মৌজা নকশা উত্তোলন
বগুড়া ডিসি অফিসে মৌজা নকশা উত্তোলন করতে সরকারি চালান ৫০০ ও কোট ফি ৪৫ টা নিজে পরিশোধ করেছি । ১৫ দিন পর মৌজা নকশা উত্তোলন করতে গিয়ে সব ঠিক থাকার পর ও চা খাবার জন্য ২০০ টাকা নিয়েছে তারপর স্টোর রুম থেকে নকশা এনে দিয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বগুড়া ডিসি অফিসে মৌজা নকশা উত্তোলন করতে সরকারি চালান ৫০০ ও কোট ফি ৪৫ টা নিজে পরিশোধ করেছি । ১৫ দিন পর মৌজা নকশা উত্তোলন করতে গিয়ে সব ঠিক থাকার পর ও চা খাবার জন্য ২০০ টাকা নিয়েছে তারপর স্টোর রুম থেকে নকশা এনে দিয়েছে।
একটি খতিয়ানের খাজনা/ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের জন্য অনলাইনে আবেদন করি। আবেদনটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে করনিক ভূল দেখিয়ে বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে আমি পুনরাই আবেদন করে অফিসের যোগাযোগ করলে 1500 টাকার বিনিময়ে তারা আবেদনটি সমন্বয় করে দেয়।
আমি সরকারকে ভূমি কর দেওয়ার জন্য ভূমি অফিসে গেলে ঐখানের কর্তব্যরত অফিসার ঘুষ ছাড়া কাজটি করে দিচ্ছিলো না, অনেকবার আবেদন করার পরও সে আমার আবেদনটি অনুমোদন করেনি।
সহকারি কমিশনার ভূমি অফিসে (কোতোয়ালি)গিয়েছিলাম নামজারির জন্য তারা লক্ষ টাকা চাইছে নামজারি করলে এখানে কন্টাক করতে হবে এখানে এভাবেই হয় আপনি যদি চান করতে পারেন, না হলে অন্য কাউকে দিয়ে করাতে পারেন সর্বশেষ ১৬০ হাজার টাকায় সম্মতি দিলাম এবং এটা পরিশোধ করেছি।
আমার জমির বিআরএস খতিয়ান সংশোধনের জন্য আমি ল্যান্ডসার্ভে ট্রাইবুনাল মামলা করি দীর্ঘ ৩ বছর পর আদালত আমার পক্ষে আদেশ দেন। ডিগ্রির আদেশ পাওয়া জন্য পেসকার কে ডিগ্রির আদেশের জন্য ১৫০০০/= টাকা ঘুস দিয়ে আদেশ পাই। অতপর নামজারি জন্য আবেদন করি তসিলদার, কানোনগো, এসিল্যান্ড সবাই মিলে আমার কাছ থেকে ৩০,০০০/= টাকা ঘুস নেয়। হায়রে বাংলাদেশ এমন কোনো জায়গা নাই যেখানে ঘুস লেনদন হয় না।
আমি ভূমি অফিসে গিয়ে ওখানে কর্মরত কর্মকর্তা কাছে গিয়ে বললাম আমার একটি খতিয়ান কপি লাগবে। কর্মকর্তা আমার কথা শুনে একজন পিয়নকে দেখিয়ে দিয়ে বললেন ওনাকে বলেন, আমি পিয়নের সাথে খতিয়ানের কথা বলার পর তিনি আমার কাছে ৫০০টাকা দাবি করেন। আমি প্রথমে ২০০টাকা দিতে চাইলে তিনি বলেন হবেনা, পরে ৫০০টাকা দিয়ে নিতে হয়েছে।
আমি জমির খারিজ করতে গিয়েছি দুই শতাংশ জমি খারিজ করার জন্য আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে তখন আমি আর খারিজ করি নাই আমি বাসায় চলে আসছি সরকারকে টাকা দিব ট্যাক্স দিবো খারিজ করব পঞ্চাশ হাজার টাকা আমার ঘুষ দিতে হবে তাহলে সরকার কিভাবে টাকা পাবে।।।।
আমি একটি ফ্ল্যাটের নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাকে বলা হয়, আপনার জমি এবং আপনি যে এলাকায় বসবাস করছেন, সেটি নিয়ে সরকারি অফিসের সঙ্গে কিছু সমস্যা রয়েছে। এই সমস্যাটি ১৯৮০ সাল এর। তারা বলেছে, আমি যদি ১ লাখ টাকা দিই, তাহলে তারা সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করবে, তবে এর কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারবে না। আমার আপত্তি হলো, সরকারি অব্যবস্থাপনার কারণে এ ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে, আর এই ধরনের মানুষজন সেই সমস্যার সুযোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করে।
ফুলবাড়ী উপজেলার কুড়িগ্রাম ভূমি অফিসের বড়বাবু — একজন ছিলেন কুড়িগ্রামের ডিসি অফিসের হোটেল ব্যবসায়ী সেখান থেকে তিনি ভূমি অফিসে চাকরি নেন এই ব্যক্তি এমন একজন খারাপ লোক তার টেবিলে টাকা ছাড়া সে কোন কিছু বোঝেনা এক টেবিল থেকে আরেক টেবিল ফাইল গেলেই উনাকে টাকা দিতে হয় তিনি প্রচন্ড লেভেলের একজন ঘুষখোর মানুষ
ওই মৌজায় খাস জমি আছে, ১৫০০০ টাকা না দিলে নামজারী হবে না. ১৫০০০ টাকা নিয়ে নামজারি করে দেয়
আমার জমির মিডিসন করার জন্য এ টাকা নেওয়া হয়েছে। টাকা না দিলে মিডিসন করে দিতো না তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
Government Mutation fee is 1100 Taka but when its going to process land oficer asking money 8000 taka. not only me they taking from all people extra money, if any people protest and not paying money they are delaying report
আমাদের নিকট জরিপ অফিসার ৩লক্ষটাকা দাবি করেন, দেরলক্ষ টাকার বিনিময়ে করতে বাধ্য হই, কারণ হিসেবে আমাদের আরএস রেকর্ড মিসিং ছিল, বাকি সমস্ত দলিলাদি ঠিক আছে।
এক শতাংশ জমি খালিশ করতে আট হাজার টাকা চেয়েছিল।
জমি নামজারী করার জন্য কাইতলা ভূমি অফিসে গেলে উনি ৭,০০০/- দাবী করে যার সরকারী ফি ১১৭০/- আমি তা প্রত্যাখান করেছি কিন্ত উক্ত ইউনিয়নের সবাই এই দামেই নামজারী করছে বাধ্য হয়ে
নামজারি উদ্ভট কারণে দিচ্ছে না। টাকা দিলে অনেক পূর্বে হয়ে যেত।
ঢাকা জেলার ধামরাই থানার ভূমি অফিসে আমি আমার এক তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হই। যেখানে একটি খারিজ করতে ১১৭০টাকা সরকারি ফি। সেখানে সেখানে এই টাকা বাদ দিয়ে ও আরো অতিরিক্ত ৮০০০ টাকা করে নেওয়া হয়। এতে আমার ৭টা খারিজ এর জন্য অতিরিক্ত মোট ৫৬০০০টাকা খরচ হয়
নামজারির জন্য, আবেদন করলে কোন কাজ হয় না বাতিল হয় টাকা দিয়ে তিন ধাপে কাজটি হয়?
এক শতাংশ জমি খারিজ করতে ৮ হাজার টাকা চেয়েছিল।
জমির খারিজ করতে গিয়েছলাম, সরকারি ফি ১১৫০টাকা কিন্তু আমাকে দিতে হয়েছিল ৪০০০টাকা প্রায়। তাছাড়া রেজিষ্ট্রেশন খবেনা। তাই বাধ্য হয়ে করতে হয়েছে ২০২১ সালের শেষের দিকে।