নামজারী
সার্ভেয়ার, এবং কানুনগো এর সহকারী বা অফিস এসিস্ট্যান্ট এর মাধ্যমে রুমের বাইরে টাকা দাবী করা হয়েছিল, এবং অফিসের বাইরে চায়ের দোকানে টাকা পরিশোধ করতে হয়েছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সার্ভেয়ার, এবং কানুনগো এর সহকারী বা অফিস এসিস্ট্যান্ট এর মাধ্যমে রুমের বাইরে টাকা দাবী করা হয়েছিল, এবং অফিসের বাইরে চায়ের দোকানে টাকা পরিশোধ করতে হয়েছিল।
দৌলতপুর তফসিল অফিস, যা খুলনায় অবস্থিত এখানে নামজারি করতে হলে অবশ্যই এই পরিমাণ অর্থ দিতে হয় অন্যথায় ভোগান্তি এবং বারবার তা ক্যান্সেল করা হয়।
উত্তরা ৬ নং সেক্টরে রাজউক অফিসে গিয়েছিলাম আট তালা বিল্ডিং এর প্লেন পাস করার জন্য। ওই অফিসের পিওন থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা লোক ঘুষখোর। তারা ঘুষ ছাড়া কোন কথাই বলে না। আমার কাছে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছে। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছি।
মিউটেশন এর জন্য আবেদন করেছিলাম।খতিয়ান সার্টিফাইড কপি লাগবে বলে ।এর জন্য আবেদন ফরম দিয়ে আবেদন করি।কিন্তু কেউ সাহায্য করে না।বলে যে এটা দেয় সে নাই। কিছুক্ষণ পরে একজন মোবাইল নম্বর নেয় এবং ১০০০ টাকা দিতে বলে এবং ১ সাপ্তাহ এর মধ্যে দিবে বলে । আমি ট্যাকনিক্যালি বের হয়ে চলে আসি।
আমাকে বলল আবাদিজমি কিন্তু শ্রেণি ভিটা আছে ১ একর খাজনা পরবে ৪২ হাজার,১০০০০ টাকায় সেই খাজনা হলো ৪৫০০
আমার প্রাপ্ত ওয়ারিশান সম্পত্তি আমার ভাইয়েরা খারিজ করে নিলে, ভূমি অফিস সদরে এক মিসকেস দায়ের করি৷ আমার মিসকেস অকারনেই মাসের পর মাস ঘুরিয়ে আমাকে ঘুষের অফার করে । আমি উপায়ন্তর না পেয়ে ২৫০০০০ ( আড়াই লক্ষটাকা) ঘুষ দিই। ঘুস নেওয়ার পরও আমাকে ঘুরাচ্ছে।আরও চাই ঘুষ। কিন্তু আমি অপারগ।
কালীগঞ্জ উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার টাকা ছাড়া কিছু বুঝেছি,অফিস সপ্তাহে ২ দিন, রাত পর্যন্ত টাকার বিনিময়ে কাজ করে।
৬বার আবেদন করেছি ৭শতাংশ জমির খাজনা দেয়ার জন্য কিন্তু প্রতিবান বলেছে সার্ভারে আসেনা, এভাবে একে একে ৬ বার আবেদন এ ৬০০ টাকা দিয়েছি পরে অন্য একজন পাঠিয়েছি তিনি চা পানির খরচা দিতে চেয়েছেন আর কাজ করে দেয়ার দেবার জন্য, ১০০০০ টাকা তাকে দেয়া হয়েছে ৭ বছরের খাজনা দেয়ার জন্য এই টাকা দেয়ার পরে উনি সার্ভারে তত্থ্য খুজে পায় আর আমাদের খাজনা পরি শোধ হয়
আমি নামজারি এর জন্য যাই কিন্তু এই কাগজ কম আছে নানা রকম বাহান করে। যখন ২০০০ টাকা পরিষোধ করি তখন আর কিছুই লাগে নাই৷ দিয়ে দিছে ফাইল
গফরগাঁও রসুলপুর ইউনিয়ন ভুমি অফিসে
খতিয়ানে জমির পরিমাণ কথায় ভুল ছিল। তিন এর জায়গায় দুই এটা , কিন্তু এটা ঠিক করতে ১০,০০০ টাকা প্রয়জন 🤣
দ্রুত মিউটেশন করে দিবে বলে পরে আমি একাএকাই করেছি ১২০০ টাকা খরচ হয়েছে
আমি ১৩ই জুলাই ২০২৫ এ বগুড়া সদর ভূমি অফিসে মিসকেসের জন্য আবেদন করেছি। অদ্যাবধি কোন ম্যাসেজ পাইনি। অফিসে গেলে বলে তদন্তে আছে। অথচ আমার গ্রামের একজন আমার অনেক পরে আবেদন করার পরও শুনানী হয়ে গেছে। কারণ সে খরচাপাতি দিয়েছে। আমার কাছে কেউ টাকা চায়নি তাই দেয়ার প্রশ্নই আসেনা।
লিগেল ভাবে করলে জামেলায় পড়বেন আর টাকা দিয়ে করলে আরামে হয়ে যাবে
আদালতের আদেশ থাকা সত্ত্বেও, নামজারি করতে চায় না
আমার ব্যাক্তিগত জমির রেকর্ড ও খতিয়ান সংক্রান্ত ভুলের জন্য ভূমি অফিসে সেবা নিতে গেলে ভূমি কর্মকর্তা ৬০০০০ টাকা ঘুষের দাবি করেন,,। আমি ঘুষ প্রত্যাখ্যান করি। কিন্তু অনেক গরীব অসহায় ব্যক্তি হয়রানি না হওয়ার জন্য ঘুষ দিয়ে ভূমি অফিসের সেবা গ্রহণ করেন।
Theres no way to complete it without additional amount.
আমি আমার জমির নামজারি (মিউটেশন) করাতে গিয়েছিলাম, কিন্তু অতিরিক্ত ৮,০০০ টাকা না দেওয়ায় ব্যর্থ হয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত টাকাটা দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করলাম।
জমি নামজারি করার জন্য। হালুয়াঘাট ভূমি অফিসকে ৭০ ০০০ টাকা আমার দিতে হয়ে ছিল।
জমি মিউট্রিশনের জন্য গিয়েছিলাম। সকলে মিলে মিষ্টি খাওয়ার জন্য ৩০০০ টাকা চেয়েছিল আমি দেয়নি। পরে আবেদন এসিল্যান্ড নতুন আবার আবেদন করুন, এই দায় দিয়ে আমার আবেদন খারিজ করে দেয়।