নামজারি
ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার সময় টাকা চাওয়া হয়েছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার সময় টাকা চাওয়া হয়েছিল
প্রস্তাবিত খতিয়ান নাম্বার প্রাপ্তি
Court er mamla todonto kore ,taka khea Mitha report, Sothik report dite bolle taka chay
namjari kotian korte dicilm fatikchori Bomi ofiice e. orana 12000 tk ghush dia amr namjariti korte hoyce.
একটি অভিযুক্ত ঘুষের রিপোর্ট করুন। বেনামী। কোনো অ্যাকাউন্ট নেই। কোনো পরিচয় ঘর নেই। প্রকাশের আগে পর্যালোচনা করা হয়।
আমার খাজনা দাদার আমল থেকে অপরিশোধিত। বিভিন্ন সময় যখন জমি কেনাবেচা হয়েছে তখনও শুধু ঘুষ দিয়ে তা সম্পন্ন হয়েছে কিন্তু খাজনার মূল বহিতে তা উঠেনি। গত মে তে স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে তারা নিজেরাই অনলাইন আবেদন করে এবং আমাদের বলে যে প্রায় ৩০০০০ টাকা বাকি আছে। আমরা হতাশ হই এবং ফিরে আসার মূহুর্তে তারা অফার দেয় যে আমরা চাইলে তা অর্ধেকে নামবে কিন্তু কিভাবে জানতে চাইলে তারা বলে তা জেনে লাভ নাই বাকি শূন্য দেখালেই তো হলো এবং পরবর্তীতে শুধু হাল পরিশোধ করতে হবে। এই বলে তাঁরা ২০০০০ টাকা নেয় কিন্তু আমাদেরকে দেওয়া রশিদে মাত্র ২০০০ টাকাতেই সব বাকি পরিশোধ দেখায়। এই হলো দেশ ও পরিচালন ব্যবস্থা। প্রশ্ন হলো, দিলাম কেন? লাভ নেই, প্রতিবাদ করলে তো লোকে আমাকেই চোর বলবে।
সোনাহার বাজার, এটা একটা ইউনিয়ন এর মুল বাজার, এখানে অনেক খাস জমি আছে । উল্লেখ্য এখানে বর্তমান পাকা রাস্তা হওয়ার পূর্বে অন্য একটা রাস্তা ছিলো । নতুন পাকা রাস্তা হওয়ার সময় যে ব্যাক্তিমালিকানা জমির উপর দিয়ে এই রাস্তা হয়েছে সে জমির মালিক/মালিকগনকে পূর্বের কাচা রাস্তাটা ছেড়ে দেয় ও সে প্রেক্ষিতে DCR প্রদান করা হয় হাট চান্দিনা হিসেবে । উল্লেখ্য গ্রামের সাধারণ মানুষ অনেকেই সেখানে দোকানঘর স্থাপন করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে । বর্তমানে স্থানীয় ভুমি অফিস এই যায়গাকে তোহা মার্কেট হিসেবে মিথ্যা উপস্থাপন করে সেখানে থাকা ব্যাবসায়িদের উপর এক কৃত্রিম চাপ সৃষ্টি করে বিভিন্ন ব্যবসায়ি থেকে বিভিন্ন পরিমান অর্থ নিয়েছেন যা হাট চান্দিনা হিসেবেই প্রমানিত । অথচ এর পরেও তাদের DCR প্রদান করা হচ্ছে না কোনো অজানা কারনে ।
আমার ১৩ শতাংশ ক্রয়কৃত একটি জায়গা সরকারের নামে রেকর্ড হয়ে যায়। জমিটি নামজারি করা ছিলো না।পরবর্তীতে জমিটি বিক্রি করতে গেলে বিষয়টি অবগত হই। দীর্ঘ তিন বছর মামলা চলার পর কোর্ট আমার পক্ষে রায় দিয়ে নামজারি করার অনুমতি দেয়। যার মাধ্যমে (এলাকায় পরিচিত দালাল) আমি জমিটির মামলা পরিচালনা করি উনি জমিটি নামজারি করার জন্য ৯০ হাজার টাকা দাবি করে অথচ সম্পূর্ণ জমিটির তখন বাজার মূল্য ৮ লাখ টাকা। আমার ইউনিয়ন সাব রেজিস্ট্রার এর সাথে আলোচনা করে উনার থেকে আর বের হতে পারি নি। তখন জমি সংক্রান্ত ধারণা কম থাকার কারণে ত্রিশাল উপজেলার আমিরাবাড়ি ইউনিয়ন এর সাব রেজিস্ট্রার কে দিয়ে ১৩ শতাংশ ৭৯ হাজার টাকায় নামজারি সম্পন্ন করি। এবং ঐ সাব রেজিস্ট্রার ৮০ টাকার একটি খাজনা রশিদ ধরিয়ে দিয়ে আরো ৫ হাজার টাকা নেয়।
নাম খারিজ করে দেয়া জন্য দাবী করা হয়ে ছিলো। সরকারি ফির এর অতিরিক্ত।
উল্লিখিত ভূমি অফিসে সরকার নির্ধারীত পোস্ট ২টি কিন্তু সেখানে চেয়ারে বসে কাজ করে ৪ জন অতিরিক্ত কোন নিয়মে কত বেতনে কাজ করে জানা নেই। তাছাড়া চেয়ার ছাড়াও একজন কাজ করে, তারই বা আয়ের উতস কি? বেশ কয়েকবার তাকে উক্ত ভূমি অফিস থেকে তাড়ানো হলেও পুনরায় বহাল তবিয়তে অবৈধভাবে সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে দিনের পর দিন, ,মাসের পর মাস, বছরের পর বছর অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে কাজ করে যাচ্ছে। দেখার কেঊ নাই।
ভূমি অফিসে একজন লোক আছে, যে ছোট-বড় প্রায় সব কাজের জন্য মানুষের কাছ থেকে টাকা নেয়। আমিও একটি নথি খুঁজে বের করার জন্য তাকে 1200 টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু প্রায় ৩ সপ্তাহ আমাকে ঘুরানোর পর, আমি টাকা ফেরত চেয়ে অন্য কাউকে দিয়ে কাজটি করানোর কথা বলতেই সে সঙ্গে সঙ্গে নথিটি বের করে দেয়। এতে মনে হয়, নথিটি তার কাছে আগেই ছিল; ইচ্ছা করেই মানুষকে ঘুরিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়। এমন কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
আমার বাবার জমির একটা খতিয়ান তুলতে গিয়ে সেটি সমস্যা আছে বলে আমার কাছে ৩০০০ টাকা দাবি করে।।কোনো উপায় না পেয়ে আমি সেই টাকা দিয়ে দিই।।দারুসা ভুমি অফিস
দালালের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
যায়গার মিউটেশন না দিয়ে মাসের পর মাস ঘুরায়, এবং যায়গা ভালো দামে বিক্রয় করার জন্য প্রলুব্ধ করে। বিক্রি করতে না চাইলে- গড় হাজির, মালিকানার প্রমান নাই ইত্যাদি কারণ দেখিয়ে, শুনানির তারিখ নাদিয়েই (এস এম এস) ৭/৮ মাস পর মিউটেশন নামঞ্জুর করে দেয়।
Amar Jomir Tax a 4lakh taka dekhiye, 2 lakh dabi kore, ami badho hoye 2lakh dei, tar moddo theke 1.5lakh ar tax rosid pai.
আমার জমির দলিল ঠিক থাকা সত্বেও একটু সমস্যার কারণে খারিজ নামঞ্জুর হচ্ছিলো। উক্ত ভূমি অফিসে কর্মস্থ ব্যাক্তির সাথে কথা বলে যা জানলাম তাতে উনি বলেছে কাজটা হয়ে যাবে কিন্তু টাকা লাগবে ৩০০০০ হাজার।আমও এর আগেও অনেকবার দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে ঘুরতেও আমার জমির খারিজটি করাতে পারিনও এতে যেমন অর্থ নষ্ট হয়েছে সেই সাথে সময় ও নষ্ট। তাই ইচ্ছা না থাকা সত্বেও আমি সেই ব্যাক্তিকে টাকা দিতে রাজি হই। কারণ আমি অসুস্থতাজনিত কারণে চলাচলে প্রায় অসমর্থ একজন ব্যাক্তি।কাজেই আর কোন কষ্ট করা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না তাই বাধ্য হয়ে রাজি হই যেন আমাকে আর দৌড়াদৌড়ি না করতে হয়। ২০০০০ টাকা ৩ ধাপে দিই তাকে কিন্তু আমার কাজ আর হয়নি।এভাবেই হয়রানির শিকার হয়েছি।
আমার কাছে সত্য রেজিস্ট্রেশন করা ভূমির নাম জারি করতে গেলে পাঁচ হাজার টাকা চাওয়া হয়। এবং অরশি জমি নাম জারি করতে গেলে ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। কিন্তু আমি সত্য রেজিস্ট্রেশন করা জমিটি নাম জারি করি সেখানেও আমাকে এক হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়। এখানে অনেক টাকার ঘুষ লেনদেন হয়। আপনার জমি সম্পর্কে যদি একটু কম বোঝেন তাহলে বিভিন্ন দালাল চক্র সাথে জড়িত সেখানকার কর্মকর্তারা আপনার কাছ থেকে অনেক টাকা নিয়ে নেবে। এবং নাম জারি মানেই সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা ঘুষ।
জমাবন্দি নকল পাওয়ার জন্য গেছিলাম। তখন তারা আমার কাছ থেকে একটা জমাবন্দি নকল পাওয়ার জন্য ৫০০/- টাকা দাবী করে। গত বছর সেম নকল তুলতে গেছিলাম এক টাকাও নেয়নি । এটি তুলতে কোন টাকা প্রদান করতে হয়না বলে জানিয়েছেন। কিন্তু এই বছর নিতে গিয়ে টাকা দিতে হয় বললো। তারাতারি নিলে বেশি টাকা দাবী করেছেন।
নামজারি করার জন্য লাগে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা কিন্তু চাই ৮ হাজার ন্স হলে হবে না। কাজটা
আমি জমির জমির খাজনা দিতে ৩ নং পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন তসিল দার এর কাছে যাই উনি আমার কাছ থেকে ২০০ টাকার খাজনার জায়গায় ১২০০ টাকা দাবি করে