Dolil korte
দলিল করতে টাকা চাইছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দলিল করতে টাকা চাইছে
জমি নামজারি করতে ১০ হাজার টাকা দাবি করে।
জমির খাজনা পরিশোধ করার জন্য টাকা নেয়।
আমার চাচার জমি সরদার এবং আরেক চাচা মিলে দখল করে নিয়েছ।সরদার এবং পুলিশ ঘুষ খেয়েছেপুলিশ অনৈতিক কাজ করে।আমরা অসহায় দলিল আমার চাচার নামে তার পরও জোর করে সরদার এবং পুলিশ ঘুষ খেয়ে জমি দখল করে ধান রোপন করছে।
আমার জমি খারিজ করতে গেলে আমার কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও একটা অনুমোদন দেওয়া লাগে উনি অনুমোদন দেয় না, গিয়ে বসে থাকি উনি কথা বলে না বলে পরে আসেন পরে আসেন। দুইদিন যাবার পর বিরক্ত হয়ে পড়ে উনার অফিস সহকারীর মাধ্যমে টাকা দিয়েছি
আমি অনলাইনে মিউটেশন করার জন্য আবেদন করেছি। আবেদনের কপি আমি আমার আত্মীয়র মাধ্যমে আবেদনের কপি জমা দেওয়ার সময় তার কাছে এই অর্থ দাবি করা হয়। সে আবেদনের কপি জমা দিয়ে চলে এসেছে। আমি অপেক্ষা করছি তারা কি করে।
আমার বড় চাচা আমার আব্বু সহ তার আরো দুই ভায়ের নামে কিছু জমি লিখে দেন ২০০০ সালের আগে। কিন্তু আমার আব্বু বা অন্য চাচারা কেউ ই সেই জমি মিউটেশন করেন নি। এখন আমার আব্বু সহ আমার অন্য চাচারা সবাই মারা গেছেন। কিছুদিন আগে আমি আমার সেই দুই চাচার ওয়ারিশদের কাছে থেকে সেই জমি ক্রয় করি কিন্তু জমি রেজিষ্ট্রি করার সময় সেই জমি আমার আব্বু ও চাচাদের নামে মিউটেশন করার প্রয়োজনে আমার শশুরকে ( আমার শশুর একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক) বললে তিনি ভুমি অফিসে কথা বলেন। তখন আমার শশুরের কাছে এসি ল্যান্ডের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। সেটি না দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি। অনলাইনের আবেদনের তারিখে হাজির হলে এসি ল্যান্ড পুলিশ ডেকে দালাল আক্ষা দিয়ে আমার শশুরকে ধরিয়ে দেন। বিষয়টি আমার এবং আমার পরিবারের জন্য কতটা লজ্জার ছিল?....
খরচার টাকা লাগবে, টাকা ছাড়া কাজ করতে পারবো না।
আমাদের বড়ভাই ঘোগাদহ ইউনিয়ন কাউন্সিল এর মেম্বার আমাদের বাবার নামে রেকর্ডীয় সম্পত্তি ওয়ারিশ সনদপত্র জাল করে আমাদের নাম বাদ দিয়ে তার একক নামে খারিজ করতে গিয়ে এসিলেন অফিসে ধরা পরচে কয়েকমাস পর তহসিলদারের সাথে যোগসাজশ করে 25000 টাকা ঘুষ দিয়ে পুনরায় খারিজ করে নিছে। আগের আবেদন নাম্বার —, এখনকার আবেদন নাম্বার-— (তহসিলদার করে দিছে)
জমির খতিয়ানে যে দাগ নম্বরগুলো উল্লেখ রয়েছে, ভূমি উন্নয়ন কর (ট্যাক্স) রসিদেও একই দাগ নম্বর অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আমি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলা ভূমি অফিসে আবেদন করি। এ কাজটি করে দেওয়ার বিনিময়ে আমার কাছে প্রতি দাগের জন্য ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা করে দাবি করা হয়। আমার মোট ৪টি দাগ থাকায় সর্বমোট ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা দাবি করা হয়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে আমি ৭০,০০০ (সত্তর হাজার) টাকা প্রদান করে কাজটি সম্পন্ন করি।
খরচার টাকা ছাড়া হবে সুচী সংশোধন না, সার্বেয়ার কে দিতে হবে, আমার অল্প কিছু থাকবে
গ্রামের জমির খাজনা পরিশোধ করতে গিয়ে ঘুষ দাবি করে
নামজারি করতে সরাসরি ঘুষ চেয়েছে
uttarkhan kachkura vhumi office took 12000 taka for my land namjari.
ডেভেলপারারের কাছ থেকে ফ্লাট কেনা হয়েছিল। রেজিষ্ট্রেশন করা হয়েছিল। নামজারী করার সময় নির্ধারিত ১১৭০ টাকা পরিশোধ করে অনলাইনে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু দুইবার প্রত্যাখ্যান করা হয় এটি নাকি খাস খতিয়ানভুক্ত। তারপর সেই ভূমি অফিসের কর্মচারীর মাধ্যমে ৪০০০০ টাকা নগদে কাজটি সমাধা হয়। ৪০০০০ টাকা হাতে পেলে সেটি আর খাস খতিয়ানভুক্ত থাকে না। ফ্লাট কেনার আগে আমি ভূমি অফিসে খোঁজ নিয়ে জেনেছিলাম, এটি খাস খতিয়ানভুক্ত নয়। ঘটনাটি ২০২৪ সালের প্রথম দিকের। হয়রানি এড়াতে বাধ্য হয়ে ৪০০০০ টাকা ঘুষ দিই।
১০ শতাংশ জমি খারিজ করে দিয়েছে ৩০০০ টাকা নিয়েছে ডিসিআর বাদেই
দাখিলা কাটার জন্য নায়েবের সংগে সাক্ষাত করতে চাইলে নায়েব বাজে ব্যবহার করে বাইরে দুজন দালালকে দেখিয়ে দেয় এবং তাদের সাথে আলাপ করতে বলে। ওই দুজনের সাথে আলাপ কালে তার দাখিরা কাটিয়ে দেয়ার নামে ১০০০০ হাজার টাকা দাবি করে,তখন তাদের দরকষাকষি করে ৮৫০০ টাকায় ঠিক হয়। এবং ৮৫০০ টাকা দিলে তারা আমার দাখিলা কেটে দেয়। কিন্তু রসিদে ৭৪২ টাকা লেখা দেখলে তাদের কাছে জানতে চাই তাহলে আমার কাছ থেকে এত টাকা নিলেন কেন। তারা উত্তর না দিয়ে অন্য দিকে চলে যায়। বিঃদ্রঃ টাকা নেয়ার সময় আমার সামনেই একজন সিসি ক্যমেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। কিছু বলতে পারি নাই কারন দালাল আর অফিসের নায়েব মিলেই একটা সিন্ডিকেট।
সরকারি হিসেবে জমি নাম জারি বা মিউটেশন করতে মাত্র ১১৭০ টাকা লাগে। কিন্তু এই টাকা দিয়ে আবাদন করলে তা রিজেক্ট হয় কিংবা মাসের পর মাস ফাইল জমা পড়ে থাকে, নামজারি বা মিউটেশন হয় না কিছুতেই । তাই নিরুপাই হয়ে ভূমি অফিস এর কম্পিউটার অপারেটর এর মাধ্যমে সেই নাম জারি বা মিউটেশন কাজের জন্য ১২০০০ টাকায় চুক্তি/কনটাক্ট হয়েছে । এখন ফাইনালি সেই ঘুষের বিনিময়ে জমির মিউটেশন সফল হয়েছে।
আমি রেকর্ড সংশোধন করতে গেলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস প্রধান কর্মকর্তা ২০০০০ টাকা দাবি করে। আমি তাকে বলি সরকারি ফি তো ১২৪০টাকা, আপনি এতো টাকা কেন চাচ্ছেন। তিনি উওর দিলেন থানা ভূমি কর্মকর্তাসহ সবাইকে ঘুষ দিতে হয়। ২০০০০টাকা দিলে কাজ হবে না হয় হবে না।
আমি আমার মোট ১৭৭ শতক জমির খাজনা পরিশোধের জন্য ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গেলে সেখানকার দায়িত্বরত একজন অফিসার আমাকে বলে নিয়ম অনুযায়ী আপনার খাজনা আসে ৬০০০০ টাকা।এবং আমাকে বলে আপনি যদি আমাদের সাথে নেগোসিয়েশন করেন ৩০০০০ টাকা দিলে হবে।আমি যখন ওনাকে বললাম আমাকে কোন রিসিভ দিবে কিনা।তখন ওনি বললেন টাকা দিতে হবে ৩০০০০। আমি পরে দরকষাকষির এক পর্যায়ে আমি ২৫০০০ টাকা দিতে সম্মত হয়।পরে পরিশোধের পর আমি রিসিভ চাওলে আমাকে রিসিভ দেয় প্রায় ২০০০ টাকার।আমি ওনাকে প্রশ্ন করলে আর বাকি টাকাগুলো কোথায়।তখন ওনি আমাকে বলে বাকি টাকাগুলোর রিসিভ দেওয়া হবে না। আসলে আমরা সাধারণ মানুষ এইসব সরকারি অফিসের কাছে জিম্মি।