খতিয়ান তৈরী করা
গ্রামের ক্ষুদ্রজমি উত্তরাধিকারের খতিয়ান তৈরী করার সময় অর্থ দাবী করেন
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গ্রামের ক্ষুদ্রজমি উত্তরাধিকারের খতিয়ান তৈরী করার সময় অর্থ দাবী করেন
আমার ৬ শতাংশ জায়গা আমি খাজনা দেওয়ার জন্য গিয়েছি দুই বছরের আমার হিসাবে হয়তো ২৪ থেকে ৩০ টাকা হতে পারে আমার থেকে ২০০ টাকা দাবি করে আমি ভূমি অফিসে অফিসার আমি বলেছি আমার দুই বছরে আর কত টাকায় আসে না হয় ৩০ টাকা আসে বা ৪০ টাকা আমি কেন ২০০ টাকা দিব উনি আমাকে বলতেছে ২০০ টাকা দিলে আপনার দাখিলা বা খাজনা কেটে দেব না হলে চলে যান পরে আমি ২০০ টাকা দিয়ে কেটে নিই তবে এটা প্রথমবার না এভাবে যতবার গিয়েছি তত বারে আমার কাছ থেকে টাকা বেশি দাবি করেছে এবং নিয়েছে আজকে প্রায় ১০-১২ বছর পর যাবৎ এভাবে চলতেছে
জমি নামজারি, অনেক দিন ঘুরায়ে করে দেননি
১৫০০০০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছে
দক্ষিন পাহাড়তলী ভুমি অফিস, আগ্রাবাদ সার্কেল চট্টগ্রাম এর তহশীলদার ঘুষ ছাড়া বা খরচের টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা। নামজারী খতিয়ান তামিল, নামজারীর জন্য তহশীলদারের প্রতিবেদন ইত্যাদি করার জন্য বেশি পরিমান দাবি করে। টাকা দিইই নাই বলে ফাইলের কাজ করে নাই এখনো।
নামজারি পতিবেদন এর জন্য ৫০০টাকা।হোল্ডিং খোলার জন্য ২০০টাকা
ভূমি অফিস এ নামজারি করতে 15000 টাকা নিয়েছে না হলে অনোমোদন দেয় না তারা বলে তাদের নাকি উপরমহল পর্যন্ত দিতে হয়
1170 টাকার নামজারিতে নিছে 10000 টাকা
শরীয়তপুর জেলার জাজিরা থানার পৌরসভা এবং সকল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে প্রত্যেকটি নামজারি আবেদন সম্পন্ন করার জন্য তহশিলদার এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা সরকারি ফি এর পরিবর্তে অতিরিক্ত ৭০০০ টাকা নিয়ে থাকে, এবং এটি বাধ্যতামূলক। কেউ যদি এই অর্থ পরিশোধ না করে তাহলে সে মাসের পর মাস তহশিল অফিসে ঘুড়েও কাজ হয়না, ফাইলটি পেন্ডিং অবস্থায় ঝুলে থাকে।
পূর্বাচলে জমির নাম হস্তান্তরে রুপগঞ্জ ভূমি অফিসে ধাপে ধাপে ৫০ হাজার টাকার ও বেশি ঘুষ প্রদান।
পৈত্রিক সম্পত্তি নাম জারি করতে গেলে তখন তারা এই টাকাটি দাবি করে
আমি ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম, আমার ক্রয় কৃত জমি খারিজ করার জন্য, একটা দলিলের ফটোকপি দেখালাম এবং বললাম আমার কাছে একই দাগের আরও একটা দলিল আছে দুইটা দলিল আমি একসাথে খারিজ করব, অফিসের একজন কর্মকর্তা বলল হবে 12000 টাকা দিতে হবে কম হবে না, যখন আমি চলে আসব তখন আমার বলল ৫০০ টাকা কম দিয়েন, নিয়ে আসেন করে দিব নে, এই খারিজের সরকারি ফ্রি ২০+৫০+১১০০=১১৭০ টাকা। তারপর আমি তৃতীয় পক্ষের কাছে খারিজের জন্য দিলাম মূল্য একই ১২ হাজার টাকা
সকল কাগজপত্র দাখিল করার পরও সন্ধ্যায় তাদের সাথে দেখা করে টাকা দিতে হবে ওনাদের প্রাইভেট অফিসে।
আমি জামির কর/খাজনা আদায় করতে গিয়েছিলাম, কালিশুরী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। আমার কাছে ৬০০০ হাজার টাকা দাবি করে, আমি টাকা দেয়ার পরে আমাকে ৯৮ টাকার কর রশিদ দিয়েছে।
Namjari korer jonno apply korte hoise dolil korer por
জমির মিটিশন করেছি, তহশিলদার, এসিল্যান্ড কেউই সহযোগিতা করেনি, তার পর DC, UNOস্যার কে বলছি, তার পর করে দিয়েছে, তহসিলদার ১০হাজার টাকা নিয়াছে, তাও ভুল করেছে, পরে আবার UNO sirকে বলেছি, এবং ঠিক করেছি, আমি —, WSH TRAINER সিংগাপুর প্রবাসী। —. ,
আমি একটি খারিজ করার জন্য গিয়েছিলাম একজন আমাকে ইনিয়ে বিনিয়ে কত কিছু বললো তারপর উনি আমাকে বললেন এইসব কিছুই লাগবে না যদি আপনি ২৫০০০ টাকা দেন তাহলে কিছুই আপনাকে করতে হবে না সব ঠিক করে দিব.আজ তিন মাস হল এখনো পয্ন্ত আমার খারিজটা করতে পারছি না. ওইখানে আমি যা দেখলাম সরকারি কোন সেবা টাকা ছাড়া দেয় না.
পৈতৃক সম্পত্তি নামজারী করার জন্য দালাল, ইউনিয়ন ভূমি কর্মচারী ও ভূমি সহকারী কমিশনারের কথা বলে ঐ টাকা ঘুষ দিতে হয়
নামজারি করতে ৬ মাসে অনুমোদন দেয়নি পরে টাকা দেওয়ার পরে অনুমোদন দিয়েছেন
আদালত এর রায়ের ভিত্তি তে জমির মালিকানা পাই, মিসকেস করে নিজের নামে নামজারি করার সময় এদিক সেদিক পেচিয়ে টাকা টা নেওয়া হয়। টাকা দিলে কাজ হয় না হইলে হয় না। এসি ল্যান্ড থেকে নিম্নতর সব্বাই ঘুস খোর।