জমির জন্য নাম পত্তন
ঘটনা সেটি হচ্ছে দলিলে লেখা নাই কি কারনে দলিল করা হলো অর্থাৎ ওই দলিলের পূর্বের দলিল সম্পর্কে কিছু বলা নাই বা কার কাছ থেকে পাইল এটা কিছু বলা নাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঘটনা সেটি হচ্ছে দলিলে লেখা নাই কি কারনে দলিল করা হলো অর্থাৎ ওই দলিলের পূর্বের দলিল সম্পর্কে কিছু বলা নাই বা কার কাছ থেকে পাইল এটা কিছু বলা নাই।
নামজারি করতে চাওয়া হয়েছে।
ঘুষ না পেয়ে নামজারি বাতিল, সেবা গ্রহীতাকে হুমকি, তহশিলদারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) —ের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেন, জমির নামজারি আবেদন ইচ্ছাকৃতভাবে বাতিল এবং অর্থের বিনিময়ে সরকারি রাজস্ব আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করায় এক ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত তহশিলদারের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী — (৩৮) সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের সিঙ্গিয়া কলোনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও —র ছেলে
অনলাইনে নামজারির আবেদন করে আবেদনের হার্ড কপি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর ভূমি অফিসে জমা দিতে যায় তখন কাগজপত্র দেখেশুনে যাচাই করার পর ভূমি অফিসের নায়েব ৬০০০ টাকা দাবি করে এবং অফার দেয় ১০ দিনের মধ্যে আমার আবেদন অনুমোদন করে দিবে।আমি বললাম আমার তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই, ধীরে সুস্থে দিলে ও চলবে। তখন তিনি উপায় না পেয়ে কাগজের ছোটখাটো কোনো ভুল খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো ভুলই খুঁজে পায় নাহ। পরবর্তীতে তিনি সরাসরি আমাকে বলে টাকা ছাড়া আমরা কোনো আবেদন গ্রহণ করি না এবং আশেপাশের কয়েকজন গ্রাহক কে দেখায় দেখো এইখানে যারা আসছে সবাই উদ্দিষ্ট বাড়তি টাকা দিয়েই আবেদন জমা দিয়ে গেসে। পরবর্তীতে অনেকটা তর্ক বিতর্কের জন্য তিনি ১ হাজার টাকা কমাতে রাজি হয় এবং সেই মুহূর্তে আমার টাকা দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকেনা।
জমি খারিজ করার জন্য গেলাম কাগজ পএ সব ঠিক থাকার পর ও নাকি ৩৫০০০ টাকা লাগবে পরে আর এখনো করিনি।
আমি গত এপ্রিল মাসে আমার মায়ের দান সূত্রে পাওয়া জমির নামজারি করতে এই ৩০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
নোয়াখালী জেলার, সোনাইমুড়ী উপজেলার, ৯ নং দেওটি ইউনিয়নের ভুমি অফিসে পিয়ন থেকে অফিসার সবাই বিষয়টার সাথে জড়িত, যে কোনো প্রকার জমির নামজারি করতে গেলে সর্বনিম্ন ১০০০০ দশ হাজার টাকা থেকে শুরু করে তাদের ঘুষ বানিজ্য,, পুরো ইউনিয়নের সকল মানুষই তাদের সম্পর্কে জানে, কোনো গোয়েন্দা সংস্থা যদি তাদের এই অপকর্ম ধরতো, হাজার হাজার মানুষের অনেক দোয়া পেতো, ,
আমি অনলাইন ঢুকে ২০২৬-২৭ হোল্ডিং ট্যাক্স জমা দেওয়ার জন্য আমার একান্ত লগইন করি। কিন্তু পেমেন্ট অপশন টোটালি নিষ্ক্রিয় করে রেখে সেবা গ্রহনকারীদের নিকট থেকে ১৮০ টাকার হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের জন্য ২০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পরে পেমেন্ট অপশন সক্রিয় করা হচ্ছে। এই অনৈতিক কার্যক্রমের সাথে সরাসরি জড়িত ভুমি রেজিষ্ট্রেশন অফিসের সরকার দলীয় পিয়ন থেকে মন্ত্রী পর্যন্ত সকলেই।
আমার চাচার জমি সরদার এবং আরেক চাচা মিলে দখল করে নিয়েছ।সরদার এবং পুলিশ ঘুষ খেয়েছেপুলিশ অনৈতিক কাজ করে।আমরা অসহায় দলিল আমার চাচার নামে তার পরও জোর করে সরদার এবং পুলিশ ঘুষ খেয়ে জমি দখল করে ধান রোপন করছে।
জমি নামজারি করতে ১০ হাজার টাকা দাবি করে।
নামজারি করতে ৮০০০ টাকা নিয়েছে
মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলা ভূমি অফিস ও সকল ইউনিয়ন ভূমি অফিস যেকোন সেবা যেমন নামজারি ভূমি কর বা অন্য কোন তথ্যে জানতে গেলে ১-১০ হাজার টাকা দাবি করা হয় না হলে সরকারি সেবা পাওয়া সম্ভব নয় এবং আমি নিজেও ২০০০ টাকা ইউনিয়ন ভূমি আফিসে ঘুষ দিয়ে নিজের নামজারি করেছি
দলিল করতে গিয়ে ৫০০০ টাকা ঘুষ চাইছে।
আমি — একটি রেজিস্ট্রি দলিল পাঠায় রসুলপুর গজারিয়া মুন্সিগঞ্জ রসুলপুর তোশিল অফিসে গভমেন্ট খরচ ১১ ৭০ টাকা কিন্তু আমার লোকের কাজ হতে 15000 টাকা দাবি করে তোশিলদার এসিস্ট্যান্ট মহিলা তার নাম পরে জানাবো আমি এখন কি করতে পারি
All Paper Was ok but they ask for money except govt. fee 1160 tk they ask me give 12000 tk then i complain against him haigher level then i get that service 1160tk Rakhalia Bhumi Office Raipur, Lakshmipur.
ইমার্জেন্সি কারণে জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম সেখানে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেছিল এবং মাঠে রেকর্ড উত্তোলন করতে গিয়েছিলাম সেখানে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেছিল।
দলিল করতে টাকা চাইছে
জমির খাজনা পরিশোধ করার জন্য টাকা নেয়।
ফেনীতে নামজারি করতে সরকারি খরচের বাহিরে ঘুষ দিতে হয় ইউনিয়ন ভূমি অফিস রিপোর্টের জন্য 1500 সার্ভেয়ার 1000 কানুনগো 1000 ভলিউম চেকিং +নোটিশ জারি 300 অনুমোদনের এসি ল্যান্ড 2200 ---------------------------------------- মোট খরচ= 6000/- আর যদি একটু জটিল হয় তাহলে দুই থেকে তিন গুণ বেড়ে যায়।
আমার জমি খারিজ করতে গেলে আমার কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও একটা অনুমোদন দেওয়া লাগে উনি অনুমোদন দেয় না, গিয়ে বসে থাকি উনি কথা বলে না বলে পরে আসেন পরে আসেন। দুইদিন যাবার পর বিরক্ত হয়ে পড়ে উনার অফিস সহকারীর মাধ্যমে টাকা দিয়েছি