ভূমি অফিস
আমি জানি জমি নাম জারি করার জন্য সরকারি ফি ১১৬০ টাকা , তবে আমার কাছে দাবি করে ৭০০০ হাজার টাকা আমি প্রত্যাখান করেছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি জানি জমি নাম জারি করার জন্য সরকারি ফি ১১৬০ টাকা , তবে আমার কাছে দাবি করে ৭০০০ হাজার টাকা আমি প্রত্যাখান করেছি।
Nam zari notice er jobab ebong positive opinion prodhan korarjoinno vhumi sahakari officer k 2000.00 taka ditey hoichey
২০০০০ টাকা না হলে কাজ অসম্পূর্ণ থাকবে এমন কি অন্য কেউ কাজ শেষ করতে পারবে না ঐ ব্যাক্তি ব্যাতীত
jomir namjari jonno 200000 taka cheyecilo
একটি খারীজ করার জন্য ১৫ হাজার টাকা দাবি করায় আমি আরও খারিজ করিনি।
ওনা সাধারণত কথা বলতে চায় না। টাকা দিলে সেবা মিলে।
নামজারি করতে গিয়েছিলাম।যাকে দিয়ে দলিল করিয়েছি সে চাইলো ১৬০০০-১৭০০০ টাকা। ভূমি অফিসে গেলে ১৫০০০ টাকা দাবি করে এবং ১ সপ্তাহে কাজ করে দেওয়ার কথা দেয়।আর টাকা না দিলে যে কতদিন লাগবে তা ওরাও জানেনা। পরে আমার এক পরিচিত ভাই,সেও দালাল। তাকে দিয়েই ৯৫০০ টাকায় কাজ সম্পূর্ণ করি।নারায়নগঞ্জের কাচপুর ভূমি অফিস।
জমি খারিজ এর সরকারি মুল্য 1170 টাকা। কিন্ত আমার পরিশোধ করা লাগছে 12000 টাকা
জমির খাজনার জন্য নিয়েছিল
টাকা না দিলে খারিজ করে দিবে না এমনি এসিল্টেন অফিসেও দিতে হইছে টাকা, ইটনা থানা এসিল্টেন অফিস সবচেয়ে বেশি টাকা খায় মুক্তা নামি এক নাইট গাড এসিল্টেন, রায়টুটী ভুমি অফিসে এবং এসিল্টেন অফিস তাদের একটা কথা বলে টাকা দিলে কাজ হবে না দিলে হবে না, এটা আমি সবার পক্ষ থেকে বলছি প্রতিটা মানুষেকে বিপদে পড়তে হয় টাকা না দিলে, আর টাকা দিলে সব কিছু করে দেয়।
২০২৪ সালে একটি জমির নামজারী করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে তারা ৮০০০ টাকা দাবি করে কিন্তু আমরা জানতাম ১১০০ টাকা লাগে। তাই বাইরে থেকে আবেদন করি আর আবেদনের কপি জমা দেই। ১ মাসের মধ্যে হওয়ার কথা থাকলেও আবেদনটি তারা একমাসের অনেক বেশি সময় রাখে এবং শুনানির সময় আবার ৭০০০ টাকা চায়, টাকা না দেওয়ায় তারা আবেদন টি বাতিল করে দেয়।
টাকা না দিলে জমির খারিজ হয় না।
নামজারি করতে গেলে এই টাকা দাবি করে
দলিল দিয়ে ননাম জারি করতে গেলে এই টাকা দাবি করে। একনো ক্জ হয়৷ নাই
জমির অনলাইন খাজনা ছিল 57 টাকা তফশিলদা ৯৭ টাকা পরিশোধ করার জন্য পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছে তার কারন একটা জমির মালিক আমার বাবা তুমি মারা গেছে, তাদের কথা মারা গেলেও নাকি হবে না তার আসতে হবে
আবেদন করি এসিল্যান্ড বাতিল করে দেয়।পরবর্তীতে এসিল্যান্ড এর সাথে দেখা করি কিন্তু উনি তহসিলদারকে দেখিয়ে দেন।বাতিল হওয়ার ভয় দেখায় তফসিল অফিস থেকে তাই দেই।
শুধু একটা টিপ সই নেয়ার জন্য কোন নিয়ম ছাড়ায় ১০০ টাকা দাবী করলো। আমি বাধ্য হলাম দিতে।
জমির শ্রেনীর নাম উত্তোলনের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করার পর তা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসে নায়েব এর রিপোর্ট এর জন্য। এক মাস সেখানে পড়ে থাকে আবেদন।তারপর আমরা গেলে, তখন সেখানে তারা ৩০০০ টাকা দাবি করে এবং আমরা ২০০০ টাকা পরিশোধ করি। পরবর্তীতে উপজেলা সার্ভেয়ার এর অফিসে যায় রিপোর্টএর জন্য সেখানে প্রায় ১.৫ বছর আবেদন টা আটকে রাখে এবং অনেকবার টাকা খায়। কখনো ৫০০ কখনো ১০০০ এভাবে টাকা নিত কিন্তু কাজ করে দেয়নি। বহুবার এসিল্যান্ড এর সাথে কথা বলেছি উনারা বলতেন হয়ে যাবে। শেষ পর্যন্ত একজন মেম্বার কে সাথে নিয়ে কয়েক মাস লাগিয়ে আবেদন টা আবার জেলা প্রশাসক অফিসে পাটাতে সমর্থ হয়।
বিগত এক বৎসর আমি নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে অপেক্ষা করি এই এক বছরের মধ্যে আমি চাইরবার কাগজ জমা দিয়েছি প্রত্যেকবার এই ফোন না কোন অজুহাত দেখা যায় এগুলা ক্যান্সেল করা হয় প্রত্যেকবারই চা নাস্তার খরচ খেয়েছে আমি ভাবছিলাম হয়তো এখন নির্বাচিত সরকার নাই কোষ ছাড়াই কাজ হবে কিন্তু কাজ হলো না এক বছর অপেক্ষা করার পরে লাস্টে টাকা দিয়ে কাজ করাতে বাধ্য হলাম
ফোনে ১০০০০(10000) টাকা দাবি করে