রাজানগর ভূমি অফিস
গত দুই বছর আগে ছিল ৮০০০ থেকে ১০০০০ হাজার টাকা আর এখন হয়েছে ৫৫০০০ হাজার টাকা
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
গত দুই বছর আগে ছিল ৮০০০ থেকে ১০০০০ হাজার টাকা আর এখন হয়েছে ৫৫০০০ হাজার টাকা
আমি আমার ও চাচার খারিজ বাবদ ৩ বারে মোট ১৩০০০০ টাকা প্রদান করি।
ভূমি করের দাবি দেখিয়েছিল ২২০০০/ (প্রায়) । ৮০০০৳ ঘুষ দিলে মাত্র ২০০৳ (প্রায়) ভূমি কর দেয়া লাগে।
amake liecense baniye dewar jnno extra license er theke fee theke extra 4000 tk chaise and ami diyechi , pore ei site er kotha janar por apnader inform korlam
জমি রেজিস্ট্রি করার জন্য সর্বশেষ টিপ সই ও সাইন নেয়ার সময় ১০০ টাকা করে দলিল প্রতি সবার থেকে নেয়া হয়
নামজারি আবেদন করেছিলাম তাদের মাধ্যমেই, মোট চার মৌজায় ৪ টি জমির, সরকারি ট্যাক্স, আবেদন ফি, চালান সব মিলিয়ে ১৫০০ এর মত লিগ্যাল খরচ হওয়ার কথা, কিন্তু সে ২৫০০০ দাবী করে , পরে বললাম সরকারী হিসাবে ত ১৫০০-২০০০ হওার কথা । পরে আর কিছু বলেনি আবেদন করে দিল, অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক করে ১৫-২০ দিনেও কোন আপডেট পেলাম না। পরে আবার গেলাম , আমাকে তারা বলে আমার কাগজে ঝামেলা আর ১২/১৫ ধরনের কাগজ লাগবে। সব ম্যানেজ করে দিলাম তারপর ৪/৫ দিন পর দেখি আবেদন নাকি তারা তদন্ত করে বাতিল করে দিয়েছে । আমাকে তারা আবার বলল আপিল আবেদন করতে ২০০০০ দিতে তাহ্লা নাকি ঝামেলা গুলা কাটিয়ে তারা কমপ্লিট করে দিবে।
আমার জমি একজন ভূমিদস্য জোরপূর্বক দখল করে নিলে আমার জমি ফিরে পেতে আমি আদালতে মামলা করি আদালত রাঙ্গুনিয়া ভূমি অফিসকে সরজমিনে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে বললে ভূমি অফিসের কর্মকর্তা তদন্ত করার পর আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে মিথ্যা রিপোর্ট করে
বগুড়া, আদমদিঘি, চাঁপাপুর অফিস বরাবর ই-নামজারি আবেদন করা হয়েছে। কাগজপত্রে কোন সমস্যা না থাকা শর্তেও হয়রানী মুলক অত্র অবেদন বার বার না মঞ্জুর করা হয়। তাহাদের ঘুষের দাবী 8000 টাকা। নিরুপাই হইয়া অনুরোধের সহিত পরবর্তীতে 2000 টাকা ঘুষ প্রদান করি। উল্লিখিত 2000 টাকা ঘুষ গ্রহন করিয়াও আবেদন না মঞ্জুর করে দিয়েছে। আমরা জনগন তাহাদের কাছে জিম্মি হইয়া গিয়েছে। ঘুষখোর ও দুরর্ণীতিদের হইতে পরিত্রাণ চাই।
আমার ওইফ একটা জমি কেনে উল্লেখিত স্থানে। জমির নকল দলিল বের হয়েছে, যে টা আমি একজন দলিল লেখকের মাধ্যমে করেছিলাম। উনি এখন নামজারি (মিউটেশন) এর জন্য ২০,০০০ টাকা দাবি করছেন বলছেন, এই টাকা নাকি বড় স্যারকে দিতে হবে, তা না হলে মিউটেশন হবে না। আমি বললাম নামজারির জন্য তো সরকারি ফি মাত্র বারোশো (১২০০) টাকা আপনি এত টাকা চাচ্ছেন কেন? উনি ওই একই কথাই বললেন স্যারকে টাকা না দিলে সম্ভব না। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছি। আমার প্রশ্ন হল তাহলে আমরা নামজারি করব কেমনে?
১৫ দিন ঘুরানোর পর ৭ হাজার টাকা চাইছে!
আমার বাবার নামে কয়েক জায়গায় জমি আছে।কিছু উত্তরাধিকার সূত্রে আবার কিছু ক্রয় সূত্রে।এগুলো এক সাথে একই নামে নামজারি করতে গেলে ২০ হাজার টাকা দাবি করে।এসিল্যান্ড কে জানালে বলে এটা আমার কাজ নয়।পরে শুনি এসিল্যান্ড ভাগ পায় কিন্তু অপ্রকাশিত ভাবে।পরে বাধ্য হয়ে ১০ হাজার টাকায় মিমাংসা করে টাকা পরিশোধ করার ৩ দিনের মাথায় নামজারি হয়ে যায়
আমার শশুর মারা যাওয়ার পর জমি নামজারি করতে গিয়ে ছিল আমার ছোট ও বড় শালা, ১১ হাজার টাকা ঘুষ দেয়ার পরে তাতে হবে না আরো ৩০ হাজার টাকা দিতে হবে পরবর্তীতে আমি নিজে গিয়ে দিয়ে আসি এই টাকা ছাড়া নামজারি করবে না এই টাকা গুলো আমি এক ভ্যান্ডারের মাধ্যমে দেই তাকে চিনি
জমিন নামজারি, টাকা না দিলে কাজ হবে না। সেজন্য বাধ্যতামূলক ২৩০০০ টাকা দিয়েছি।
একটা জমির খতিয়ান তোলার জন্য গিয়েছিলাম। কিন্তু অফিসের একজন ৪র্থ শ্রেণির কর্মকর্তা আমার কাছে একটা খতিয়ান তোলার পরিবর্তে ৫০০ টাকা ঘুষ চাইছে। আমার খতিয়ানটা জরুরি ছিল বিধায় আমি তাকে ৫০০ টাকা দিয়ে খতিয়ানটা তোলেছি।
সেবাটি ছিল ভূমির খাজনা পরিশোধ এবং লিজ নবায়ন সংক্রান্ত, অনানুষ্ঠানিক অর্থ মৌখিকভাবে দাবি করা হয়েছিল, এবং এরপর টাকা প্রদান না করায় ফাইল অনুমোদন হয় নাই।
ভুমি অফিসে নামজারি করার জন্য সকল কাগজ পত্র অনলাইনে আবেদন করে অপেক্ষা করছিলাম। ২ সপ্তাহে কোন অগ্রগতি না হওয়ার ভুমি অফিসে যাই এবং ভুমি অফিসের ষ্টাফ বললেন টাকা না দিলে নামজারি হবে না কাগজে ঝামেলা আছে। পরবর্তীতে ২৮০০০ টাকা দিয়ে নামজারি সম্পন্ন করে দেয়।
প্রত্যেকটি জমি রেজিস্টারি করার সময় হাকিম সাহেব সবকিছু চেক করার পরে নিচে টেবিলে একজন বসা থাকে টোকেন দেওয়ার জন্য উনাকে 450 টাকা দিতে হয়
আমি এটা ঘুষ বলব না। এটাকে বলব জোর জবরদস্তি। কারণ আমাদের জমির মিস কেসের শুনানি থাকে ১৮/০৮/২৬ তারিখে। দূর ভাগ্যবশত সেদিন কোর্টে গিয়ে শুনলাম কোন এক উকিল মারা গিয়েছে সেজন্য আজ কোর্ট বসবে নাহ। কিন্তু উকিল সাহেব আমাদের কিছুই জানায়নি। আমার শ্বাশুড়ি আম্মা কোর্টে গিয়েছিল কারণ জমিটা তার নামে। কোর্টে গিয়ে শোনে আজ শুনানি হবে নাহ। কিন্তু এখানে ব্যাপারটা হচ্ছে উকিল সাহেব তার মহুরিকে দিয়ে ২০০০ টাকা দাবি করে আমার শ্বাশুড়ির কাছ থেকে। কিন্তু আমার শ্বাশুড়ি বলে আজ টাকা কেন দিব? কোর্টে ত কোন শুনানি হয় নাই বা আপনি কোন কাজ ও করেন নাই? তাহলে টাকা কেন? আপনি ত আমাদের বরং হয়রানি করছেন। উকিলের বক্তব্য হলো টাকা দেন না হলে আপনার কোন কাজ হিবে নাহ। আমার কথা হল উকিলদের এরকম অপেশাদার আচরণ কেন? আর এটা একটা ভন্ডামি...
আমি জবানবন্দি, কবিলত উত্তোলন করার জন্য যথারীতি নিয়ম মেনে আবেদন করি। কতৃপক্ষ আমাকে ১৫ দিন পরে যোগাযোগ করার জন্য বলে, আমি ১ মাস পরে যোগাযোগ করি। কতৃপক্ষ আমাকে জবানবন্দি দেন এবং আমার কাজে ২০০ টাকা দাবী করে। কি জন্য জানতে চাইলে বলে কোর্ড ফ্রি বাবদ, তার পর বলে আমাদের ২ তলা উঠতে নামতে হয়। অনেক কষ্ট করে কাগজ বের করে দিতে হয় তাই। আমি বলি সরকার আপনাদের বেতন দেয় না, ঘুস কেন চান? এরকম সকলে কাছ থেকে নেয়। রেকর্ড রুম শাখা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা।
নামজারির জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু টাকা দিলে হবে না হয় হবে না