খাজনা প্রদান
ভুমি দর খাজনা প্রদান করতে গিয়েছিলাম। তিনটি জায়গার খাজনা। আমার কাছে 3000 চেয়েছে। আমি বলেছি, আগে খজনার অনুমতি দিন, আমি একহাজার দিব। তিনি ঠিক করে দিলেন। কিন্তু আমি টাকা দেই নি। তিনটি জায়গায়তে খাজনা এসেছে 6600 টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভুমি দর খাজনা প্রদান করতে গিয়েছিলাম। তিনটি জায়গার খাজনা। আমার কাছে 3000 চেয়েছে। আমি বলেছি, আগে খজনার অনুমতি দিন, আমি একহাজার দিব। তিনি ঠিক করে দিলেন। কিন্তু আমি টাকা দেই নি। তিনটি জায়গায়তে খাজনা এসেছে 6600 টাকা।
আমার বাবা হেবা আইনের মাধ্যমে আমাদের তিন ভাইকে মাটি লিখে দেয়। আমার বাবা আজীবন করদিয়া আসছে। এখন যখন জমি খারিজ করতে যাই নিজের নামে তখন ভূমি অফিস অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা চাই। উনাদের ভাষ্যমতে এই জমির মালিক হিন্দু ছিল এখন আমরা নির্যাতন করছি কিনা তা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে। এই মাটিটা আমার বাবা যার কাছে কিনছে সেও ছিল মুসলমান এবং উনি যার কাছে কিনছে সেও ছিল মুসলমান। আমার বাবা আনুমানিক 1995 সালে এই মাটি কিনে এবং খাজনা দেয়। এখন ভূমি অফিস হিন্দুদের মাটি বলে ভয় দেখিয়ে খারিজ হতে দিবা না এই মর্মে দশ হাজার টাকা দাবি করে। আমার খারিজ একটু জরুরী ছিল বিধায় ১০ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে নিরুপায় হয়ে। ভূমি অফিসে দৌরাত্ম অনেক বেশি।
নামজারির কারণে চেয়েছিল
RAJBARI VUMI KHAJNA .ROSHID DHAY 7000 TAKA
ভুমি কর, পরে আমাকে ৬হাজার টাকার কর রশিদ দেয়। রাজবাড়ী ৭ নং শহিদ ওহাব পুর
সালাম, আমার দাদার নামে দলিল আছে । আমার দাদা নেই এবং দাদা ক্রয় করা সম্পতি তার ভাই ভুয়া দলিল দিয়ে নিজের নামে আর আস পর্চ বানিয়ে ফেলেছে । তারপর আমার বাবা গত ৫ বছরে কোর্টে মামলা করেছে এবং মামলা রায় হয়েছে আমার দাদার নামে। কিন্তু চাঁদপুর ভূমি অফিস থেকে আমাদের নামজারি মঞ্জুর নিচ্ছে না। কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও দালাল এসব করছে কিনা সেটা দেখার বিষয় । এই সময় আমাদের ফ্যামিলি অনেক জমেলা হয়েছে এবং আমাদের ওই মামলা সমাধান করতে হলে তাদের টাকা দিতে হবে । এই দেশে মহামান্য আদালত তাদের রায় দিয়েছে সেটা পর্যন্ত তারা তাদের রায় কার্যকর করছে না। এই বিষয় চাঁদপুর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত বক্তব্য জমা করলাম।
পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমির নামজারির জন্য শতাংশ প্রতি ১ হাজার টাকা করে দাবি করা হয়েছে।
ভূমি অফিসে নায়কের কাছে যাওয়াই অনলাইন খাজনা পেমেন্ট করার সময় ১১ হাজার টাকা দেখাই ছিল সেইখানে ৫০০০ টাকায় অন্য দালালে করে দিতে চাইছে আমি সেই দালালের প্রথি বেছে নিলাম সরকারে পেল 134 টাকা ৪৮৬৬ টাকা পেল দালাল
কালীগঞ্জ উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার টাকা ছাড়া কিছু বুঝেছি,অফিস সপ্তাহে ২ দিন, রাত পর্যন্ত টাকার বিনিময়ে কাজ করে।
kono ghush dainee, kintu khajnar taka nayna. bolay system operate kora na. sarkarer ki khajna dorkar nai. chor saklan. ki chai era. kono ghuse dai ne . chay nee .
যে ভূমির উপর ভবন নির্মাণ হবে তার উপজেলা ভূমি অফিস থেকে সার্ভে টিমের মাধ্যমে সার্ভেইং করাতে হয়।ঘটনাটি গত দু'মাস পূর্বে এই মর্মে উপজেলা এল জি ইডি অফিস থেকে উপজেলা প্ল্যানের এপ্রোবাল এর প্রয়োজনে সীতাকুণ্ড উপজেলা ভূমি অফিসে সার্ভে রিপোর্টের জন্য আবেদন করি, সার্ভেয়াররা আবেদনে প্রেক্ষিতে প্রায় এক সপ্তাহ পরে ভূমির স্থলে যায় এবং আরো এক সপ্তাহ পরে রিপোর্ট তৈরি করে প্রতিবেদন আকারে এসিল্যান্ড অফিসে পাঠায় যার জন্য ৫০০০/- টাকা নগদ আদায় করে। পরবর্তীতে এসিল্যান্ডের সহ কর্মকর্তা দালাল মারফতে ২৫০০০/- টাকা দাবি করে আমরা নিরুপায় হয়ে ২০০০০/- টাকায় এসিল্যান্ডের সাইন নিতে পেরেছি। এভাবে নিয়মিত ল্যান্ড ক্লিয়ারেন্স রিপোর্টের নামে এই রিপোর্ট পেতে ভূমি মালিকদের ঘাম ছুটে যাচ্ছে।
দৌলতপুর তফসিল অফিস, যা খুলনায় অবস্থিত এখানে নামজারি করতে হলে অবশ্যই এই পরিমাণ অর্থ দিতে হয় অন্যথায় ভোগান্তি এবং বারবার তা ক্যান্সেল করা হয়।
আমাকে বলল আবাদিজমি কিন্তু শ্রেণি ভিটা আছে ১ একর খাজনা পরবে ৪২ হাজার,১০০০০ টাকায় সেই খাজনা হলো ৪৫০০
উত্তরা ৬ নং সেক্টরে রাজউক অফিসে গিয়েছিলাম আট তালা বিল্ডিং এর প্লেন পাস করার জন্য। ওই অফিসের পিওন থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা লোক ঘুষখোর। তারা ঘুষ ছাড়া কোন কথাই বলে না। আমার কাছে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছে। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছি।
১৩০০০০০ টাকা পরিশোধ করেছি, আরো কত টাকা লাগে জানি না। ইউনিয়ন ভুমি অফিস, উপজেলা ভুমি অফিস, ডিসি, এডিসি রেভিনিও, বিভাগীয় কমিশনারের অফিস পর্যন্ত এত টাকা খরচ হয়েছে। যা আরো চলমান রয়েছে। কত টাকা যাবে এখন ও জানিনা। এখন ও কোন সমাধান পাইনি।আল্লা ভালো জানে।
মিউটেশন এর জন্য আবেদন করেছিলাম।খতিয়ান সার্টিফাইড কপি লাগবে বলে ।এর জন্য আবেদন ফরম দিয়ে আবেদন করি।কিন্তু কেউ সাহায্য করে না।বলে যে এটা দেয় সে নাই। কিছুক্ষণ পরে একজন মোবাইল নম্বর নেয় এবং ১০০০ টাকা দিতে বলে এবং ১ সাপ্তাহ এর মধ্যে দিবে বলে । আমি ট্যাকনিক্যালি বের হয়ে চলে আসি।
আমার প্রাপ্ত ওয়ারিশান সম্পত্তি আমার ভাইয়েরা খারিজ করে নিলে, ভূমি অফিস সদরে এক মিসকেস দায়ের করি৷ আমার মিসকেস অকারনেই মাসের পর মাস ঘুরিয়ে আমাকে ঘুষের অফার করে । আমি উপায়ন্তর না পেয়ে ২৫০০০০ ( আড়াই লক্ষটাকা) ঘুষ দিই। ঘুস নেওয়ার পরও আমাকে ঘুরাচ্ছে।আরও চাই ঘুষ। কিন্তু আমি অপারগ।
সার্ভেয়ার, এবং কানুনগো এর সহকারী বা অফিস এসিস্ট্যান্ট এর মাধ্যমে রুমের বাইরে টাকা দাবী করা হয়েছিল, এবং অফিসের বাইরে চায়ের দোকানে টাকা পরিশোধ করতে হয়েছিল।
৬বার আবেদন করেছি ৭শতাংশ জমির খাজনা দেয়ার জন্য কিন্তু প্রতিবান বলেছে সার্ভারে আসেনা, এভাবে একে একে ৬ বার আবেদন এ ৬০০ টাকা দিয়েছি পরে অন্য একজন পাঠিয়েছি তিনি চা পানির খরচা দিতে চেয়েছেন আর কাজ করে দেয়ার দেবার জন্য, ১০০০০ টাকা তাকে দেয়া হয়েছে ৭ বছরের খাজনা দেয়ার জন্য এই টাকা দেয়ার পরে উনি সার্ভারে তত্থ্য খুজে পায় আর আমাদের খাজনা পরি শোধ হয়
আমি একটা জমির পর্চা দেখতে চেয়েছিলাম।