নামজারী
নামজারী করার জন্য ১৫০০০ হাজার টাকা নিয়ে এখন আমাকে নামজারী করে দিচ্ছে না।আজকে প্রায় ৯ মাস হতে চললো।বলে করে দিবে করে দিবে এই পর্যন্ত। বাট করে দিচ্ছে না।আমির জমিতে কোন ভুল নেই।সবকিছি সঠিক আছে।তারপরও করে দিচ্ছে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারী করার জন্য ১৫০০০ হাজার টাকা নিয়ে এখন আমাকে নামজারী করে দিচ্ছে না।আজকে প্রায় ৯ মাস হতে চললো।বলে করে দিবে করে দিবে এই পর্যন্ত। বাট করে দিচ্ছে না।আমির জমিতে কোন ভুল নেই।সবকিছি সঠিক আছে।তারপরও করে দিচ্ছে না।
আমার বাবা তার উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি ছেলে হিসেবে আমার নিকট হেবা করলে ৪০০০০ টাকা দাবি করে, দাবির কারণ ইউনিয়নে জনগণ নির্বাচিত চেয়ারম্যান, মেম্বার নেই। আমার বাবা নিজে কাজ আরম্ভ করলে সব কাগজ ঠিক থাকার পরও ভূমি সহকারী কমিশনার তা বাতিল করে দিলে আবার টাকা দিয়ে কাজ করাতে বাধ্য হয়েছে।
মাঠ পর্যায়ে বিডিআরএস জরিপে আমার নাম বাদ পড়ায় সেটেলমেন্ট অফিসের মাধ্যমে আপত্তি মামলা দায়ের করি। তারপর তারা বিভিন্ন দপ্তরের ভুলের দিকে নির্দেশ করে আমার শুনানি টা জটিল থেকে জটিলতর দিকে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে আমাকে বলা হয "নাম সংযোজন এত সহজ না, দেখছেনই তো একটার পর একটা কত ঝামেলা আসছে, এমন আরো হাজারটা ঝামেলা আসতেই থাকবে, তার চেয়ে দেড় লক্ষ টাকা দেন, ওয়ান টাইম সেটেলমেন্ট করে দেই।"
জমির নামজারি করতে জাই ১ মাসের বেশি হয়ে জায় আমার কাজ হয় পরে টাকা দেওয়া পর হয়েছে ২০,০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে
খারিজ এর জন্য আবেদন সেই অফিস এর লোক — ও তার সহকারী, টাকা চায়
জমির বাষিক খাজনা দিতে যাওয়ার পর মূল নথি বই খুঁজ বের করার জন্য ঘুস হিসেবে ১০০ টাকা নেয় তারা। এটা সবার সাথেই করে। না দিলে বই আনেনা, বলে আজকে হবেনা পরে আসেন।
টাকা না দেওয়ায় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মিউটেশন মামলা নম্বর ১৭৫৬, ULAO তথ্য হালনাগাদ জন্য প্রেরণ করে, আমি তথ্য হালনাগাদ করে দিলে খতিয়ান সহ প্রস্তাব না দিয়ে, বাতিলের জন্য প্রতিবেদন প্রদান করেন।
নামজারির জন্য আমি সব ধরনের কাগজ নিয়ে গেছিলাম।আবেদন ও করে নিয়ে গেছিলাম।কিন্তু সেখানকার ইউনিয়ন ভুমি দপ্তরে অফিস সহকারী — আমার কাছে ২৫০০০ টাকা দাবি করে
একটা নামজারি করতে হলে ভূমি অফিসে দিতে হয় ১৭৫০ ac-land অফিস দিতে হয় ৬৫৫০ ,আর যদি একটু সমেস্যা থাকে তাহলে কোন কথা নাই, যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে ফাইল পাস হয় না, যদি ও সব ঠিক থাকে, উপজেলা দোহার
এটা খারিজ খাজনা সংক্রান্ত
নামজারি করার পর DCR ফি দিয়ে খাজনা দিতে ভূমি অফিসে গেলে আমার নতুন খতিয়ানে ৭,৮০০ টাকা খাজনা বসিয়ে দেওয়া হয়। অথচ যে কয়টি দাগ থেকে জমি নামজারি করেছি, সেগুলোর আগের সব খতিয়ান মিলিয়ে খাজনা ৪০০ টাকারও কম হওয়ার কথা। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ করে জানতে পারলাম, বেশি খাজনা হলে আবেদন করে সংশোধন করা যায়। তখন ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা আমাকে বললেন, ৪,০০০ টাকা দিলে তিনি কাজটি করে দেবেন এবং কাউকে না বলতে বলেন। আমি রাজি হলে তিনি কাজটি করে দেন। পরে খাজনার রশিদে দেখি, আসল খাজনা মাত্র ৩৫০ টাকা! ৩৫০ টাকার খাজনা প্রথমে ৭,৮০০ টাকা বসানো হলো, আর সেটা ঠিক করে দেওয়ার জন্য আমাকে ৪,০০০ টাকা দিতে হল
জমি ওয়ারিশ মূলে নামজারি। যে সেবা দেওয়ার লোক সে একজন নিদিষ্ট দালাল লোককে সাজেস্ট করে ঐ লোক উক্ত ঘুষ দাবি করে সরকারি নামজারি করার জন্য।
অল্প জায়গা নামজারির জন্য ৫,০০০/= হাজার টাকা ঘুস দাবি করেন দোয়ারা বাজার থানার সহকারী ভুমি অফিসার —
I was bound to pay otherwise they wouldn’t give me namjari
2024 shale 3 ta jomir mutation er jonno 30000 taka chaise. mutation kore dewar pore 30000 taka niyeche.
চারটি জমির মালিকানা পরিবর্তন করতে 90000 টাকা দিয়েছি
ফ্ল্যাটের নামজারির জন্য ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয় এবং আমি তা পরিশোধ করতে বাধ্য হই
জমির নামজারির আবেদন নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার আকবরপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারির আবেদন জমা করার সময় ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ও পিয়ন কর্তৃক খরচের নামে টাকা দাবি করেন প্রতিটি নামজারির আবেদন জমা দিতে গেলেই টাকা দাবি করা হয়। যদি টাকা দেওয়া না হয় তাহলে যেকোনো একটি ছোট্ট করনিক ভুল বের করে পুনরায় সংশোধন করে জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়।
আমার নামজারীর জন্য এসিলেন স্যারের পিএ আমার কাছে দাবি করে নাহলে না মনজুর হবে বলে হুমকি ও দেয়
জমি খারিজ করতে অনেক টাকা দাবি করেছে সাব রেজিস্ট্রার অফিস এবং ভূমি অফিস সহ এসি ল্যান্ড অফিস