছিল
নামজারির জন্য চাইছিল না হয় আবেদন না মঞ্জুর করে দেবে
২৮/৮/২৬ তারিখে ভুমি অফিস গিয়েছিলাম।আমি জমি কিনেছি,,,১৯৯৮ সালে,,, খারিজ করেছি ১৯৯৯,,,, এবং ১৯৯৯ও২০০১ সালে চেক কেটেছি,,,,, কোন সমস্যা নেই,,,,,, আমার লাগবে ১২০০০/১৫০০০ কিন্তু চাইছে ৪০০০০
নামজারি করতে গিয়ে ঘুষ চাই
ওয়ারিশ দিয়ে জমি খারিজ এর জন্য ২৫০০০ টাকা চেয়েছে এবং খাজনা দিতে ২৩০০০ টাকা বাড়তি নিয়েছে যা সরকারের খাতায় জমা হয়নি।
সেবাটি ছিল জমির খাজনা।স্থানীয় এক দালালের মাধ্যমে ঘুস চাওয়া হয় এবং প্রত্যাখ্যান করি। কিন্তু কাজ না করে দিনের পর দিন হয়রান করে কাজ হয় না। বাধ্য হয়ে দাবিকৃত ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ৩০ হাজার টাকা দি। এতে আমার কাজ হয়।
নামজারি আবেদনের শুনানির ডেটে আমার সকল কাগজ অকে থাকার পরেও আমার কাছে ৩০হাজার ঘুস চাওয়া হয়।দিতে না চাইলে বলে সব আমাদের হাতে নামজারি না মঞ্জুর হবে।আমার কাছে যাবতীয় ভিডিও সহ তথ্য প্রমান আছে।গাবতলি ভূমি অফিসে যতজন নামজারি করতে আসে সবার থেকে টাকা নেওয়া হয়।
নাম জারি করার জন্য আবেদন করেছি, নাম জারি করে দিতেছেন তার পর আমি এসিলেন্ড অফিসে নামজারি সহকারীর সাথে দেখ করে কারন জানতে চাইলে বলে সব ঠিক আছে কিন্তু ৩০০০০ টাকা ছাড় হবে না, তার পর কাজ করে ৩০০০০ টাকা নিয়েছে।
আমাদের পরিবারের সদস্যদের ভেতরে বাড়ি জমি নিয়ে একটা ৪৪ এবং ৪৫ ধারা মামলা হয়েছে এবং বিবাদীপক্ষ অনেক ভুল তথ্য দিয়ে মামলা করেছে যে আমরা জায়গা জমি পাবোনা সেই মর্মে। তাই মহামান্য আদালত ভূমি অফিসে তদন্তের জন্য চিঠি দিয়েছে এবং ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা আমাদের ওখানে গিয়ে নিজ চোখে দেখেছে এবং আশেপাশের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে কথা বলেছে তৎপর আমাদের কে অফিসে যেতে বলেছে এবং আমরা যখন অফিসে যাই তখন ১২ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে কিন্তু আমরা তাৎক্ষণিক ৩০০০ হাজার টাকা দিয়েছি আর নয় হাজার টাকা দিতে পারিনি তাই এখন পর্যন্ত প্রতিবেদন করে পাঠাইনি
ত্রিশাল ভূমি অফিসসহ প্রত্যেকটি ইউনিয়নের ভূমি অফিসে নামজারি করতে গেলে সরকারি খরচের বাইরে প্রত্যেকের টেবিলে আলাদাভাবে টাকা দেওয়া লাগে তা ছাড়া ফাইল ট্রান্সফার করে না।
মুলত আমি একটি মিসকেইস মামলার রায় পাই যেটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তামিল করার জন্য প্রেরণ করা হয় আমার মাধ্যমে সেখানে শিমুলিয়া ইউনিয়ন সহকারি ভূমি কর্মকর্তা কাগজটি নিজের কাছে জমা রাখে এবং সাতদিন পরে আসতে বলে,,, সাত দিন পরে গেলে সে জানায় তার কাছে লেখার সময় নেই এবং তিনি নিজেই আমাকে বাইরে একটি কম্পিউটারের দোকান পাঠায় যে মূলত দালাল তিনি আমার কাছে ৩০০০ দাবী করে আমি নিরুপায় হয়ে দুই হাজার টাকা দিয়ে কাজটি করাই।
পঞ্চগড় জেলার দেবীঞ্জ উপলোর সোনাহার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দুনীতি ্িামি নিজে খাজনার জন্য আবেদর করছি 90543 টাকা দেখাইল্ িকিন্তু আমার কাছে 7000 টাকায় কাজ করে দিছে পরে
কাজনা কারিজ করতে গিয়েছিম ৫ বিঘা জমির জন্য। ঘুষ চেয়েছলো ৫০,০০০ টাকা।
আমার ওয়াইফের কিছু জমি, সরকারি প্রয়োজনে সরকার অধিগ্রহন করে নিয়েছে। সেখানে একটা মর্ডাণ সার্ভিস করেছে।আমরা সেই অধিগৃহীত জমির বিল তুলবো। সেজন্য নামজারি প্রয়োজন হয়। যখন নামজারি করতে গেছি, তখন সার্ভেয়ার এই টাকা দাবি করে এবং আমি ১ লক্ষ দিতে চেয়েছি কিন্তু ওনি ৩ লক্ষ এর নিচে করবে না।।। এই জন্য আমি বছরের পর বছর ঘুরছি। এখনো কোনো সমাধান পাচ্ছি না।আমার শ্বশুর বাড়ি পরিবার একটা কৃষক পরিবার।।।
আমি আমার ৭০শতাংশ জমি মিউটেশন করতে গেলে প্রথমত নায়েব সাহেব আবেদন প্রস্তাবের জন্য চান১০০০০/তারপর তাকে দিলাম ৩০০০/অবশেষে ভূমি কমিশনের অফিসে সার্ভেয়ার, নাজির, এসি ল্যান্ড মিলে ৩০০০০/টাকা। অবশেষে খারিজ কম্প্লিট হল। সেই একই দরখাস্ত পূর্বে২বার নামঞ্জুর করেছেন। টাকা দেওয়ার পর সব ঠিক হয়ে গেছে।এই হচ্ছে দেশের অবস্থা।
দলিল সম্পাদনের পর নামজারির জন্য মূল দলিল অথবা অবিকল নকল দলিল প্রয়োজন হয়। কিন্তু মূল দলিল হাতে পেতে প্রায় দুই বছর সময় লাগায়, অনেকেই নামজারির কাজ সম্পন্ন করার জন্য অবিকল নকল দলিল সংগ্রহ করেন। এই সুযোগে অবিকল নকল দলিল তোলার ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট ও স্বচ্ছ নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে না। যেখানে স্বাভাবিকভাবে প্রায় ১,২০০ টাকা খরচ হওয়ার কথা, সেখানে অলিখিত নিয়মে সর্বনিম্ন ২,২০০ টাকা থেকে টাকা আদায় শুরু হয়। এরপর যার কাছ থেকে যতটা সম্ভব, পরিস্থিতি বুঝে তত বেশি টাকা দাবি ও আদায় করা হয়। ফলে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করছেন এবং নিয়মিতভাবে হয়রানি ও অনিয়মের শিকার হচ্ছেন।
আমি ২৮/৮২৬ সালে ভূমি অফিসে যাই আমি জমি নিয়েছি ১৯৯৮ সালে এবং খারিজ করেছি অন 999 সালে এবং চেক কাটছে ১৯৯৯ সালে এবং ২০০১ সালে। এখন আমি আবার চেক কাটতে যাচ্ছি তো বলছে ৪০০০০ হাজার টাকা লাগবে,,,,,,অথচো আমার ১২০০০/১৫০০০ হাজার টাকা হলেই হবে
ভূমি অফিস, বাইশটেকী, মিরপুর-১৩, ঢাকা-১২১৬ Land tax বাবদ ৯৫০ টাকা ঘুষ On February 2026
আমার দাদা হতে উত্তরাধিকার সুত্রে প্রাপ্ত ৩ একর জমির অনলাইন মিউটেশন ও ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের জন্য গত এপ্রিল 2024 সালে পটুয়াখালি জেলাধীন, রাঙ্গাবালি উপজেলার ভূমি অফিসে যাই, অত্র দপ্তরের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, আমার ৩ চাচা, আমি এবং আমাদের চাষার সম্মুখে ৩৫,০০০/- টাকা দাবি করেন। উক্ত কর্মকর্তার দাবির প্রেক্ষিতে উক্ত ব্যক্তিবর্গের সামনে তাকে ৩০,০০০/- টাকা নগদ প্রদান করি। তারপর তিনি 04.09.2024 খ্রিস্টাব্দে ১১০০/- টাকা সরকারি কোষাগরে জমা পূর্বক আমাদের জমির অনলাইন মিউটেশন সম্পূর্ণ করেন। কিন্তু তিনি তৎকালীন হাল সনসহ বকেয়া ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করেন নাই। অর্থাৎ এখানে উক্ত কর্মকর্তা আমাদের 30,০০০/- টাকা আত্নসাৎ করেন।
৩ দিন গিয়েছি করেনি। বলেছে হবে, হবে, হবে কিন্তু হয় না। অবশেষে ৪০০০/- দালাল কে টাকা দিলে ওইদিন ই হয়ে গিয়েছে। এই হচ্ছে আমার শোনার বাংলাদেশের অবস্থা।