জমির খারিজ ও খাজনা
২০০০০ টাকা না হলে কাজ অসম্পূর্ণ থাকবে এমন কি অন্য কেউ কাজ শেষ করতে পারবে না ঐ ব্যাক্তি ব্যাতীত
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০০০০ টাকা না হলে কাজ অসম্পূর্ণ থাকবে এমন কি অন্য কেউ কাজ শেষ করতে পারবে না ঐ ব্যাক্তি ব্যাতীত
আমি ৬ নং বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়ন ভুমি অফিস, আমার একটা খতিয়ান, ৬ শতাংশ জমির খাজনা দিতে যাই, আমার খাজনা পরিমান ছিলো = ৬০/- টাকা, ভুমি সহকারী কর্মকত্তা, আমার কাছে দাবি করেন- ২৬০০/- টাকা তার আমি বলি আমার খাজনা মাত্র ৬০ টাকা আপনি এত টাকা চান কেনা, তার পর ওনি আমার আইডি লক করে দেন, পরে আমি, আর খাজনা যেনো না দিতে পারি,, আমি বাহিরে দেকানে টাকা পরিশোধ করতে যাই, দেখি আমার আইডি লক। আমি আবার আসি ভুমি অফিসে, ওনি আমাকে চার ঘন্টা বসাই রখেন, পরে বলে আমার অফিস নেট না আপনি আগামীকাল কাল আসেন।
নামজারি করতে গিয়েছিলাম।যাকে দিয়ে দলিল করিয়েছি সে চাইলো ১৬০০০-১৭০০০ টাকা। ভূমি অফিসে গেলে ১৫০০০ টাকা দাবি করে এবং ১ সপ্তাহে কাজ করে দেওয়ার কথা দেয়।আর টাকা না দিলে যে কতদিন লাগবে তা ওরাও জানেনা। পরে আমার এক পরিচিত ভাই,সেও দালাল। তাকে দিয়েই ৯৫০০ টাকায় কাজ সম্পূর্ণ করি।নারায়নগঞ্জের কাচপুর ভূমি অফিস।
ওনা সাধারণত কথা বলতে চায় না। টাকা দিলে সেবা মিলে।
জমি খারিজ এর সরকারি মুল্য 1170 টাকা। কিন্ত আমার পরিশোধ করা লাগছে 12000 টাকা
জমির খাজনার জন্য নিয়েছিল
একটি খারীজ করার জন্য ১৫ হাজার টাকা দাবি করায় আমি আরও খারিজ করিনি।
টাকা না দিলে খারিজ করে দিবে না এমনি এসিল্টেন অফিসেও দিতে হইছে টাকা, ইটনা থানা এসিল্টেন অফিস সবচেয়ে বেশি টাকা খায় মুক্তা নামি এক নাইট গাড এসিল্টেন, রায়টুটী ভুমি অফিসে এবং এসিল্টেন অফিস তাদের একটা কথা বলে টাকা দিলে কাজ হবে না দিলে হবে না, এটা আমি সবার পক্ষ থেকে বলছি প্রতিটা মানুষেকে বিপদে পড়তে হয় টাকা না দিলে, আর টাকা দিলে সব কিছু করে দেয়।
টাকা না দিলে জমির খারিজ হয় না।
আবেদন করি এসিল্যান্ড বাতিল করে দেয়।পরবর্তীতে এসিল্যান্ড এর সাথে দেখা করি কিন্তু উনি তহসিলদারকে দেখিয়ে দেন।বাতিল হওয়ার ভয় দেখায় তফসিল অফিস থেকে তাই দেই।
দলিল দিয়ে ননাম জারি করতে গেলে এই টাকা দাবি করে। একনো ক্জ হয়৷ নাই
জমির শ্রেনীর নাম উত্তোলনের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করার পর তা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসে নায়েব এর রিপোর্ট এর জন্য। এক মাস সেখানে পড়ে থাকে আবেদন।তারপর আমরা গেলে, তখন সেখানে তারা ৩০০০ টাকা দাবি করে এবং আমরা ২০০০ টাকা পরিশোধ করি। পরবর্তীতে উপজেলা সার্ভেয়ার এর অফিসে যায় রিপোর্টএর জন্য সেখানে প্রায় ১.৫ বছর আবেদন টা আটকে রাখে এবং অনেকবার টাকা খায়। কখনো ৫০০ কখনো ১০০০ এভাবে টাকা নিত কিন্তু কাজ করে দেয়নি। বহুবার এসিল্যান্ড এর সাথে কথা বলেছি উনারা বলতেন হয়ে যাবে। শেষ পর্যন্ত একজন মেম্বার কে সাথে নিয়ে কয়েক মাস লাগিয়ে আবেদন টা আবার জেলা প্রশাসক অফিসে পাটাতে সমর্থ হয়।
নামজারি করতে গেলে এই টাকা দাবি করে
২০২৪ সালে একটি জমির নামজারী করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে তারা ৮০০০ টাকা দাবি করে কিন্তু আমরা জানতাম ১১০০ টাকা লাগে। তাই বাইরে থেকে আবেদন করি আর আবেদনের কপি জমা দেই। ১ মাসের মধ্যে হওয়ার কথা থাকলেও আবেদনটি তারা একমাসের অনেক বেশি সময় রাখে এবং শুনানির সময় আবার ৭০০০ টাকা চায়, টাকা না দেওয়ায় তারা আবেদন টি বাতিল করে দেয়।
শুধু একটা টিপ সই নেয়ার জন্য কোন নিয়ম ছাড়ায় ১০০ টাকা দাবী করলো। আমি বাধ্য হলাম দিতে।
জমির অনলাইন খাজনা ছিল 57 টাকা তফশিলদা ৯৭ টাকা পরিশোধ করার জন্য পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছে তার কারন একটা জমির মালিক আমার বাবা তুমি মারা গেছে, তাদের কথা মারা গেলেও নাকি হবে না তার আসতে হবে
বর্তমানে ভুমি খাস করন ঠেকাতে উপজেলা ভুমি অফিসে যেতে বলেছে আমাদের এখানে গাছে গাছে বোর্ড লাগিয়ে দিয়ে গেছে , কিন্তু ফোন করে তাদের থেকে পরামর্শ চাইলে তারা , প্রতি বিঘার জন্য ৫০০০০ হাজার করে দাবি করছে , আমাদের ৪৯ শতক খাস করন ঠেকাতে তাহলে কত দেওয়া লাগবে আপনারা হিসাব করেন। বাংলাদেশে প্রতি টা সরকারি দপ্তরে ঘুষ ছাড়া কোন কথা নেই । পাইকগাছা ভুমি অফিস, খুলনা
আমাদের জমির নামজারী করার জন্য আমাদের ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে সেখানে তারা ২০/৩০ হাজার টাকা দাবি করে। এর কমে হবেইনা। আমার বাবা এসব সম্পর্কে কিছুই জানত না। সাথে একজন পরিচিত দলিল লেখক এবং স্থানীয় মেম্বার ছিল। তাদের সাথে নিয়েই আলোচনা হয়। তারা দরদাম করে শেষ পর্যন্ত ১৫০০০ টাকা নির্ধারণ করে। তাই আমরা ১৫০০০ টাকাই পরিশোধ করি। কিন্তু পরবর্তীতে আমি জানতে পারি নামজারী ফি মাত্র ১১০০ টাকা।
ফোনে ১০০০০(10000) টাকা দাবি করে
আমার বাবা একটি জমি কেনার পর সেই জমির খাজনা পরিশোধ করেন বলে তিনি জানান কিন্তু কোন কারন বসোত সেই কাগজ পত্র গুলো কোনভাবে খুজে পাওয়া জাচ্ছিল না এবং জমির খাজনাও হালনাগাদ করা জাচ্ছিল না. এভাবে একটি বড় গ্যাপ তৈরি হয়ে জাচ্ছিল. এর দরুন বাসায় বিদ্যুতের লোড বৃদ্ধির জন্য খাজনার হালনাগাদ কাগজের প্রয়োজন পরে. আমি জখন ভূমি অফিসে আমার এই সমস্যার কথা জানাই তখন সেখানকার কর্মকর্তা জানান আমার নাকি এক লক্ষ টাকার মতো খাজনা বকে পরে গেছে. আমি তখন এর বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি ব্যবস্ততার কারন দেখিয়ে আমাকে ফেরত দিয়ে দেন. এভাবে কিছুদিন ঘোরা ঘরি করার পর সেই অফিসের এক কর্মচারির কাছে আমার সমস্যাটি খুলে বলি এবং তিনি তখন একটি সমাধান দেন. তিনি তখন কাজটি করে দিবেন বলে কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আমার কাছে ত্রিশ হাজার টাকা চান.