খারিজ +মিস কেস
খারিজ এবং খতিয়ান বা নামজারি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
খারিজ এবং খতিয়ান বা নামজারি
জমি খারিজ করতে গেলে বা সেখানে অনলাইন কোনো সেবা নিতে গেলে বখশিস দেওয়া লাগে। আর খারিজ করতে গেলে অনেক ঝামেলা আর অনেক টাকা লাগে
জমির খারিজ করতে গেলে সরকারি ফি এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা ৫০০০ টাকা দাবি করে ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এসিস্ট্যান্ট। তার বাড়ির পাশেই অফিস তাই ওর দূর্নীতি বেশি।
সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে রেকর্ড সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম সেখানে এই অর্থ দাবি করা হয়েছে আমি এখনো দেইনি
আমি আশুলিয়া সাব রেজিস্ট্রার অফিসে একটা জমি বিক্রি করতে গেছিলাম । তো আমার জমিটা খালি ছিল । সামনে অল্প একটু দোকানের মতো ছিল যেখানে দু তিনটা রিক্সা রাখত । ওই জায়গা বিক্রি করার সময় সাব রেজিস্ট্রার গুগলে চার্জ দিয়ে দেখে যে ওইখানে স্থাপনা আছে অল্প একটু স্থাপনা । উনি এটার জন্য তিরিশ হাজার টাকা ডিমান্ড করে এবং তিরিশ হাজার টাকা উনাকে দিয়ে আমার জমির রেজিস্ট্রি করতে হয়েছে ।
নিজে নিজে নামজারী করেছি ৩ বার কিন্তু বিভিন্ন ছোট কারন দেখিয়ে বাতিল করেছে! পরে ষুষ দিয়ে নামজারী সম্পন্ন হয়েছে।
প্রায় ৫ বছর আগে আমি আমার জমির নামজারি/খারিজ করার জন্য সিঙ্গাইর, জয়মণ্ডপ ভূমি অফিসে যাই। সেখানে নামজারি/খারিজের কাজ করে দেওয়ার জন্য আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি এত টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এবং টাকা দিতে না পারায় আমার জমির নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করতে পারিনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমার নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি।
গাজীপুর, সেটেলমেন্ট অফিস, মৌজা কলমেশ্বর, বোর্ডবাজার, রেকর্ড ও জরিপ বিডিএস মাঠ পর্চা আমাদের চারটি পর্চার জন্য এক লক্ষ টাকা চায়, আমি তাদের সাথে কথা বললে তারা আমার জমির বিভিন্ন সমস্যার আছে বলে জানায়, এরপর আমি জোনাল অফিসারের সাথে কথা বলি, তিনি উপ সেটেলমেন্ট অফিসারের সাথে কথা বললে এরপর আমার আমি পচা পাই। আমার সাথের বিভিন্ন জমি ও বাড়িওলা আমাকে জানিয়েছে প্রতিটি বিডিএস মাঠ পর্চার জন্য ২০ হাজার থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিয়েছে। অধিকাংশ মানুষের জমির কাগজপত্র সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নেই এতে সেটেলমেন্ট অফিস সুযোগ নিচ্ছে এবং অনেক জমিও বাড়িওয়াল তাদের ভয়ে ভীত। প্রতিটি মৌজায় শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি করছে।
আমি বাহাদুরপুর মৌজায় ১৮ শতাংশ চাষের জমি ক্রয়ের জন্য ডুমুরিয়া সাবরেজিস্টার অফিসের একজন দলিল লেখকের স্মরনাপন্ন হই। তিনি আমাকে বলে সব খরচ বাদদিয়ে সাবরেজিস্টারকে ১০০০০ টাকা দিতে হবে।তানাহলে নানাবিধ সমস্যা হবে আর টাকা দিলে একবারে হয়ে যাবে। আমি হয়রানি এড়ানোর জন্য টাকা দিয়ে দেই।পরে দেখি আমার অনুপস্থিতিতেই জমি আমার নামে রেজিষ্ট্রি হয়ে গেছে
আমি জমির খাজনা দিতে যাই কিন্ত আগের রশিদ না থাকার কারণে আমার কাছে 16000 টাকা দাবি করে তারপরে আমার কাছে থেকে ২৫০০ টাকা নিয়ে ৪২৭ টাকা খাজনা দিয়ে আমাকে রশিদ দেয়,,,,,,
একটি নামজারি খতিয়ান করতে দিছিলাম। কোন মতেই ৩০০০০ টাকার কমে হবে না। আমাদের এখানে সর্বনিম্ন খতিয়ান করতে টাকা নেই ১২ হাজার থেকে ১৪ হাজার। যদি দলিল পুরানো হয় তাহলে ৩০-৪০ হাজার টাকা নেয়। জমির খাজনা বা tex দিতে গেলে ঠিক একই সমস্যা যদি তাদেরকে কিছু টাকা দেওয়া হয় তাহলে করের পরিমাণ কমিয়ে দেয় যদি না দেয় তাহলে সেটা অনুমোদন করে না।
একজন কর্মচারী নাফিউল্্লিাম
তারা টাকা না দেয়া পজন্ত ঘুরায় আমি দুই মাস ঘুরে সেস পজন্ত টাকা দিতে বাধো হলাম কারন আমার পাসপোর্ট নবাওন করার জন্নো
270 টাকা খাজনা বলে পূর্বের এস এ খতিয়ান নাই তাই পূর্বের কোন হিসাব আমাদের কাছে নাই ।
আমার জমি শতভাগ দলিলাদী সঠিক থাকর পরেও,পাবনা জেলা,সদর উপজেলা,হেমায়েতপুর ইউনিয়ন এর ভূমি অফিসে — নামের এক ব্যাক্তি, আমার জমি নামজারি করে দেওয়ার জন্য 10000 টাকা দাবি করে, এর সাথে — নামের ছেলে টাও দাবি করে। কিন্তু ওই খানকার — খুব ভালো।
নতুন জমি কিনে নিজের নামে খারিজ করার জন্য অপেনলি ঘুশ লেন দেন হয়।
নামজারি আবেদন করা আমি নির্ধারিত ফি জমা দিয়েছে কিন্তু তারা আমার আবেদন মঞ্জুর করে নাই
জমির মিউটেশনের জন্য আবেদন করলে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস থেকে কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য ইউনিয়ন ভুমি অফিসে প্রেরণ করেন। আর সেখানেই ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা ঘুষ দাবি করেন।
৮ শতাংশজমির মালিকের নাম অনলাইনে উঠানোর জন্য
নামজারী করতে অফিস ভেদে এই পরিমান বা তার চেয়ে বেশী লাগে যেটা সর্বোচ্চ ৫লক্ষ টাকাও হয়। এবার পদ্ধতি বলি। নামজারী আবেদন অনলাইনে জমা দেয়ার পর কোন প্রকার হার্ড কপি জমা দেয়ার বিধান না থাকলেও হার্ড কপি জমা না দিলে আবেদন পড়ে থাকবে কয়েক মাস। তারপর ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা কাগজপত্র যাচাই না করেই একটা ভুতুড়ে রিপোর্ট দিবেন না মঞ্জুরের জন্য। এসি ল্যান্ড শুনানি না করেই না-মঞ্জুর করে দিবেন অথবা পুনরায় আবেদন করতে বলবেন অথবা সকল মূল দলিল, পর্চা তুলে আনতে বলবেন যেটার খরচ চলে যাবে ১৫০০০টাকা। এই হল সিস্টেম। আরো অনেক কিছু জানাতে পারব কিন্তু লেখার জায়গা নেই।