নামজারি বলেন আর ভূমি উন্নয়ন কর বলেন নায়েব অফিসে গেলে টাকা ছাড়া কাজ হয় না
আমার ব্যক্তিগত কোনো কাজ নয় এটা ইউনিয়নের সকল শ্রেণীর মানুষের জন্য উপকারী স্বার্থে এই অভিযোগ করা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার ব্যক্তিগত কোনো কাজ নয় এটা ইউনিয়নের সকল শ্রেণীর মানুষের জন্য উপকারী স্বার্থে এই অভিযোগ করা
আমি রেকর্ড সংশোধন করতে গেলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস প্রধান কর্মকর্তা ২০০০০ টাকা দাবি করে। আমি তাকে বলি সরকারি ফি তো ১২৪০টাকা, আপনি এতো টাকা কেন চাচ্ছেন। তিনি উওর দিলেন থানা ভূমি কর্মকর্তাসহ সবাইকে ঘুষ দিতে হয়। ২০০০০টাকা দিলে কাজ হবে না হয় হবে না।
আমার ৩০ বছর আগে ক্রয়কৃত জমি যেখানে শান্তি পুর্ন ভাবে ভোগ দখলে আছি।এখন নামজারি করতে গেলে 6000 টাকা ঘুস দেওয়া লাগছে।
আমাদের ক্রেতার জমির রেজিস্ট্রেশন করার জন্য বিগত তিন বছরের বকেয়া খাজনা পরিশোধ করতে হবে কিন্তু তার আইডি পাসওয়ার্ড করা নেই আগে যেটা করা ছিল তা তিনি হারিয়ে ফেলেছেন কোন নাম্বার দিয়ে করেছেন সেটা বলতে পারতেন না তাই তারা বলেন ডিরেক্ট কেটে দেয়া যাবে সেক্ষেত্রে তাদেরকে ৮ হাজার টাকা দিতে হবে পরে দরকোষা করে 5000 হয়।
ভূমি নামজারি সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা আমার কাছে চেয়েছে ৮০০০ টাকা যা আমি পরিশোধ করেছি। ৮০০টাকা ছাড়া আমার কাজ বন্ধ ছিল।
টাকা দেওয়ার পরেও এখনো কাজ হয়নি।
দখল উচ্ছেদ মামলার রিপোর্ট দেওয়ার জন্য ৩৫০০০ টাকা ঘুশ দিতে হই। নাহলে আমার বৈদ জাইগা অন্নের নামে রিপোর্ট দিয়ে দিবে বলে হুমকি দেয়। জার জন্য আমি টাকা দিতে বাদ্দ হই।
ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি সাম বাটোয়ারা করার জন্য ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম । ভূমি বাটোয়ারা করার স্বার্থে অফিসের সামনে যে মুহুরী থাকে সেই মুহুরী দ্বারা সাব রেজিস্টার চল্লিশ হাজার টাকা দাবি করে । বিশেষ দ্রষ্টব্য : স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে এই একজন মুহুরী ব্যতীত অন্য কোন মুহুরী কাজ করতে পারে না রায়গঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ।
জমি রেজিস্ট্রি করার সময় বলেছে টাকা না দিলে জমি রেজিস্ট্রি করবে না। পরে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
সিলেট সদর ভুমি অফিস এর কানুনগো কুমিল্লার মানুষ এই টাকা চায়।
বলেছিল ওই দাগে খাস আছে। ওখানে সরকারি আই মাত্র ৩৫০০ টাকা
জমির খতিয়ান তুলা, টেক্স কাটা,
জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে মিউট মামলা পরার পরে আমার থানার যে ফাইলিং করে তাকে টাকা না দেওয়ার কারনে ফাইল মাসের পরে মাসে ধরে রেখে ১ বছর পর ফাইলে ত্রুটি আছে বলে ফেরত দেয়। আর সার্ভের যে তিনি টাকা না দিলে দিনের পরে দিন ঘুরায়, এবং প্রতিবেদন দেয় না।
৫ আগস্ট ২০২৬—জমি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে তহশিলদার সরেজমিনে এসে আমাদের কাগজপত্র, খতিয়ান ও দখল সঠিক পান। বাদীপক্ষের ৭ শতাংশ জমি থাকলেও ৯ শতাংশ দাবি করে মামলা করে; অতিরিক্ত দাবির পক্ষে কোনো কাগজ দেখাতে পারেনি। এরপর তদন্ত রিপোর্টের জন্য আমাদের কাছে ১০,০০০ টাকা দাবি করে বলা হয়, “কাগজ যতই সঠিক থাকুক, আমরা যে রিপোর্ট দেব সেটাই মূল।” বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
আমার আব্বু খতিয়ান করার জন্য এপ্লাই করছে। কিন্তু ওনারা প্রথমবার অনুপস্থিত দেখিয়েছে, তারপর দ্বিতীয়বার কাগজপত্র পাই নাই এপ্লাইতে এইরকম দেখিয়ে বাদ দিয়ে দিয়েছে এরপর তৃতীয়বার তফসিল যিনি ওনি দাবি করেছে ১৫০০০ টাকা এবং ওইদিনের মধ্যেই জমা দিতে হবে সেজন্য আব্বু ওই তফসিলকে টাকাটা দিয়ে ও দিয়েছে এরপর ও আবেদনটা করে দেই নাই কি একটা কাগজ নেই বলে নাখচ করে দিয়েছে এখন চতুর্থবার চলতেছে এইবার ও শুনানির দিন যাওয়ার পর বলতেছে জমি খতিয়ানের একটা দাগে.(পয়েন্ট) পরিমাণ জায়গা বেশি উল্লেখ করছে যার জন্য আবার এপ্লাই করতে বলছে কিন্তু মিউটেশনে এখনো কোনো রেসাল্ট দেয় নাই।রেজাল্ট দিলে রিএপ্লাই করতে হবে আবার।।। জানিনা এইটার কোনো সুরাহ হবে কিনা
মিসকেইস সংশোধন এর জন্য ১ লাখ দাবি করেন আমি ১০,০০০ দিয়েছি । এখন ট্রান্সফার জানি না আবার বিরম্বনার সম্মুখীন হবো কি না।
নামজারি বাতিল সংক্রান্ত কাগজপত্র ফটোকপি জন্য । চারটি কাগজে ফটোকপি জন্য 12000 টাকা দাবি করে পরে আমি ২০০০ টাকা দিই। সে বলে আরোও 4000 টাকা দিতে হবে
একটি অপর জারি মামলার নতি ফেরত চেয়ে আবেদন করি এক বছর আগে জজ সাহেব মঞ্জুর করেন কিন্তু ফেষ্কার রুম থেকে ফেরত দিচ্ছে না বলে 12000 টাকা দেন একমাস হলো আমার উকিল মেডাম বলছে আর একটা তারিখ নেন সবাই চোর চট্টগ্রামের পটিয়া কোর্টে
ভুমি অফিস, নামজারি সেবা , জমির পরিমাণ একটু বেশি (১০৬ শতাংশ)ছিল তাই খরচ হবে। কুমারগাতা ভূমি অফিস। পৌরসভা ভূমি অফিস।
খারিজ করার ফি টোটালি জাবে ১২০০, থেকে ১৪০০।সেই জায়গায় ভুমি অফিসে দিতে হচ্ছে ৫০০০,থেকে ৪০,০০০ পর্যনত।