খারিজ
খরচ হিসেবে চেয়েছিলেন।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
খরচ হিসেবে চেয়েছিলেন।
টাকার মাধ্যমে ছাড়া হবে না কাজ।
গালা ইউনিয়ন ভুমি অফিস, হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ। সেবাটি ছিল ভুমি অফিসে নামজারি/খারিজ। কাগজ পত্র সব ঠিক ছিলো তবুও তারা বাড়তি টাকা ছাড়া কাজ করবে না। আমার কাছে 25000 টাকা দাবি করা হয়, পরবর্তীতে আমার 17000 টাকা পরিশোধ করতে হয়। টাকা ছাড়া কোনো কাজ করতে চায় না।
ভুটিয়াঘাটা ভূমি অফিস খুলনাতে নামজারি করতে গিয়ে রাইঙ্গামাড়ি মৌজাতে আমার জমি ছিল, আমাকে ৯ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছিল যেখানে কোন সমস্যা ছিল না আমার জমিতে
আমরা চারজন একসাথে জমি কিনেছিলাম বটিয়াঘাটা অফিসের অধীন আমার সাথে অন্যরা জমি কেনার সাথে সাথেই ১০ হাজার টাকা দিয়ে নামজারি করে নেয় কিন্তু আমি ২০২৫ সালের নামজারি করে করতে গিয়ে আমাকে বলা হয় এটা ভিপি দাগে জমিতে পড়েছে টাকা লাগবে ৬৮ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে কাজটি সমাধানের জন্য।
নামজারি করতে এই উৎকোচ দিতে হয় নায়েবকে। নায়েবরা টাকা খাওয়ার জন্য বসেছে মনে হয়। ওদের বেতন বাতিল করা দরকার।
জমি মিউটেশন করতে সরকারি সর্বমোট খরচ 1170 টাকা , অফিস এর একজন বললো 7000 টাকা দিলে ঝামেলা ছাড়াই কাজটা করে দিতে পারবে
জমি ক্রয়/বিক্রয় রেজিস্ট্রি করতে গেলে, প্রতি দলিলে "সমিতি" বা "এই সেই" বলে সরকারি খরচের বাইরে ৫,০০০ টাকার বেশি নিয়ে যায়। আমি একটি কোম্পানিতে ছিলাম বিধায়, আমার হাতে কয়েকটি রেজিস্ট্রি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমাকে প্রত্যেক দলিলেই তা পরিশোধ করতে হয়েছে।
bhumi office e taka na dile kono kaj hobe na. sub registry office e registry theke suru kore prottek ta kajer alada ghush rate ase, niyom kore taka tole.
খতিয়ানের কপি উত্তোলন করেছি জরুরি ভিত্তিক। তাই অনেকতা বাধ্য হয়েই টাকা পরিশোধ করেছি।
জমির নামজারি বা মিউটেশনের জন্য অনলাইনে আবেদন করার পরে আবেদনের নিয়ম অনুযায়ী সংযুক্ত তথ্যাদি সকল কিছু সঠিক থাকা সত্বেও আবেদন রিজেক্ট করা হয়েছিল। পরবর্তীতে যোগাযোগ করা হলে ভূমি অফিসের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি খরচাপাতির নামে ঘুষ দাবি করেন এবং ১০০০০ টাকা না দিলে কাজটি হবে না বলে জানান। শেষ পর্যন্ত একান্ত বাধ্য হয়ে টাকা দেওয়া হয়েছে কিন্তু টাকা দেওয়ার পরে এখনও কাজটি সম্পন্ন হয়নি। কয়েক মাস যাবত হবে, হচ্ছে করে ঘুমাচ্ছে। খুবই দুঃখজনক। এই দেশে জন্ম নেওয়াটাই কি পাপ?
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আরএস খতিয়ান আনতে গেছিলাম। যাওয়া পর অফিস সহায়ক আমার কাছে ১০০ টাকা দিবে করলে। আমি বললাম টাকা কেনো বলতে সে আমাকে বলে খতিয়ান নাই ছিঁড়া ইত্যাদি। তারপর আমি টাকা দিয়ে আনতে বাধ্য হয়
জমি খারিজের জন্য দাবী করা অর্থ পরিশোধে বাধ্য হয়েছি।
ওয়ারিশের সম্পত্তি নামজারি করার আবেদন করি। টাকা না দেয়ায় নামজারির আবেদনটি বাতিল করে দেয় নায়েব।
বটিয়াঘাটা ভূমি অফিস খুলনা তে আমি একটা জমি শোলমারি মৌজার অধীনে আছে, নামজারি করতে গিয়ে কোন সমস্যা নাই জমিতে আমাকে ১০ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল নামজারি করতে
জমা খরিজ করতে গেলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করেন একপর্যায়ে বলেন ১/১ খতিয়ান টাকা লাগবে নয়তো হবেনা। টাকা না দিতে রাজি হলে বিভিন্ন অজুহাতে আবেদনটি খারিজ করে দেয়। আমার জরুরি হওয়ার পরবর্তী উক্ত টাকা দিয়েই কাজ সম্পূর্ণ করি।
চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার , হাটহাজারী সর্বরেজিস্ট্রিরি অফিসে প্রকাশ্য ঘুষের লেনদেন হয়, ঠিপ দিতে গেলে ১০০০ টাকা , দলিল জমা দিতে গেলে টাকা , সব জায়গাই টাকা আর টাকা।
আমার বাবার, ভিপি ১/১ এর, ২১৭ সতংশ জমির নামজারি বাবদ এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে এবং তা আমার পরিশোধ করতে হয়েছে
ভূমি অফিসে নামজারি করতে গেলে বিয়ের অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়।
টাকা না দিলে নামজারি আবেদন রিজেক্ট, কিন্তু যদি টাকা দেয়া হয় সেইম ফাইল এপ্রোভ।