তিনটি জমির রেজিস্ট্রেশন এবং নামজারি
তিনটি প্লট(৪ কাঠা ২ টা এবং ৫ কাঠা ১টা) রেজিস্ট্রেশন বাবদ মোট ১৭ লাখ খরচ হয়েছে। তার মধ্যে আমার মনে হচ্ছে ১,২৬,০০০/- টাকা বেশি দিয়েছি এবং নামজারি বাবদ ৬০ হাজার টাকা দিয়েছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
তিনটি প্লট(৪ কাঠা ২ টা এবং ৫ কাঠা ১টা) রেজিস্ট্রেশন বাবদ মোট ১৭ লাখ খরচ হয়েছে। তার মধ্যে আমার মনে হচ্ছে ১,২৬,০০০/- টাকা বেশি দিয়েছি এবং নামজারি বাবদ ৬০ হাজার টাকা দিয়েছি।
আমি ৪৮শতক জমির নামজারি করতে কয়েক দফায় ১২০,০০০ টাকা দিতে হয়েছে, কাজটি এখনও পেন্ডিং
আমি জমির খারিজ করতে গিয়েছি দুই শতাংশ জমি খারিজ করার জন্য আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে তখন আমি আর খারিজ করি নাই আমি বাসায় চলে আসছি সরকারকে টাকা দিব ট্যাক্স দিবো খারিজ করব পঞ্চাশ হাজার টাকা আমার ঘুষ দিতে হবে তাহলে সরকার কিভাবে টাকা পাবে।।।।
জমির খারিজ করতে গিয়েছিলাম তখন আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা দুই শতাংশ জমি খারিজ করার জন্য চেয়েছে তখন আমি খারিজ করি নাই সরকারের ট্যাক্স দিবো 50 হাজার টাকা আমার ঘুষ দিতে হবে কেন।।
ফুলবাড়ী উপজেলার কুড়িগ্রাম ভূমি অফিসের বড়বাবু — একজন ছিলেন কুড়িগ্রামের ডিসি অফিসের হোটেল ব্যবসায়ী সেখান থেকে তিনি ভূমি অফিসে চাকরি নেন এই ব্যক্তি এমন একজন খারাপ লোক তার টেবিলে টাকা ছাড়া সে কোন কিছু বোঝেনা এক টেবিল থেকে আরেক টেবিল ফাইল গেলেই উনাকে টাকা দিতে হয় তিনি প্রচন্ড লেভেলের একজন ঘুষখোর মানুষ
সহকারি কমিশনার ভূমি অফিসে (কোতোয়ালি)গিয়েছিলাম নামজারির জন্য তারা লক্ষ টাকা চাইছে নামজারি করলে এখানে কন্টাক করতে হবে এখানে এভাবেই হয় আপনি যদি চান করতে পারেন, না হলে অন্য কাউকে দিয়ে করাতে পারেন সর্বশেষ ১৬০ হাজার টাকায় সম্মতি দিলাম এবং এটা পরিশোধ করেছি।
জমির কাগজে সমস্যা আছে। কি সমস্যা? জবাব নাই।
আমার জমির বিআরএস খতিয়ান সংশোধনের জন্য আমি ল্যান্ডসার্ভে ট্রাইবুনাল মামলা করি দীর্ঘ ৩ বছর পর আদালত আমার পক্ষে আদেশ দেন। ডিগ্রির আদেশ পাওয়া জন্য পেসকার কে ডিগ্রির আদেশের জন্য ১৫০০০/= টাকা ঘুস দিয়ে আদেশ পাই। অতপর নামজারি জন্য আবেদন করি তসিলদার, কানোনগো, এসিল্যান্ড সবাই মিলে আমার কাছ থেকে ৩০,০০০/= টাকা ঘুস নেয়। হায়রে বাংলাদেশ এমন কোনো জায়গা নাই যেখানে ঘুস লেনদন হয় না।
Acquire er tk neyar somoy
আমি ভূমি অফিসে গিয়ে ওখানে কর্মরত কর্মকর্তা কাছে গিয়ে বললাম আমার একটি খতিয়ান কপি লাগবে। কর্মকর্তা আমার কথা শুনে একজন পিয়নকে দেখিয়ে দিয়ে বললেন ওনাকে বলেন, আমি পিয়নের সাথে খতিয়ানের কথা বলার পর তিনি আমার কাছে ৫০০টাকা দাবি করেন। আমি প্রথমে ২০০টাকা দিতে চাইলে তিনি বলেন হবেনা, পরে ৫০০টাকা দিয়ে নিতে হয়েছে।
আমি একটি ফ্ল্যাটের নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাকে বলা হয়, আপনার জমি এবং আপনি যে এলাকায় বসবাস করছেন, সেটি নিয়ে সরকারি অফিসের সঙ্গে কিছু সমস্যা রয়েছে। এই সমস্যাটি ১৯৮০ সাল এর। তারা বলেছে, আমি যদি ১ লাখ টাকা দিই, তাহলে তারা সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করবে, তবে এর কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারবে না। আমার আপত্তি হলো, সরকারি অব্যবস্থাপনার কারণে এ ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে, আর এই ধরনের মানুষজন সেই সমস্যার সুযোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করে।
টাকা না দিলে নামজারি অনুমোদন হয় না। উপ সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে ৩০০০ টাকা দেওয়ার শর্তে অনুমোদন হয়। সম্পর্কে আত্নীয় ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত হলেও দিতে হয়েছে। তাছাড়া ওই ভূমি অফিসে — ও — নামে দুইজন সক্রিয় দালাল রয়েছে। ওদের মাধ্যমে ডিল করতে হয়। না হলে কাজ হয় না।
আমি ৫০০০ হাজার দিয়া বাকিটাকা কাজ হওয়ার পর দেব।
বগুড়া ডিসি অফিসে মৌজা নকশা উত্তোলন করতে সরকারি চালান ৫০০ ও কোট ফি ৪৫ টা নিজে পরিশোধ করেছি । ১৫ দিন পর মৌজা নকশা উত্তোলন করতে গিয়ে সব ঠিক থাকার পর ও চা খাবার জন্য ২০০ টাকা নিয়েছে তারপর স্টোর রুম থেকে নকশা এনে দিয়েছে।
নাম পরিবর্তন এর জন্য গেলে বলে দলিল ভুল৷ ৮০০০ টাকা দিলে ঠিক করে দেবে তহসিলদার। ১০ বছর আগের দলিল, টাকা ও দি নি, বিবর্তন ও করাইনি।
নামজারির কাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট AC Land অফিসের লোকজন আমার বাবার কাছে ৮,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। টাকা না দিলে নামজারির কাজ করা হবে না বলে জানানো হয়। বাধ্য হয়ে আমার বাবা ৮,০০০ টাকা প্রদান করার পর নামজারির কাজ সম্পন্ন করা হয়। বিষয়টি তদন্ত করে ঘুষ নেওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে যেন কোনো নাগরিককে ঘুষ দিতে না হয়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
আমি একজন গ্রাহক , আমি খাজনার আবেদন যখন করি তখন দেখাচ্ছে ১৯০০ টাকা তারপর যখন নায়েব সাহেবের কাছে যাওয়া হয় ভূমি অফিসে তখন সে করে দিয়েছে 50000 টাকা তখন সে বলে আমাকে ফিফটি পার্সেন্ট দিতে হবে ফিফটি পার্সেন্ট দিলে তারপরে আমি অর্ধেক করে দিব তারপর সে ১১ হাজার টাকা করে দিয়েছে সেটাই হলো প্রমাণ।
মুকসুদপুর থানায় ভুমি অফিসে ৭৫ শতক ভুমি ক্রয় বাবদ রেজিস্টার করতে গেলে লেখক সাবরেজিস্টারের খরচ বাবদ. ৫ ℅ চুক্তি করে নগদ নিয়ে নিলো এবং বল্ল মুকসুদপুর ভুমি অফিসে আগে সাবরেজিস্টার ১% নিত এখন আমাদের. ৫% ছার দিয়েছে। বাধ্য হয়েই ৪৫০০০ টাকা ঘুস দিতে বাধ্য হলাম
নামজারির জন্য, আবেদন করলে কোন কাজ হয় না বাতিল হয় টাকা দিয়ে তিন ধাপে কাজটি হয়?
আমার জমির মিডিসন করার জন্য এ টাকা নেওয়া হয়েছে। টাকা না দিলে মিডিসন করে দিতো না তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।