যেকোনো অনলাইন কাজ
জমি খারিজ করতে গেলে বা সেখানে অনলাইন কোনো সেবা নিতে গেলে বখশিস দেওয়া লাগে। আর খারিজ করতে গেলে অনেক ঝামেলা আর অনেক টাকা লাগে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি খারিজ করতে গেলে বা সেখানে অনলাইন কোনো সেবা নিতে গেলে বখশিস দেওয়া লাগে। আর খারিজ করতে গেলে অনেক ঝামেলা আর অনেক টাকা লাগে
সাভার সেটেলমেন্ট অফিসে রেকর্ড সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম সেখানে এই অর্থ দাবি করা হয়েছে আমি এখনো দেইনি
প্রায় ৫ জাবত আমি আমার জমির নামজারি/খারিজ করার জন্য সিঙ্গাইর, জয়মণ্ডপ ভূমি অফিসে যাই। সেখানে নায়েব আমার জমির নামজারি/খারিজের কাজ করে দেওয়ার জন্য আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি এত টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এবং টাকা দিতে না পারায় আমার জমির নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করতে পারিনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমার নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি। আমি একজন মহিলা মানুষ আমার কেও নাই 🙏
একজন কর্মচারী নাফিউল্্লিাম
জমির খারিজ করতে গেলে সরকারি ফি এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা ৫০০০ টাকা দাবি করে ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এসিস্ট্যান্ট। তার বাড়ির পাশেই অফিস তাই ওর দূর্নীতি বেশি।
আমি বাহাদুরপুর মৌজায় ১৮ শতাংশ চাষের জমি ক্রয়ের জন্য ডুমুরিয়া সাবরেজিস্টার অফিসের একজন দলিল লেখকের স্মরনাপন্ন হই। তিনি আমাকে বলে সব খরচ বাদদিয়ে সাবরেজিস্টারকে ১০০০০ টাকা দিতে হবে।তানাহলে নানাবিধ সমস্যা হবে আর টাকা দিলে একবারে হয়ে যাবে। আমি হয়রানি এড়ানোর জন্য টাকা দিয়ে দেই।পরে দেখি আমার অনুপস্থিতিতেই জমি আমার নামে রেজিষ্ট্রি হয়ে গেছে
হেয়ানক ইউনিয়নের টাইম বাজারের খাস জমি আমার পিতা একজনের কাছ থেকে ৪০ বছর পূর্বে কৃরয় করে ও উপজেলা প্রশাসন হতে লিজ নিয়ে আমরা ভোগ দখল করছি। সম্প্রতি ২০২৫ সালে পুনরায় লিজ নেওয়ার জন্য/ দাখিলা পরিশোধপর পত্র প্রেরন করা হলে আমরা মহপশখালী উপজেলার সাবেক এসিল্যান্ড —-এর কাছে আবেদন করি। এসিল্যান্ড ইউনিয়েনের দায়িত্বপ্রাপ্ত তফশীলদারকে (—) তদনৃত রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশনা প্রদান করেন। কিন্তু এসিল্যান্ড বদলী হওয়ায় তফশীলদার — ঘুষ ছাড়া (৫০০০০/-) টাকা রিপোর্ট দিবে না মর্মে অবহিত করেন, যা পরবর্তীতে তফশীলদার —কে নগদ ৩৫০০০/- টাকা স্বাক্ষীসহ প্রদান করে সমাধান করতে হয়েছে
জমি খারিজ করার জন্য দাবি করেন। টাকা নাদিলে খারিজ হবে না বলে দিয়েছে
আমার বাবার জমির একটা খতিয়ান তুলতে গিয়ে সেটি সমস্যা আছে বলে আমার কাছে ৩০০০ টাকা দাবি করে।।কোনো উপায় না পেয়ে আমি সেই টাকা দিয়ে দিই।।দারুসা ভুমি অফিস
আমার জমি রেলওয়ে অধিগ্রহণ এর মধ্য পরে। এর মধ্য আমার জমি ও বাড়ি থাকায় ঠিক মত আমার বাড়ি লেখা হয় নাই যে কারনে আমার কাছে ১৫লক্ষ টাকা দাবি করে ভূমি পরিদর্শক করা এবং তারা আমাকে আস্থা রাখতে বলে তাদের উপর টাকা দিলেই সব ঠিক করে দিব না হলে আমাদের পেছন পেছন ঘুরতে ঘুরতে শেষ হয়ে যাবেন আর টাকা উঠাতে পারবেন নাহ। পরে তাদের বুঝিয়ে কোন মতে NGO আর কিছু আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে ধার করে তাদের ঘুষ এর ১০লক্ষ টাকা দেই। পরে আমার অধিগ্রহণের টাকা টার চেক প্রদান করে। মাওয়া হতে ভাংগা পযন্ত যেখানে রেলওয়ে ভূমি অধগ্রহণ করেছে সকলের থেকে চেক এর ১০-৩০ +% টাকা ঘুষ আগে নিয়েছে পরে চেক দিচ্ছ না হয় হয়রানি করেছে। আমার এক পরিচিত লোক ঘুষ না দেওয়ায় এখন ও চেক নিতে পারে নাই।
সাতক্ষীরা - কালীগঞ্জ উপজেলার ভূমি অফিস খাজনা ও নামজারীর টাকা না দিলে আবেদন পড়ে থাকবে ।
Went to file namjari. Had to pay someone for them to just search for my file.
আমার ১৩ শতাংশ ক্রয়কৃত একটি জায়গা সরকারের নামে রেকর্ড হয়ে যায়। জমিটি নামজারি করা ছিলো না।পরবর্তীতে জমিটি বিক্রি করতে গেলে বিষয়টি অবগত হই। দীর্ঘ তিন বছর মামলা চলার পর কোর্ট আমার পক্ষে রায় দিয়ে নামজারি করার অনুমতি দেয়। যার মাধ্যমে (এলাকায় পরিচিত দালাল) আমি জমিটির মামলা পরিচালনা করি উনি জমিটি নামজারি করার জন্য ৯০ হাজার টাকা দাবি করে অথচ সম্পূর্ণ জমিটির তখন বাজার মূল্য ৮ লাখ টাকা। আমার ইউনিয়ন সাব রেজিস্ট্রার এর সাথে আলোচনা করে উনার থেকে আর বের হতে পারি নি। তখন জমি সংক্রান্ত ধারণা কম থাকার কারণে ত্রিশাল উপজেলার আমিরাবাড়ি ইউনিয়ন এর সাব রেজিস্ট্রার কে দিয়ে ১৩ শতাংশ ৭৯ হাজার টাকায় নামজারি সম্পন্ন করি। এবং ঐ সাব রেজিস্ট্রার ৮০ টাকার একটি খাজনা রশিদ ধরিয়ে দিয়ে আরো ৫ হাজার টাকা নেয়।
সোনাহার বাজার, এটা একটা ইউনিয়ন এর মুল বাজার, এখানে অনেক খাস জমি আছে । উল্লেখ্য এখানে বর্তমান পাকা রাস্তা হওয়ার পূর্বে অন্য একটা রাস্তা ছিলো । নতুন পাকা রাস্তা হওয়ার সময় যে ব্যাক্তিমালিকানা জমির উপর দিয়ে এই রাস্তা হয়েছে সে জমির মালিক/মালিকগনকে পূর্বের কাচা রাস্তাটা ছেড়ে দেয় ও সে প্রেক্ষিতে DCR প্রদান করা হয় হাট চান্দিনা হিসেবে । উল্লেখ্য গ্রামের সাধারণ মানুষ অনেকেই সেখানে দোকানঘর স্থাপন করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে । বর্তমানে স্থানীয় ভুমি অফিস এই যায়গাকে তোহা মার্কেট হিসেবে মিথ্যা উপস্থাপন করে সেখানে থাকা ব্যাবসায়িদের উপর এক কৃত্রিম চাপ সৃষ্টি করে বিভিন্ন ব্যবসায়ি থেকে বিভিন্ন পরিমান অর্থ নিয়েছেন যা হাট চান্দিনা হিসেবেই প্রমানিত । অথচ এর পরেও তাদের DCR প্রদান করা হচ্ছে না কোনো অজানা কারনে ।
খাজনা দিতে গেছি।১৯৮৯ সাল থেকে খাজনা শুরু।মোট ১১,০০০ টাকা মতো হয়।দিয়েছি।পরে উনি ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কম্পিউটার সাল ইডিট করে ২০২২ থেকে ২০২৩,দুই বছর বাকী দেখিয়ে দুইবছরের টাকার রশিদ দিয়েছে।কিন্তু টাকা নিয়েছে প্রায় ৩০ বছরের।
খতিয়ান সংশোধনের জন্য টাকা দাবি
Jehetu nam phone number dite parbo na ,tai Ami Amar history ta o bollam na . Jokhon apnar nam phone details lekhar niyom korben tokhoni puro history likbo. So thanks for this platform.
এখানে জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে তারা ৫০০০ টাকা করে অতিরিক্ত নিয়ে নেই এ ৫ হাজার টাকা পরিশোধ না করলে কোন রকম জমি রেজিস্ট্রি হতে পারে না এই ৫০০০ টাকা কোথায় যায় আমি ঠিক জানিনা আর অতিরিক্ত অনেক চার্জ রয়েছে যেমন যারা চালান দেয় তাদেরকে টাকা দিতে হয় এখানের প্রায় সকল কর্মচারী ও কর্মকর্তা জড়িত আমি যতবার দলিল করতে গিয়েছি ততবার এ সমস্যায় পড়েছি
নাম খারিজ করে দেয়া জন্য দাবী করা হয়ে ছিলো। সরকারি ফির এর অতিরিক্ত।
আমার খাজনা দাদার আমল থেকে অপরিশোধিত। বিভিন্ন সময় যখন জমি কেনাবেচা হয়েছে তখনও শুধু ঘুষ দিয়ে তা সম্পন্ন হয়েছে কিন্তু খাজনার মূল বহিতে তা উঠেনি। গত মে তে স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে তারা নিজেরাই অনলাইন আবেদন করে এবং আমাদের বলে যে প্রায় ৩০০০০ টাকা বাকি আছে। আমরা হতাশ হই এবং ফিরে আসার মূহুর্তে তারা অফার দেয় যে আমরা চাইলে তা অর্ধেকে নামবে কিন্তু কিভাবে জানতে চাইলে তারা বলে তা জেনে লাভ নাই বাকি শূন্য দেখালেই তো হলো এবং পরবর্তীতে শুধু হাল পরিশোধ করতে হবে। এই বলে তাঁরা ২০০০০ টাকা নেয় কিন্তু আমাদেরকে দেওয়া রশিদে মাত্র ২০০০ টাকাতেই সব বাকি পরিশোধ দেখায়। এই হলো দেশ ও পরিচালন ব্যবস্থা। প্রশ্ন হলো, দিলাম কেন? লাভ নেই, প্রতিবাদ করলে তো লোকে আমাকেই চোর বলবে।