জমির মিডিসন
আমার জমির মিডিসন করার জন্য এ টাকা নেওয়া হয়েছে। টাকা না দিলে মিডিসন করে দিতো না তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার জমির মিডিসন করার জন্য এ টাকা নেওয়া হয়েছে। টাকা না দিলে মিডিসন করে দিতো না তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
জমির খারিজ করতে গিয়েছলাম, সরকারি ফি ১১৫০টাকা কিন্তু আমাকে দিতে হয়েছিল ৪০০০টাকা প্রায়। তাছাড়া রেজিষ্ট্রেশন খবেনা। তাই বাধ্য হয়ে করতে হয়েছে ২০২১ সালের শেষের দিকে।
নামজারির জন্য, আবেদন করলে কোন কাজ হয় না বাতিল হয় টাকা দিয়ে তিন ধাপে কাজটি হয়?
ওই মৌজায় খাস জমি আছে, ১৫০০০ টাকা না দিলে নামজারী হবে না. ১৫০০০ টাকা নিয়ে নামজারি করে দেয়
আমাদের নিকট জরিপ অফিসার ৩লক্ষটাকা দাবি করেন, দেরলক্ষ টাকার বিনিময়ে করতে বাধ্য হই, কারণ হিসেবে আমাদের আরএস রেকর্ড মিসিং ছিল, বাকি সমস্ত দলিলাদি ঠিক আছে।
ঢাকা জেলার ধামরাই থানার ভূমি অফিসে আমি আমার এক তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হই। যেখানে একটি খারিজ করতে ১১৭০টাকা সরকারি ফি। সেখানে সেখানে এই টাকা বাদ দিয়ে ও আরো অতিরিক্ত ৮০০০ টাকা করে নেওয়া হয়। এতে আমার ৭টা খারিজ এর জন্য অতিরিক্ত মোট ৫৬০০০টাকা খরচ হয়
এক শতাংশ জমি খারিজ করতে ৮ হাজার টাকা চেয়েছিল।
জমি নামজারী করার জন্য কাইতলা ভূমি অফিসে গেলে উনি ৭,০০০/- দাবী করে যার সরকারী ফি ১১৭০/- আমি তা প্রত্যাখান করেছি কিন্ত উক্ত ইউনিয়নের সবাই এই দামেই নামজারী করছে বাধ্য হয়ে
Government Mutation fee is 1100 Taka but when its going to process land oficer asking money 8000 taka. not only me they taking from all people extra money, if any people protest and not paying money they are delaying report
এক শতাংশ জমি খালিশ করতে আট হাজার টাকা চেয়েছিল।
নিধারিত মূল অনলাইনে পরিশোধ করার পর অফিসে যোগাযোগ করার পর ২৫,০০০/= লাগবে তাহলে কাজ হবে।
নামজারি করার জন্য ঘুষ চাইছে
আমরা ১২ জন ব্যংকার, এমপ্লয়ার হাউজ বিল্ডিং লোনের জন্য, নিজেদের জয়েন্টভেঞ্চারে কেনা জমি মর্টগেজ করতে যাই। ওখান কার সাবরেজিস্টার ভদ্র মহিলাটা আমাদের আইনজীবি কে ডেকে জানিয়ে দেয়, ওরা এতটাকা লোন পাবে, আমার আলাদা বখশিষ লাগবে। জনপ্রতি ৩ হাজার করে মোট ৩৬ হাজার টাকা দিবেন। আমরা আমাদের বাধ্যতামুলক কাজের জন্য, পরে ৩৬ হাজারটাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
জমির রেজিস্ট্রেশন কৃত নামজারি করার জন্য সরকারি ফি ১১০০ টাকা। তবে আমার কাছ থেকে ১৫০০০ হাজার টাকা আদায় করেছে।
গুনবতী বাজারে আমাদের একটি জায়গাতে বিল্ডিং আছে। কিন্তু যাদের থেকে আমরা জায়গা কিনেছিলাম তারা সঠিক ভাবে রেজিস্ট্রি দেয়নি। টা ঠিক করার জন্য আমরা দীর্ঘ দুই বছর ধরে চেষ্টায় আছি। কিন্ত ভূমি অফিসের কর্মচারীরা টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না।
মিউটেশন মামলা নম্বর- — এর প্রস্তাব প্ররণের জন্য আমি ভূমি অফিসে যাই, তারপর ওখানে তহসিলদারের কিছু সহকারী থাকে যারা সরকারি চাকরি করেনা তবে ঐ অফিসে সকল ঘুষ লেনদেন ওদের মাধ্যমেই হয়ে থাকে এর মধ্যে আমি — নামের একজন ওমেদার (পিওন) কে উল্লেখিত মামলাটির প্রস্তাবপত্র প্রেরণের জন্য ৫০০০/- টাকা প্রদান করি তবে আমার কাছে ১০,০০০/- টাকা দাবি করেছেন।
ডিক্রিমূলে নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। তারা এক লক্ষ টাকা দাবি করছে। পরে ৭০০০০ টাকায় মিটমাট হয়। ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি, ৮ মাস হয়ে গেছে এখনো খতিয়ান পাইনি। আমাকে হয়রানি করতেছে।
আমার কাছে টাকা দাবি করে কিন্তু আমি না দিয়ে এখন পর্যন্ত কাজটি করতে পারিনি। শুধু এই টাকা পরিশোধ না করার জন্য।
আমি আমার। মায়ের জমি নামজারি করতে গেলে তারা বলে জমির সমস্যা আছে।। নামজারি হবে না।। দুইদিন কথা বলার পরে এসিল্যাড বলে হবে তবে টাকা লাগবে ৩০০০o হাজার পরে ২৫000 রাজি হয় এবং ২০ দিনে কাজ করে দাও।।আবাদপুকুর বাজার ভুমি অফিস এসিল্যাড — এখন কই আছে জানি না।।
আমি আমার খরিদকৃত জমির নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করি এবং সমস্ত ডোকুমেন্ট নিয়ে উপজেলা ভুমি অফিসে যাই উনারা রিজেক্ট করে দেয় এই বলে যে নামজারি হবেনা পরে উনি ছোট একটা কাগজে ২০০০০ টাকা দিলে নামজারি হবে বলে লিখে দেয় উনার নাম ছিল আব্দুল কাদের উনি ভুমি অফিসের একদম প্রথম টেবিলেই বসতো পরে আমি টাকা না দিয়ে ফাইল নিয়ে চলে যাই এসি ল্যান্ড অফিসে এসি ল্যান্ড সাহেব দায়িত্ব দিলেন কানুন গো কে উনি আমাকে কয়েকদিন ঘুরিয়ে না করে দিল এরপর আবার গেলাম তশহিলদার সাহেবের কাছে গিয়ে দেখি উনি আরো বড় মাপের ঘূষখোর উনি ওপেন ঘুষ নিচ্চেন ফাইলটা উনাকে দেখানোর পর উনি পাঠালেন সেই আব্দুল কাদেরে কাছে পরে আমি বাধ্য হয়ে ১৫০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে নামজারি করতে হইছে এই বছর আমার ওয়াইফ জমির খাজনা দিতে গেলে সেই আব্দুল কাদের রিসিট দিল ১১৫ টাকার কিন্তু টাকা নিল ৫০০ এই বিষয়ে আমি ইউএনও এবং এসিল্যান্ড কে আনফিসিয়ালি জানিয়েও কোন সুফল পাওয়া যায়নি